FB_IMG_1469421029719

 

চিত্রকলার আলাদা একটি মাত্রা বলা যায়। রিকশার যাবতীয় শিল্পকর্ম যা চিত্রিত পশ্চাদ্ফলক ও পশ্চাতের পার্শ্বফলক থেকে খাঁজকাটা কারুকার্যখচিত হুড এবং প্লাস্টিক ও কাগজশোভিত পিতলের ফুলদানি পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। মূলত রিকশাচিত্র বলতে উজ্জ্বল রঙে আঁকা কিছু চিত্রকে বোঝায়, যা খুব সাবলিল ভঙিতে বিষয়বস্তুকে উপস্থাপন করতে সক্ষম। সাধারণত ভারত এবং বাংলাদেশের রিকশার পিছনে, হুডে এবং ছোট ছোট অনুষঙ্গে এই বিশেষ চিত্রকলা লক্ষ করা যায়।

 

বিশেষজ্ঞগণ এধরণের চিত্রকলাকে ফোক আর্ট, পপ আর্ট কিংবা ক্র্যাফট সব দিক দিয়েই আলোচনা করতে পছন্দ করেন। তাঁদের মতে, যেকোনো বস্তুরই ‘ফর্ম’ আর ‘ডেকোরেশন’ নামে দুটি দিক থাকলেও রিকশাচিত্র কেবলই একপ্রকার ‘ডেকোরেশন’, এর ব্যবহারিক কোনো দিক। নেই চিত্রকরদের মতে, রিকশাচিত্রের টান বা আঁচড়গুলো খুবই সাবলিল, প্রাণবন্ত এবং স্পষ্ট, এবং টানগুলো হয় ছোট ছোট ও নিখুঁত। অথচ এই বিশেষ চিত্রকলার জন্য নেই কোনো আলাদা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা।

একেবারে দেশজ কুটিরশিল্পের মতই শিল্পীরা স্বপ্রণোদিত হয়ে শিখে থাকেন এই চিত্রশিল্প এবং নিজের কল্পনা থেকেই এঁকে থাকেন এসব চিত্র।যদিও উচ্চবিত্ত শ্রেণীর লোকজন রিকশাচিত্রের মর্যাদা সম্পর্কে অতোটা ওয়াকিবহাল নন এবং কিছুটা হেয় করেই দেখে থাকেন।

 

বাংলাদেশে রিকশাচিত্র ১৯৫০-এর দশক থেকে প্রচলিত, রিকশায় জ্যামিতিক নকশার পাশাপাশি ফুল, পাখি এমনকি জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকাদের ছবি আঁকারও প্রচলন ছিল।

এরমাঝে উল্লিখিত একটা আর্ট হলো মোনাজাত তোলা একটা মেয়ের ছবি ১৯৯৭ থেকে ২০০০ প্রজন্ম অনেক প্রচলিত ছিলো , অর এ আর্ট সবচাইতে ভালো করতে পারত [ #জহির_আর্ট_মেন] বর্তমান মালদিপ প্রবাসী ।

 

কখনও রিকশাচিত্রে রিকশাওয়ালার ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিফলিত হতো, আবার কখনও হয়তো নিছক কোনো বক্তব্য কিংবা সামাজিক কোনো বিষয় দেখা যেত ।

১২৮জন ১২৭জন
0 Shares

৩০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য