পদ্মবিল

কামাল উদ্দিন ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ০৮:৩০:১৯অপরাহ্ন ছবিব্লগ ২৫ মন্তব্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে আখাউড়া উপজেলার ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী মিনারকোট পদ্মবিল। টিভির খবরটা দেখেই কয়েকজন বন্ধু নিয়ে ছুটে গিয়েছিলাম পদ্মবিল দেখতে। প্রত্যন্ত অঞ্চল হলেও ওখানটায় গাড়ি নিয়ে যাওয়ার মতো ভালোই রাস্তা রয়েছে দেখে চমৎকৃত হয়েছিলাম আমরা। শাপলা ফুলদের মতো অবাধ বিচরণ সারাদেশে পদ্মফুলদের নেই বলে ওদের প্রতি আকর্ষণটা আমাদের অন্যরকম। আগে আমি পদ্মফুলদের দেখার জন্য মাঝে মাঝে ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেনে চলে যেতাম।

মিনারকোটের পদ্মফুলদের সৌন্দর্য ছুয়ে দেখার জন্য ভাড়ার ডিঙ্গি নৌকায় চড়ে পুরো বিল ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ভোরের শিশিরগুলো পদ্মের পাতায় টলোমলো আর পদ্মের ফাঁকে পানকৌড়িদের ডুব সাতার খেলা দেখে একটা দিন ওখানে কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসেই। মিনারকোটের স্থানীয় মানুষগুলো ও বেশ হাসিখুশি আর হেল্পফুল। আসুন এবার দেখে নেই মিনারকোট পদ্মবিল দেখার ছবিব্লগ।


(২) পদ্মবিলে যাওয়ার পথে আখাউড়ার প্রত্যন্ত এলাকার আকাশটা ছিলো শরতের আকাশ। যদিও শরৎ আসতে একদিন বাকী ছিলো।


(৩) এক সময় আমরা পৌছে গেলাম আমাদের কাঙ্খিত মিনারকোটের পদ্মবিলে।


(৪) ছোট ডিঙ্গিগুলোর মাঝি আরো ছোট ছোট। আমরা নিজেরা যদি ডিঙ্গি চালিয়ে পদ্মবিল ঘুরে দেখি তাহলে ওদের দিতে হবে ২০০ টাকা, আর এমন ছোট এক জোড়া মাঝি সমেত ২৫০ টাকা। আমরা ২৫০ টাকায়ই ছিলাম।


(৫) ফিঙেটা বিলের উপর উড়াউড়ি করে পোকা মাকড় খেয়ে ক্ষণে ক্ষণেই এসে বসছিল বিলের উপড় দাঁড়িয়ে থাকা কিছু গাছে।


(৬/৭) পদ্মরা কেউ সর্বাঙ্গ খুলে কেউবা কিছুটা ঘোমটার ভেতর থেকেই যেন আমাদের সু-স্বাগতম জানাচ্ছিল।


(৮) সংখ্যায় কম হলেও শালুক ফুলেরাও অভ্যর্থনায় পিছিয়ে ছিলো না।


(৯/১০) স্থানীয়দের অনেক কাজ কর্ম চলে এই পদ্ম বিলের উপর দিয়াই।


(১১) বিলের ভেতরে ডুব সাতারে ক্লান্ত পানকৌড়িটা জিড়িয়ে নিচ্ছে কিছুটা সময়।


(১২/১৩) ফুল শেষে পদ্মের ফলের ভেতরের বিচিটাও কিন্তু বেশ মজাদার খাবার।


(১৪/১৫) বিলের ভেতরে পর্যটকবাহী ডিঙ্গিগুলোর চলাচলও কিন্তু অন্য রকম একটা চমৎকারিত্ব সৃষ্টি করে।


(১৬) ক্যালেন্ডারে পাতায় শরতের একদিন বাকী থাকলেও বিলের পাশের কাশফুলেরা তাদের রূপ দেখাতে কার্পণ্য করেনি।


(১৭) পদ্ম আর কাশফুলদের সাথে পাল্লা দিতেই যেনো লজ্জাবতীর ফুলেরাও হেসে উঠেছিলো সেখানে।


(১৮) বিলের এক প্রান্তে ধর্ম জাল দিয়ে ছোট মাছ ধরছে স্থানীয়রা।


(১৯) নানা রঙের ফড়িংদের ব্যাপক আড্ডাবাজি এই পদ্মবিল এলাকায়।


(২০) দর্শনার্থীরা ওখান থেকে প্রচুর পদ্মফুল তুলে নিয়ে আসছে, এটা পরবর্তি দর্শনার্থীদের জন্য অশনি সংকেত।

৩৩৯জন ৩৩৯জন
0 Shares

২৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য