মেঘের দেশ সাজেক

কামাল উদ্দিন ১৮ মে ২০২০, সোমবার, ০৩:০১:৫৩অপরাহ্ন ভ্রমণ ২১ মন্তব্য

সাজেক ভ্যালি বলতে রুইলুই ও কংলাক এই দুইটি আদিবাসি গ্রামকেই বুঝায়। মূলত সাজেক রাঙামাটি জেলার একেবারে উত্তরে বাঘাইছড়ি উপজেলার একটা ইউনিয়ন। রাঙামাটি জেলায় হলেও সাজেক যেতে হয় খাগড়াছড়ি থেকে। আর রাঙামাটি থেকে সাজেক যেতে হলে কাপ্তাই লেক পাড়ি দিয়া খাগড়াছড়ি জেলা হয়েই ওখানে যেতে হয়। সাজেকের উচ্চতা ১৫০০ ফুটের মতো। এই গ্রাম দুটিতে লুসাই,পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসীরা বসবাস করে। আদিবাসিদের জীবন যাত্রা খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে রুইলুই পাড়াটা সত্যিই অনন্য। কংলাক পাড়া ছাড়া বাকী তিন দিকের পাহাড়গুলো সাজেক থেকে নিচু হওয়ায় ঐ দিককার পাহাড় চুড়া এবং সেখানকার আদিবাসিদের বাড়ি-ঘর গুলো ছবির মতো সুন্দর দেখায়। সাজেক ভ্যালিতে দাড়িয়ে মেঘে ঢাকা নিচের পাহাড় চুড়া গুলোর দিকে তাকালে মনে হবে যেন এক স্বপ্নের জগৎ। সেই সাথে দূরের মিজোরামের পাহাড় ও যেন আপনাকে হাতছানি দিবে ওখানে ছুটে যেতে। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তাটাই এ্যডভেঞ্চারে ভরপুর। রাস্তার বাঁকে বাঁকে আদিবাসি কুড়েগুলো দেখলে সত্যিই মন জুড়ায়। কখনো রাস্তা এতোটাই খাড়া উঠে গেছে বা নেমে গেছে যে বুকে সত্যিই কাঁপন ধরায়। তবে একটা ভালো ব্যাপার হলো পুরো রাস্তাই মসৃণ পিচঢালা।


(২/৩) সাজেক যাওয়ার পথ, আর সেই পথের ধারে আদিবাসিদের বাড়িঘর।


(৪) ওখানে যাওয়ার পথে দেখবেন আদিবাসি শিশুরা আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে….ওদের জন্যও শুভেচ্ছা স্বরূপ কিছু চকলেট সাথে নিতে ভুলবেন না যেনো।


(৫) রাস্তা খুব প্রশস্ত নয়, দুইটা চান্দের গাড়ি মোটামুটি ক্রস করতে পারে।


(৬/৭) সবুজ গাছগাছালির ভেতর দিয়ে এমন সুন্দর রাস্তায় চলতে নেই কোন ক্লান্তি।


(৮) সাজেক রিসোর্ট :রুইলুই পাড়ার একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত আর্মি পরিচালিত এই রিসোর্ট।


(৯/১০) রিসোর্ট রূনময়:এটি রুইলুই পাড়ার শেষ প্রান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ আর্মি পরিচালিত একটি রিসোর্ট।


(১১/১২) রুইলুই পাড়ার লাল সবুজ আদিবাসি কুড়েগুলো দেখতে কিন্তু বেশ লাগে।


(১৩) যদিও সেনা বাহিনীর শৈল শিখড়ে আমাদের থাকার জন্য নির্ধারিত রুম ছিলো তবু আমরা হেলিপ্যাডে তাবু টানিয়ে কয়েকজন ঘুমিয়ে ছিলাম বা বলা বলে পুর্ণিমার চাঁদের সাথে লুকোচুরি খেলছিলাম।


(১৪) দু’দিন আগেই পূর্ণিমা ছিলো, আদো ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদটা আমাদের সাথে সারা রাত্রি মেঘের আড়ালে লুকোচুরি করেই কাটিয়ে দিলো।


(১৫) ভোরে উঠেই আদিবাসি তরুণীরা নিচের কোথাও থেকে পানি নিয়ে আসছে।


(১৬/১৭) কেউবা কুড়ের দরজা খুলেই আড়মোড়া ভেঙে মোটা বাঁশের পাইপে তামাক খায়ে সারা দিন কাজ করার শক্তি যুগিয়ে নিচ্ছে।


(১৮) রুইলুই পাড়ার স্টোন গার্ডেন।


(১৯) ফিরে আসার আগে খুব স্বল্প সময়ের জন্য গিয়েছিলাম কংলাক পাড়া, এটা কংলাক পাড়ার একটা ঘরের ছবি।


(২০) কংলাক পাড়ার উঁচু পাহাড়ে দাড়িয়ে তোলা রুইলুই পাড়ার ছবি।

১০২জন ২৬জন
0 Shares

২১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য