প্রিয় রুদ্র,

“ভালো আছি ভালো থেকো

আকাশের ঠিকানায় চিঠি লেখো” চিঠিতো রোজই লিখি,তবে সংশয় হয় তুমি কি পাও সে চিঠি?পড়তে পারো কাগজের ভাজ খুলে?ওপারে বসে  বুঝতে পারো কি করুন হাহাকার বুকের  ভেতর? চিঠির ভাষায়!

তুমি হীন তোমার নিসঙ্গতার দাপটে কতটা গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে বুকের ভেতর কাচা কলিজায়?

 

“জানো?  চার দিকে শুধু কবি আর কবিতার ছড়াছরি

অথচ তুমি নেই, দ্রহ নেই, অযত্নে স্বাধীনতার করুন হামাগুড়ি।”

নির্যাতিত নিপরিত কন্ঠে কেউ কথা বলে না মোটেই।যদিওবা ছিটেফোটা আওয়াজ আসে তা কেবলই স্বস্বার্থে।প্রমাপ্লুত কন্ঠে কেহ আর হুংকার করে না  তোমার মত নিঃস্বার্থ।

 

এই আধপোড়া সমাজ সংসারে তুমি কি পারো না ফিরতে, পাখি হয়ে?

 

যানো! তোমার ফেরার বাহানায় কি আজব কান্ড ঘটাই?সেই যে বললে, আকাশের ঠিকানায়   চিঠি লিখতে! শুধু চিঠি লিখেই শান্ত হতে পারি না যানো! প্রেমিকার উষ্ণ ছোয়া  উপক্ষা করে  আমি নিশী জেগে  চেয়ে রই আকাশের পানে।

 

হাজারো তারার মেলায় যদি ভেসে উঠে তোমার মুখ, আমি আপ্লুত হতাম।চকিতে যদি কানে আসে রাতজাগা পাখির সুরেলা সুর,তোমার প্রেমিক কন্ঠ খুজে নিতাম।হিংস্র প্রাণীটি যদি খেকিয়ে উঠে একটি বার,তোমার  বজ্র কন্ঠ খুজে নিতাম।  তবুও তোমায় পেতাম।

 

“যদিও তেমায় পাই মনে মনের গহিনে,

তুমি বেচে আছো কবিতায়  হাজারো প্রাণে।”

 

ওপারে ভালো থেকো, প্রেমের কবি, দ্রহের কবি।

 

ইতি

রুদ্র” তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্ত মোহাম্মদ দিদার

প্রিয় রুদ্র
প্রিয় রুদ্র
২৭৫জন ১৯৮জন
0 Shares

১০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য