নীতিকথা

মুহম্মদ মাসুদ ২৫ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১২:৩২:২৭অপরাহ্ন গল্প ১৪ মন্তব্য

ভাবির মা-বাবা এখনো রাজি হয়নি। হঠাৎ কোন মেয়ে পালিয়ে বিয়ে করলে পরিবার কি তৎক্ষনাৎই মেনে নেয়? কখনোই মেনে নেয় না।
ভাবির বড় মামা আমাদের বাড়িতে এসেছে। শুনেছি তিনিও নাকি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন। এজন্যই তিনি ভাগিনীকে সাহস দিতে এসেছে।
সাহস দিতে এসেছে ভালো কথা। ভাগিনীকে সাহস দিয়ে খাওয়াদাওয়া করে চলে যাক। কিন্তু না তিনি আমাকে উপদেশ দিতে শুরু করলো।
এইযে ছুটু। তোমার নাম কি?
– অতনু।
অতনু! এইডা আবার কেমন নাম? যাইহোক, এখন কোন ক্লাসে পড়ছো?
– ক্লাস নাইনে।
আচ্ছা। বেশ ভালো। ভালো করে পড়াশোনা করো। আড্ডায় বেশি সময় দিও না। জিপিএ-৫ না পেলে পড়াশোনা করে কোন লাভ নেই।
– হুমম, জানি।
জানোই যদি এই বয়সে হাতে মোবাইল কেন? প্রেমটেম করো নাকি?
– না মানে? (শরীরটা রাগে জ্বলে যাচ্ছে। ওদিকে ভাবি শুধু মুচকি মুচকি হাসছে)।

শোন, তোমাদের বয়সে আমরা মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম না। আমরা পড়াশোনা করে এতো দূর পর্যন্ত এসেছি।

– হুমম, বুঝলাম (এজন্যই মুদি দোকানদার)। শেষমেশ তোমাকে একটা কথা বলি। জীবনে কখনো চলার পথে থেমে যেওনা। তবে যদি জুতো ছিঁড়ে যায় সেটা আলাদা কথা।
– জ্বি, মামা ঠিক বলেছেন (ভাবি মুচকি হেসেই ঘরের মধ্যে ঢুকে গেলো। আর আমি মাথা নিচু করে মুখ টিপে শুধু হাসছি)।

৪৩২জন ৪৩২জন
16 Shares

১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

  • মুহম্মদ মাসুদ-এর চিহ্ন পোস্টে
  • মুহম্মদ মাসুদ-এর চিহ্ন পোস্টে
  • মুহম্মদ মাসুদ-এর চিহ্ন পোস্টে
  • মুহম্মদ মাসুদ-এর চিহ্ন পোস্টে
  • মুহম্মদ মাসুদ-এর চিহ্ন পোস্টে