রাতে হাঁটতে কখনো আমার বিরক্ত
লাগেনি। মাঝে মাঝে ভয় লেগেছিল।
প্রথম প্রথম ভূতের ভয় লাগতো। একদিন বুঝলাম
রাতের বেলা সবচেয়ে বড় ভূত হল
ছিনতাইকারী।
কিছুদিন পর সে ভয়টা কেটে গেল। নতুন করে
যোগ হল পুলিশের ভয়। চৌদ্দগুস্টির
বায়োডাটা জিজ্ঞেস করার পর যখন কোনই
খুঁত পেত না তখন চুল দাড়ি বাল ইত্যাদি
সম্পর্কে নিজস্ব মতামত দেওয়া শুরু করতো।
তারপর… হঠাৎই আমার মনের সমস্ত ভয় একদিন
কেটে গেল, যেদিন আমাকে একদল হিজড়া
আক্রমণ এবং দৌড়ানি দিল…
আমার সমস্যা একটা, আমি রাতে একা
হাঁটি। কখনো মনে হয়নি একা হাঁটা খুব
খারাপ কাজ।
মেঘে মেঘে, অন্ধকারে- তারার সাথে…
অথবা শুধু জোছনা হলে, একা হাঁটা যায়।
কিংবা শীতের রাতে প্রচণ্ড কুয়াশা
হলে…
আমার মাথার উপর ঝির ঝির বৃষ্টি…
কি জানি কেন… এই প্রথমবার মনে হচ্ছে
বৃষ্টির রাতে একা একা হাঁটা ঠিক না!
আজ মনে হচ্ছে, বৃষ্টির রাতে কোন একজনকে
নিয়ে ১৬ তলায় রুফটপে বসে থাকা উচিত।
ট্রান্সপারেন্ট চারদেয়ালের ভেতর দিয়ে
বৃষ্টি দেখতে দেখতে কফি। স্টেরিওতে
চলবে মৃদু রবীন্দ্রসঙ্গীত… মুগ্ধ হয়ে শুনবো
টিনের চালে টিপ টিপ বৃষ্টির শব্দ!
অনেক রাতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়লে… বুকের
কাছে মাথা রেখে, তাকে ঘুম পাড়িয়ে
দেব! দখিনা জানালাটা খুলে, তাকে দেব
শীতল বাতাস। মুখের উপর পড়ে থাকা
চুলগুলো ছোট ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে দেব। নীল
ডিমলাইটটাও অফ থাকবে।
তারপর ব্যালকনিতে এসে সিগারেট। একটার
আগুনে জ্বলবে আরেকটা। পর পর দু’টো। (3  (3

৯৩৬জন ৯৩৮জন
0 Shares

১৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ