বিহারি দের উর্দু প্রেম — আর ইহুদিদের হিব্রু প্রেম

আমাদের দেশে আটকে পড়া পাকিস্তানিদের বলা হয় বিহারি। বর্তমানে এরা কেও কেও আমাদের বাঙ্গালী মেয়েদের বিয়ে করে মুল স্রোতের সঙ্গে মিলে গেলেও এরা ইহুদীদের মত একটা জিনিস ছাড়তে পারেনি। এই দেশে বসবাস করে এই দেশে বেড়ে উঠে এরা, এদেশের ভোটার হয়ে একটা যায়গায় এরা আমাদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করে চলেছে। ঠিক ১৯৫২ সালের আগে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী যেমন করেছিল উর্দুকে আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়ে।
ইহুদীরা মায়ের দিক হতে বংশ গণনা করে এবং ইহুদী মার গর্ভে জন্ম না নিলে সে ইহুদী হতে পারে না। তেমনি এরা যে দেশে বসবাস করুক আর ইহুদী মেয়ের যার সঙ্গেই বিয়ে হক তার সন্তান হবে ইহুদী এবং তারা তাদের বাধ্যতামূলক ভাবে সন্তান দের শিক্ষা দেবে হিব্রু।
এই ইহুদীদের মত বাংলাদেশে বসবাসরত বিহারিদের প্রজন্ম হতে এই প্রজন্মের সকলকে বাধ্যতামূলক ভাবে শিক্ষা দেওয়া হয় উর্দু। আর নিজেদের গোষ্ঠীর লোকদের সঙ্গে কথা বলতে তারা ১০০% উর্দুতে কথা বলবে।
তাদের বাংলা শুনলে মনে হবে কোন ইংরেজ বা বিদেশী প্রথম বাংলা শিখে বাংলায় কথা বলছে। বাংলাকে তারা এমন বিদঘুটে ভাবে উচ্চারণ করে। এদের কাছ হতে বাংলা শুনলে নিজেকে আর সামলে রাখা যায় না। গাল দিতে ইচ্ছে করে, বলতে ইচ্ছে করে বাংলাদেশে বসবাস করে, এই দেশের মাটিতে আয় উপার্জন করে, এদেশের মাটির গন্ধ নিয়ে তোমারা আমাদের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করছ এবং ভবিষ্যতে করবা। তোমরা এদেশের নাগরিক হয়েছ, তোমাদের পাকিস্তানে ফিরে যাবার আর কোন সম্ভাবনা নেই। তাহলে কেন তোমাদের এত উর্দু প্রীতি আর পাকিস্তান প্রীতি। যে আমরা তোমাদের ভাই বলে মেনে নিয়েছি যেমন নিয়েছি শরণার্থী কিছু রোহিঙ্গাদের। আর প্রতিদানে তোমরা আমাদের শুধু দিয়েছ বিশ্বাস ঘাতকটা। এরা বাংলা দেশের সাথে ফাকিস্তানের খেলা হলে প্রকাশ্যে ফাকিস্তানের সমর্থন করে আমাদের কিছু কুলাঙ্গার বাঙ্গালী হারামিদের সঙ্গে সঙ্গে।
>>অনেকে বলে খেলার সঙ্গে রাজনীতি মিশানো ঠিক না। আরে শালা ৪৭ হতে ৭১ পর্যন্ত ফাকিস্তানিরা কি আমাদের শুধু কি রাজনৈতিক ভাবে পাছা মারছে। এরা আমাদের অর্থনীতির, সমাজের, শিক্ষার, সাংস্কৃতিক, খেলাধুলার সব ক্ষেত্রে শাসন ও শোষণ করেছে।আর ৭১ ঘটনা তো বলে দেওয়া লাগেনা। আর ফাকিস্তানি দলের খেলা হলে শালা আমরা বাংলাদেশি হয়ে কেমন করে ফাকিস্তানিদের সমর্থন করি। মিরপুরের গ্যালারিতে ফাকিস্তানি পতাকা হাতে চিল্লাতে পারি। ফাকিস্তানের নামটা মুখে আনলে মনে একটা নাপাক ভাব ছড়িয়ে দিতে পারে। আর ও…… এদের সমর্থনে………।।
ঘটনা:১>>> আমি রাজশাহী তে থাকতে এদের খুব কাছ হতে দেখেছি এবং লক্ষ্য করেছি ব্যাপার টা। যেমন রাজশাহীর হোটেল ব্যবসায়ী জনপ্রিয় দুটি হোটেল এর মালিক রহমানিয়া এবং বিসমিল্লাহ হোটেলের মালিক বিহারি। এরা বাঙ্গালী মেয়েদের যেমন বিয়ে করে বাঙ্গালীর মত থাকে। কিন্তু ঐ এক যায়গায় এদের মিল…… সকলে কথা বলে উর্দুতে। ভালবাসে উর্দু।
ঘটনা:২>>> যেমন আমাদের কিছু মাওলানারা মিলাদ মাহফিলে উর্দু শের না বললে যেন মাহফিল জমবে না অথবা মনে হতে পারে উর্দু না বললে লোকে মনে করবে এরা কিছু যানে না। আরে ভাই মাওলানা উর্দুতে শের ঝাড়ছ যাদের উদ্দেশ্যে তারা তো তা বুজে না, কেন ভাই বাংলায় ভাবার্থ বললে কি এমন সমস্যা। এত উর্দু প্রেম আসে কেমনে আপনাদের। উর্দু বলার সময় কি একবারও ১৯৫২ সালের কথা মনে পড়ে না?
মন্তব্য: আর নয় উর্দু প্রেম, আর নয় ফাকিস্তানি প্রেম। বাংলাদেশের মাটিতে বসবাস করে এত উর্দু চর্চা বা ফাকিস্তানি প্রেম চলবে না। উর্দু এবং ফাকিস্তান যদি এতই ভাল লাগে আর বলতে ইচ্ছে করে ফাকিস্তানে চলে যাও।

২৩৮জন ২৪০জন
0 Shares

৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

️️ 🍂️️ 💝 ️️ 🌟 🌺 💐 💥 🌻 🍄 🌹 💐 ⭐️ 🎉 🎊