সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

মনুষ্য দেবতা ও সমাজ

মোঃ রাশিদুল ইসলাম ২০ জানুয়ারী ২০২১, বুধবার, ১১:৫২:৫৬অপরাহ্ন কবিতা ১৩ মন্তব্য

রক্তাক্ত জখম দু’হাতে চেপে ঢেকে অন্তীম যৌনতৃপ্তি নিয়ে নুয়ে পড়ে মনুষ্যত্ব দেবতার পিশাচ

তীব্র ঝাপটা দিয়ে ঝেড়ে ফেলে নষ্ট তরল পদার্থ

পরিশেষে গঙ্গাপূজা করে শুদ্ধি মুখোশে ঢেকে ফেলে নিজেকে

সমাজে তাদের গুনগান প্রশংসা করে কিছু আদিত্য সমাচালক।

মনুষ্য দেবতার পদতলে বসে তার পায়ের ধুলা ললাটে লাগিয়ে ধন্য মনে করে সমাজ

মৃগেল মাছের মতো হা করে চেয়ে থাকে,কখন সে অন্ন বস্ত্র  দিবে

দুহাত পেতে প্রার্থনায় লুটিয়ে পরে দেবতার পদতলে।

 

কিন্তু কেউ যানে কি??

দেবতার এই অন্ন বস্ত্র বাসস্থান সর্বপরি সমাজের রক্তের প্রতিদান!

 

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিরলস কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত শরীরে সঞ্চারিত শ্রমের ফসল চুষে নিয়ে যায় পিশাচ দেবতা।

ভান্ডার সমৃদ্ধ করে হয় সমাজের কল্যাণ সেবক।

এরা নিজের পরিশ্রমের বিনিময়ে এই নাম দাম গুনগান প্রশংসা পায় না,এরা অন্যের পরিশ্রমের অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে মোটাতাজা আর শক্তিশালী দেবতা হয়।এদের সমাজ গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রশংসা করে।

 

৩০১জন ২৪০জন
8 Shares

১৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য