ব্যারিয়ার

গোধূলি ২১ মে ২০১৬, শনিবার, ০১:৫৯:৪৫পূর্বাহ্ন গল্প ৩৮ মন্তব্য
10915002_870190003004004_7538483879144298056_odfw
অহনা বাসর ঘরে ঢুকে দেখল, খুব সুন্দর করে সাজানো। এখন ১টা বাজে। বিছানায় বসে পড়ল। অনেক ক্লান্ত লাগছে ওর। মিনিটপাঁচেক বাদেই দরজার শব্দ শুনতে পেল। রাজ্যকে ঢুকতে দেখে দৌড়ে রুমের সাথের অ্যাটাচড বাথরুমে ঢুকল। বাথরুমে ঢুকে বসে রইল। ভীষণ ভয় পাচ্ছে। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ নাকি এমন হয়। ‘স্বামী’ নামক প্রাণীটা বাসর রাতেই হামলে পড়ে। অহনা যত গল্পের বই পড়েছে, মুভি দেখেছে, সব জায়গায়… । তাছাড়া অহনা খেয়াল করেছে, আজ পুরোটা সময় লোকটা চোখ পাকিয়ে পাকিয়ে ওকে দেখেছে। আগে কি কখনো পার্লার থেকে সাজা বউ দেখেনি নাকি?
অহনার পানি তৃষ্ণা পেয়েছে, কিন্তু বাথরুম থেকে বের হলেই খপ করে ধরবে। অহনার ‘ছুটির ঘন্টা’র কথা মনে পড়ল, যেখানে বাচ্চা ছেলেটা তেষ্টায় বাথরুমের পানি খেয়েছিল। ভীষণ গরম লাগছে। যে ভারী মেক-আপ আর শাড়ী, তার উপর ৩৬ডিগ্রী সেলসিয়াস। এর জন্যই সবাই শীতকালে বিয়ে করে। অহনা ভাবল, মেক-আপ তোলা শুর করলেই পারে। কিন্তু এতো ভারী অলংকারগুলো না খুলেই ঢুকে পড়েছে। এগুলো খুলে কৈ রাখবো? নিজের উপর রাগ লাগছে। কতোক্ষন ধরে বসেই আছে। নিজের উপর রাগ লাগছে। অপুর কথা মনে হল। যদি আজ অপুর সাথে বিয়ে হতো, তাহলেও কি অহনা এরকম বাথরুমে বসে থাকতো? কিছুক্ষন দরজায় নক করল রাজ্য। বলল, “বাথরুমে কি ঘুমিয়ে পড়লেন নাকি? কোন সাড়া-শব্দ নেই। ভয়ের কিছু নেই। আপনি বের হন। আমি কিছু করবো না”। কি অদ্ভুত কথা বলে লোকের!
অহনা দরজা খুলে বলল, “অনেক ভারী মেকাপ তো, সময় লাগে”
খেয়াল করল, বেডল্যাম্পের পাশে এক গ্লাস দুধ। অহনা মনে মনে বলল, “বিয়ে না বাংলা সিনেমা!”
রাজ্য অন্যপাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। অহনা গহনাগুলো খুলে শাড়ি চেঞ্জ করে আসলো। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখল, ৩টা বাজে।
রাজ্যকে আলতো করে ধাক্কা দিয়ে বলল, “এই যে, শুনছেন? আপনি কি ঘুমিয়ে পড়েছেন?”
গল্পের বাকী অংশ পড়তে চলে আসুন বইমেলায়, সংগ্রহ করুন “অনুভূতি গেছে অভিসারে”।
????????????????????????????????????
অহনা ও রাজ্যকে নিয়ে গল্প “অভিসারিণী” 
৯৩৭জন ৯৩৪জন
0 Shares

৩৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ