বুদ্ধিজীবী হত্যা

হৃদয়ে আমার বাংলাদেশ ১৪ ডিসেম্বর ২০১২, শুক্রবার, ০১:৩৯:৫৮পূর্বাহ্ন মুক্তিযুদ্ধ ৩৪ মন্তব্য

১৯৭১ সালের শেষ লগ্নে এসে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে , বাংলাদেশকে মেধাশুন্য করার জন্য দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করে ।  ১৪-১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের স্থানীয় সহযোগী আল বদর বাহিনী বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এই সময়সারা দেশে হাজার হাজার শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের বাড়ি থেকে রাতের অন্ধকারে চোখ বেঁধে নিয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় । অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আল বদর বাহিনীর কর্মীরা এসব বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার করার কাজটি করে ।বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এ এন এম মুনীর চৌধুরী
ডঃ জি সি দেব
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
আনোয়ার পাশা
ডঃ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা
আবদুল মুকতাদির
এস এম রাশীদুল হাসান

ডঃ এন এম ফয়জুল মাহী

ফজলুর রহমান খান

এ এন এম মুনীরুজ্জামান

ডঃ সিরাজুল হক খান

ডঃ শাহাদাত আলী

ডঃ এম এ খায়ের

এ আর খান খাদিম

মোঃ সাদিক

শরাফত আলী

গিয়াসউদ্দীন আহমদ

আনন্দ পয়ান ভট্টাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

 

  • অধ্যাপক কাইয়ুম
  • হাবীবুর রহমান
  • শ্রী সুখরঞ্জন সমাদ্দার
  • ডঃ আবুল কালাম আজাদ

 

সাবেক গণপরিষদ সদস্য

  1. মসিউর রহমান
  2. আমজাদ হোসেন
  3. আমিনুদ্দীন
  4. নজমুল হক সরকার
  5. আবদুল হক
  6. ডাঃ জিকরুল হক
  7. সৈয়দ আনোয়ার আলী
  8. এ কে সরদার

সাংবাদিক

  1. সিরাজুদ্দীন হোসেন
  2. শহীদুল্লাহ কায়সার
  3. খোন্দকার আবু তালেব
  4. নিজামুদ্দীন আহমদ
  5. আ ন ম গোলাম মোস্তফা
  6. শহীদ সাবের
  7. শেখ আবদুল মান্নান (লাডু)
  8. নজমুল হক
  9. এম আখতার
  10. আবুল বাসার
  11. চিশতী হেলালুর রহমান
  12. শিবসদন চক্রবর্তী
  13. সেলিনা আখতার

চিকিৎসাবিদ

  1. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী
  2. আবদুল আলীম চৌধুরী
  3. সামসুদ্দীন আহমদ
  4. আজহারুল হক
  5. হুমায়ুন কবীর
  6. সোলায়মান খান
  7. কায়সার উদ্দীন
  8. মনসুর আলী
  9. গোলাম মর্তুজা
  10. হাফেজ উদ্দীন খান
  11. জাহাঙ্গীর
  12. আবদুল জব্বার
  13. এস কে লাল
  14. হেমচন্দ্র বসাক
  15. কাজী ওবায়দুল হক
  16. মিসেস আয়েশা বেদৌরা চৌধুরী
  17. আলহাজ্জ্ব মমতাজ উদ্দীন
  18. হাসিময় হাজরা
  19. নরেন ঘোষ
  20. জিকরুল হক
  21. সামসুল হক
  22. এস রহমান
  23. এ গফুর
  24. মনসুর আলী
  25. এস কে সেন
  26. মফিজ উদ্দীন
  27. অমূল্য কুমার চক্রবর্তী
  28. আতিকুর রহমান
  29. গোলাম সরওয়ার
  30. আর সি দাশ
  31. মিহির কুমার সেন
  32. সালেহ আহমদ
  33. অনীল কুমার সিংহ
  34. সুশীল চন্দ্র শর্মা
  35. এ কে এম গোলাম মোস্তফা
  36. মকবুল আহমদ
  37. এনামুল হক
  38. মনসুর (কানু)
  39. আশরাফ আলী তালুকদার
  40. লেঃ জিয়ায়ুর রহমান
  41. লেঃ কঃ জাহাঙ্গীর
  42. বদিউল আলম
  43. লেঃ কঃ হাই
  44. মেজর রেজাউর রহমান
  45. মেজর নাজমুল ইসলাম
  46. আসাদুল হক
  47. নাজির উদ্দীন
  48. লেঃ নূরুল ইসলাম
  49. কাজল ভদ্র
  50. মনসুর উদ্দীন

অন্যান্য

  1. জহির রায়হান (সাহিত্যিক)
  2. পূর্ণেন্দু দস্তিদার (সাহিত্যিক)
  3. ফেরদৌস দৌলা (সাহিত্যিক)
  4. ইন্দু সাহা (সাহিত্যিক)
  5. মেহরুন্নেসা (সাহিত্যিক)
  6. আলতাফ মাহমুদ (শিল্পী)
  7. দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা
  8. ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত (রাজনৈতিক নেতা)
  9. যোগেশ চন্দ্র ঘোষ (আয়ুর্বেদ শাস্ত্রী)
  10. শামসুজ্জামান (চিফ ইঞ্জিনিয়ার)
  11. মাহবুব আহমদ (সরকারি কর্মচারী)
  12. খুরশীদ আলম (ইঞ্জিনিয়ার)
  13. নজরুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার)
  14. মোজাম্মেল হক চৌধুরী (ইঞ্জিনিয়ার)
  15. মহসিন আলী (ইঞ্জিনিয়ার)
  16. মুজিবুল হক (সরকারি কর্মচারী)

যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে : 

রাজাকার :

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিরা রাজাকার শব্দের সঙ্গে পরিচিত হয়। যুদ্ধরত পাকিস্থানি সামরিক বাহিনীকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে রাজাকার দল গঠিত হয়। ‘রাজাকার’ ফার্সি শব্দ। এর অর্থ ’স্বেচ্ছাসেবী’। মুক্তিযুদ্ধের সময় মে মাসে খুলনায় খান জাহান আলী রোডের একটি আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন পাকিস্তানপন্থী কর্মী নিয়ে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়। পরবর্তীকালে দেশের অন্যান্য অংশেও রাজাকার বাহিনী গড়ে তোলা হয়। প্রথম পর্যায়ে রাজাকার বাহিনী ছিল এলাকার শান্তি কমিটির নেতৃত্বাধীন। ১৯৭১ সালের ১ জুন জেনারেল টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স-১৯৭১ জারি করে  আনসার বাহিনীকে রাজাকার বাহিনীতে রূপান্তরিত করে। তবে এর নেতৃত্ব ছিল পাকিস্তানপন্থী স্থানীয় নেতাদের হাতে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৭ই সেপ্টেম্বর জারিকৃত এক অধ্যাদেশ বলে রাজাকার বাহিনীর সদস্যদের সেনাবাহিনীর সদস্যরূপে স্বীকৃতি দেয়। রাজাকার বাহিনীর প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল ১৫ দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ জুলাই কুষ্টিয়ায় রাজাকারবাহিনীর প্রথম ব্যাচের ট্রেনিং সমাপ্ত হয়। পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক অধিনায়ক জেনারেল এ.এ.কে নিয়াজী ১৯৭১ সালের ২৭শে নভেম্বর সাভারে রাজাকার বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডারদের প্রথম ব্যাচের ট্রেনিং শেষে বিদায়ী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করে। পরবর্তী পর্যায়ে রাজাকার বাহিনী একটি স্বতন্ত্র অধিদপ্তরের মর্যাদায় উন্নীত হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের সঙ্গে সঙ্গে রাজাকার বাহিনীর স্বাভাবিক বিলুপ্তি ঘটে।

আল বদর

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহায়তা দানকারী আধা-সামরিক বাহিনী। যার সৃষ্টি হয়েছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রকে অখন্ড রাখার উদ্দেশ্যে জনমত গঠন করার জন্য। পূর্বাঞ্চলীয় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল নিয়াজীর পৃষ্ঠপোষকতায় এই বাহিনী গঠিত হয়েছিল। ইসলামিক ইতিহাসের বদর যুদ্ধকে আদর্শ করে এই বাহিনী গঠিত হলেও এদের মূলকাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া আর নারী ধর্ষণ এবং ধর্ষণে সহায়তা করা। মে মাসে রাজাকার বাহিনী গঠনের আগেই এপ্রিল মাসে গঠিত হয় আল বদর বাহিনী। রাজাকার বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আর আল বদর বাহিনীর মূল কাজ ছিল সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক গণহত্যার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে পাকিস্তান বিরোধী বুদ্ধজীবীদের হত্যা করাই ছিল এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনীর পতনের পর এই বাহিনীর বিলুপ্তি ঘটে।

২২ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ময়মনসিংহ জেলা ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি মুহম্মদ আশরাফ হোসাইনের নেতৃত্বে জামালপুর শহরে আল বদর বাহিনী গঠিত হয়।

দৈনিক পাকিস্তানপূর্বদেশ পত্রিকায় ২৩ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে আল বদর বাহিনী নিজেদের সম্পর্কে বলে, “আলবদর একটি নাম! একটি বিস্ময়। আলবদর একটি প্রতিজ্ঞা! যেখানে তথাকথিত মুক্তিবাহিনী আলবদর সেখানেই! যেখানেই দুষ্কৃতকারী, আলবদর সেখানেই। ভারতীয় চর বা দুষ্কৃতকারীদের কাছে আলবদর সাক্ষাৎ আজরাইল।”

আল শামস

আরবি শব্দ আল শামসের অর্থ দাঁড়ায় ‘সূর্য’। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আল শামস ও আল বদর বাহিনী গঠন করা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের বাহিনী মুক্তি বাহিনীকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে।

পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর প্রচারযন্ত্র দৈনিক সংগ্রাম এর মাধ্যমে ‘দুষ্কৃতিকারীদের’ বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ ও যুদ্ধের ডাক দিয়ে রাজাকার বাহিনী গঠন করে সে বাহিনীর আমীরের পদ গ্রহণ করলে তৎকালীন ছাত্রসংঘের কর্ণধার, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লার নেতৃত্বে আল শামস ও আল বদর বাহিনী গঠন করেপূর্ব পাকিস্তান ছাত্রসংঘের আমীর ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী আল বদর ও আল শামস বাহিনীর আমীরের পদ গ্রহণ করে এবং সারা বাংলাদেশে প্রচারণা, সামরিক বাহিনীসমূহের সাথে যোগাযোগের দায়িত্ব পালন করে। ঢাকা নগর ছাত্রসংঘের আমীর ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদও এসব বাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব পালন করে। আবদুল কাদের মোল্লা সামরিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আঙুল কাটার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।

 কিছু রাজাকার আলবদর আলশামস এর নাম :

    • গোলাম আযম
    • আব্বাস আলী খান, জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর
    • মতিউর রহমান নিজামী
    • আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ– ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি এবং আলবদর বাহিনীর ঢাকা মহানগরীর প্রধান।
    • মো: কামরুজ্জামান– জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
    • দেলোয়ার হোসেন সাঈদী– জামাতে ইসলামীর মজলিসের শুরার সদস্য
    • আবদুল কাদির মোল্লা, জামাতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক
    • ফজলুল কাদের চৌধুরী
    • সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী    
    • আশরাফুজ্জামান খান– আলবদর বাহিনীর প্রধান, মোঃ নুরুল ইসলাম-আল-বদর প্রধান, আল-বদর কমান্ডার- ক্বারী আব্দুল কাদের, আল-বদর-মো: আবুল বাশার (বাসায়েত), আল-বদর কমান্ডার – সুরুজ, আলবদর- জুলু, আল-বদর – জি. এম. এনামুল হক, আল-বদর মাওলানা জুবাদেয়দ আলী, আল-বদর- কাজী মউদ্দিন, আল-বদর-মো: ফয়জুল বারী, আল-বদররের জেলা ডেপুটি কমান্ডার-মাকসুদ, আল-বদর-মাওলানা আব্দুস সামাদ, আল-বদর-মো: আব্দুস সামাদ, আল-বদর-আ: কুদ্দুস মহুরী, আল-বদর-মো: আশরাফ আলী, আল-বদর- মওলানা এরশাদ উল্লাহ, আল-বদর- মওলানা আবুল কাশেম বালিয়া, আল-বদর- মাওলানা দৌলত আলী, আল-বদর- মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, আশরাফ হোসেন, ইসলামী ছাত্র সংঘ, ময়মনসিংহ, শামছুল হক, সভাপতি, ইসলামী ছাত্র সংঘ, ঢাকা , আনিস- আল-বদর , জি. এম. এনামুল হক-আল-বদর, মাওলানা জুবাদেয়দ আলী- আল-বদর, কাজী মউদ্দিন- আল-বদর, মো: ফয়জুল বারী- আল-বদর, মাকসুদ-আল-বদর জেলা ডেপুটি কমান্ডার, মাওলানা আব্দুস সামাদ-আল-বদর, মো: আব্দুস সামাদ-আল-বদর, বদর-আ: কুদ্দুস মহুরী-আল-বদর, মো: আশরাফ আলী-আল-বদর।মোঃ কামারুজ্জামানআল বদর বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব কমান্ড, জয়নাল -আল-বদর বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড, শাহজাহান চৌধুরী- আলবদর বাহিনীর রূপকারদের মধ্যে অন্যতম, আনোয়ার হোসাইন -আল বদর বাহিনীর অন্যতম রূপকার ও কর্ণধার, কামরান, আল-বদর বাহিনী সৃষ্টির অন্যতম রূপকার।রাজাকার-জয়নাল – শেরপুর টাউন, শেরপুর, মোঃ কামরুজ্জামান, পিতা-ইনসান আলী, গ্রাম-কুমরি মুদিপাড়া, পোঃ + ইউনিয়ন- বাজিতখিলা, থানা+ জেলা- শেরপুর এ মান্নান, পিতা-মৃত মহিউদ্দীন মন্ডল, কাচারী পাড়া, জামালপুর, হারুন উর রশিদ শেলি, পিতা-মৃত জসীমউদ্দিন, কাচারী পাড়া, জামালপুর, আব্দুল বারী, পিতা-আব্দুর রহমান মঞ্জুরী, বগাবাইদ, জামালপুর, সৈয়দ আশরাফ হোসেন, পিতা- মৃত সৈয়দ বিতাল মিয়া, মিয়াপাড়া, তবলপুর, জামালপুর, প্রফেসর শরীফ আহমেদ, পিতা-মৃত জাফর আহমেদ, কাচারী পাড়া, জামালপুর, মুক্তা, পিতা-মৃত জোবেদ আলী, কাচারী পাড়া, জামালপুর, হাসেম, পিতা-মৃত আব্দুল লতিফ, কাচারী পাড়া, জামালপুর, মোতাহার আলী, গ্রাম-ফুলকাচা, মেলানদহ, জামালপুর।আলবদর-মাওলানা জুবাদেয়দ আলী, গ্রাম-জোরবাড়িয়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ, আলবদর-জি. এম. এনামুল হক, গ্রাম-জোরবাড়িয়া, আলবদর-রিয়াজ উদ্দিন, গ্রাম-ভালুকা, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-কাজী মউদ্দিন, গ্রাম-চৌদার, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-মো: ফয়জুল বারী, গ্রাম-ফুলবাড়িয়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-মাকসুদ, পিতা-মৃত মাহমুদ আলী, গ্রাম-বইলজান, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-আ: কুদ্দুস মহুরী, গ্রাম-দণিপাড়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-মৃত মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন, গ্রাম-অললী, থানা-গফরগাঁও, জেলা-ময়মনসিংহ। আলবদর-মো: আশরাফ হোসাইন-আল-বদর বাহিনীর চীফ অফ কমান্ড বা আল-বদর প্রধান, আলবদর–আব্দুর সাত্তার (নূরুল) পিতা- ময়েজ মন্ডল, সাং-জঙ্গলপাড়া, থানা- জামালপুর সদর, আলবদর–আব্দুল কাদের, পিতা-মফিজউদ্দিন, সাং-জঙ্গল পাড়া, থানা-জামালপুর সদর, আলবদর-হেদায়েত উল্লাহ-আল-বদর প্রধান, আলবদর-হুমায়ুন কবীর, নেত্রকোনা, সামসুল হুদা-আল মোজাহিদ প্রধান, আলবদর-মাওলানা আব্দুল হামিদ (সাবেক মাদ্রাসা সুপার), আলবদর-মাওলানা আব্দুল খালেক, মওলানা আতাউর রহমান খান- ইসলামী পার্টির সাধারণ সম্পাদক, আলবদর-আব্দুল হাসিম।

সমস্ত লেখা উইকিপিডিয়া   থেকে নেয়া হয়েছে।

৩৯৬জন ৩৯৬জন
0 Shares

৩৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য