‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নিয়ে আগ্রহ জন্মেছিল আগেই।কিছুদিন ধরে এই কনসার্ট নিয়ে পড়ছিলাম এখানে -ওখানে।বেশ কিছু লেখা পেলাম তথ্য সমৃদ্ধ। সেইসব লিখিয়েদের প্রতি কৃতজ্ঞতা রইলো। সেগুলো পড়ে মাথায় যতটুকু রাখতে পেরেছি ,নিজের মতো মেলে ধরছি সবার সামনে।

ওস্তাদ রবি শংকর। অন্তত মুক্তিযুদ্ধকে অন্তরে যারা লালন করেন তাঁরা একবার হলেও এই নামটা শুনে থাকবেন। পাকিস্তানিদের বর্বরতা, অমানবিকতা, নির্যাতন, গণহত্যা চলছে বাংলাদেশের মানুষের উপর। অনেকে প্রাণ ভয়ে জন্মভূমি ছেড়ে শরণার্থী হয়ে অবস্থান নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। সেই সময়ে শরণার্থী শিবিরগুলোতে মানুষের মানবেতর জীবন যাপনের চিত্রগুলো পণ্ডিত রবি শংকরের মনে দাগ কাটছিলো । তিনি অন্তরে ব্যথা অনুভব করছিলেন,কিছু একটা করার তাগিদ অনুভব করছিলেন অর্ধাহার – অনাহারে থাকা মুখগুলোর জন্য।অন্যদিকে ১৯৭০ সালে ভোলায় যে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে তাতে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য সহযোগিতা করার ইচ্ছে আগে থেকেই অনুভব করছিলেন। এর পর পরই শুরু হয় পাকিস্তানিদের গণহত্যা।যা তাঁকে করে তুলেছিল আরও অস্থির।একদিন ফ্রায়ার পার্কে রাতের খাবার গ্রহণকালে তিনি এ নিয়ে কথা বলেন , বিশ্ব সঙ্গীত অঙ্গনের জনপ্রিয় ব্যাণ্ড ‘বিটলস’ এর গায়ক জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ,একটি দাতব্য সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য।’বিটলস’ যদিও তখন ভেঙ্গে গিয়েছে।সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। তো, এসময় জার্মানি , ফ্রান্স , ইংল্যান্ড,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের বেশ কিছু সংবাদ পড়তে দেন তিনি বন্ধু জর্জ হ্যারিসনকে।মানুষের এই করুণ অবস্থা অন্তর থেকে অনুভব করার জন্যই। সব কিছু ভেবে জর্জ হ্যারিসন সম্মতি প্রদান করলেন। জানালেন ,কিছু একটা করতে পারবেন। কেননা , তিনি জানতেন ‘বিটলস’এর ভাবমূর্তিকে তখনও কাজে লাগাতে পারবেন।
এই প্রসঙ্গে ওস্তাদ রবি শংকর বলেন –
I was in a very sad mood,having read all this news, and I said, “George, this is the situation, I know it doesn’t concern you, I know you can’t possibly identify.” But while I talked to George he was very deeply moved ….and he said, “Yes, I think I’ll be able to do something.”
-Rabi Shankar, 1971
ব্যস , শুরু হয়ে গেল কনসার্টের প্রস্তুতি পর্ব। আরেকটা কথা,ঐদিন কিন্তু একটা নয়,দুটো কনসার্ট হয়েছিলো।প্রথমটা বেলা আড়াইটা থেকে এবং পরবর্তীটা রাত আটটায়।
জর্জ হ্যারিসন বেশ সময় নিয়ে শিল্পীদের একটি তালিকা তৈরী করেন। যেখানে তিনি বিখ্যাত সব শিল্পী -যন্ত্রকুশলীদের একত্র করতে চেয়েছিলেন। একসাথে এতোসব তারকা শিল্পীদের সম্মিলনের জন্যই হোক কিংবা যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশকে সাহায্য করার জন্যই হোক অথবা দীর্ঘ সময় পর এতো বিশাল আয়োজনের জন্যই হোক মাত্র ছয় ঘণ্টায় কনসার্টের চল্লিশ হাজার টিকেট বিক্রি হয়ে যায়। সাংবাদিকরাও মহতী এই উদ্যোগের কথা জেনে ১২ হাজার ডলার অনুদান হিসেবে দেন।
কনসার্টে অংশগ্রহণের জন্য জর্জ হ্যারিসন প্রথমেই যোগাযোগ করেন বিটলস-এর সদস্যদের সাথে। বিটলস ভেঙ্গে যাওয়ায় পল ম্যাককার্টনি রাজী হন নি আসতে। জন লেনন রাজী হলেও উপস্থিত হতে পারেননি । কারণ হিসেবে দেখান , সন্তান নিয়ে সহধর্মিনীর সাথে চলা আইনী লড়াইয়ের কথা।অন্য আরেক সূত্রে জানা যায়,লেনন কনসার্টে অংশগ্রহণের জন্য এসেছিলেন ঠিকই , কিন্তু ইয়োকো ওনোর সাথে মনোমালিন্যের কারণে তিনি ফিরে যান। কারণ , হ্যারিসন শর্ত দিয়েছিলেন ইয়োকোকে ছাড়াই কনসার্টে অংশগ্রহনের।’বিটলস’ ভাঙার পেছনে ইয়োকো-লেননের সম্পর্কই দায়ী ছিল বলে ধারণা করা হয়। তো জন লেনন রাজিও ছিলেন শর্তে।কিন্তু , ইয়োকোর সাথে ঝগড়া বাধায় তিনি ফিরে যান। হ্যারিসন তাঁকে
মহড়ার জন্য আনতে গিয়ে জানতে পারলেন,তিনি ফিরে গেছেন। যদিও পরবর্তী এক সাক্ষাতকারে জন লেনন বেশ আক্ষেপ করেছিলেন , কনসার্টে অংশগ্রহন না করায়।
মিক জ্যাগার তখন ফ্রান্সে অবস্থান করায় ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় যোগ দিতে ব্যর্থ হন। একমাত্র রিঙ্গো স্টারই রাজি হয়ে যান কিছু না ভেবেই ।
অন্যদিকে ‘টিয়ার্স অব হ্যাভন’ খ্যাত এরিক ক্ল্যাপ্টনকে নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। লণ্ডন থেকে এসে কনসার্টে অংশগ্রহনের জন্য নির্ধারিত তারিখের আগের সপ্তাহে প্রায় প্রতিটি বিমানের টিকিট বুক করা হয়েছিল তাঁর জন্য। যাও তিনি এলেন একদিন আগে ,কিন্তু মহড়ায় অংশ নিতে পারলেন না। তাঁকে নিয়ে হ্যারিসন উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিন্তু ,মঞ্চে উঠে কনসার্ট চলাকালীন তাঁর গিটারে একবারের জন্যও ছন্দপতন ঘটেনি। অথচ,ঐ মুহুর্তে হিরোইন সেবন করে নেশায় বুঁদ হয়েছিলেন তিনি, চোখ পর্যন্ত খুলতে পারছিলেন না। অন্যদিকে ‘ব্লোয়িং ইন উইন্ড’ খ্যাত বব ডিলানের অংশগ্রহন নিয়েও ছিল সংশয়। তিনি তখন প্রখ্যাত উডস্টক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনিও হাজির হলেন।হ্যারিসন বব ডিলানের গানের অনুরক্ত ছিলেন। মূলত তাঁর গানে যুদ্ধ বিরোধী চেতনার স্পর্শ পাওয়া যায় বলেই তাঁকে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেন।কনসার্টে অংশ নেয়ার পর বব ডিলান এমন জনসমুদ্র এবং এতো এতো ক্যামেরার সামনে বিচলিত বোধ করছিলেন। তিনি যখন মঞ্চে উঠলেন তাঁর একুয়েস্টিক গিটার আর হারমোনিকা নিয়ে, হ্যারিসন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন যেন।
কনসার্টে আরও অংশগ্রহন করেছিলেন,
ওস্তাদ আল্লা রাখা খান, ওস্তাদ আলী আকবর খান, কমলা চক্রবর্তী, বিলি প্রেস্টন, লিওন রাসেল,ডন প্রেস্টন,টম এভান, হ্যারিসনের নতুন দল ব্যাড ফিঙ্গারের শিল্পী-যন্ত্রীদলসহ আরও অনেক শিল্পী ও কলা-কুশলী।
১ লা আগষ্ট ১৯৭১, রবিবার।যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন।দর্শক সমাগম , চল্লিশ হাজার। বেলা তখন আড়াইটা ।শুরু হলো , ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। দু’ভাগে বিভক্ত এই কনসার্টে পণ্ডিত রবি শংকর ও জর্জ হ্যারিসন সূচনাতেই দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন বাংলাদেশের মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা। সেই সাথে পাকিস্তানিদের নির্মমতা-গণহত্যার চিত্র। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাগণ অনেকটা ধারণা পেলেন বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাকিস্তানি বাহিনীর অমানবিক তাণ্ডবের। তারপর সেতার বাদক ওস্তাদ রবি শংকর ও সরোদ বাদক ওস্তাদ আলি আকবর খান যন্ত্রসঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করেন । কনসার্টের সূচনা পর্বেই ওস্তাদ রবি শংকর বলেন- “আমরা কোনো রাজনীতি করতে আসিনি। আমরা শিল্পী। আমরা শুধু আমাদের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে এসেছি। আমরা চাই আমাদের সংগীত বাংলাদেশের মানুষের তীব্র মনোযন্ত্রণা অনুভব করতে আপনাদের সাহায্য করুক।আমরা তাঁদের কথাও উপলব্ধি করাতে চাই , যারা বাংলাদেশ থেকে শরণার্থী হয়ে ভারতে এসেছে।”
তাঁর পরিবেশিত লোকসঙ্গীতের সুর উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের সঙ্গীত সম্পর্কে নতুন ধারণা দেয়। প্রায় ১৮ মিনিট ধরে তিনি বাংলা ধুন পরিবেশন করেন। এসময় সাথে ছিলেন , সরোদে আলী আকবর খান , তানপুরায় কমলা চক্রবর্তী , তবলায় আল্লা রাখা খান। নিজেদের সম্পূর্ণ উজার করে দিয়ে শিল্পীরা সুরের মূর্ছনায় বিমোহিত করেছেন শ্রোতাদের।
এরপর মঞ্চে আসেন জর্জ হ্যারিসন । সবাইকে মুগ্ধ করে দিয়ে তিনি একে একে গেয়ে চলেন ,
‘ওয়াহ্ ওয়াহ্,’ ‘মাই সুইট লর্ড, ‘বিওয়ের অব ডার্কনেস,’ ‘হিয়ার কামস দ্য সান,’ ‘সামথিং’ এর মত বিখ্যাত সব গানগুলো। তুমুল করতালিতে দর্শকেরা অনুপ্রাণিত করে তুলেন শিল্পীকে। বব ডিলান একে একে পরিবেশন করেন তাঁর তুমুল জনপ্রিয় পাঁচ পাঁচটি গান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অদেখা একটি দেশের জন্য। এছাড়াও বিলি প্রেস্টন , রিঙ্গোস্টার একটি করে গান করেন । কনসার্টের সমাপ্তি টানা হয় জর্জ হ্যারিসনের গাওয়া –
“My friend came to me,
With sadness in his eyes
He told me that he wanted help
Before his country dies .
Although I couldn’t feel the pain,
I knew I had to try
Now I’m asking all of you
To help us save some lives .
Bangla Desh, Bangla Desh
Where so many people are dying fast
And it sure looks like a mess
I’ve never seen such distress .
Now won’t you lend your hand and understand
Relieve the people of Bangla Desh…”
অসাধারণ এই গানটি দিয়ে। যে গানের আকুতি ছুঁয়ে গেছে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষের মনকে। গানের ভেতর দিয়েই তাঁরা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের যুদ্ধকালীন সময়ের যন্ত্রণা-কষ্টের কথা।
গানটি সম্পর্কে জাতিসংঘের মহা সচিব কফি আনান অবাক হয়ে মন্তব্য করেছিলেন , কতটা অনুভূতিশীল হলে এমন একটা গান রচনা করা যায় !
তারপর অপরাহ্নে অনুষ্ঠিত কনসার্টে এই গানগুলোর সাথেই আরও তিনটি গান গাওয়া হয়।
এরিক ক্ল্যাপটন’ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছিলেন- “সেই কনসার্টটির কথা যখন ভাবি শিল্পী হিসেবে আমরা গর্বিত বোধ করি। সেদিন আমরা কেউই পাঁচ মিনিটের জন্যও নিজেদের কথা চিন্তা করিনি, আমরা সবাই ভাবছিলাম আরো অনেক বৃহৎ একটি ঘটনা আর আমাদের দায়িত্ব নিয়ে।”
এবার আসা যাক এই কনসার্টের প্রভাব নিয়ে। জনগণের উপর এর এমনই প্রভাব ছিল যে, পাকিস্তান সরকার তার সব দূতাবাসকে সতর্ক করে দিয়ে বলে এতে ‘পাকিস্তান বিরোধী প্রচারণা রয়েছে’ , সুতরাং কোনভাবেই যেন তাদের যোগাযোগ মাধ্যমে এর কথা প্রচার না করা হয়। ব্যস, এর রেকর্ড সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায় পাকিস্তানে।
কনসার্টের শুরুতে সাংবাদিকগণ জর্জ হ্যারিসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন ঐ মূহুর্তের অনুভূতির কথা। তিনি কেবল ছোট্ট করে বলেছিলেন ‘নার্ভাস’। অথচ , অনেক সমস্যা পাড়ি দিয়ে যখন সফলভাবে কনসার্টটির ইতি টানতে সক্ষম হলেন ,সম্ভবত তাঁর মত আনন্দিত আর কেউ হননি।
কনসার্টের প্রথম দিকে পন্ডিত রবি শংকর ও জর্জ হ্যারিসন ভেবেছিলেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার ডলার আয় হবে যার পুরোটাই দেয়া হবে শরণার্থীদের কল্যাণে। কিন্তু কনসার্ট শেষে , কনসার্ট ও অন্যান্য অনুসঙ্গ মিলিয়ে ২,৪৩, ৪১৮.৫১ মার্কিন ডলার , যার পুরোটাই ইউনিসেফের মাধ্যমে তুলে দেয়া হয় শরণার্থীদের জন্য।
যদিও অর্থ সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়া নিয়েও আছে তর্ক-বিতর্ক। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে কনসার্টের যে মূল উদ্দেশ্য , সঙ্গীতের যে শক্তিশালী আবেদন তা এই কনসার্টের মাধ্যমে পৌঁছে গিয়েছিল বিশ্বের নানান প্রান্তে। বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পেছনে এই কনসার্টের অবদান অনস্বীকার্য। বিভিন্ন দেশ থেকে কনসার্টে অংশ নেয়া শিল্পী-যন্ত্রশিল্পীগণ ও কলাকুশলীরা বিনা পারিশ্রমিকে অংশ নিয়েছিলেন কনসার্টে। তারা কেবল বাংলাদেশ নামটিকে পরিচিত করে তুলতে চেয়েছিলেন বিশ্বের মানুষের কাছে। একটা দেশের যুক্তিসংগত দাবিগুলো মেনে না নিয়ে সেই দেশের উপর কতটা অমানবিক হয়ে উঠেছে সামরিক শক্তির দেশ পাকিস্তান তা পরিস্কার হতে থাকে ধীরে ধীরে মানুষের কাছে এই কনসার্টটির মাধ্যমে।
সবচে’ লক্ষণীয় ব্যাপার হলো , কনসার্টে সরাসরি
বাংলাদেশ শব্দটিই প্রয়োগ করা হয়েছে এবং জর্জ হ্যারিসনের লেখা গানেও
একদম বাংলাদেশকেই তুলে ধরা হয়েছে । যেখানে খোদ মার্কিন প্রশাসনই তখন পাকিস্তানকে সমর্থন
দিচ্ছে , সেই দেশেরই বুকে অনুষ্ঠিত একটি কনসার্টে বাংলাদেশকে বাঁচানোর তাগিদ দেয়া হচ্ছে বারবার, যা নিঃসন্দেহে সাহসী এক পদক্ষেপ।
আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো , মানুষ যে মূলত শান্তিকামী , যুদ্ধের ভয়াবহতা যে মানুষ চায় না , তা এই কনসার্টে জনতার উপস্থিতিই প্রমাণ করে।
স্বাধীনতার চুয়াল্লিশ বছর পর, সমগ্র বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে আরও একবার বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো এই কনসার্টে অংশ নেয়া শিল্পী-যন্ত্রশিল্পী-কলাকুশলী ও কনসার্টকে প্রাণ দেয়া মানবদরদী দর্শক-শ্রোতাদের প্রাণের প্রতি। যাদের অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই….

৫৬১জন ৫৬১জন
0 Shares

৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ