নিলীমা বিছানার গায়ে ছটফট করে, উঠে ওয়াশরুমে গিয়ে চোখেমুখে পানি দেয়, একটু ফ্রেশ হলে যদি চোখজোড়া লেগে আসে। পাশে শুয়ে আছে ছেলে ওমর। বাবার মৃত্যুতে ছেলেটা যেভাবে শকড হয়েছে  তা শোকের সাধারণ পর্যায় নয়। তার কচি মন ভেঙে চুরমার হয়ে  গিয়েছে। বাবার জন্য সে কাঁদেনি, চিৎকার করেনি, শুধু বলেছে বুকে ব্যাথা শ্বাস নিতে পারছিনা। নিলীমা প্রথমে ভেবেছিলো সময়ের সাথে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ওমরের শ্বাসকষ্ট কমলোনা উপরন্তু ঘুম ও কমে গেল। তখন নিলীমা ইদ্দতের তোয়াক্কা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিলো ( যার জন্য পাড়ার মূর্খ রমনীর দল পরম আগ্রহে বেশ পরচর্চা করেছিল) । একগাদা পরিক্ষা নিরীক্ষায় কিছু পাওয়া গেলোনা। ডাক্তার সাহেব বললেন ওর প্যানিক এ্যাটাক হয়েছে। চিকিৎসা দেওয়া হলো সেই সাথে নিলীমা তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলো ছেলের মনের গভীরে প্রবেশ করতে। রাতে সে মাকে আঁকড়ে ধরে ঘুমুতো। সেসব দিনের কথা মনে করতে ও গায়ে কাঁটা দেয়।কয়েক বছর আগে নিলীমার স্বামী ইব্রাহিম সাহেব মারা গেছেন হার্ট এট্যাকে। ছোট্ট মেয়েটা এখনো বাবার ব্যবহৃত জামা জুতো ধরে কাঁদে। প্রায় প্রতি রাতে ও ঘুমুতে গেলে বাবার কথা মনে করে কাঁদে। ওমরের চৌদ্দ বছর চলছে আর মেয়ে নাফিসার বয়স এগারো চলছে। বয়ঃসন্ধির এ কঠিন সময়ে ওদের সামলানো নিলীমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ওরা বাবা ঘেঁষা বাচ্চা তাই ওদের মনোযোগ আকর্ষণ করা প্রায় দুঃসাধ্য মনে হয় নিলীমার কাছে। তাছাড়া বিষয় সম্পত্তি নিয়ে ও প্রথম পক্ষের ছেলে মেয়ের সাথে বোঝাপড়া করতে হচ্ছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী বাবার মৃত্যুর পর চাচা হচ্ছেন ওদের লিগ্যাল অভিভাবক। সে জন্য নিলীমাকে কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে অভিভাবকত্বের জন্য। দিনটা যেন তেন করে কাজে কর্মে কেটে যায় রাত নামলেই মনে হয় সে কিছুই পারবেনা তাকে দিয়ে কিছুই হবে না। একসময় চোখে ঘুম নেমে আসে। সকাল হলে আবার জীবনযুদ্ধ। আজ নিলীমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, তার কানে বাজছে প্রতিবেশী রাবেয়ার অশ্রাব্য বাক্যবাণ…. নীলিমা মনে মনে স্বগতোক্তি করে, এই মূর্খ রমনী জানেনা তার তৃতীয় স্বামী ও তাকে ভালোবাসেনি। শুধু শরীরে পূজার আরতি সারতে আসে মাঝরাতে মদ্যপ হয়ে।  আর আমি নিলীমা কবেই আশার সুতো গুলোকে সাদা ধবধবে থান বানিয়ে মনের শরীরে জড়িয়ে নিতে বাধ্য হয়েছি। কই কেউ তো তখন আমায় বিধবা বলে বাঁকা চোখে তাকায়নি। লোকের চোখ দেখতে পায়নি আমি যে নিয়ম করে একলা বাঁচার চর্চা করতাম। এবং সিদ্ধি লাভ ও হয়েছে বলতে পারি।

 

আমার গুণধর মহাপুরুষ স্বামী যিনি আমাকে বিয়ে করেছিলেন নিজেকে ডিভোর্সি পরিচয় দিয়ে। কয়েক বছর পর জানতে পারি তাঁরা রাগ করে সেপারেশনে আছেন। এক পর্যায়ে  প্রথম স্ত্রীর সাথে সমঝোতা করে সেপারেশন পর্বের সমাপ্তি ঘটিয়ে প্রতি শুক্রবার কোয়ালিটি টাইম এক্সপেন্ড করতেন এবং আমাকে অরুচিকর কুৎসিত বলে দূরে সরিয়ে রেখে যখন  আত্মতৃপ্তি লাভ করতেন  তখন এ সমাজের কিছু এসে যায়নি। কিন্তু আমার হৃদয় ভেঙে চৌচির হয়েছে শতকোটি বার। অপমান লাঞ্চনায় মরে গেছি নিজের কাছে নিজে। নিজের সৎকার করেছিলাম তাঁর স্ত্রীর তকমা মন থেকে মুছে ফেলে। এই বর্বর রাবেয়ারা কখনো জানতে পারবেনা আমরা প্রথমে মানুষ তারপর মেয়েমানুষ।আমার এই একলা জীবন দীর্ঘ দশবছরের, একবারের জন্য ও কোন প্রেমিক পুরুষকে প্রয়োজন মনে হয়নি। আমার স্বামী তো এই প্রথমবার মরেনি। বহু আগে সে পর্ব চুকেছে। এখনত কেবল  আমার সন্তানেরা বাবা হারা হয়েছে । বৈধব্যকে আমি স্বসম্মানে লালন করি। ঐসব লোলুপ নষ্টকীটদের ছোঁয়া থেকে বাঁচার জন্য। চারপাশে পূর্লিঙ্গ বাচক দেখি কোন পুরুষ দেখিনা। তাই একাকীত্বকে উদযাপন করি পরম আত্মবিশ্বাসে।

 

আমার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর তাঁর খুব কাছের এক বন্ধু আমাকে ফোন করে এ সময় আমার করনীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সাথে কথা প্রসঙ্গে আমার দ্বিতীয় বিয়ে করা উচিৎ সেটি ও বোঝাচ্ছেন। চল্লিশ বছরের বন্ধুত্ব ছিল উনাদের, বন্ধুর মৃত্যুর চল্লিশ দিন না পেরুতেই তাঁর সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে আমাকে হিতোপদেশ দিয়ে উপকৃত করার চেষ্টাটি আমার ভালো লাগলো না।বললাম ভাই আমার ছেলে মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। আমাদের মাঝখানে কোন থার্ড পারসন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। আপনি এ প্রসঙ্গে দয়া করে আর কিছু বলবেন না।  ভদ্রলোক চিরকুমার। আমাকে কখনো ভাবী ডাকেননি, নাম ধরে তুমি করে সম্বোধন করতেন। বয়সে অনেক সিনিয়র হওয়ায় আমি ও তাঁকে বড় ভাইয়ের মতো ভাবতাম।  বিষয়টি বাসায় আলোচনা করার সময় বাচ্চারা ও শুনেছে। আমি তাদের রিআ্যক্ট দেখে বুঝতে পারলাম ওরা বিষয়টায় প্রচন্ড বিরক্ত। সেই ভদ্রলোক আমার বাসায় এসেছেন ভালোমন্দ খোঁজ খবর করার জন্য। সৌজন্যতা রক্ষার জন্য আমি ভালো করে হিজাব বেঁধে গায়ে বড় ওড়না জড়িয়ে তাঁর সামনে গিয়ে বসলাম। আমি দেখছি আমার মেয়ে পায়চারি করছে আর উঁকি ঝুঁকি মারছে। কাছে ডেকে ওকে আমার পাশে বসালাম। ভদ্রলোক বিভিন্ন বিষয় কথা বলছেন, এটা ওটা জানতে চাচ্ছেন, আমি উত্তর দিচ্ছি হ্যাঁ হু। আমি ও বিব্রতবোধ করছি কিন্তু বলতে পারছি না। আমার মেয়ে মনে হয় পারলে তাঁকে খুন করে। লোকটা কিছুক্ষন পর চলে গেলে মেয়েকে বোঝালাম যে তিনি তোমার বাবার জন্য শোকাহত। তাই তোমাদেরকে দেখতে এসেছেন। তুমি যা ভাবছ সেরকম কিছু নয়। উনি আর আসবেন না। তুমি নিশ্চিত থাক।

একটা সময় ছিলো, দোষ গুণ মেনে ভালোবাসতে চেয়েছিলাম সেই ছায়া বিথীকে যার ট্যাগ ছিলো জীবনসঙ্গী। যখনই তাঁকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি তখনই অভেদ্য প্রাচীর আমাকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। একসময় গুটিয়ে গেছি নিজের অতলান্তে। ‘ভালোবাসা আছে’, ‘ভালোবাসা হতে পারে’,এ বাক্যদ্বয়কে ভয় পেতে শুরু করলাম। ভয় আমার সাহস কেড়ে নিয়ে প্রবল দুঃসাহসে একা বাঁচতে শিখিয়ে দিয়েছে। যখন বুঝতে পারলাম এ-ই তো আমি আছি আমার সাথে, আর আছে দায়িত্ব কর্তব্য।

একটি কর্মমুখর দিন আমাকে ভীষণ আত্মতৃপ্তির প্রসাদ দিত। ক্লান্ত অবসন্ন শরীরটা ও নিশীথের গাঢ় ঘুম নিশ্চিত করতে কার্পণ্য করেনি। এক জীবনে আর কিছু চাওয়ার ছিলো না। ছায়া বিথী তার মতো থাকুক প্রকৃতির প্রয়োজনে। নিরঙ্কুশ মিমাংসায় ফুলে ফলে ভরে উঠুক আমাদের ছোট্ট বাগান দিন শেষে এই ছিলো একমাত্র আরাধ্য।

 

পোড়া কপালে সুখ সইলোনা। কৈশোরের শখের চারা গাছটি(প্রাক্তন, যে এখন প্রতিশ্রুতি মোতাবেক চিরকুমার) জীবাস্ম হয়ে ফিরে এলো দৈবক্রমে। কী ভীষণ টর্নেডো বয়ে গেছে তখন বুকের টারবাইনে তা আজ ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা। লেখক হলে হয়তো পারতাম। যা-ই হোক বাহিরের পারিপাট্য ঠিক রেখেই ভেতরে রিখটার স্কেলে বিপদসীমা অতিক্রম করে ভুমিকম্প হতে লাগলো ফাটলের কৈফিয়ত চাইবে বলে।

পায়ের তলায় ভীত খুঁজে পেতাম না। শৌখিন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যেমন নিশ্চুপ ধসে পড়ে তেমনি সেদিন অস্তিত্ব খুঁইয়েছিলাম। দুঃখ – তপস্যার কৈলাসে ও কেমন করে যেন একফোঁটা জল চুঁইয়ে পড়েছিলো কপোল দেশে। আবার প্রাণ ফিরে পেয়ে জেগে ওঠে ফের সুখের স্বাদ পেলাম। ঐটুকুন প্রেমে সিক্ত হওয়ার জন্য কতোকাল চাতকের মতো অপেক্ষায় অধীর ছিলাম। কিন্তু সুখের আতিসহ্য আমাকে লোভী করে তুললো। তাই চারাগাছে জল দিলামনা আত্মমর্যাদা হারিয়ে। বরং  ছায়াবীথির এতো কালের অবজ্ঞা উপেক্ষার জবাব চাইলাম শিরদাঁড়া উঁচিয়ে। তার তো পালাবার পথ নেই, শতহোক অপরাধী সবসময় দুর্বল থাকে। শুনেছি “মনে না টানলে তারে যমে টানে “। কিছু দিনের মধ্যেই যমদূত এসে দাঁড়ালো আমাদের সমঝোতার যৌথ প্রাচীরে। অদ্ভুত হলেও সত্যি আমি তখন পাগলপারা; তাকে বাঁচাতে ছুটলাম দিগ্বিদিক। হাসপাতালের করিডোরে, আইসিইউর ওয়েটিং রুমে চোখের জ্বল নাকের জল একাকার। তাঁর কষ্ট চোখে দেখার আগে আমার কেন মরণ হয়না এমন মনে হতো। সূর্য যতোই তির্যক

হোক, তাকে ছাড়া প্রাণের স্পন্দন অসম্ভব! প্রার্থনা করতাম আল্লাহর কাছে আমার  জীবনের সূর্য নিরাপদ থাকুক, বেঁচে থাকুক। শতায়ু পাক এই দুর্মূল্যের আয়ুতে। প্রভু তুমি শুধু বহিবার সহিবার শক্তি দাও। জ্বালাও, পোড়াও, অঙ্গার করে দাও, তবুও সূর্য যেন মেঘেতে না লুকায়।সে ও ক্ষমা চাইলোনা আমিও না। শুধু চোখের পানি বলে দিতো আমরা এক অপরের প্রেমাষ্পদ না হয়ে ও সম্পূরক ছিলাম। এভাবে কুড়িদিনের যমে মানুষে টানাটানির পর সবশেষ হয়ে গেলো।  ঝড়ে ভেজা পাখির মতো ডানা ঝাঁপটাতাম। মনে হতো কী ভীষণ অবিশ্বাসে সমাজ আমার ডানা বেঁধে দেবে। যা কখনো কেউ খুলতে পারবেনা। আমার সন্তানেরা ও নীড় হারা বাঁধন ছেঁড়া হয়ে গেছে।এখনো মনে পড়ে  ছয় মাস পর কবর পাড়ে দাঁড়িয়ে আমার কান্নার রোল মনে করিয়ে দিচ্ছিল, আমাদের মধ্যে ভালোবাসা হয়নি তবে কাঁদছি কেন?  কেন কান্নার বেগ সামলাতে পারছিনা? বছরের পর বছর ধরে এভাবেই  মাঝে মাঝে আমি তার কবর পাড়ে দাঁড়িয়ে কাঁদি আর তাকে বলি, বল তুমিতো জানতে তুমি ভালো না বাসলেও আমি বাসতাম এবং এখনো বাসি! তুমি জানোনা বৈধব্য এখনো এ সমাজে একটা ট্যাবু। আমাকে যাবতীয় কাজে একা পাঠিয়ে তুমি কখনো চিন্তা করনি। ভালো না বেসে ও শ্রদ্ধা করতে আমার নিষ্ঠা একাগ্রতাকে।এখন  আমি সন্দেহভরা চোখগুলোর দিকে তাকালে বড় কষ্ট পাই।  ঐসব ধর্মান্ধ সমাজপতিরা আর যা-ই জানুক হৃদয়ের রঙ জানেনা….

কেটে গেছে বহু বছর, কাটেনা আমার অপেক্ষার প্রহর তার সহযাত্রী হওয়ার….

১৪৭জন ১জন
0 Shares

৫টি মন্তব্য

  • বন্যা লিপি

    সনাজে কিছু শব্দ তৈরী করে সমাজের জীব নামক মানুষগুলো। ট্যাবু* শব্দটা বোধহয় তারই প্রতিফলন। রবীন্দ্রনাথের স্ত্রীর গোপনে লিখে রেখে যাওয়া চিঠি পড়েছিলাম বহুদিন আগে। তখন আমার মনে হয়েছে- সামাজিক উচ্চ আসনে তৃপ্তদায়ক প্রতিষ্ঠার পেছনের উচ্চ নাম ধারিদের আভ্যন্তরীন ভাঙচুর গল্পের আমরা কতটুকু কিইবা জানি!
    তোমার এই গল্প পড়ে আমার ওই কথাটাই মনে পড়ল। কেন্দ্রীয় চরিত্রে নারী যেন যুঝে যাচ্ছে একা ট্যাবু’র সামিয়ানা তলে।
    নোটঃ গল্প লেখার ক্ষেত্রে আরেকটু সচেতনা খেয়াল করলেই আর ডায়রী ডায়রী মনে হবে না। আমার বক্তব্যে আশা করি মনে আঘাত নেবে না। আমরা এ বিষয় নিয়ে আলাপ করতেই পারি।

  • খাদিজাতুল কুবরা

    আপু অবশ্যই আমরা কথা বলতে পারি কিভাবে গল্পের আঙ্গিকে সমাজের অন্ধকার দিকগুলো তুলে ধরতে পারি। যেহেতু হাতেখড়ি চলছে তাই এমন পরামর্শ প্রেরণাদায়ক।
    অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা আপু।
    নিশ্চয়ই গুছিয়ে লিখতে চেষ্টা করব

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    সমাজ তৈরীর কারিগরেরা অত্যন্ত নিঁখুত নিয়মে তাদের তৈরী নীতি-রীতিগুলো চাপিয়ে দেয়/ দিতে জানে। তারা মুখে বলে ওড়ো, আকাশটা তোমার, কিন্তু নীরবে কত পাখীর ডানা ছেটে ফেলে তার হিসেব সংখ্যা নিজেরাও রাখে না। বৈধব্য যেমন আদিকাল থেকে ট্যাবু তেমনি প্রাক্তন স্বামী/স্ত্রীকে বন্ধুরুপে বরণ করা বর্তমানের সামাজিক কালচার। সন্দেহ নেই এখানেও তথাকথিত সমাজপতিদের সুক্ষ্ম কারিগরির নিদর্শন আছে।

    শুভ কামনা 🌹🌹

  • রোকসানা খন্দকার রুকু

    ধর্মান্ধ সমাজপতিরা আর যা-ই জানুক হৃদয়ের রঙ জানেনা… তারা জানুক বা না জানুক তাদের জানতে দেয়া উচিত। পুরুষ হতে কিছুই লাগে না, নারী হতে অনেক কিছু- এটা আসলে বদলে গেছে কিংবা বদলে দিতে হবে।
    আমি মনে করি দোষ আমাদেরই!!

  • হালিমা আক্তার

    সামাজিক কিছু রীতিনীতি মেয়েদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। সব নিয়মকানুন মেয়েদের জন্য। এই নিয়ম গুলো পালন করতে এক শ্রেণীর নারী অন্যদের বাধ্য করে। হয়তো পুরুষ শাসিত সমাজের কাছে তারা বন্দি। এই নিয়ম আমাদের ই ভাঙতে হবে। সুন্দর গল্প। শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করুন



লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য




ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ