(y) “স্বরাজ আমার জন্ম গত অধিকার”।
-বাল গঙ্গাধর তিলক।
(y) “যেখানে দেখিবে ছাই,উড়াইয়া দেখ তাই,মিলিলেও মিলিতে পারে অমূল্য রতন”
-ভারতচন্দ্র রায়।
(y) “কুসুম আপনার জন্য ফোটে না,পরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমটিকে প্রস্ফুটিত করিও”
-বঙ্কিমচন্দ্র।
(y) “ভুলিও না তোমার জন্ম মায়ের জন্য বলি প্রদত্ত”
-স্বামী বিবেকানন্দ।
(y) “সত্যের জন্য সব কিছুকে ত্যাগ করা চলে,কিন্তু কোন কিছুর জন্য সত্যকে বর্জন করা চলে না”
-স্বামী বিবেকানন্দ।
(y) “সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই”।
-চন্ডীদাস।
(y) “যেখানে বিজ্ঞান শেষ সেখানে দর্শন শুরু,যেখানে দর্শন শেষ সেখানে ধর্ম শুরু”।
-আইনস্টাইন।
(y) শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি হয়।
-এরিস্টটল।
(y) 
শিয়ালের মতো একশো বছর জীবন ধারণ করার চাইতে সিংহের মতো একদিন বাঁচাও ভাল।
-টিপু সুলতান

(y) সত্যকে ভালবাস,কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর।
-ভলতেয়ার
(y) সবচে’ জ্ঞানী ব্যক্তিটিও উত্তর জানেনা এমন হাজার প্রশ্ন করতে পারে শিশুরা।
-জে এবট
(y) সময় চলে যায়না,আমরাই চলে যাই।
-অস্টিন ডবসন
(y) সময় দ্রুত চলে যায়, এর সদ্ব্যবহার যারা করতে পারে,তারাই সফল ও সার্থক বলে পরিচিত হয়।
– বেকেন বাওয়ার
(y) হ্যাঁ’ এবং ‘না’ কথা দুটো সবচে’ পুরনো এবং সবচে’ ছোট।কিন্তু এ কথা দু’টো বলতেই সবচে’ বেশি ভাবতে হয়।
-পীথাগোরাস
(y) “ফুল ফুটুক নাই বা ফুটুক আজ বসন্ত”
-সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
(y) “শ্রম বিনা শ্রী হয় না”
-উপনিষদ।
(y) সময়ের সমুদ্রে আছি,কিন্তু একমুহূর্ত সময় নেই।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(y) “কোন বিষয়ে প্রস্তাব করা সহজ, কিন্তু নির্বাহ করে ওঠা কঠিন”
-ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর।
(y) “বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা”
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(y) “মানুষের জীবনে শৈশব হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ”
-রুশো।
(y) “সংগ্রামই জীবন,সংগ্রাম হীনতা মৃত্যু/গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলা ভাল/জগতে সর্বদাই দাতার আশ্রয় গ্রহন করো”
-স্বামী বিবেকানন্দ।
(y) “শিক্ষা দানের কাজ বাগানের মালীর মত”
-রুশো।
(y) “যা পাওয়া যায় না তার প্রতি আমাদের আগ্রহের সীমা থাকে না”
-হুমায়ূন আহমেদ।
(y) “কান্নায় অনন্ত সুখ আছে তাইতো কাঁদতে এত ভালবাসি”
-স্বামী বিব্বেকানন্দ।

এক জন নেলসন ম্যান্ডেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
mandela
এই মানুষটার সম্পর্কে লিখতে গেলে অনেক কিছুই লেখা যায় তবে এখানে তার উক্তিগুলোর খাতিরে তার সংক্ষিপ্ত বর্ননা দিতে হচ্ছে।বিশ্ব খ্যাত এই নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা থেম্বু রাজ বংশের ক্যাডেট শাখায় ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন,৯৫ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্ভর।তিনি তিন বার বিয়ে করেন।তাঁর ৬টি সন্তান,২০ জন নাতি-নাতনি এবং অনেক প্রপৌত্র রয়েছেন।দক্ষিণ আফ্রিকার গণ তান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।সে ১৯৯৪ হতে ১৯৯৯ পর্যন্ত রাষ্ট্র পতির দায়িত্ব পালন করেন।গত চার দশকে ম্যান্ডেলা ২৫০টিরও অধিক বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছে ১৯৯৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার সহ ভারত রত্ম লাভ করেন।তা ছাড়াও তিনি ১৯৮৮ সালে শাখারভ পুরস্কারের অভিষেক পুরস্কারটি যৌথ ভাবে অর্জন করেন।

থেম্বুর উপ জাতীয় নেতা মান্দলা ম্যান্ডেলা হলেন নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি।থেম্বু রাজ বংশ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ প্রদেশের ট্রান্সকেই অঞ্চলের শাসক।তাঁর জন্ম হয় ট্রান্সকেই এর রাজ ধানী উমতাতার নিকট বর্তী ম্‌ভেজো গ্রামে।তাঁর প্রপিতা মহ ছিলেন নগুবেংচুকা(মৃত্যু ১৮৩২),যিনি ছিলেন থেম্বু জাতি গোষ্ঠীর ইন কোসি এন খুলু অর্থাৎ রাজা এই রাজার পুত্র ম্যান্ডেলা হলেন নেলসন ম্যান্ডেলার পিতা মহ।নেলসনের বংশ গত নাম ম্যান্ডেলাই এই পিতামহ থেকেই পাওয়া।তবে নেল সনের পিতা মহী ইক্স হিবা গোত্রের হওয়ায় রীতি অনুযায়ী তাঁর শাখার কেউ থেম্বু রাজ বংশে আরোহণ করার অধিকার রাখেন না
১৯৬১ সালে ম্যান্ডেলা এএন সির সশস্ত্র অঙ্গ সংগঠন উম খোন্তো উই সিযওয়ে”দেশের বল্লম”,সংক্ষিপ্ত নাম MK এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।তিনি ছিলেন এই সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।তিনি বর্ণ বাদী সরকার ও তার সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে অন্ত র্ঘাতী ও চোরা গোপ্তা হামলা পরিকল্পনা ও সমন্বয় করেন।যা বর্ণ বাদী সরকার পিছু না হটলে প্রয়োজন বোধে গেরিলা যুদ্ধে যাবার জন্যও ম্যান্ডেলা পরিকল্পনা করেন।
ম্যান্ডেলা প্রায় সতের মাস ধরে ফেরারি থাকার পর ১৯৬২ সালের ৫ই আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।তাঁকে জোহানেস বার্গের দুর্গে আটক রাখা হয়।মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সি আই এ ম্যান্ডেলার গতিবিধি ও ছদ্ম বেশ সম্পর্কে দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পুলিশকে জানিয়ে দেয় যার ফলে ম্যান্ডেলা ধরা পড়েন।তিন দিন পরে তাঁকে ১৯৬১ সালে শ্রমিক ধর্ম ঘটে নেতৃত্ব দেয়া এবং বে-আইনী ভাবে দেশের বাইরে যাবার অভিযোগে তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়।১৯৬২ সালের ২৫শে অক্টোবর ম্যান্ডেলাকে এই দুই অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।এর দুই বছর পর ১৯৬৪ সালের ১১ই জুন ম্যান্ডেলার বিরুদ্ধে এ এন সির সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দানের অভিযোগ আনা হয় ও শাস্তি দেয়া হয়।ম্যান্ডেলার কারা বাস শুরু হয় রবেন দ্বীপের কারাগারে।সেখানে তাঁর জীবন যৌবনের ২৭ বছরের কারা বাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।জেলে থাকার সময়ে বিশ্ব জুড়ে তাঁর খ্যাতি বাড়তে থাকে।সে দক্ষিণ আফ্রিকার সব চেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ কৃষ্ণাঙ্গ নেতা হিসাবে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেন।
বহু আন্দোলন আর ঘটন অঘটনের পর অবশেষে ১৯৯০ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার তদা নিন্তন রাষ্ট্র পতি এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সহ অন্যান্য বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন।একই সাথে তিনি ঘোষণা দেন,ম্যান্ডেলাকে অচিরেই মুক্তি দেয়া হবে। ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি তারিখে মুক্তি দেয়া হয়।ম্যান্ডেলার কারা মুক্তির ঘটনাটি সারা বিশ্বে সরা সরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।
তার কালজয়ী কিছু উক্তি:
 -{@ আমার সফলতার ভিত্তিতে আমাকে বিচার করোনা,আমাকে বিচার কর আমার ব্যর্থতা এবং ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তিতে।
-{@ আমি সাধু নই, তবে যদি সাধুকে এমন এক পাপী হিসেবে বিবেচনা কর, যে সৎ হবার জন্য তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাহলে আমি তাই।
-{@ ঘৃণা মনকে অন্ধকার করে দেয়।কৌশলের পথ রুদ্ধ করে দেয়।নেতাদের ঘৃণা করা সাজে না।
-{@ যদি কেউ ঘৃণা করতে শেখে তাহলে সে ভালবাসা শিখে নিতে পারে।ঘৃণা নয়,মানব হৃদয়ে স্বাভাবিক ভাবে ভাল বাসার জন্ম হয়।
-{@ ঘৃণা নিয়ে কেউ জন্ম গ্রহণ করে না।
-{@ সাহসী মানুষের শান্তির জন্য ক্ষমা করতে ভীত নয়।
-{@ পৃথিবীতে প্রতিশোধ গ্রহণের মাধ্যমে আপনি যতটা অর্জন করতে পারবেন,তার চেয়ে ঢের বেশী অর্জন করতে পারবেন ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে।
-{@ যেখানে এক সময় থাকে বেদনার বসবাস,খেলা ধুলা সেথায় করতে পারে আশা বাদের চাষ।
-{@ পেছন থেকে নেতৃত্ব দাও- আর সাথে অন্যদের বিশ্বাস দাও যে নেতারা আছেন সম্মুখ সারিতে।
-{@ আমি বর্ণ বাদকে ঘৃণা করি কারণ এটা একটা বর্বর বিষয়,তা সে কালো বা সাদা যে কোন মানুষের কাছ থেকে আসুক না কেন।
-{@ সব সময়,যত ক্ষণ না কাজ সমাধা হচ্ছে তত ক্ষণ পর্যন্ত তা এক অসম্ভব বিষয় বলে মনে হয়।
-{@ সম্মান তাদের প্রাপ্য,যারা কখনো সত্যকে পরিত্যাগ করে না,এমনকি যখন পরিস্থিতি অন্ধকারচ্ছন্ন ও বেদনা দায়ক।
-{@ কেবল শৃঙ্খলহীন হওয়া নয়,বরং স্বাধীন হওয়া মানে শ্রদ্ধা এবং অন্যের স্বাধীনতা বৃদ্ধির সাথে বসবাস।
-{@ শিক্ষা হচ্ছে সব চেয়ে শক্তি শালী অস্ত্র,যার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীকে বদলে ফেলা যায়।
-{@ বলা হয়ে থাকে যে সত্যিকার অর্থে কেউ একটি জাতিকে জানতে পারে না যতক্ষণ না কেউ একজন এর কারাগারে বন্দী থাকে।
-{@ যখন একজন মানুষ বিবেচনা করা যে নিজ জাতি এবং স্ব-দেশের প্রতি সে তার দায়িত্ব পালন করেছে,তখন সে শান্তিতে মৃত্যু বরণ করতে পারে।
-{@ ‘আমি শিখেছি ভয় না থাকাই সাহস নয়,ভয়কে জয় করাই সাহস।ভয় বোধ হয় না যার সে সাহসী ব্যক্তি নয়,বরং ভয়কে যে জয় করতে পারে সেই সাহসী।’
-{@ আপনি যদি শত্রুর সঙ্গে শান্তিতে থাকতে চান,তবে তার সঙ্গে আপনাকে মিশে যেতে হবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।কাজ করতে হবে।তবেই শত্রু আপনার সঙ্গী পরিণত হবে।

চলবে
৩য় পর্বতে চোখ রাখতে পরেন

১৮৪২জন ১৮৪২জন
0 Shares

১৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ