নজরুল

মো: মোয়াজ্জেম হোসেন অপু ২৭ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ০২:২০:১৫অপরাহ্ন খ্যাতনামা ব্যক্তি ৬ মন্তব্য

“বিশ্বাস করুন আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি- আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম- সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম…”

——-কাজী নজরুল ইসলাম।

 

“আজ ১২ই ভাদ্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৫-তম প্রয়াণ দিবস। মাত্র ৯ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে যার জীবনসংগ্রামের সূচনা। নিজের মেধা, প্রজ্ঞা, ও স্পৃহার বলে সেই নজরুল ইসলাম হয়ে ওঠেন একাধারে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ, সাংবাদিক ও দার্শনিক।বাংলা সাহিত্যের এমন কোন শাখা ছিলো না যেখানে ছিলোনা তার পদচারণা।  দুখু মিঞা, বুলবুল, ধুমকেতু, যুগের কবি, বিদ্রোহী কবি, সাম্যবাদী কবি, বিরহের কবি,দ্রোহের কবি,প্রেমের কবি,মানবতার কবি, অসাম্প্রদায়িক কবি সহ নানাবিধ নামে আমরা এই প্রিয় কবিকে স্মরণ করে থাকি।তার অসুস্থতার  আগে পর্যন্ত(মাত্র ৪২ বছর)  সমসাময়িক সমাজের নানান অসংগতির বিরুদ্ধে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ করে গেছেন তিনি তার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে।

 

“তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু, আর আমি জাগিব না।

কোলাহল করি সারা দিনমান কারও ধ্যান ভাঙিব না।

–নিশ্চল নিশ্চুপ

আপনার মনে পুড়িব একাকী গন্ধবিধুর ধূপ”

 

প্রিয় কবি ঠিক ই তাঁর  কবিতার কথা গুলোর মতোই তাঁর জীবনের শেষ ৩৩টি বছর নিশ্চুপ ছিলেন।

 

“ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি

করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ধরা ফুলগুলি।।”

 

আমার যাবার সময় হলো

দাও বিদায় আঁখি খোলো।।

ফুটে যে ফুল আঁধার রাতে

ঝরে ধূলায় ভোর বেলাতে।

 

জীবদ্দশায় কতো কষ্ট আর কতো অত্যাচারই না সইতে হয়েছে এই মহামানবকে,এমন কি কারাবরনও করতে হয়েছে তাকে।হয়তো সেই অভিমান থেকেই তিনি গেয়ে গেছেন ——–

 

“আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,

তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।”

 

না ভুলি নাই, ভুলতেও পারবো না কোন দিন হে প্রিয়।তোমাকে জানাই সালাম🖤।ভালো থেকো প্রিয় কবি, ভালো থেকো ওপারে।

১৯৭জন ১০০জন
0 Shares

৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ