২০১৯ সালের শেষদিকে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এই পৃথিবীতে যমদূত হয়ে হাজির হয়েছে, আমাদের কিছু শিক্ষা দিতে। আবার একসময় হয়তো বেশকিছু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এই বিশ্ব থেকে বিদায় নিবে। কিন্তু এই সুন্দর পৃথিবীতে থেকে যাবে নভেল করোনাভাইরাস প্রতিহত করার কিছু শিক্ষা। যেই শিক্ষা দিকনির্দেশনা বিজ্ঞ চিকিৎসকরা আমাদের বারবার শেখাচ্ছে। আমরাও সেই শিক্ষা অনুসরণ করে চলতে থাকবো, পৃথিবী নামক গ্রহটা যতদিন বেঁচে থাকবে; ততদিন। তবে এই শিক্ষাটা নভেল করোনাভাইরাস আমাদের নতুন করে নতুনভাবে জীবন বাঁচতে সাহায্য করেছে বলে আমি মনে করি।

এর কারণ হলো, করোনাভাইরাস থেকে নিজে এবং নিজের পরিবারবর্গ-সহ দেশ ও দশকে বাঁচাতে বিজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শগুলো শুধু এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে বাঁচতেই নয়, এই দিকনির্দেশনাগুলো একজন মানুষ সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার একটা সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা।

এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস আবির্ভাব হবার আগে থেকে যদি আমরা বিশ্ববাসী এসব দিকনির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে মেনে চলতাম, তাহলে এই মরণঘাতী করোনাভাইরাস বিশ্ববাসীকে এতো কাবু করতে পারতো না। আর এই ভাইরাসে এতো মানুষের মৃত্যু হতো না। কথায় আছে, “চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে!” আমাদের অবস্থাও হয়েছে তেমনই।

সারাবিশ্বে প্রায় কোটি মানুষের প্রাণহানির পর আমাদের বুদ্ধি বাড়লো। আগে থেকে শুধু বিজ্ঞ চিকিৎসকদের দেওয়া নিয়মকানুনগুলো শ্রবণই করেছিলাম, কিন্তু মেনে চলতে পারিনি। এখন উপায়ন্তর না দেখে সময় হারিয়ে রাষ্ট্রের বিজ্ঞ চিকিৎসকদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শগুলো ধনী গরিব বস্তিবাসী কৃষক কৃষাণী সবাই মেনে চলতে বাধ্য হয়েছি। এটা আমাদের আগামীদিনের জন্য এই সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার একরকম সুশিক্ষা।

করোনাভাইরাস প্রতিহত করতে বিজ্ঞ চিকিৎসকদের দেওয়া পরামর্শগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে মেনে চলতে পারি, তা হবে আগামীদিনের জন্য সুন্দর পৃথিবী গড়া এবং সুস্থভাবে বেঁচে থাকা।

বিজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শগুলো নিম্নরূপ:
১। সাবান দিয়ে বারেবারে হাত ধোয়া।
আমরা বাঙালি জাতি। এদেশের বিত্তবান ছাড়া খেটে-খাওয়া মানুষের বারেবারে হাত ধোয়ার অভ্যাস আমাদের কোনও সময়ই ছিল না। এই অভ্যাসে অভ্যস্ত আমরা গরিব কাঙালিদের কোনও সময়ই হয়েছিল না। কিন্তু এখন তা বাধ্যতামূলক! এটা আমাদের জন্য একরকম প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা।

একসময় এদেশের গরিব মানুষ তথা কৃষক কৃষাণীরা খেতে খামারে কাজ করে চাষের জমির সামনে থাকা ডোবা নালায় কোনরকম হাত ধুয়ে চাষের জমিতে বসেই মনের আনন্দে পেঁয়াজ কাঁচামরিচ ডলে পান্তাভাত মেখে খেয়ে ফেলতো। আর এখন এই প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে ভালো করে থালাবাসন-সহ হাত ধুয়ে খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে খাবার খাচ্ছে।

আগে যেখানে সারাদিনে মাত্র দুই একবার কোনরকম হাত ধোয়া হতো, আজ সেখানে করোনাভাইরাসের ভয়ে অন্তত দিনে কয়েকবার ভালো সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিচ্ছে। কিছুদিন আগেও দেখেছি হাট-বাজারে, রাস্তা-ঘাটে, মাছ বিক্রেতা পঁচা মাছ বিক্রি করছে। বেচাকেনার মাঝেই হাত না ধুয়েই খাবার খেয়েছিল। মাংস বিক্রেতা মাংস বিক্রি করার সময় রক্তাক্ত হাত নিজের লুঙ্গিতে মুছে সেই হাত দিয়ে খাবার খেয়েছিল। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ময়লা ভর্তি ড্রেন থেকে ময়লা উঠাচ্ছিল, তাঁরা হাতপা না ধুয়েই কোনরকম হাত মুছে খাবার খেয়েছিল। এতে কোনও রোগব্যাধি গরিব মানুষের ধারেকাছেও আসেনি। যদিও রোগব্যাধি হয়েছিল, তা শারীরিক অসুস্থতা মনে করে কিছু ট্যাবলেট গিলে খেতো। তবে ইদানীংকালের প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস তা বুঝিয়ে দিলো পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা হলো ঈমানের অঙ্গ এবং সুস্থ সুন্দর জীবন যাপনের মূল চাবিকাঠি।

২। মুখে মাস্ক পড়া।
কিছুদিন আগে থেকে রাস্তাঘাটে দেখেছি, কিছু ভদ্রলোক মুখে নরম কাপড়ের খাফ লাগাতো। যেটাকে বর্তমান সময়ে বলে মাস্ক। যাঁরা এই মাস্ক ব্যবহার করতো, তাঁরা রাস্তাঘাটে চলার মাঝে অনেকের মুখপানে চেয়ে নিজেরাই লজ্জা পেতো। আর এখন ধনী গরিব বস্তিবাসী সবার জন্য মাস্ক হয়ে গেলো বাধ্যতামূলক। মোটকথা মাস্ক ছাড়া কোন অবস্থাতেই ঘর থেকে বেরুতে পারবে না।

অনেক ধার্মিক মানুষই বলেছিল, “আমি খোদা বিশ্বাসী! আমার নাকে নাক পশম আছে। যা দিয়ে বাতাস ছেঁকে দেহের ভেতরে ঢুকায়। কাজেই মাস্ক আমার দরকার নেই। আমার নাকই কাপড়ের মাস্ক থেকে বেশি সুরক্ষিত।”

এখন নভেল করোনা ভাইরাসের ভয়ে সেসব ধার্মিক মানুষগুলো ভয়ে থরথর। সেই ভয়ে তাঁদের নাকে মুখে লাগানো থাকে একটা মাস্ক। পকেটে থাকে দুইটা মাস্ক। মোটকথা মাস্ক ছাড়া নিজের নাকের প্রতিও কারোর বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই। সবকিছু পরিবর্তন করে দিলো বর্তমান সময়ের প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। এটাও আমাদের জন্য সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার একটা শিক্ষা। এই শিক্ষাটা আমরা অর্জন করেছি করোনাভাইরাস থেকে, আর বিজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ থেকে।

৩। সাথে অন্তত গুটিকয়েক রুমাল রাখা, নাহয় টিস্যু পেপার রাখা। কারণ শরীরের ঘাম আর নাক কান গলা মোছার জন্য।
এদেশে এমন লোক দেখেছি, জীবনে একজোড়া জুতাও কিনেনি। একজোড়া জুতো যদি অতি কষ্টে কিনেছে, সেই জুতা জোড়া ধুয়েমুছে ঘরে রেখে দিয়েছে। জুতো পরেছে, কোথাও কোনও নিমন্ত্রণে আমন্ত্রিত হলে। রুমাল তো ছিল অনেকের কাছে স্বপ্নের ব্যাপারস্যাপার। এখনও এই বঙ্গদেশে এমন লোক আছে, কোনও বিয়েসাদীর নিমন্ত্রণে গেলে নিজের জামার পকেটে করে একটুকরো ছেড়া কাপড় সাথে নিয়ে যায়, হাত নাক মুখ মোছার জন্য। এই ছেড়া কাপড়ের টুকরাই হলো ওই লোকের জন্য মূল্যবান রুমাল। বিয়ের নিমন্ত্রণ খেয়ে কিছু দান দক্ষিণা দিয়ে দু’একটা টিস্যু পেপার পকেটে করে বাড়ি নিয়ে আসে।

আজ এই করোনাভাইরাসের আলামতের দিনে ধনী গরিব সবাই রুমাল অথবা টিস্যু নামের সাদা কাগজ সবার পকেটেই দু’একটা সাথে থাকেই। ছোটবেলা শুনেছি নিজের পকেটে একটা চিরনি অথবা একটা রুমাল অথবা একটা কলম থাকা মানে ভদ্রতার বহিঃপ্রকাশ। আর বর্তমানে এই ভদ্রতা শিখিয়ে দিলো প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। যদিও এই প্রাণঘাতী ভাইরাস লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। তবুও এই শিক্ষাটা কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রাণঘাতী করোনাভাইরসের একটা অবদান।

৪। সবসময় নিজেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
কিছুদিন আগেও দেখা গেছে যেখানে সারাদিন শ্রমজীবী মানুষ জীবিকার সন্ধানে সবসময় ময়লা আবর্জনার সাথে যুদ্ধ করেছিল। কেউ ঝালমুড়ি বিক্রি করেছিল রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে। লেইস ফিতার গাট্টি কাঁধে করে ধুলো বালি ভরা শহরের অলিগলিতে ঘুরেছিলে। আজ তাঁরাও নিজেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রেখে মুখে মাস্ক লাগিয়ে হাতে গ্লাভ লাগিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করছে। চা বিক্রেতা ওয়ান টাইম কাপ ব্যবহার করে চা বিক্রি করছে। দোকানের সামনে পরিস্কার করে রাখছে। রাস্তার পাশে দাড়িয়ে হাজার মানুষের সামনে যত্রতত্র প্রস্রাব করা থেকে বিরত থাকছে। অযথা যেখানে সেখানে থুথু ফেলাও বন্ধ করছে ভাইরাসের ভয়ে। যাতে কোনও প্রকার প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রমণ না করে। এটাও আমাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য একরকম শিক্ষা।

৫। হাঁচি-কাশি দেয়, এমন মানুষ থেকে অন্তত তিনফুট দূরে থাকা।
হাঁচি-কাশি, সর্দি-জ্বর হলো আমাদের দেশের নিত্যনৈমিত্তিক সাধারণ রোগ। যা সচরাচর ছেলে বুড়ো সকলেরই হয়ে থাকে। এই সাধারণ সর্দি-কাশি হলে অন্তত কয়েকদিন অপেক্ষা করে তারপর নিকটস্থ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতো। ডাক্তার হিস্টাসিন প্যারাসিটামল অথবা নাপা নামের কয়েকটা ট্যাবলেট রোগিকে দিয়ে দিতে, রুগি তা সেবন করেই ভালো হয়ে যেতো। আর এখন এমন প্রাণঘাতী ভাইরাসের আবির্ভাব দেখা দিয়েছে, এই ভাইরাসের প্রথম লক্ষ্মণই হলো সর্দি-কাশি, সর্দি-জ্বর। তাই কারোর সর্দি-জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে তাঁর কাছ থেকে সবাই অন্তত দশহাত দূরে থাকে। কোনও অবস্থাতেই এই রুগির সামনে কেউ যেতে চায় না, করোনা ভাইরাসের ভয়ে। এমনকি নিজ পরিবারের কারোর সর্দি-জ্বর হলেও থাকে গভীর পর্যবেক্ষণের মধ্যে একঘরে রাখা হয়। যার নাম হোম কোয়ারেন্টি। মানে সবাই নিরাপদে থাকা। এটাও আমাদের শিখিয়ে দিলো বর্তমান সময়ের প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এবং ভাইরাস প্রতিহত করার বিজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ।

৬। দরকার হলে প্লাস্টিকের গ্লাভস পরিধান করা।
আগে এদেশের অনেকেই প্লাস্টিকের গ্লাভস নামের বস্তুটিকে কেউ চিনতোও না। এই গ্লাভস নামের বস্তুটিকে চিনত কেবল ডাক্তাররা। এখন এই গ্লাভস যে কী, তা ছোট বড় সবাই চিনে এবং জানেও। ব্যবহারও করে থাকে। এই গ্লাভস নামের বস্তুটিকে চিনিয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। গ্লাভস হাতে পরাও নিজেকে সুরক্ষিত রখার একটা শিক্ষাব্যবস্থা।

৭। প্রতিদিনের ব্যবহার করা কাপড়চোপড় প্রতিদিন ধুয়ে ফেলা।
এই দেশের অনেক লোকই আছে, যাঁরা এক কাপড়-চোপড় দুই-তিন-দিন পর্যন্ত লাগাতার ব্যবহার করে। তারপর কমদামি পঁচা সাবান দিয়ে, নাহয় সোঁটা দিয়ে সিদ্ধ করে ধুয়ে নেয়। প্রতিদিনের ব্যবহার করা কাপড়-চোপড় এদেশের গরিব মানুষেরা প্রতিদিন কোনমতেই ধোয় না। কিন্তু এখন এই নভেল করোনাভাইরাসের ভয়ে প্রতিদিনের ব্যবহার করা কাপড়চোপড় প্রতিদিনই ধুয়ে নিচ্ছে। এই ধোয়া শিখিয়ে দিলো প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এবং ভাইরাস প্রতিহত করার পরামর্শদাতা বিজ্ঞ চিকিৎসকরা। এখন থেকে এই শিক্ষাটা যদি আমরা ধনী গরিব সবাই রপ্ত করতে পারি, তাহলে আগামীতে এর চেয়েও ভয়াবহ রোগজীবাণু আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না। কাজেই এই শিক্ষাটাও অর্জন হলো করোনাভাইরাস প্রতিহত করার মাধ্যমে।

৮। ঘরদোর সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
এদেশের নিম্ন আয়ের মানুষের ঘরদোর আর কতটুকুই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা থাকে? কিন্তু এখন, রাস্তার পাশে বস্তিঘরও নিয়মিত পরিস্কার করে রাখছে, করোনাভাইরাসের ভয়ে। আগে যেই ঘরের ভেতরে বাইরে সবসময়ই মাছি ভনভন করতো, আজ সেখানে সেসব ময়লার আবর্জনায় সিটি করপোরেশন থেকে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিচ্ছে। রাস্তায় ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে দিচ্ছে সকাল দুপুর বিকাল। আর মশা নিধন করার ঔষধ তো প্রতিদিনই ছিটানো হচ্ছে। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা সিটি করপোরেশন ময়লার গাড়ি দিয়ে সরিয়ে নিচ্ছে সকাল দুপুর। এমন সুন্দর কার্যক্রম যদি সবসময়ের জন্য বহাল থাকে, তাহলে আমরা নগরবাসী আগামীতে সুন্দর একটা নতুন নগরী দেখতে পাবো। সিটি করপোরেশনের এমন উদ্যোগ শুধু নগরবাসীকে নভেল করোনাভাইরাস থেকে বাঁচাতেই। এটাও সুন্দর নগরী গড়ার একটা শিক্ষাব্যবস্থা। তা কেবল নভেল করোনাভাইরাস থেকেই এই শিক্ষা অর্জিত।

৯। যেখানে সেখানে কফ, থু থু না ফেলা।
কথায় আছে, “আমরা যেখানে খাই, সেখানেই থুথু ফেলি।” রাস্তার পাশে হাজার মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করি। মলমূত্র ত্যাগ ত্যাগ করি। কে এলো আর কে দেখলো, তার কোনও হুঁশ জ্ঞান আমাদের নেই। সেই বিষাক্ত প্রস্রাব রাস্তায় চলাফেরা করা মানুষে পায়ে দলিয়ে চলাফেরা করতো।

কিন্তু ইদানীংকালে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার পর থেকে এসব অভদ্র মানুষেগুলোর কুঅভ্যাসগুলো কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর এসব শহরের আনাচে-কানাচে দেখা যায় না। এক হিসেবে আমরা এখন পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের উন্নত নাগরিক হয়ে গেছি। শিক্ষাটা পেয়েছি নভেল করোনাভাইরাস থেকে।

আশা করা যায় যদি কিছুদিনের মধ্যে এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস আমাদের দেশ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়, তাহলে নভেল করোনাভাইরাস থেকে অর্জন করা শিক্ষা আমাদের জীবন চলার মাঝে অনেক কাজে লাগবে। সবই শিখেছি নভেল করোনাভাইরাস প্রতিহত করতে গিয়ে। জয় হোক মানবতার। মহান স্রষ্টা সবার সহায় হোক। করোনাভাইরাস দূর হোক।

লেখাটি পূর্বপ্রকাশিত নিতাই বাবু
১০/০৪/২০২০খ্রী:

১৪৭জন ৪৩জন
17 Shares

২১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য