বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বদেশীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি অনেক বিদেশীরাও বিভিন্ন দিক দিয়ে সহযোগিতা করে বাংলাকে স্বাধীন করেছিল সেই সব বীরদের আমরা নতুন প্রজন্মরা হয়তো অনেকেই চিনি না।তাদের মধ্যে অন্যতম কলকাতার গোবিন্দ হালদার ।এই মরমীয় গীতিকার সূর স্রষ্টা ১৯৩০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর রচিত প্রথম কবিতা ছিল ‘আর কত দিন’।সে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কবিতা ও গান লিখে গেছেন।তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ছিল দূর দিগন্ত।যুদ্ধ এমন এক অভিশাপ যা কত দিন পর থামবে কিংবা জয় বিজয়ের সানাই বাজবে তা বলাটা সহজ নয়,কখনও যুগ কখনও বছর কখনও মাসকে মাস লেগে যায়, আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধটিও যুগ যুগ হবার লক্ষন ছিল কেননা একটি সমরাস্ত্রে সয়ংসম্পর্ন দেশ থেকে কিছু অংশ বাংলাদেশ নামে একটি সার্বোভৌমত্ত্ব পাওয়া কিংবা স্বাধীন করা এত অল্প সময়ে জন্য দূঢ় ছিল কিন্তু কিছু উৎসাহিত দেশপ্রেমিকের আমরন পণের কারনে মাত্র নয়টি মাসেই পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে সম্পূর্ণ একটি নতুন দেশ জায়গা দখল করে নেয়, যার উৎসাহ দানের কৃতিত্ত্ব এই সব বিদেশী সহ যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত কর্মকান্ডগুলো।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের
  সময় স্বাধীন বাংলা বেতারে সম্প্রচারিত তার লেখা গান গুলো মুক্তি যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করত মন্ত্রের মতন। মুক্তি যুদ্ধের সময় তার রচিত উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, লেফট রাইট লেফট রাইট, হুঁশিয়ার হুঁশিয়ার, পদ্মা মেঘনা যমুনা, চলো বীর সৈনিক, হুঁশিয়ার, হুঁশিয়ার বাংলার মাটি  অন্যতম।তিনি ভারতের আকাশবাণী বেতারের কেন্দ্রের তালিকা ভুক্ত গীতিকার ছিলেন  সে ২০১৫ সালের ১৭ই জানুয়ারি কলকাতায় ইন্তেকাল করেন।
মহান এই ব্যাক্তিটির সম্পর্কে আরো জানা যায়, সে বন্ধু কামাল আহমেদের অনুপ্রেরণায় এবং উৎসাহে  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর গান রচনা করেন। কামাল আহমেদ তাকে স্বাধীন বাংলা বেতারের কর্ণধার কামাল লোহানীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তার হাতে প্রয় ১৫/১৬টি গানের একটি খাতা দেন। এ গানগুলোর মধ্যে স্বাধীন বেতারে প্রথম প্রচারিত হয় সমর দাসের সুরারোপিত পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে গানটি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই তার আরও কিছু গান স্বাধীন বেতারে সম্প্রচারিত হয় যা যুদ্ধকে সংক্ষিপ্ত সময়ে সমাধানে বাধ্য করেন। পাক বাহিনীর আত্ম সমর্থনের খবর পাওয়ার পরপরই সন্ধ্যায় ১৬ই ডিসেম্বর প্রচারিত হয় এক সাগর রক্তের বিনিময়ে গানটি যা সুর দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী আপেল মাহমুদ এবং মূল কণ্ঠ দিয়েছিলেন স্বপ্না রায়। আরও কণ্ঠ দিয়েছিলেন আপেল মাহমুদ এবং সহ শিল্পীরা।
-{@ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কিছু কথা
: -{@
১৯৭১ এর ২৫ মার্চ মধ্য রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে ঢাকা শহরের কয়েক হাজার নিরস্ত্র বাঙালি নিধনে মত্ত ছিল এবং একই সাথে বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা এবং একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা প্রদান করে যান। বার্তাটি ঢাকা ই পি আর ওয়ারলেস স্টেশান থেকে সিলিমপুর ওয়ারলেস স্টেশনের ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোঃ রব্বানী ডাকুয়ার হাত দিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে ২৫ শে মার্চ মধ্য রাতেই। তার পরেই পাকিস্তানীরা ই পি আর ওয়ারলেস ধ্বংস করে দেয়।সকাল হবার আগেই বার্তাটির শত শত কপি তৈরী হয়ে যায় একটা সাইক্লো ষ্টাইল মেশিনের সাহায্যে।
চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় মধ্য রাত থেকেই মাইকে বার্তাটি প্রচার করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২৬ মার্চ দুপুর বেলা চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট ট্রান্সমিশান কেন্দ্র হতে প্রথমবারের মত স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐ বার্তা পাঠ করেন।
এরপর বেলাল মোহাম্মদ এবং আবুল কাশেম সন্দীপসহ তৎকালীন চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের কয়েকজন বেতার কর্মী সিদ্ধান্ত নেন যে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে তারা বেতারের মাধ্যমে কিছু প্রচার করবেন। এ সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তারা চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রকে কাজে লাগানোর চিন্তা করেন এবং তার নতুন নাম দেন স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র। তবে তারাও নিরাপত্তার কারণে আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রকে কাজে না-লাগিয়ে শহর থেকে কিছু দূরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে চলে যান এবং ২৬ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে প্রথম প্রচার করেন “স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি”। সে সময়েই এম এ হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি আবার পাঠ করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা অনুষ্ঠান করার পর তারা পরদিন সকাল ৭টায় পরবর্তী অনুষ্ঠান প্রচারের ঘোষণা দিয়ে সেদিনের পর্ব শেষ করেন।
এরপর তারা ২৭ মার্চ সকালে বেতার কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পাহারা বসানোর উদ্দেশ্যে পটিয়ায় অবস্থানরত মেজর জিয়ার কাছে এ ব্যাপারে সাহায্য চাইতে যান। সেখান থেকে তারা জিয়াউর রহমানকে সাথে করে কালুরঘাট ফেরত আসেন। সেদিন অর্থাৎ ২৭ মার্চ রাত ৮টায় এক নতুন লিখিত ও সম্প্রসারিত বক্তব্যের মাধ্যমে হঠাৎ এক সিদ্ধান্তে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেনএর কিছু দিন পর ২৮ মার্চ মেজর জিয়ার অনুরোধে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র এই নাম হতে বিপ্লবী অংশটি বাদ দেয়া হয় এবং নতুন নাম করণ করা হয় ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের পর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও বেতার কেন্দ্রের কর্মীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে একটি শক্তিশালী ট্রান্সমিটার (৫০klmw) প্রদান করেন। এসময় সকল বেতার কর্মীদের ধীরে ধীরে মুজিবনগরে নিয়ে আসা হতে থাকে। ঢাকা থেকেও ঢাকা বেতারের শিল্পী-কুশলীরাও আসতে থাকেন। প্রথম অধিবেশনের দিন ধার্য করা হয় কবি নজরুল ইসলামের জন্ম বার্ষিকী ১১ জ্যৈষ্ঠ তথা ২৫ মে তারিখ।কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের ৫৭/৮নং দোতলা বাড়িটিতে রাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য মন্ত্রীদের আবাসের কক্ষের সাথের একটি কক্ষে উক্ত ট্রান্সমিটার দিয়ে সম্প্রচার শুরু হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীরা অন্য বাড়িতে উঠে যাওয়ার পর সেই ৫৭/৮ নম্বর বাড়িটিই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্থায়ী কার্যালয় রূপে গড়ে উঠে।
আরো যারা ছিলেন:
গীতিকারঃ
সিকান্দার আবু জাফর, আবদুল গাফফার চৌধুরী, নির্মলেন্দু গুণ, আসাদ চৌধুরী, টি এইচ শিকদার প্রমুখ।
শিল্পীঃ
– সমর দাস, আবদুল জব্বার, আপেল মাহমুদ, রথীন্দ্রনাথ রায়, অরুন গোস্বামী, মান্না হক, মাধুরী চ্যটার্জী, এম চান্দ, ইয়ার মোহাম্মদ, প্রবাল চৌধুরী, কল্যানী ঘোষ, উমা খান, নমিতা ঘোষ, স্বপ্না রায়, জয়ন্তী লালা, অজিত রায়, সুবল দাশ, কাদেরী কিবরিয়া, লাকি আখন্দ, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, বুলবুল মহালনবীশ,ফকির আলমগীর, মকসুদ আলী সাই, তিমির নন্দী, মিতালী মূখার্জী, মলয় গাঙ্গুলী, রফিকুল আলম প্রমুখ।
সঙ্গীত কম্পোজঃ
– প্রনোদিত বড়ুয়া।
যন্ত্র সঙ্গীতঃ
– শেখ সাদী, সুজেয় শ্যাম, কালাচাঁদ ঘোষ, গোপী বল্লভ বিশ্বাস, হরেন্দ্র চন্দ্র লাহিড়ী, সুবল দত্ত, বাবুল দত্ত, অবীনাশ শীল, সুনীল গোস্বামী, তড়িৎ হোসেন খান, দিলীপ দাশ গুপ্ত, দিলীপ ঘোষ, জুলু খান, রুমু খান, বাসুদেব দাশ, সমীর চন্দ, শতদল সেন প্রমুখ।
ঘোষকঃ
– শেখ সাদী, শহিদুল ইসলাম, মোতাহের হোসেন, আশরাফুল আলম, অনিল কুমার, আবু ইউনুছ, জাহেদ সিদ্দিকী, মনজুর কাদের।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কিছু উল্লেখযোগ্য গানের লিং (y)
পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে
রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি

ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে

জয় বাংলা বাংলার জয়

বিচারপতি তোমার বিচার

আমার এ দেশ সব মানুষের

-{@ এখানে ব্রাউজে ক্লিক করলে পাবেন স্বাধীন বাংলার সকল গান

(y) যুদ্ধের সময় প্রচারিত কিছু শ্লোগান -{@

(y) মুক্তি বাহিনীর প্রচন্ড আক্রমনে জঙ্গী শাহীর বর্বর খান সেনারা আজ দিশেহারা। প্রতিটি রণাঙ্গনের হানাদারেরা হচ্ছে পর্যুদস্ত, আরো জোরে আঘাত হানুন। শত্র“কে চিরতরে নিশ্চিহ্ন˝ করুন।
(y) বঙ্গবন্ধুর অগ্নিমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ সাড়ে সাত কোটি মানুষের সম্বিলিত বজ্র কন্ঠ স্তব্ধ করে দিয়েছে জঙ্গী শাহীর উদ্ধত কামানকেও।
(y) প্রতিটি বাঙালীর হৃদয়ে আজ প্রতিহিংসার প্রচন্ড উত্তাপ। হানাদার হত্যা করাই আজ আমাদের একমাত্র কর্তব্য।
(y) বাংলাদেশের সর্বত্র শত্র“ হননের প্রতিযোগিতা চলছে। রক্ত চাই, শুধু রক্ত।
(y) জল্লাদ বাহিনীর গতিবিধি লক্ষ্য করুন। নিকটর্তী মুক্তিবাহিনীর ঘাঁটিতে খবর দিন।
(y) আমাদের মুক্তি বাহিনী যুদ্ধ করছে শত্র“র থেকে ছিনিয়ে নেয়া অস্ত্র দিয়ে, এমনিভাবে মুক্তি বাহিনীর অপ্রতিহত অগ্রগতি চলছে দুর্বার গতিতে। তারা আর থামবে না কোনো দিন থামবে না। দেশকে শত্র“মুক্ত করার পূর্বে, চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্বে এই যুদ্ধ থামবে না।
(y)  আপনার ভোটে নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সরকারই বাংলাদেশের বৈধ সরকার। স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ছাড়া আর কোনো হানাদার সরকারের আনুগত্য রাষ্ট্রদ্রোহিতারই শামিল।
(y) মুক্তিবাহিনী লড়ছেন আমার জন্য, আপনার জন্য। বাংলাদেশের ইজ্জতের জন্য।
(y) স্বাধীনতার প্রশ্নে সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি আজ ঐক্যবদ্ধ। মুক্তি যোদ্ধাদের সবল হাতের হাতিয়ার শত্র“র কলিজায় ঘা মারছে। জয় আমাদের সুনিশ্চিত।
(y) স্বাধীনতা কারো যৌতুক হিসাবে পাওয়া যায় না। তা কিনে নিতে হয় এবং একমাত্র রক্তের মূল্যেই স্বাধীনতা কেনা সম্ভব। বাড়ালি সে মূল্য দিয়েছে, দিচ্ছে এবং আরো দেবে।
হানাদার পশুরা বাংলাদেশের মানুষ হত্যা করেছে- আসুন আমরা পশু হত্যা করি।
(y) বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধা এক একটি গ্রেনেড। শুধু পার্থক্য এই গ্রেনেড একবার ছুঁড়ে দিলে নিঃশেষ হয়ে যায়, আর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের বার বার গ্রেনেড হয়ে ফিরে আসে।
(y)  গ্রেনেড গ্রেনেড গ্রেনেড-শত্র“র প্রচন্ড গ্রেনেড হয়ে ফেটে পড়েছে মুক্তিযোদ্ধারা।
(y) বাংলার প্রতিটি ঘর আজ রণাঙ্গন-প্রতিটি মানুষ সংগ্রামী মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিটি মানুষ স্বাধীনতার জ্বলন্ত ইতিহাস।
(y) শত্র“পক্ষের গতিবিধির সমস্ত খবরাখবর অবিলম্বে মুক্তিবাহিনীর কেন্দ্রে জানিয়ে দিন।
(y) কোনো প্রকার মিথ্যা গুজবে কান দেবেন না, বা চূড়ান্ত সাফল্য সম্পর্কে নিরাশ হবেন না। মনে রাখবেন যুদ্ধে অগ্রাভিযান ও পশ্চাদাপসারণ দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
(y)  প্রতিটি আক্রমণের হিংসাত্মক বদলা নিন। সংগ্রামকে ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে দিন।
(y) শত্র“ কবলিত ঢাকা বেতার কেন্দ্রের মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হবেন না। এদের প্রচার অভিযানের একমাত্র উদ্দেশ্যই হল আমাদের সাফল্য সম্পর্কে দেশবাসির মনে সংশয়, সন্দেহ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা।
(y) পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মাঝি, কৃষক, কামার, কুমার, তাঁতি, বীর ক্ষেত মজুর হাতে তুলে নিয়েছে মারণাস্ত্র। এদের বুকে জ্বলে উঠেছে অনির্বাণ আগুন। এরা মরণপণ করে রুখে দাঁড়িয়েছে নরখাদক দস্যূ সৈন্যের মোকাবিলা করতে।
(y)  সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।
(y) বর্বরতার জবাব আমরা রণাঙ্গনেই দিচ্ছি, রক্তের বদলে রক্ত নেব। চূড়ান্ত বিজয় আমাদের হবেই হবে।
(y)  বাংলাদেশে আজ শত্র“ হননের মহোৎসব, প্রতিটি হানাদার দস্যূও বিশ্বাসঘাতকতা খতম করুন। ওদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিন, বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে অটুট থাকুন।
(y) পশ্চিম পাকিস্তানি পণ্যসামগ্রী ব্যবহার বর্জন করুন। শত্র“র বিরুদ্ধে অবরোধ গড়ে তুলুন।
(y) ইয়াহিয়ার লেলিয়ে দেয়া কুকুর গুলোকে খতম করে আসুন আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ি।

 সহযোগিতায়:
যে জলে আগুন জ্বলে
,উইকিপিয়া

৮৩৬জন ৮৩৯জন
0 Shares

২৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ