শুধু কি স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকলেই পরকীয়া হয়?
একসাথে থাকলে হয় না?
পরকীয়ার কারন কি শুধুই একটা?

উপরের ৩ টা প্রশ্নের উত্তরই ‘না’ পরকীয়ার অনেক কারন…

সামাজিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, হতাশা, অপ্রাপ্তি আরও অনেক অনেক।

>– একটা সমাজ গঠন হয় অনেকগুলো পরিবারের মাধ্যমে। সুশীল সমাজ বলে আমরা যাদের জেনে থাকি তারা কি আসলেই সুশীল? নিজেকে প্রশ্ন করুন, উত্তর আপনি নিজেই পেয়ে যাবেন। সামাজিক কারনেও পরকীয়া হতে পারে।

>– মানসিক কারণ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকে একটা লাইন ছিল; “মানুষের মন সকালে বদলায়, বিকেলে বদলায়, মিনিটে বদলায় ঘন্টায় বদলায়” হ্যাঁ আসলেই তাই। কার মন কখন বদলায় তা বলা মুশকিল। মানুষের মন অনেক জটিল। মানসিক কারনেও পরকীয়া হতে পারে।

>– অর্থনৈতিক দিকের কথা আমাদের সবারই জানা। একটা ডায়লগ আপনাদের সবারই মুখস্থ “অভাব যখন আসে, ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়” হ্যাঁ সত্যি তাই। মানুষ পেটের দায়ে সবকিছুই করতে পারে। কথায় আছে না? “অভাবে সভাব নষ্ট”।

>– দাম্পত্য জীবনে হতাশা খুবই ভয়াবহ ভুমিকা পালন করে। হতাশা কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন প্রকৃত ভালোবাসার, একটু আশার, একটু স্বপ্নের। কিন্তু সেই স্বপ্নের দেখা, ভালোবাসার দেখা যাদি স্ত্রী না পায় তার স্বামীর কাছে বা স্বামী না পায় তার স্ত্রীর কাছে তখনই পরকীয়া প্রেমের আবির্ভাব ঘটে।

>– অপ্রাপ্তি, মানুষের চাওয়ার শেষ নাই। যার একটা রিকশা আছে, সে চায় সিএনজি কিনতে, যার একটা বাড়ি আছে সে প্রায়ভেট কার কিনতে। যার হাতের সোনার বালা আছে সে চায় গলায় সোনার হার পরতে। মানুষের চাহিদার কোন শেষ নাই। যখনই একজন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন অপ্রাপ্তি ঘটে শুরু হয় পরকীয়া।

সর্বশেষে;
টাকা-পায়সা, গাড়ি-বাড়ি, ধন-দৌলত সবকিছুই আছে। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলনের সুখ নাই। তাহলেই সবকিছু বৃথা। ‘মিলনের সুখ’ সবথেকে বড় সুখ। যতই বলুক না কেন; ‘অনেকের তো বাচ্চা হয় না, তারা কি সুখে নাই?’ কিন্তু একদিন হলেও তার ‘মা’ ডাক শোনার ইচ্ছে হবে, স্বামীর ইচ্ছে হবে ‘বাবা’ ডাক শোনার। আর এখান থেকেই শুরু হয় পরকীয়া প্রেম ও প্রবর্তিতে ২য় বিয়ে (কারও কারও ক্ষেত্রে)।

১৩২৯জন ১৩২৯জন
0 Shares

৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ