বটমূল “ম্যাগাজিন”

ইঞ্জা ২৮ মার্চ ২০১৭, মঙ্গলবার, ০৯:৩১:৫৫অপরাহ্ন গল্প, বিবিধ ৩০ মন্তব্য

romna20161020181653

 

 

নিরুপমা গোসল করে বের হয়ে দেখে তূর্য এখনো ঘুমাচ্ছে, মনে মনে হাসলো নিরুপমা, মনে দুষ্ট বুদ্ধি খেলে গেল, বেডের কাছে গিয়ে তূর্যর মাথার পাশে বসে ভেজা চুলগুলো তূর্যের মুখের উপর ছড়িয়ে দিলো আর ভেজা চুল চোখে মুখে পড়তেই তূর্যের নাকে মুখে সুড়সুড়ি লাগায় তড়াক করে লাফ দিয়ে উঠে পড়লো, তা দেখে নিরুপমার সেকি হাসি, খিল খিল হাসি ছড়িয়ে পড়লো সারা ঘরময়, তূর্য নিরুপমার দুষ্টুমি বুঝতে পেরে বিছানা থেকে নেমে নিরুপমার হাত ধরে ফেললো আর টান মেরে নিজের দিকে টানলো, আচমকা টান খেয়ে নিরুপমা ধপ করে এসে তূর্যের বুকে এসে পড়লো।
কি গো সুন্দরী, আজ এতো আনন্দ কোথা থেকে পেলে, তূর্য বললো।
কেন তোমার ভালো লাগেনি, পাল্টা প্রশ্ন করলো নিরুপমা।
আসোনা তোমাকে আরেকটু আদর করি, ভালোবাসায় গদগদ হয়ে তূর্য বললো।
এক ঝটকায় নিরুপমা উঠে দাঁড়ালো আর নিরাপদ দূরুত্বে গিয়ে বললো, জনাব আপনি উঠে পড়ুন, বাথরুমে গিয়ে গোসল সেরে আসুন, মনে নেই আজ পহেলা বৈশাখ, আমি পূজা শেষ করে রান্নাবান্না করে সবাইকে খাওয়াবো, এরপর তুমি আমি দুজনে যাবো রমনায়।
তূর্য জীব কেটে বললো, সরি সরি একদম ভুলে গিয়েছিলাম, তুমি যাও আমি রেডি হয়ে আসছি। জ্বি আসো, আমি পুজা দিতে গেলাম।
ওকে যাও।

তূর্য আর নিরুপমার বিয়ে হয়েছে গত সাত মাস আগে, পরিবারের পছন্দেই তাদের বিয়ে।
বর ব্যাংকের সিনিয়র একজিকিউটিভ আর সম্ভ্রান্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান দেখে নিরুপমার বাবা এক কথায় রাজি হয়ে যান, বিয়ের আগে তূর্য আর নিরুপমা দুই মাস এক সাথে ঘুরতো বেড়াতো, কখনো রেস্টুরেন্ট বা কখনো পার্ক, এরপর তাদের বিয়ে হয়ে যায়।
নিরুপমা খুবই লক্ষি মেয়ে, আসার পরদিন থেকেই সংসারকে নিজের মতো করে নেয়, খুব গোছালো মেয়ে সে আর রান্নায় পারদর্শী আর এতেই শ্বশুড়, শ্বাশুড়ি সহ তূর্যের আত্মীয় স্বজন সবাই নিরুপমার ভক্ত হয়ে গেছে।
তূর্য ফ্রেস হয়ে লালের উপর কালোর কাজ করা পাঞ্জাবী, সাথে সাদা পায়জামা পড়ে ডাইনিং টেবিলে এসে বসতেই নিরুপমা কিচেন থেকে বললো, তোমার এখনো আক্কেলজ্ঞান হবেনা দেখছি, বাবা মাকে ডেকে নাও, আমি ব্রেকফাস্ট দিচ্ছি।
ঠিক আছে, ঠিক আছে ডাকছি, বাবা, মা তোমরা কই আসো খেতে।
তূর্যের বাবা মা টেবিলে এসে বসলেই নিরুপমা গরম গরম লুচির সাথে বিভিন্ন ভেজিটেবলের মিক্সড রান্না আর সুজি রান্না এনে টেবিলে দিয়ে নিজেও বসে পড়লো খেতে।
বাহ আজ তো খুব আলিশান ব্রেকফাস্ট দেখছি বৌমা, মুখে লুচি আর ভেজিটেবল নিয়ে বললেন নিরুপমার শ্বশুর।
তা ভালো বলেছো, মা আমার ভালোই রান্না করেন কিন্তু এই তালে তুমি সুজির রান্না খাবেনা বলছি, তোমার ডায়াবেটিস বেড়েছে, কড়া চোখে তাকালেন তূর্যর মা উনার স্বামীর দিকে তাকালেন।
মা, আপনি চিন্তা করবেন না, সুজি আমি লো ক্যাল পাউডার দিয়ে রান্না করেছি, যেন বাবা খেতে পারে।
দেখেছো দেখেছো, মা আমার সাক্ষাত লক্ষী বলেই সুজির বাটি টেনে নিলেন রায় সাহেব, তূর্যের বাবা।

ব্রেকফাস্ট শেষে নিরুপমা ও কাজের মেয়ে মিলে সব এঁটো তুলে নিয়ে গেল কিচেনে, সকাল থেকেই রান্না শুরু করেছিলো নিরুপমা দুপুরের খাবারের জন্য, দ্রুত রান্না বান্না শেষ করে শাশুড়ির কাছে গেল পারমিশন নিতে, শাশুড়ি আনন্দের সাথেই পারমিশন দিলেন তূর্যের সাথে যাওয়ার জন্য।
নিরুপমা নিজ রুমে এসে সাজুগুজু শুরু করে দিলো, খেয়াল করলো তূর্য ঘরে প্রবেশ করছে হাতে একটা ঠোঙ্গা নিয়ে।
কি ঐটা, মাথার খোপায় ক্লিপ দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলো নিরুপমা।
তূর্য কাছে এসে ড্রেসিং টেবিলের উপর রেখে বললো, তুমি খুলে দেখো, বলেই নিজে খাটের উপর আধ শোয়া হয়ে বসে একটা ডানহিল সিগারেট ধরালো।
নিরুপমা ক্লিপ লাগানো সেরে ঠোঙ্গা খুলে দেখলো একটা বড় বেলি ফুলের মালা, চোখ বড় বড় করে বললো, এমা তুমি এ কোথায় পেলে গো, বলতে বলতে মালাটা ঠোঙ্গা থেকে বের করলো।
সিগারেট আনতে গিয়ে দেখি এক পিচ্চি বিক্রি করছিলো ভাবলাম তোমাকে বেশ মানাবে, তাই ঝটপট নিয়ে নিলাম, তোমার খোপায় লাগাও, আমি দেখি বলেই সিগারেটের ধোয়ার এক রিং ছুড়ে দিলো তূর্য।
নিরুপমা এক মিষ্টি হাসি দিয়ে বললো, আমার বরটা খুব ভালো, আমার সব কিছু খেয়াল করে।
আহা তুমি তাড়াতাড়ি রেডি হওনা, নয়টা বাজতে চলেছে।
আচ্ছা আচ্ছা, হচ্ছি তো।

রেডি হয়ে নিরুপমা তূর্যর দিকে ফিরে বললো, কেমন লাগছে আমাকে?
আহ চোখ ঝলসে গেলো গো আমার, এই রুপবতী বউটাকে আমি কই রাখি, বলেই বিছানার উপর ঢলে পড়ে অজ্ঞান হওয়ার ভান করলো তূর্য।
নিরুপমার রিনঝিন কাঁচের চুড়ির আওয়াজ আর ওর খিলখিল শব্দের হাসি একাকার হয়ে তূর্যের মনে বাজনা বেজে উঠলো।
রেডি, তূর্য জিজ্ঞেস করলো?
হুম দাঁড়াও বলেই লিপস্টিকের হালকা আরেকটা প্রলেপ দিলো ঠোঁটে নিরুপমা, বললো চলো আমি রেডি।
দুজনে রুম থেকে বেড়িয়ে এসে ড্রয়িং রুমেই মা বাবাকে পেয়ে তূর্য বললো, মা আমরা বেরুচ্ছি।
ঠিক আছে যা, আমার মার প্রতি খেয়াল রাখবি আর তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে আসবি।
ঠিক আছে মা, বাবা আসি আমরা।
যা বাবা, ঘুরে আয়।
তূর্য শোন বাবা, পারলে বৌমার বাসায় একবার ঘুরে আসিস।
নিরুপমা খুশি হয়ে উঠলো বললো, আসলেই অনেকদিন যাওয়া হয়না, বাবা মা খুব খুশি হবে।
তাহলে চলো, ওইদিকে বটমূলে এতক্ষনণে প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে।
নিরুপমা তূর্যের দিকে তাকিয়ে বললো, চলো চলো বলছো, তুমি বেরোও না।
এইতো যাচ্ছি, বলেই নিরুপমাকে নিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে এলো তূর্য, গেটের বাইরে এসে একটু দাঁড়ালো রিক্সার জন্য।

একটা খালি রিক্সা পেয়ে দুজনে উঠে বসলো, তূর্য রিক্সার হুড তুলে দিতে চাইলো রোদ পড়ছে বলে, নিরুপমা না করলো আর বললো, তুমি বে-রোমান্টিক মানুষ দেখছি, খোলা হুডে বউ নিয়ে বেড়ানোরও একটা আলাদা মজা আছে জানোনা?
আরেহ আমি কি করলাম, রোদ লাগছে দেখেই তো হুড তুলছিলাম, তোমার কষ্ট হচ্ছেনা?
নাহ, আমার তো বেশ লাগছে।
আচ্ছা বলো বাপের বাড়ীতে কি নিয়ে যাবে?
শুধু কি আমার বাপের বাড়ী, কপট রাগ দেখালো নিরুপমা।
আরে তুমি রাগ করছো কেন, এই শুনোনা, নিরু শুনোনা।
কি বলো, ঝামটা মেরে জবাব দিলো নিরুপমা।
বাবা মা আর ছোটদের জন্য কি নেবো বলোনা?
তোমার যা খুশি নিও, ফিক করে হেসে দিলো নিরুপমা।
রিক্সা শাহবাগে আসলে তূর্য রিক্সাওয়ালাকে ফুলের দোকানের সামনে দাঁড়াতে বললো, রিক্সা থামালে তূর্য নিরুপমাকে নিয়ে নেমে একটা ফুলের দোকানে প্রবেশ করে রঙ বেরঙের ফুলের মালা আর মাথায় দেওয়ার জন্য ফুল নিয়ে নিরুপমাকে পরিয়ে দিলো আর বিল দিয়ে দুজনে বেড়িয়ে এসে রিক্সায় চেপে বসলো।

দুজনে বটমূলে যখন পোঁছাল তখন বৈশাখের গানের জম্পেশ আসর বসেছে, দুজনে গিয়ে একটা খালি জায়গা পেয়ে আসরে যোগ দিলো, গান হচ্ছে তখন

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
তাপস নিঃশ্বাস বায়ে
মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক
এসো এসো…

যাক পুরাতন স্মৃতি
যাক ভুলে যাওয়া গীতি
যাক অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক
যাক যাক
এসো এসো…

মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশ রাশি
শুষ্ক করি দাও আসি
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুঁজঝটি জাল যাক, দূরে যাক যাক যাক
এসো এসো…

দুজনে হারিয়ে গেল গানের মাঝে, দুজনেই তাল মিলিয়ে হাল্কা স্বরে গাইছে বৈশাখী গান, মুগ্ধ হয়ে প্রতিটি গান উপভোগ করছে দুজনে, মাঝখানে তূর্য উঠে গেল, একটু পর হাতে করে কিছু মোয়া মুড়কি নিয়ে এসে নিরুপমার পাশে বসে পড়লো আর নিরুপমার হাতে সব দিয়ে নিজে একটা নিয়ে খেতে শুরু করলো, নিরুপমাও একটা নিয়ে কামড় বসিয়ে মুখ ফেরালো অন্যদিকে, হঠাৎ খেয়াল করলো দূর থেকে কেউ একজন ওর দিকে হাত নাড়াচ্ছে, কাছে ডাকছে, নিরুপমা একটা হাত তুলে আলো বাঁচিয়ে ভালো করে তাকালো আর সাথে সাথেই বুঝতে পারলো যে ডাকছে সে সোহানা, ওর ইউনিভার্সিটির বান্ধবী, মনে মনে খুব উৎফুল্ল হয়ে উঠলো, তূর্যকে বললো, এই দেখো আমার বান্ধবী সোহানা ডাকছে, চলোনা ওইদিকে যায়।
না না এখন না, গান শেষ হোক তারপর দেখা করো।
না আমি এখন যাবো, প্লিজ চলোনা।
কি মুসকিল, এইদিকে বাতাস বইছে, আরাম লাগছে, এককাজ কর, তুমি গিয়ে দেখা করে আসো, আমি এইখানে বসছি, তুমি গিয়ে দেখা করে আসো।
যাবো?
মিষ্টি হেসে তূর্য বললো, যাও।
নিরুপমা উঠে দাঁড়িয়ে এগুলো বান্ধবীর উদ্দেশ্যে।
তূর্য তখন ডুবে গেল রবীন্দ্র সঙ্গীতে

খরবায়ু বয় বেগে, চারি দিক ছায় মেঘে,
ওগো নেয়ে, নাওখানি বাইয়ো।
তুমি কষে ধরো হাল, আমি তুলে বাঁধি পাল–
হাঁই মারো, মারো টান হাঁইয়ো॥
শৃঙ্খলে বারবার ঝন্ঝন্ ঝঙ্কার, নয় এ তো তরণীর ক্রন্দন শঙ্কার–
বন্ধন দুর্বার সহ্য না হয় আর, টলমল করে আজ তাই ও।
হাঁই মারো, মারো টান হাঁইয়ো॥
গণি গণি দিন খন চঞ্চল করি মন
বোলো না, ‘যাই কি নাহি যাই রে’।
সংশয় পারাবার অন্তরে হবে পার,
উদ্বেগেতাকায়ো না বাইরে।
যদি মাতে মহাকাল, উদ্দাম জটাজাল ঝড়ে হয় লুণ্ঠিত, ঢেউ উঠে উত্তাল,
হোয়ো নাকো কুণ্ঠিত, তালে তার দিয়ো তাল– জয়-জয় জয়গান গাইয়ো।
হাঁই মারো, মারো টান হাঁইয়ো॥

হঠাৎ বুম্মম্মম করে একটা বিকট আওয়াজ হলো, এরপর আরেকটা, তূর্যর কান বন্ধ হয়ে গেল, শুধু সো সো একটা আওয়াজ, চোখে দেখছে মানুষ যারা এতক্ষণ নিবিষ্ট হয়ে গান শুনছিলো তারা এইদিক ওদিক দৌড়াচ্ছে, তূর্য উঠে দাঁড়াতে চাইলো কিন্তু মানুষজনের ধাক্কাধাক্কিতে উঠে বসতে পারলোনা, একটু একটু করে কানে শুনার ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে সে, হাঁচড়ে পাছড়ে উঠে পড়লো সে, এইদিক ওদিক তাকালো, এরপর নিরুপমাকে খুঁজতে শুরু করলো, দৌড়ে যেতে শুরু করলো সে যেদিকে নিরুপমা গেছে, সে খেয়াল করলো অনেকগুলো মানুষ পড়ে আছে এইদিক সেদিক, কেউ নিথর পড়ে আছে, কেউ কাতরাচ্ছে, রক্তের ধারা বয়ে যাচ্ছে চারিদিকে, তূর্য খুঁজে চলেছে নিরুপমাকে, হঠাৎ চোখে পড়লো এক মেয়ে উপুড় হয়ে পড়ে আছে, ভালো করে খেয়াল করে দেখলো নিরুপমাই, আশে পাশে আরো কিছু মেয়ে পড়ে আছে, তূর্য চিৎকার করে উঠে দ্রুত গিয়ে নিরুপমার পাশে বসে কোলে তুলে নিলো, নিরুপমার মাথা থেকে রক্ত বেরুচ্ছে দেখে তূর্য এক হাত দিয়ে চেপে ধরে এইদিক ওদিক তাকাতে লাগলো সাহায্যের আশায়, সাথে সাথে চিৎকার করছে সাহায্যের জন্য, আবার তাকাচ্ছে নিরুপমার দিকে, কথা বলার চেষ্টা করছে।
নিরু নিরু তুমি এমন করোনা আমার সাথে, তুমি একটু ধৈর্য্য ধরো, আমি এখনি তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবো, নিরু নিরু প্লিজ প্লিজ এমন করোনা, আমি তোমাকে ছাড়া বাচঁবো কি করে, তুমি চোখ মেলে তাকাও, প্লিজ চোখ খুলো বলছে আর কাঁদছে।
নিরুপমা একটু নড়ে উঠলো, চোখ খুলে তাকানোর বৃথা চেষ্টা করলো, এরপর জ্ঞান হারালো।
পনের মিনিট পর অনেকগুলো এম্বুলেন্স, ডাক্তার, পুলিশ র‍্যাব হাজির হয়ে গেল, আহত নিহতদের তুলে তুলে সবাই ছুটলো হাসপাতালের উদ্দেশ্যে, সাথে তূর্যও গেল নিরুপমাকে নিয়ে।

আটদিন যমে মানুষে টানাটানির পর নিরুপমার জ্ঞান ফিরলো, এক চোখ তার একদম নষ্ট হয়ে গেছে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পিলিন্টার রয়ে গেছে বোমার, সারা শরীরে ব্যাথা।
পাশেই দাঁড়িয়ে আছে তূর্য আর তার মা, ডাক্তার এসে চেক করার পর ঘুমের ইনজেকশন দিলো ঘুমানোর জন্য, তূর্য নিরুপমার একটা হাত ধরে পাশে বসলো, বললো, তুমি চিন্তা করোনা, আমি আছি পাশে, সব ঠিক হয়ে যাবে, তুমি ঘুমাও।
নিরুপমা অসহ্য ব্যাথা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।

 

সমাপ্ত।

গল্পঃ পহেলা বৈশাখ ২০০১ রমনা বটমূলে সংঘটিত বোমা হামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে অনুমিত দশজন নিহত হয়েছিলো।

ছবিঃ Google.

২৭১জন ২৭১জন
0 Shares

৩০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য