সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

আজ “আষাঢ়ে পূর্নিমা বা

গুরু পূর্নিমা”❤️———

০৪/০৭/২০😊

শুভ গুরু পূর্নিমা❤️

দিনটিকে সেলিব্রেট করতে আর ডিপ্রেশন কমাতে আজ আমরা দুইবোন রাস্তা-ঘাটে প্রচুর ঘুরেছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় রিক্সায় জোরে জোরে গান গেয়েছি। রাস্তায় দাড়িয়ে গরম গরম জিলেপি খেয়েছি। গুরুদের জন্য গাছ কিনেছি।

কথায় আছে যার কোন গুরু নাই, তার গুরু শয়তান। আমাদের জীবনে কিন্তু অনেক গুরু। আজ আমাদের গুরুদের উদ্দেশ্যেই তিনটে চারা গাছ কিনেছি।

আমার এই চারাগাছগুলা আমি একজন রিক্সাওয়ালা চাচাকে ডেডিকেট করলাম। বিকজ আজ থেকে তিনিও আমার একজন গুরু। চারা গাছগুলোর ছবি কাল দিব।

আমরা রিক্সা জার্নি করেছি মিরপুর টু আগারগাঁও এবং আগারগাঁও টু মিরপুর। ছাতা নিতে আজ একদম মনে ছিল না। তাই হঠাৎ বৃষ্টি আশাতে রিক্সাতেই দুইবোন অনেক ভিজে গেছিলাম। আমাদের রিক্সা থামল মিরপুর ১০ এ ফলপট্টিতে। রিক্সা থেকে নামার সময় দুইবোন বলাবলি করছিলাম, “বৃষ্টিতে ভিজে কিভাবে বাসায় যাব? জ্বর টরও তো আবার চলে আসবে।”

আমাদের কথা শুনে আমার গুরু রিক্সাওয়ালা চাচা আমাদের বললেন, “মামনি বৃষ্টিতে ভিজজা ভিজজা বাসায় চইললা যাও। কিচ্ছু হবে না তোমাদের। তোমরা ইয়াং মানুষ। তোমরা শক্ত থাকবা। জ্বর আসবে কেন? বাসায় গিয়ে গোছল করে ফেলবা। আর একটা কথা শোন। কখনো মন ছোট করবা না। মনটাকে সবসময় বড় রাখবা। তাহলে জীবনে অনেক বড় হতে পারবা।”

আমরা চাচার কথা শুনে হাসি মুখে সম্মতিসূচক মাথা নাড়ালাম। আমি তাকে ১০০ টাকার ১টা নোট হাতে দিয়ে বললাম, “ নেন চাচা আপনার ভাড়াটা”। তারপর আরও ১০ টাকা হাতে দিয়ে বললাম, “চাচা এটা দিয়ে আপনি চা খাবেন”।

চাচা হাসি মুখে টাকাটা নিয়ে বললেন, “ একটাই দু:খ লাগছে তোমাদের বাসায় নিতে পারলাম না। ভালো থেকো তোমরা।”

আমরা “চাচা যাই, ভাল থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।” বলে বিদায় নিলাম।”🤓

শুভ গুরু পূর্নিমা❤️

৩২২জন ২৮৬জন
0 Shares

৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য