প্রিয়তমেষু..অন্তরে আত্মার ঠাঁই

মুহম্মদ মাসুদ ২৬ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৩৯:২২অপরাহ্ন গল্প ১১ মন্তব্য

অঝোরে কেঁদে কেঁদে মুখে মাখা ফর্সা করা পার্লারের রুপগুলো ধুয়েমুছে যাচ্ছে। বান্ধবীরা বারবার বলছে এতো বেশি কাঁদিস না মেকআপ নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা?

– এই মেঘলা শুনতো।
মেঘলা – কি বলবি বল? আমার একটি কাজ করে দিবি?
মেঘলা – কি কাজ বল?
না, তেমন কিছু না। তুই একটু রুমিকে ডেকে দে।
কান্না জড়িত কন্ঠে কথা বলছিলো নববধূ। সেকি শব্দ করে কান্না! মাঝেমধ্যে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর কান্নার আওয়াজ আর নাকের পানিতে দেহের ভেতরটায় চাবুক চলছিলো। একদম অসহ্য জ্বালাতন। গায়ের মধ্যে কাঁটা বিঁধবার মতো। আর সেকি গলার সুর? উফফ! দম বন্ধ হয়ে আসে।
রুমি আমার মোবাইলটা নিয়ে আয় তো।
– কেন আপু?
এতো প্রশ্ন করিস নাতো? নিয়ে আসতে বলেছি নিয়ে আয়। গাধাটাকে শেষবারের মতো একবার..।
– নিতু বলতে লাগলো – আরে! গাধা না গাধা না। কুত্তা বলে ডাক। কুত্তার লেজ কখনো সোজা হয়না। শোন, কিছু ছেলে আছে যারা শুধু প্রেম করতে জানে, সিনেমা দেখতে জানে, পার্কে বসে আড্ডা দিতে জানে, রিকশার ছাউনি টেনে ঘুড়তে জানে, অপ্রয়োজনে বারবার দেখা করতে জানে কিন্তু বিয়ের দিনে একবারের জন্যও পালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে না।
তাই বলে প্রিয় মানুষকে কুত্তা বলে ডাকবো। না আমার দাঁড়া সেটা সম্ভব নয়। আবার হুড়মুড় করে কাঁদতে লাগলো শৈলী।

ছবিঃ সংগৃহীত।

৪২৬জন ৩৭০জন
7 Shares

১১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য