প্রথমে হিন্দু ধর্মালম্ভী সকল বন্ধু ও শুভাকাঙ্খিদের জানাই শারদীয় দূর্গাৎসবের শুভেচ্ছা।এমনি আনন্দ ঘন দিনে কারো মন খারাপের প্রশ্নই আসে না।তবুও মানুষের মন যেন রং ধনুর সাতটি রং।কখনো লাল কখনো গোলাপী কখনো শুভ্রতায় কখনো বা নীলে আচ্ছন্ন হয়ে বিষিয়ে থাকে।তখন আর কোন কাজে মন বসে না।মন বসে না ঘরে কিংবা বাহিরে-জীবনের ব্যাস্ততার কোলাহলে।

কিন্তু আড্ডা দিতে মনের কোন অজুহাত লাগে না আর আড্ডাটা যদি হয় সাহিত্যমনা বন্ধুদের সাথে তাহলেতো আর কথাই থাকে না।নিমিষেই মন ভাল হয়ে যায়।তাই আজকের আড্ডার আয়োজনটা করা হয়েছে সোনেলার সোনালী ব্লগার নাম বলা নিষেধ আছে তারঁ ছাঁদ বাগানে।

আজ আড্ডা দিবো। হ্যা আমি আজ সেই আড্ডার কথাই বলছি যে আড্ডাটা হয়েছিলো সেই রূপ কথার আমলে আজ তারই পূনরাবৃর্ত্তি ঘটাতে চাই।তো বন্ধুরা রেডিতো আড্ডা দিতে।সবাই জোরে বলেন-ইইইইইয়েস।

কি তবুও মন খারাপ? এতো বলার পরও আড্ডা দিতে মন চাইছে না? তাইতো আজকের আড্ডায় সকল বন্ধুদের মন খারাপ নিমিষেই ভাল করতে সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে নীলাকাশ পথে আসছে আমাদের প্রিয় সোনেলার প্রিয় ব্লগার মেঘপরীর প্রিয় বান্ধবী নীলপরী। আমরা তাকে হাত তালি দিয়ে স্বাগত জানাবো।
ঐতো আকাশের মেঘদের গুচ্ছ গ্রাম ফুটো করে আমাদের প্রিয় আড্ডাবাজ নীলপরী আসছেন…..।

পৃথিবীর শেষপ্রান্ত হতে নীলপরীর জন্য চেয়ার আমদানীকৃত আসনটির বিপরীতমুখী সব আড্ডাবাজ ব্লগাররা অধির আগ্রহে তাকিয়ে আছেন নীল আকাশ প্রান্তে নীলপরীর আগমনে…

আড্ডায় যোগ দেয়া সোনেলা ব্লগের সোনালী ব্লগাররা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন-কোন দিক দিয়ে আসছেন’ সেই কাঙ্খিত আড্ডাবাজ অতিথী “নীলপরী”।তা ছাড়া সবার আগে কে দেখতে পাবেন নীলপরীকে,ফাষ্ট সেকেন্ড থার্ড সেই প্রতিযোগীতায় যেন সবাই মেতে রইলেন।

সবার তীর্যক চোখ এখন নীল আকাশের গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘের দেশে,মেঘদের গতিবিদির দিকে।অনেকে দুহাতে দূরবীন বানিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন।অনেকে এ দিক সেদিক উকিঁ দিচ্ছেন। এদিকে বন্যা আপু তার চশঁমাটা একটু পরীক্ষা করে, হাতের রুমাল দিয়ে পয় পরিস্কার করে আবারো চোখে দিয়ে আকাঁশের দিকে তাকিয়ে আছেন।সাবিনা আপু মানে আমাদের সোনেলা ইয়াসমিন একা আড্ডা স্থলের এক কোণে ঘাপটি মেরে চুপটি করে বসে আছেন যাতে তিনিই নীলপরীটিকে প্রথমে দেখেই হুররে…বলে ফাষ্ট হবার আনন্দে চিৎকারে হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে পারেন।বলাতে ঐ দেখেন বড় আফা সাবিনা কেমন ছানা বড় বড় চোখঁ করে এ দিকে তাকিয়ে আছেন। সরি আফা/আফারা …এ ভাবে বলার জন্য দুঃখিত।

এ দিকে তৌহিদ আর শবনম আপু বেশ সেজেঁগুজে এসেছেন।এবারের আড্ডায় নীল পরীর দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টায় মনে হয় তারাঁই সফল হবেন তাছাড়া আজ ব্লগের তুখোড় ব্লগার শবনম আপুরশুভ জন্মদিন।নীলপরীর পক্ষ হতে আপনাকে জন্মদিনে অহর্ণিশ ভালবাসা “শুভ হউক জন্মদিন”আগামী জীবন হউক এমনি হাসিখুশী আনন্দময়।

এম ইঞ্জা” আমাদের হ্যান্ডসাম ভাইজান। তিনি সভাপতির দায়ীত্ব পালন করবেন বলে মনে হয় এখনো আসেননি মানে তারঁ সিট অলঙ্কিত করতে আসতে একটু লেট হচ্ছে।আমাদের দেশের সভাপতিদের হরমোশাই এমন লেট হয়,ব্যাপার না।

জিসান-হেলাল ভাইজান দ্বয় সম্ভবতঃ খানাপিনার আয়োজন এখনো শেষ করে উঠতে পারেননি তাই একটু লেট হচ্ছে এ আর কি।কে যেন বলল…নাকি সেবারের মত খাবারের আয়োজনের নামে বাসের মতন কোথাও ঘুমিয়ে পড়ল।না বন্ধুরা সন্মানীত বড় ভাইজানরা মোটেই কুঞ্জুস না অন্তত খাবারে দিক দিয়ে।তারাঁ সময় মত নিশ্চয় চলে আসবেন।তাই সেই নিশ্চয়তায় আপাতত “শরবত” দিয়ে শুরু করছি।


রেজওয়ান ভাইজান ভাবীকে নিয়ে আসছেন -এ ছাড়া শাহরিন,শিরীন,আরজু,বীথি,মুক্তা মৃলাণী,নীরা,রুবা,তারাবতী,নাইমা জাহান,আশোকা মাহবুবা আপু এবং নাজমুল হুদা,নাজমুল আহসান,প্রদীপ,রাকা,শামীম,চাটিঁগা এর বাহার,রুদ্রা,মজিবর,নিতাই বাবু,মাসুম হাবিবী,আলীনূর,শিপু, অন্তরা মিতু, সোয়েব,দিদার,মোস্তাফিজ,সঞ্চয় মালাকার,হিমু,দালান জাহান,শফিক নাহোর,হৃদয়ের কথা,মনিকা কাশফিকা সহ আরো যারা এই মুহুর্তে অনেকের নাম মনে আসছেনা ভাই বোনেরা অলরেডি সিটে বসে শরবত পান করছেন -নীলপরী আগমনের অপেক্ষায়।

অন্যদিকে প্রবাসে রিমি আপু অধির আগ্রহে সেই কখন থেকে আড্ডা দিবেন বলে অপেক্ষায় ক্লান্ত।পুজোঁয় খুব ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন অরুনিমা মন্ডল দাস আপু।তবুও তিনি বেশ আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই আড্ডায় অনলাইনে যোগ দেবার।এ ছাড়াও আরো অনেক প্রবাসী বন্ধুরা আছেন তারাঁও এ আড্ডায় যোগ দিবেন বলে সোনেলাকে কথা দিয়েছেন।

এক ঘন্টা পেরিয়ে গেল তবুও পরীর দেখা নেই।এ দিকে সবাই কেমন যেন অস্থির হয়ে হৈ চৈ শুরু কইরা দিছে।একজনতো বলেই ফেলল-এ কেমন আড্ডারে বাবা! বইসা থাকতে থাকতে মাজা বিষ হইয়া গেল-তাছাড়া আড্ডা আয়োজকদের কোন কমন্সসেন্স বলে যদি কিছু থাকত-এতোক্ষণ! খালি মুখে বসাইয়া রাখল-মুখে না পান, না চা টা! ধুরর…।অথচ তিনি ভুলে গেছেন অলরেডি শরবত চক্র হয়ে গেছে।তিনি যে লেটে এসেছেন সে কথা তিনি বলছেন না। যাক …যত দোষ আয়োজক দোষ” এ কথা মাথায় রেখেই শুরু করব আজকের আড্ডা।

এর মধ্যেই জিসান আর হেলাল ভাইয়া ট্রাক ভর্তি খাবার টাবার নিয়ে হাজির।সবাই এখন তাদের দিকে নজর।পরিবেশটায় কেমন যেন একটা সুঘ্রানের বাতাস বইছে।এর মধ্যে বেশ মাঞ্জা দিয়া আমাদের হ্যান্ডসাম এম ইঞ্জা ভাইজানও এসে গেছেন।তিনি তার আসন গ্রহন করিলেন।

হঠাৎ নীলাকাশে কতগুলো কালো মেঘ এসে পরিবেশটা বেশ অন্ধকার করে দিল, সাথে সাথে বিজঁলীর চমকে নীলকাশের নীলপরী তার আসনে এক প্রকার অলৌকিক ভাবেই বসে পড়লেন।সাথে নিয়ে এলেন রূপোর কাঠি সোনার কাঠি। এসেই ঘোষনা দিলেন।

প্রিয় সোনেলার ব্লগার ভাই বোন বন্ধুরা-আমার সালাম ও শারদীয় দূর্গাপুজোঁর শুভেচ্ছা নিবেন।আমি আপনাদের প্রিয় ব্লগ সোনেলার একজন নিয়মিত পাঠক-হয়তো বা আপনেরা জানেন না।আমার দেশের সব পরীরা নিয়মিত সোনেলার প্রতিটি লেখাই পাঠ করেন। এ ব্লগের একজন নিয়মিত ব্লগার মেঘপরীর মারফত জানতে পারলাম ব্লগের অনেকেই অনেক অনেক সমস্যায় ভুগছেন আবার মনের ভিতর অসংখ্য প্রশ্নের সমাধানে আগুন জ্বলছে-তাইতো তারঁ ডাকে ছুটে এলাম আপনাদের মাঝে। এখন আমার সাথে সেয়ার করতে পারেন আপনার যত প্রশ্ন সমস্যা। আমি সাধ্যমত রূপোর কাঠি সোনার কাঠি দিয়ে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব।
সমস্যাগুলোর কয়েকটি নমুনা 
কেউ মানষিক টেনসনে ভাল থাকার উপায়,
কেউ রাজনৈতীক টেনসনে-সামাজিক অবক্ষয়ে মাথা নষ্ট
কেউ প্রেম ভালবাসা নিয়ে আছেন বেশ ভেজালে,
কেউ অর্থনীতিতে সমস্যা,
কেউ সাংসারিক ভেজাঁলে,
কেউ লেখক হয়েও হতে পারছেন না…..
(বিঃদ্রঃ প্রশ্নের কোন লিমিট নেই উপরে দেয়া প্রশ্নগুলো ধারণা মাত্র)
ইত্যাদি আপনার চোখে বিভিন্ন সমস্যাগুলো আমাকে জানাতে পারেন- তাই আজ আমি আপনাদের জন্য যাদুর “রূপোর কাঠি সোনার কাঠি” নিয়ে এসেছি যা দিয়ে আপনাদের সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দিবো।যদিও জানি সব অসম্ভবকে সম্ভব করেন-অনন্ত জলিল।

বুঝতেইতো পারছেন বন্ধুরা-আপনার সামনে এই মুহুর্তে উপস্থিত আছেন সোনেলায় নীলাকাশের “নীলপরী” তাহলে শুরু হয়ে যাক আজকের আড্ডার ছলে সব প্রশ্ন-প্রশ্নের ছলে সব সমাধানে উত্তরের চেষ্টা।

(চুপি চুপি সোনেলার এডমিনদের বলছি-নীলপরী_ তারঁ উপর আরোপিত বন্ধুদের প্রশ্নের উত্তরের সহযোগীতা চাইছেন)

৪২৯জন ১৪জন
75 Shares

১১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য