ডিসেম্বর ২০১৯ এর শেষ ২০২০ এর শুরুতে লভেল করোনা ভাইরাস নামক এক অদৃশ্য অজানা অচেনা ভাইরাসটি পৃথিবীর মানুষকে একের পর এক আক্রান্ত করে যাচ্ছে।বদলে দিচ্ছে মানুষদের স্বভাব চরিত্র ধর্মীও রীতিনীতি।মৃত্যুর ভয়ে মানুষ আপ্রান চেষ্টা করছে এ থেকে রেহাই পাবার।বেচে থাকার তরে মানুষদের এ প্রচেষ্টায় উপেক্ষিত বা তালা মারা হচ্ছে মানুষের তৈরী বড় স্পর্শ কাতর ধর্মীও উপশনালয়,মসজিদ মন্দির।এহেন কাজগুলো যদি করোনা ভাইরাস এর ভয়ে না হত তবে এতো দিনে বিশ্বে ধর্মীও যুদ্ধ লেগে যেত।করোনায় বুঝিয়ে দিচ্ছে পৃথিবীতে মানুষের পাওয়ার সক্ষমতা কতটুকু।প্রথমে চীন এরপর ইউরোপের ইতালী,স্পেনকে প্রায় জনশুন্য করে দিচ্ছে এই মরব্যাধি করোনা যার মধ্যে নেই মানুষের প্রতি কোন করুণা।এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে আক্রান্ত সংখ্যা প্রায় ৪,২৯০০০….মৃত্যু ১৯,০০০ হাজার ওভার….ইতালীতেই কেবল এ পর্যন্ত আক্রান্ত সংখ্যা ৬৪০০০ হাজার ওভার এবং  মৃত্যু ৬০০০ ওভার ।গত ২৪ ঘন্টাই মৃত্যু হয়েছে ৭৪৩ জন।ফ্রান্সে মৃত সংখ্যা৴১১০০ ওভার।স্পেন মৃত সংখ্যা ২৪০০ প্রায়।বিশ্বে এ পর্যন্ত এ রোগ হতে মুক্তি পেয়েছে প্রায় ১লক্ষ ৯০০০ হাজর।বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে সবার বয়সই ৭০ এর উর্ধে আক্রান্তের পরিমান এখনো নিশ্চিৎ নই।কী এক ভয়াবহ অবস্থা৴পৃথিবীর বুকে লাশের মিছিল বাতাসে কেবল লাশের গন্ধ।

ক্রীকেট স্কোর লাইভ এর মত বিশ্বে করোনা আক্রান্তে মৃত্যু সংখ্যার লাইভ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

মানুষ মরনশীল তাই মৃত্যু নিয়ে আমার একটুও চিন্তা নেই কিন্তু মৃত্যুটা যদি হয় অসহায়ত্বের মাঝে ৴ বেচে থাকা আত্মীয় স্বজনদের এর চেয়ে বড় কষ্টের আর কিছুই হতে পারে না।ধর্মীও ভাবে জানাজা শবদাহ করা দূরে থাক মৃত ব্যাক্তিটির লাশ দাফন করে তার মুখটিও শেষ বারের মতন আর কারো দেখা সম্ভব হয়ে উঠে না।এ যে কত বড় বেদনা দায়ক কষ্টকর তা কেবল মৃত ব্যাক্তির স্বজনরাই অনুধাপন করতে পারবেন।তবুও ভাল অন্তত ভাইরাসটি ছড়ানোর সুযোগ যেন আর না পায়৴ যেন নিরাপদে থাকে অন্য সব আশপাশের মানুষজন।

কিছুটা ভুল কিছুটা আবেগ এর কারনে করোনা শুন্য কোটায় থাকা বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতই করোনা আক্রান্তকারী একটি দেশ। এ নিয়ে চিন্তিত হলেও আতংকিত নই।কারন বাঙ্গালী জাতি এ পর্যন্ত এসেছে বিভিন্ন অসময়ে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দিয়ে। আমাদের আছেন একদল সেবক যাদের সেবাদানের ইতিহাস এ দেশে নতুন কিছুই নয়।১৯৭১ সালেও তাদের মাতৃভুমির রক্ষার্থে অসংখ্য চিকিৎসক স্বেচ্ছায় নি্র্ভয়ে সেবা করে গেছেন যুদ্ধে আহত মুক্তিযুদ্ধাদের।ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার সংগ্রামে রাজপথে সেবাপথে তাদের আত্মত্যাগের অবদান অনস্বীকার্য।

এরপর ’৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডাঃ মিলনের কথা এ প্রজন্মের ভালই মনে থাকার কথা।শুধু দেশ রক্ষার্থে নয় স্বাধীনত্তোর দেশের সব ক্রান্তিলগ্নেই চিকিৎসকদের ভুমিকা ফেলে দেবার মত নয়।প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিংবা নরমালি দেশের সকল হাসপাতালগুলোতে তাদের অক্লান্ত ভাবে সেবা দান করা যে কোন দেশের জন্য উদাহরণ স্বরূপ হয়ে আছে এবং থাকবে।তাদের অক্লান্ত মেধার ফল হিসাবে দেশ আজ ঔষধ বানিজ্যে বিশ্বের দরবারে।

গত বছরে দেশে ঘটে গেল ডেঙ্গুর মত এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় যার মোকাবেলায় স্বদেশীও সেবকদের অবদান না থাকলে এর থেকে রেহাই পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ত।তারা নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেবাদানে বিভিন্ন প্রতিকুলতার সত্বেও এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু মহামারী হতে  জনগনকে রক্ষা করেন।

আজ বাঙ্গালী জাতি আবারো এক ক্রান্তিলগ্ন সময়ে এসে পড়েছে।শুধু বাঙ্গালী জাতি নয় পুরো বিশ্ব এক মানব শুন্য হওয়ার দূরাগ্য ব্যাধিতে মহামারীতে নিমজ্জিত সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ,আমাদের রক্তের দামে কেনা স্বদেশও পতিত।আমাদের বিশ্বাস এবারো তাদের সেবা সাহস দিয়ে আমাদের এ মহা বিপদ হতে উদ্ধার করবেন।

দেশ চালিত হর্তাকর্তারা করোনার ভয়াবহতার মোকাবেলায় বেশ লম্বা সময়ই পেয়েছিলেন।আমদের দেশে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয় মার্চে এসে দীর্ঘ এই দুই তিন মাস আমাদের জন্য এর মোকাবেলায় প্রচুর সময় ছিল।সরকারকে প্রশ্ন করা হলে সরকার বাহাদুররা বরাবরই বলে যেতেন আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে পর্যাপ্ত কিন্তু বর্তমান  সময়ে এসে দেখা গেল প্রস্তুতি কেবলি ছিলো তাদের মুখে ভাষণে,বাস্তবতায় কোন প্রস্তুতিই সরকার নেয়নি নতুবা করোনা আক্রান্ত যখন শনাক্ত হল তখন তাদের সেবাদানে হাসপাতলগুলোতে ডাক্তরদের নিরাপত্তাদানে সমান্য পিপিই এর কোন ব্যাবস্থাই নেই কেন এখনো।যারা এ রোগের সেবা দিবেন তারাই যদি নিজেকে নিরাপদ রাখার সরঞ্জামাদি না পান তবে সেবা করবেন কী ভাবে!আরো আশ্চর্য হই যখন কিছু দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুখে বা প্রজ্ঞাপন জারি করেন যে চিকিৎসকরা  স্ব স্ব অবস্থানে নিজ খরচে মাস্ক পিপিই ইত্যাদি ক্রয় করে রোগীকে সেবা দান করা।এই হলো দেশের প্রস্তুতি।এই অবস্থায় কোন ডাক্তার বা নার্স কী সেবাদানে আসবেন ?এই রোগটি এতোই ছোয়াচে যে যিনি এর নাম করণের আবিষ্কারক তিনিও এ রোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে চলে গেছেন।বিশ্বে চিকিৎসকদের মাঝে আক্রান্তকারী বা মৃত সংখ্যাও কম নয়।আমাদের দেশেও ইতিমধ্যেই একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন।সুতরাং ছোয়াচে অদৃশ্য এই ভীতিকর রোগটি আক্রান্ত হলে সেবাদানে এ দেশে কে আসবে এগিয়ে- বলতে পারেন রাজা বাহাদুররা ?

জামাই আদর করে সরকার বাহাদুর প্রবাসীদের ডেকে এনে তাদের কোয়ারেন্টানে রাখতে না পারার ব্যার্থতা কার? অবশ্যই সরকারের।ইয়ারপোর্ট হতেই সিলগালা করে সরকারের আন্ডারেই কোয়ারেন্টানে অন্তত ১৪দিন রাখা উচিত ছিলো কারন সরকার বাহাদুর জানেন বাঙ্গালীদের চরিত্রের এপিঠ ঐপিঠ।বাঙ্গালীদের হোম কোয়ারেন্ট মানে মামার বাড়ীতে বেড়াতে যাবার মতন।আবার লক ডাউনের বিষয়ে বেশ দেরী করে ফেলেছেন।এটাকে লকডাউন বললেও ভুল হবে ২৬ মার্চ হতে সাধারন ছুটি ঘোষনা করেন।কোন নিয়মনিতী প্রশাসনিক ব্যাবস্থা না নিয়ে এ ছুটি ঘোষনাটি জনগনের মাঝে ঈদের উৎসব এসে যায়।প্রথমে উচিত ছিলো দুরপাল্লার সব গাড়ীগুলোকে লকডাউন করে তারপর ছুটি ঘোষনা করে জনগনকে যার যার স্থানে অবস্থানের আহবান জানালে হয়তো কিছুটা হলেও কাজে লাগত।

যাই হোক এখন সে সময় আর নেই।বেলা গড়িয়ে অনেক যদি আইসোলেসন এবং কোয়ারেন্টে থাকা করোনা শনাক্ত করনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেত তবে বুঝা যেন বাংলাদেশ কতটা করোনায় ঝুকিতে আছে।ইতালীতে প্রথমে দুজন শনাক্ত হওয়া থেকে অল্প কয়দিনেই প্রায় প্রতিদিনই পাচ থেকে ছয়শতের উপরে করোনায় মৃত্যু বরণ করছেন।তাদের অর্থনীতির অবস্থা জনগনের মাথা পিছু আয় সব মিলিয়ে তারা ছিলেন একটি সৌখিন বিজ্ঞানমনোষ্কা উন্নত জাতি।করোনা ভয়বহতায় তাদের অবহেলায় আজ পরিস্থিতির অবনতির জন্য দায়ী।তবুও উন্নত জাতি হিসাবে তারা এ ক্রান্তিলগ্ন সময় হয়তো পার পেয়ে যাবেন কিন্তু আমাদের বেলায় কী মহা বিপদ আসছে তা অনুমেয়।তাই প্রয়োজন জনগনের সতর্কতা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার দেয়া নিরাপদ থাকার নিয়মগুলো মেনে চলাই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা।পাশা পাশি দেশের এমন ক্রান্তিলগ্নে দেশের সেবক ও সেবার মান বাড়ানো ছড়া এ থেকে পরিত্রানে আর কোন বিকল্প নেই।কারন আমরা এমনি এক জাতিতে পরিনত হয়েছি আনন্দ উল্লাসে লক্ষ কোটি টাকা জলে ঢালতে রাজী কিন্তু মানবতায় এক পয়সাও খরচ করতে রাজী নই।তাই দেশের বৈধ অবৈধ ধনাঢ্যদের সহযোগীতার কথা নাই বা বললাম।

চীনের মত রাতারাতি হাসপাতাল বানানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয় কিন্তু সারাদেশে লকডাউনের মাধ্যমে দেশের বড় বড় হোটেল রেষ্টুরেন্ট ক্যাশিনো বার মাদ্রাসা স্কুল কলেজ বিশ্ববদ্যালয়গুলোকে আমরা হাসপাতালে রূপান্তর করতে পারি।আইনের কঠোরতম বাস্তবতা দিয়ে জনগনকে ঘরের ভেতর আটকে রাখতে পারি।এ ক্ষেত্রে সরকারকে নিন্ম আয়ের মানুষদের জীবন ধারনের সকল খাদ্য উপদানগুলোর সরবরাহের নিশ্চিৎ নিশ্চয়তা দিয়ে ঘোষনা দিতে হবে।নতুবা সাম্যহীনতার আরেক সংগ্রাম শুরু হয়ে যেতে পারে।

সেবাদানে চিকিৎসক নার্সদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বয়লের চাদরে ঢেকে তাদের সেবাদানে উৎসাহ দিতে পারি।এ পরিস্থিতি হতে উত্তোরনের একমাত্র হাতিয়ার সেবকদের সেবক ভাবতে হবে যারা জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্ন সময়ে নির্ভয়ে জনগনের সেবাদান করে ইতিহাস গড়ে গেছেন।

চীন,যুক্তরাষ্ট্র,সৌদি,ইরান,মালেশিয়া,সিঙ্গাপুর, ইতালী,ফ্রান্স স্পেন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।তাদের দৈনন্দিন জীবন যাপন এর মান আর আমাদের জীবন যাপনের মানের মাঝে বিশাল পার্থক্য।উন্নত বিশ্বে যে কয়টা দেশ করোনা হতে কিছুটা ঝুকি কমে আছে তা কেবল তাদের সচেনতা,জন বিচ্ছিনতা আর নিজ দেহকে নিরাপদ রাখার সকল নিয়মনীতি(WHO)মেনে চলায় তারা আজ অনেকেই সাফল্যের দুয়ারে।আমরাও তাদের অনুকরণে জয় করবো করোনা।

উদাত্ত আহবান

পৃথিবী আজ নিরুপায় কখনো আগুনের স্ফুলিংয়ে দাউ দাউ করে জ্বলছে মানুষের বেচে থাকার অক্সিজের উৎস বৃক্ষ বনায়ণ।কখনো জলবায়ু দুষনে তাপে তপ্ত খড়ায় অন্নের উৎস রসালো মৃত্তিকা।কখনো ঘূর্ণি ঝড় ভুমিকম্পে বিধ্বংস মানব আশ্রয়ের বাড়ী ঘর।তবুও মানুষ হটেনি ধৈর্য হারায়নি পৃথিবীর বুকে বার বার গড়ে তুলেন রাজত্য করার আবাসন।আজ প্রকৃতি ঈশ্বর মেতে উঠেছে মানব শুন্য করা মর্ত্যে যেমনটি পৃথিবী ছিলো মানুষ জন্মের পূর্বলগ্ন।

আজ এই পৃথিবীর ক্রান্তিলগ্নে আসুন সাম্যের গান গাই৴মানবতার হাত বাড়াই।যতই আসুক ঝড়৴ ভুলগুলো শুধরে নিয়ে মোকাবেলায় কাধে কাধ মিলাই সারা বিশ্বের জনগন।

সবার সুস্থ থাকার কামনা।

করোনা সম্পৃক্ত আমার অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে ক্লিক করুন৴

০১। আত্মঘাতি ভাইরাস একাল সেকাল ও করোনায় আমরা ও আমার ভাবনা

০২। করোনা ভাইরাস ও আমাদের গার্মেন্টস শিল্প

০৩।করোনা ভাইরাস ও আমাদের সতর্কতা

বাংলাদেশের আপডেট করোনা পরিস্থিতি জানতে ক্লিক করুন।

নির্ভয়ে যোগাযোগ করুন।

সেনাবাহিনীর ২টি কোয়ারেন্টাইন ক্যাম্পের নাম্বার –
১। আশকোনা :
০১৭৬৯০১৩৪২০, ০১৭৬৯০১৩৩৫০
২। উত্তরা দিয়াবাড়ি:
০১৭৬৯০১৩০৯০, ০১৭৬৯০১৩০৬২

২৪ ঘন্টা সার্ভিস –
1. Dr. Rehan Akhter
Contact:01687670413
2.Dr.Nazir Shah
Contact: 01303316018
3. Dr.Niloy Prosad
Contact: 01718452558
4.Md.Asaduzzaman Shuvo
Contact :01301880283
5.Dr. Mahbubur Rahman Rajib
Contact : 01533987914
6.Dr.Mohona Khondoker
Contact : 01953513108
7. Dr. Saifa Islam
Contact : 01883-581829
8.Dr. Atiya Rahman
Contact: 01772606470
9.Dr. Priyanka Mondal
Contact :01717020118
10.Dr. Sharmin haque prima.
Contact : 01795233354
11.Dr Shadman Sakib
Contact : 01675843987
12.Olia Mahjabin
Contact : 01796597198
13.Dr.Tanvir Rahman
Contact :01518-615052
14.Dr. Sadia Afrin
Contact: 01534301925

সকাল ৮ টা – রাত ১২ টা সার্ভিস
1. Dr. Zaara Rahman
Contact: 01757540162
2.Nawrin Jahan
Contact: 01873147497
3. Dr.Farjana yeasmin
Contact:01929422331
4. Dr. Refat parvez amy
Contact: 01841716131
5. Dr.Nusrat Nueri Raisa
Contact: 01856877748
6. Dr. Subhashree monigram
Contact: 01401288202
7.Dr.Nigar sultana
Contact: 01972397197
8.Dr. Nafisa Rahman
Contact: 01627585100
9.Rasma Muzaffar
Contact: 01797287465
10.Dr hima
Contact:01611108566
11.Dr.Mahbub Alam
Contact: 01759800507
12.Dr. Farjana
Contact : 01534991865

(ডাঃ ফোন নংগুলো ইনবক্সে পাওয়া-বিপদে কাজে আসতে পারে )

৬৩১জন ৪০৭জন
7 Shares

৪২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য