: কোন দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতার মসনদে দেখতে চায় না ভোটাররা। আর ভোটাররা আগের চেয়ে অনেক সচেতন। এজন্য যোগ্য প্রার্থীকে বেঁচে নিতে উল্টো পথে পা রাখবে না আর নগরবাসী। ফলে নিরব ভোট বিপ্লবেই নগরবাসী জবাব দিবে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। ৩১ মে  শুক্রবার (বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে) এসব কথা জানিয়েছেন এক সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা স্বচ্ছ রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসাবে পরিচতি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী  মাহমুদুল হক খান মামুন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।
বলেছেন, তার নির্বাচনী প্রচারনায় নগরীতে বেশ সাড়া পড়ে গেছে। জনতার স্ব:ত্বস্ফুর্ত সাড়া মিলছে। সাধারন জনগনের সাড়ায় আমি মুগ্ধ। সকল ধর্ম বর্ন নির্বিশেষের মানুষ আমাকে সমর্থন জুগিয়েছে। কিন্তু ব্যাপক সারা দেখে ইর্শ্বনীয় হয়ে প্রতিহিংসাপরায়নে মুখোশ পরিহিত দুনীতিবাজ’র ক্যাডাররা আমার সমর্থকদের হুমকী ধামকী দিচ্ছে। বলেছেন, আমার জীবনও চরম নিরাপত্তাহীনতায়। বলেন,এটা স্থানীয় সরকারের নির্বাচন ; দলীয় নির্বাচন নয়। আমি কোন দলের প্রার্থী নই তবে আমি সর্বস্তরের জনগনের প্রার্থী। বলেন, আমার প্রতীক “দোয়াত কলম”। এই দোয়াত কলম প্রতীক নগরবাসীর নারী পুরুষের মাঝে আপন করে নিয়েছে। সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা খান বলেন, অবৈধ পন্থায় লুটেপুটে পকেট ভারী করা অর্থের শোডাউনের বিপরীতে জনগন নিরব ভোট বিপ্লবেই প্রমান করবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করতে। এর আগে মাহমুদুল হক খান মামুন বলেছেন,প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লড়বেন তিনি।
এদিকে, খানের পাশে ঘাপটি মেরে আছে কয়েক গুপ্তচর। এরা নানাবিধ কৌশলী পন্থায় খানের ইমেজ নষ্টে তৎপর। কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই খানের। এই গুপ্তচরদের দমন এবং নির্বাচনী রোডম্যাপ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে চমকও দেখাতে পারেন খান মামুন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের এরকইম মন্তব্য।
প্রসঙ্গত : ১৯৮১ সালে বিএম কলেজে ছাত্র লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন মাহমুদুল হক খান মামুন। বিএম কলেজের রাজনীতিতে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়ায় সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়া ছিল যেন খান মামুনের নৈতিক দায়িত্ব। ১৯৯০ সালে কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস, ১৯৯৭ সালে ভিপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম বিএম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। একটানা ১৭ বছর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালনে সংগঠনের সাংগঠনিক ভীত মজবুত হয়।  বিএম কলেজে চারটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন এই মেধাবী ছাত্রনেতা। ছাত্রনেতা ও জ্ঞান অর্জনে যা দক্ষিন বাংলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন খান মামুন। মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করা বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি,হিসাব বিজ্ঞান ও ইতিহাস। এছাড়া  এলএলবিও করেছেন তিনি। ক্লীন ইমেজের রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসাবে বেশ পরিচিত মাহমুদুল হক খান মামুন। খানের বাবা প্রায়ত সামছুল হক খান তৎকালীন এডিসি ছিলেন। মা প্রায়ত লুৎফুন্নাহার বেগম ছিলেন সুশিক্ষিতা। তৎকালীন পাকিস্তান আমলে খানের মা ডিগ্রী পাস করেন।

২৪১জন ২৩৯জন
0 Shares

৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

️️ 🍂️️ 💝 ️️ 🌟 🌺 💐 💥 🌻 🍄 🌹 💐 ⭐️ 🎉 🎊