বিশেষ বাক্স

রেজওয়ানা কবির ২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১১:০০:১৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৫ মন্তব্য

এমন একটা বাক্স যা সবার আছে কিন্তু সেই বাক্সে কে কিভাবে কতটুকু ধরে রাখতে পারে  সেটা ডিপেন্ডস করে মানুষভেদে।

কি পাঠকবৃন্দ অবাক হচ্ছেন তাই না???অবাক হওয়ারই কথা, ভাবছেন কি সব বলছি???

হুম আজ লিখব এক বিশেষ বাক্সের কথা, যে বাক্সে আমি আমার অনেককিছু রাখতে পারি, তবে সেই বাক্সের সবকিছু উন্মোচন করব না কারন বাক্সের ভিতরটা পুরো দেখে ফেললে আপনাদের ভিতর রহস্য কমে যাবে, পুরোটা জানা হয়ে যাবে, তাই বাক্সের ভিতরের কিছু ব্যাপার আজ বলব ভেবেই লিখতে শুরু করলাম।

আমার একটা বিশেষ ধরনের বাক্স রয়েছে যেটা নয় হীরার,নয় সোনার বা নয় কোন প্লাটিনামের। এই বাক্স খুবই সাধারন একটা বাক্স যে বাক্সের ভিতর লুকিয়ে আছে অজস্র স্মৃতি।।।।

আমার সেই অসাধারণ বাক্সে লুকিয়ে থাকা সিরিয়ালের মধ্যে রয়েছে আবেগ,অনুভূতি, ভালোবাসা, ভালোলাগা,দুঃখ, কষ্ট। আমরা অনেকেই স্টার জলসার নাটকে আসক্ত, অথচ আমাদের জীবনটাই একটা জলসাঘর। তাই এই জলসাঘরে সবার সবকিছু সংরক্ষিত থাকে কেউ প্রকাশ করে কেউ বা তার বাক্সে সযতনে জমিয়ে রাখে।

আজ অনেকদিনপর আমার বাক্সটি বের করলাম, এমনভাবে আলমারিতে মাকড়সার জালে আটকে আছে মনে হচ্ছে প্রতিদিন বাক্সটির যত্ন নেয়া আমার উচিত ছিল। বাক্সটি পরিষ্কার করে খুললাম।

প্রথম চোখে পড়ল একটি টিস্যু বক্স যেখানে মোড়ানো একটি পোটলা আর কতগুলো চিরকুট। প্রথম একটা চিরকুট খুললাম।

শিরোনামঃ আমার ছোটবেলা❤️❤️❤️

সেখানে কি কি জমা আছে তা দেখার জন্য হাতরাতে থাকলাম,,,,

ফিরে গেলাম সেইসব স্মৃতিতে,,,, আমার ছোটবেলায়,,,,,

যেখানে খেলতে গিয়ে ব্যথা পাওয়া স্বত্বেও ভ্যা করে কেঁদে আবার দৌড়াতে থাকতাম মা বকা দিবে বলে। আমি যখন অনেক ছোট, তখন ঘুম থেকে উঠেই দাদীর মুখ দেখতাম কারন মা পুরো যৌথ সংসার সামলিয়ে অফিসে যেত। ঘুম ভাঙ্গত আমার দাদীর ডাকে। তারপর এক কাপ চা আর পাউরুটি দিয়ে দুধ খেয়ে আমার সকাল পার হত।  তখন নাকি আমার এটাই ছিল প্রিয় খাবার যা আজ আমার সবচেয়ে অপ্রিয়।

তারপর প্রখর রোদে বাসার বাইরে যেতে দিত না বলে এলাকার আমার বয়সী সব ছেলেমেয়েদের আমার বাসায় এনে স্কুল, টিচার,পুতুল খেলা, সিনেমা সিনেমা খেলতাম, তারা কিছুক্ষন খেলে আর খেলতে চাইতো না, তাই তাদের ঘর থেকে সব শুকনো খাবার দিয়ে আটকে রাখতাম। তারকিছুক্ষন পর তারা এক এক করে পালিয়ে যেত আর বোকা আমি! আবার কান্না জুড়ে দিতাম, দাদা, দাদী,আব্বু, আম্মু সবাই অফিসে থাকার কারনে তখন আমার কান্না থামাতো আমাদের বাসার এক ডালু ফুপু।।।। এভাবেই বিকেল পর্যন্ত কেটে যেত।

এত বাইরে খেলতাম যে আম্মু আসার পর গোটা এলাকা খুজে কান ধরে এনে ফ্রেশ করিয়ে খাওয়াতো।

ছেলেবেলায় সবুজ ঘাসের শিশিরবিন্দুকে ধরে রাখার চেষ্টা করতাম। লজ্জাবতী গাছের পাতাকে স্পর্শ করতাম আর তারা লজ্জায় কুকরে যেত দেখে ভিষন আনন্দ পেতাম। সবুজ ঘাসের উপর অবলীলায় শুয়ে পরতাম যা এখন ইচ্ছে করলেও পারিনা।

গভীর রাতে ফুপি, চাচা, সহ সবাই আমাদের  বড় রাস্তায় যেতাম গিয়ে ফাঁকা রোডে তাদের সাথে শুয়ে পরতাম, সিজু চাচার সেই গান,

,আব্বাজান, দুইটা ভিক্ষা দিয়া যান,,

তারপর সবার গলা ছেড়ে গান শুনতাম কারন তখন আমি ওদের মত অত ভালো গাইতে পারতাম না।

দাদুর সাথে মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে কাপ আইসক্রিম খেতাম আর দাদুর গল্প শুনতাম,,,,

বুঝলি দিপুমনি মানুষের বড় হতে গেলে সবচেয়ে যেটা জরুরী সেটা হল মানুষেকে মানুষ হিসাবে সম্মান করা,,,তারপর শুনতাম দাদুর ছোটবেলার কাহিনী,দাদুর বেড়েওঠা, দাদুর স্টুডেন্টদের গল্প আরও কত কি!!!আজ আর ওভাবে আর গল্প শোনায় না আমার দাদু 😭আজ আমি আমার গল্প আমার দাদুকে বলি, আর আমার দাদু আকাশ থেকে সব শুনতে পেরে নিরব থাকে।

দাদীর কাছে শোনা,আমার বয়স যখন আনুমানিক ৪ তখন আম্মু বাসায় আমাকে অক্ষর চেনা, বানান শেখা, রিডিং পড়াসহ সব পড়াত। আশেপাশের অনেকের স্কুল যাওয়া দেখে আমারও জিদ যে স্কুলে যাবো, অগত্যা দাদী আমায় কোলে করে স্কুলে নিয়ে যায়। বলা বাহুল্য যে আমাদের বাসা থেকে স্কুল মোটামোটি দূর, তাও আবার মেইন রোডে তাই সবাই ভয় পেত একা স্কুলে পাঠাতে।

আমার এটুকু মনে আছে স্কুলের স্যাররা বয়স কম বলে বানান থেকে শুরু করে রিডিং পর্যন্ত সব ধরল এবং আমিও সব বলে দেয়ায় তারা অবাক হয়ে সরাসরি ওয়ান বাদ দিয়ে ক্লাস টুতে উঠিয়ে দিল,কারন সেদিন ছিল বার্ষিক পরীক্ষা।

এরপর এসহাক স্যার দেখলেই বলত কিরে পেত্তানীর বাচ্চা খুব রাগ লাগত তখন, এখন মিস করি বুঝি ওটা ছিল স্যারের মুদ্রা দোষ। এরপর জলিল স্যারের সাথে স্কাউট থেকে শুরু করে গান,কবিতা,উপস্থিত বক্তৃতা থেকে শুরু করে সব বিষয়ে পার্টিসিপেট করতাম, এরপর বন্ধুবান্ধব কি তা প্রথম শিখলাম,,,

এভাবেই কখন স্কুলের গন্ডি পেরোলাম তা টেরও পেলাম না, এরকম আরও অনেক নস্টালজিক স্মৃতি রয়েছে আমার ছেলেবেলায় যা আমি প্রায় আমার বাক্সটা বের করলে দেখতে পাই আর ভেসে যাই সেইসব দিনগুলিতে।

পাঠকবৃন্দ আপনারাও যেতে পারেন সেইসব স্মৃতিতে তবে তার আগে নিজের বাক্সকে উন্মোচন করুন। যাইহোক এবার আমার বাক্সের প্রথম চিরকুটটি আবার বাক্সে যত্নে রেখে দিলাম।

এরপর ধরলাম বাক্সে রাখা দ্বিতীয় চিরকুট,,,,,,

 

চিরকুটটিতে লেখা “কিশোরবেলা”,,,,,,,

তখন সবে এইট/নাইনে পড়ি,তখন যা দেখি মনে হত তাই ভালো লাগত, মন সবসময় উড়ু উড়ু করত স্কুলে যাওয়ার পথে কেউ দাঁড়িয়ে থাকলে, এসেম্বেলিতে কেউ তাকিয়ে থাকলে, চিঠি লিখলেবক্লাসে অনবরত স্যারের বকা খাওয়া স্বত্বেও কেউ তাকিয়ে থাকলে উপর উপর রাগ দেখালেও ভিতর ভিতর খুব ভালো লাগা কাজ করত এর নামই হয়ত কিশোরবেলা।।।।

যে সময়চোখে রঙ্গীন চশমা থাকে, বাবা মায়ের শাসন তখন বিরক্তি মনে হয়। ঝড়,বৃষ্টি যাইহোক স্কুল ফাঁকি দেয়া চলবে না এটাই ছিল মেইন কথা। বৃষ্টিতে বন্ধুদের সাথে গাছে চরে কদমফুল পারা থেকে শুরু করে, স্কুল পালিয়ে আড্ডা দেয়া, প্রাইভেট ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের ঘার মটকে বাজি ধরে সেই টাকায় খাওয়া দাওয়া করা, বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে চা/কফি হাতে সাথে মিউজিক জোড়ে ছেড়ে দিয়ে পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছেলেকে ইশারায় শিস দেয়া থেকে আরও অনেক স্মৃতি রয়েছে এই চিরকুটে।

এছাড়া আম্মুর ভয়ে চিঠি স্টাপ্লার দিয়ে বইয়ের মলাটে লুকিয়ে রাখার পরেও ধরা খেয়ে ঘরে দড়জা দিয়ে থাকাসহ আরও কত স্মৃতি আমার কিশোরবেলায়, থাক আজ এই চিরকুটটি ভাঁজ করে রাখি আবার পরে কোন এক সময় পড়ে নেবো।

এবার ধরলাম বাক্সে রাখা ৩ নং চিরকুট,,,,,,, যেখানে লেখা ”

“ভার্সিটি লাইফ”,,,,,,,,,,

ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার আগে কোচিং এর সুবাদে ঢাকায় যাওয়া, তখন থেকেই একা থাকা শুরু,,,,,

এরপর ভার্সিটিতে ভর্তি,নতুন বন্ধু বান্ধব, নতুন জীবন, টি এস সি, মোক্তার ভাইয়ের চা,চারুকলার চপ, চিকেন, হাকিম চত্তরের পাকোরা, খিচুরি কলাভবন থেকে শুরু করে সন্ধ্যায় পাবলিক লাইব্রেরীর উঠোন থেকে চাঁদ দেখা, জাদুঘর, দোয়েল চত্তর থেকে কাঁচের চুরি কেনা, কার্জন হলের মাঠে আড্ডা দেয়া,বকুল বেলী ফুলের মালাসহ আরও অনেককিছু জড়িয়ে আছে আমার ভার্সিটি লাইফে।

আমার হোস্টেল লাইফ মনে পরলে একাই হেসে কাহিল হই, রাতে হোস্টেল গেইট বন্ধ হলেও বন্ধুরা পাচিল টপকিয়ে কতবার হোস্টেলে ঢুকেছি আবার কতবার হোস্টেল সুপারের কাছে ধরা খেয়ে কানে ধরেছি তার হিসাব নাই। কিন্তু কে শোনে কার কথা!!!!

গভীর রাতে হঠাৎ খিচুড়ি খাবো,সবাই মিলে কিচেন রুমে গিয়ে রান্না করে খেয়ে চিৎকার করে খোলা আকাশের নিচে গান গাওয়া, পুকুরপাড়ে বসে আনমনে আবেগে একা একা কাঁন্না করা,বই নিয়ে পড়লে বান্ধুবী এসে ডিস্টার্ব করলে তার মাথা চিবিয়ে খাওয়া, চুক্তি করে তিন বান্ধবী বাথরুমে গিয়ে গানের কলি খেলা,,, যদিও দিন তবুও সবাই গাইতাম, এখন “অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায় “।

আহা!!! আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম♥️

চুরি করে সজনে পারা, আম,কাঁঠাল, চুরি করা, স্বপ্নে ভয়ংকর কিছু দেখলে বড় আপুকে জড়িয়ে ধরা, বলাকায় শুক্রবার সকালে হাফ টিকিটে নতুন সিনেমা আসলেই সবাই মিলে দেখা, মধুর ক্যান্টিনের মিষ্টি, পাউরুটি খাওয়া,কারো জন্মদিনে অস্টব্যান্জনে নান গ্রীল খাওয়া,চাইনিজ খাওয়া,শরমা হাউজের শরমা, পিজাহাটের পিজা খাওয়া,  আজিজ সুপার মার্কেট থেকে জামা কেনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিকেলে ঘুরে বেড়ানো,বিডি আর দুই নং গেইটের ফুসকা, মৌরীর চাওমিন, ফুলার রোডে অকারণে বসে থাকাসহ আরও হাজার হাজার স্মৃতি এসব মনে পড়ে চোখে পানি এসে গেল, থাক বাবা আজ এই চিরকুট শেষ হবে না আবার কোন একসময় পড়ব।।।

এবার যে চিরকুটটি হাতে নিলাম ঃ

” নতুন জীবন”ঃ

পড়াশুনা শেষ, স্বপ্ন ছিল মানবতার সেবা করব শুরু করলাম এন জিও তে জব, সেভ দা চিলড্রেন থেকে শুরু, এরপর একে একে অটিজম সেন্টার,বাংলাদেশ  লিগ্যাল এইড, প্রদীপন,সাজিদা ফাউন্ডেশন দিয়ে শেষ, ওয়ার্কিং চিলড্রেন, উইমেন ইমপাওয়ারমেন্ট, নারীদের আইনের সহায়তা দেয়া, সালিশ মেডিয়েশন করা, ঢাকা উদ্যানে যখন হেঁটে যেতাম তখন সবাই উকিল আপা বলে ডাকত,তাদের ধারনা আমাদের জন্য তাদের সংসার আবার জোড়া লেগেছে, বা সে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে পেয়েছে। দিন শেষে এটাই ছিল শান্তি।

এরপর পথবাসী,পথশিশুদের নিয়ে সঞ্চয় করলাম আরও অনেক নতুন নতুন অভিজ্ঞতা। তখন সব পথশিশুদের মনে হত আমার সব সন্তান  যখন তাদের বুকে জড়িয়ে ধরতাম আহা! কি শান্তি।

আর তার পাশাপাশি চলছিল আমার সাজানো, গুছানো ছোট্ট নতুন  সংসার। যেখানে আজাদ আর আমি সাথে আমার ছোট ভাই। মনে হত তিনজনের কবুতরের সংসার, যেখানে ভাইকে শত ব্যস্ত থাকা সত্বেও তুলে খাওয়ানো থেকে শুরু করে

অফিস শেষে  আজাদ আর আমার  ঘুরতে যাওয়া, সংসদ ভবনের সামনে বসে গল্প করা, রাতে ছাদে গিয়ে আকাশ দেখা, খুনসুটি ঝগড়া, অভিমান, আজাদের সারারাত প্রোগ্রাম থাকলেও ঘুমে চোখ বিভোর হলেও শুধু আমার জন্য সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখা, যদিও সে সিনেমা হলেও অর্ধেক ঘুমিয়ে কাটায়🤪🤪অবশ্য সে এখনো যত ক্লান্তই থাকুক আমার জন্য আমাকে ভালো রাখার জন্য অনেক কিছু করে, আলহামদুল্লিলাহ। দূর!!!!! থাক এই চিরকুট আজ আর না পড়ি, ভাঁজ করে রেখে দেই।

এবার খুললাম  আরেকটা চিরকুটঃ

” এখনকার জীবন ”

ঢাকা ছেড়ে চলে এসেছি প্রায় দুই বছর জবের কারনে, বাবা, মা, চাচী দাদু সবার শিক্ষকতা পেশা দেখে এই পেশায় আসার কোন ইচ্ছা ছিল না, নিয়তি কি আর তা বোঝে,,,, এই পেশায় হল আমার এখনকার পেশা। প্রথম প্রথম মফস্বল শহর, কলেজে প্রবেশের সাথে সাথে সবাই অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। আমার মাঝে নাকি ম্যাডাম ম্যাডাম ভাব নেই, আমাকেও অনেকে স্টুডেন্ট ভাবে আজব!!!”এখন অবশ্য আমার স্টুডেন্টদের কাছে  প্রিয় হয়ে উঠেছি যা আমার জীবনের বড় পাওয়া,,,, তাদের দেয়া প্রতিদিনের চিরকুট ছিল আমার এখনকার সঙ্গী।আমার কলেজ বাসা থেকে ৪০ কিঃমি। তাই বাস থেকে নেমে আগে চম্পাকলির  লেয়ার চা আর পরোটা ছিল আমার একমাত্র সঙ্গী।সবাই প্রথম প্রথম অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকত আমার একা একা চা খাওয়া দেখে, এখন তারাই আমাকে দেখলেই বলে

এই ম্যাডামরে চিনি কম ভালো কইরা এক কাপ চা বানাইয়া দে,,,

শুনতে ভালোই লাগে,,,, যেকোনো জায়গায় নিজের স্থান তৈরী করতে একটু সময় লাগে আমার ক্ষেত্রে ও তাই, নতুন পরিবেশ নতুন কলিগ সবমিলিয়ে মানিয়ে নেব নেব ভাব সেইসময় করোনার ভয়াবহ ছোবল আমাকে থামিয়ে দিল, শুধু আমাকে না গোটা পৃথিবীকে থামিয়ে দিল। এভাবে আর দমবন্ধ অবস্থায় থাকতে ভালো লাগছে না, কবে আবার সেইসময়গুলো পাবো,কবে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবো জানি না😭আল্লাহর কাছে এই চাওয়া সবাই যেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ স্বাভাবিক পৃথিবীতে আবার ফিরে যেতে চাই যেখানে আপনজনকে দেখলে সংশয় ছাড়াই নির্দ্বিধায় জড়িয়ে ধরা যায়।

ভয় নয়, সচেনতনতাই জয়,,,,

আমরা করব জয়, নিশ্চয়,,,,,,

আজ এ পর্যন্ত,আল্লাহ হাফেজ।।।।।

 

বিঃদ্রঃ আমার মত সবারই মনের ভিতর বিশেষ বাক্স রয়েছে, সবাই যদি এভাবে মাঝে মাঝে সেই বাক্সে র ভিতরটা নাড়াচাড়া করি তবে যদিও আগের দিনগুলোতে ফিরে না পাই তবুও সেইসব স্মৃতিতে কিছুক্ষন হলেও ভাসা যায়, সেইসব মনে করেই কিছু যন্ত্রনা ভুলে থাকা যায়, ভালো থাকার চেষ্টা করা যায়।।।। বিশেষ বাক্সের ব্যবহার মাঝে মাঝে  করলে মনও ভালো থাকে যেমনটা আমার হয়।।।।।।।

২২৮জন ৪৪জন
0 Shares

১৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য