সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

আমি ভালোবেসেছি, আমি প্রেমে পড়েছি;
তোমার আবেগে আপ্লুত হয়েছি অহোরহ ।
নিঃসঙ্গ, একাকীত্বে বন্দী নারী যখন
অন্যের প্রেমকাব্য শুনতে পায়, পূর্ণতা দেখতে পায়;
নিজের না- পাওয়ার আক্ষেপে করুণতা যখন ধরা দেয়-
তখন সে খড়কুটোকেই বেঁচে থাকার আশ্রয় করে নেয়-
বিমূর্ত যামিনীতে ।
একটু ভালোলাগা, একটু আপেক্ষিক মোড়কে সুখ কিনতে চায়-
তাকে তুমি পাপ বলতে পারো কি?
রাতের অতিথি বলতে পারো কি?
ইচ্ছাধারী নাগিন হয় সে কোন কারণে?

অপরিচিত যুবক নারীত্বের সৌন্দর্যে, তার হাসিতে পরাস্ত;
সেটা কি নারীর অপরাধ!
নারীর সর্বাঙ্গে ছড়ানো বাসনার প্রলেপ,
চুম্বনে ঢেলে দেয় নীল বিষ?
পুরুষত্বে নাইবা থাকতো যদি বিষের অমৃত ,
কোনো পুরুষ কি পেতো ছলনাময়ীর ছল,
অধরের অমৃতরস! বন্ধুত্বে সৌন্দর্য কি হানা দেয়?
অধরের গরল চুম্বকের ন্যায় কাছে টানে?
কামনার জালে আবদ্ধ করে?

প্রেম সেতো শুধু আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধতে চায়,
গুল্মলতার মতো জড়াতে চায়;
আমৃত্যু একসাথে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়।
প্রেম-বন্ধুত্বের ফারাক নয়তো উনিশ-বিশ।
কখনো কখনো বন্ধুত্বের বাঁধ ভেঙে
প্রেম-ভালোবাসার অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে।
তাকে কি অপরাধ বলে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হয়?
একে অপরের পরিপূরক, পরিপূর্ণ হয় যে তারা;
বন্ধুত্বে প্রেম, প্রেমে বন্ধুত্ব- নয়কো ছলনা।

৩৪৮জন ২৪৩জন
11 Shares

১৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ