শ্রী শ্রী দুর্গা দেবীর পূজা বছরে দুবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। একবার বসন্তকালে, আরেকবার শরৎকালে। বসন্তকালের দুর্গাপূজাকে সংক্ষেপে বাসন্তী পূজা বলা হয়। আর শরৎকালের দুর্গাপূজাকে বলা হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে শারদীয় দুর্গাপূজাই বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান এবং অধিক সংখ্যায় অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্গাপূজার শুরু হয় আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে। কোথাও প্রতিপদ তিথি থেকে, কোথাও ষষ্ঠী তিথি থেকে দুর্গাপূজা শুরু হয়।

প্রথমেই কল্পারম্ভ। ‘কল্প’ শব্দের অনেক অর্থ থাকলেও সাধারণভাবে ‘সংকল্প’ বোঝায়। এর পর ওই তিথিতেই দেবী দুর্গার অধিবাস।

আর দুর্গাদেবীকে আহ্বান জানানো হয় :

তুমি এসো হে দুর্গা দেবী, আমাদের পূজা গ্রহণ কর।

শুক্লা সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী- এ তিনদিন সাড়ম্বরে দেবীদুর্গার পূজা করা হয়। দেবীর ভোগ দেয়া হয়, দেবীর আরতি করা হয়।

উল্লেখ্য, দেবী দুর্গার এই যে পূজার অনুষ্ঠান ও কৃত্যসমূহ, এ কেবল দেবী দুর্গার একার পূজা নয়। দেবীদুর্গার পূজা উপলক্ষে আরও অনেক দেব-দেবীর পূজা করা হয়। তাই দুর্গাপূজাকে আমরা সম্মিলিত দেবশক্তির পূজাও বলতে পারি।

অষ্টমীর দিন করা হয় কুমারী পূজা। সব নারীর মধ্যেই আছে দেবী দুর্গার শক্তি। তাই নারী পূজনীয়- এ দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো কুমারীকে দেবীর আসনে বসিয়ে কুমারী পূজা করা হয়। এ যেন কুমারীরূপে বিশ্বনারী শক্তি, বিশ্বমাতৃশক্তির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিবেদন।

অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিস্থলে করা হয় সন্ধি পূজা। এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় যাওয়ার অবকাশ এখানে নেই।

সব শেষে দশমী পূজা । বলা হয় ‘বিজয়া দশমী’।

এ ‘বিজয়া দশমী’ বলার বিষয়টি নিয়েও নানা মত ও উপাখ্যান রয়েছে। একটি হল রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে রামের বিজয় ও বিজয়োৎসব। মহিষাসুরকে দেবীদুর্গা বধ করেন এবং দেবতারা ফিরে পান তাদের হারানো স্বর্গরাজ্য। তার জন্যও বিজয়োৎসব পালন করা হয়েছে এই শুক্লা দশমীতে। পৌরাণিক একটি উপাখ্যান অনুসারে দেবী দুর্গা হিমালয় রাজের কন্যা এবং তার মায়ের নাম মেনকা। দেবীদুর্গা ষষ্ঠীর দিন সন্তান-সন্ততি ও স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি নাইওরে আসেন। দশমীর দিন আবার স্বামী মহেশ্বরের বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য রওনা হন। মেয়ের মন কাঁদে। মা-বাবার চোখ থেকে অশ্র“ ঝরে পড়ে। এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। এক বছর পর মেয়ে আবার বাবার বাড়ি আসতে পারবে।

তাই দশমী তিথিতে পূজার এক পর্যায়ে উচ্চারিত হয়

এই মন্ত্র :

“ওঁ গচ্ছ গচ্ছ পরং স্থানং য দেবো মহেশ্বরঃ।

সংবৎসরব্যতীতে তু পুনরাগমনায় চ ॥”

(অর্থ:- হে দেবী তুমি দেব মহেশ্বর যেখানে আছেন, সেই স্বামীর ঘরে ফিরে যাও। এক বছর পর আবার আসবে, সেই সময়ের প্রতীক্ষায় বুক বেঁধে রইলাম।)

দশমীকে ঘিরে কত আয়োজন। দেবীর পায়ে বিল্বপত্র ছুঁইয়ে ভক্তেরা নিজের কাছে রেখে দেন। সধবা নারীরা দেবীর কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন এবং নিজেরা মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। দশমীতে মেলা বসে। নৌকাবাইচ হয়। বিসর্জনের বেদনাবিধূর বাজনার সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে ভক্তরা ঘরে ফিরে আসেন। তারপর সবাই একে অপরকে আলিঙ্গন করেন। বড়রা ছোটদের ধান দুর্বা দিয়ে আশীর্বাদ করেন, ছোটরা গভীর শ্রদ্ধায় তাদের চরণে প্রণাম করে। তাই দুর্গাপূজার বহুমুখী তাৎপর্য রয়েছে।

আমরা ধর্মগ্রন্থ পুরাণে দেখি, শক্তির দ্বারা অসুরকে অন্যায়কে অত্যাচারকে অশুভকে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যুগে যুগে। শক্তির দেবীর হাতে ভয়ঙ্কর অসুরদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শান্তি ও কল্যাণ- পুরাণে বিভিন্ন উপাখ্যানে আমরা একথার দৃষ্টান্ত খুঁজে পাই। দেবতারা যখন সহজেই অসুরদের কাছে পরাজিত হন, তখন তাদের লজ্জা লুকানোর আর জায়গাই যেন থাকে না। একবার ভোগ-বিলাসে দেবতারা গা ভাসিয়ে দিয়েছিলেন। সরে গিয়েছিলেন নিজ নিজ কর্তব্য থেকে। আর তখন দেবতাদের এই ঔদাসীন্য আর ভোগ তন্ময়য়তার সুযোগে অসুরেরা দখল করে নিল স্বর্গরাজ্য। দেবতারা দেবরাজ ইন্দ্রের সঙ্গে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হলেন। শিব, ব্রহ্মা এবং বিষ্ণু ভক্ত ও দেবতাদের তিন প্রধান, আবার তিনের মিলে পরব্রহ্ম। আমরা যে ‘অউম্’ (ওঁ) বলি, তার দ্বারা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব এ তিনে বিভক্ত ব্রহ্মকেই বুঝি। অর্থাৎ ‘ওঁ’ মানে ব্রহ্ম।

বিষ্ণু ও শিব পরাজিত দেবতাদের ভর্ৎসনা করলেন এবং ভেঙে না পড়ে সবার শক্তিকে একত্র সংহত করে অসুরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পরামর্শ দিলেন। সব দেবতার মিলিত শক্তি থেকে আবির্ভূত হলেন দেবী দুর্গা। এই যে ‘সকল দেবতার শক্তির সম্মিলন’- এর মধ্যেই রয়েছে কথাটির তাৎপর্য। দুর্গতি থেকে ত্রাণের জন্য দেবতাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রমূর্ত রূপে প্রকাশ পায় দেবী দুর্গার প্রতীকে।

এ দেবী পৃথিবীর মধ্যেও আছেন। ঐক্যবদ্ধ সংহত শক্তির অনুশীলন ও ঋদ্ধ নৈপুণ্যের কাছে পরাভূত হয়েছিল বৈরী অসুরেরা। বাধ্য হয়েছিল স্বর্গরাজ্য ছেড়ে দিতে।

সুতরাং ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে তার সঙ্গে লড়তে হয়। আবার নিজের দেশের ভেতরে কখনও কখনও অপশক্তি প্রতিষ্ঠা পায়- শুভের পক্ষের শক্তির অসচেতনতা, ভোগ-লালসা বা অনৈক্যের কারণেও। তখন শুভের পক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দ্বারা সত্য প্রতিষ্ঠায় প্রয়াসী হতে হয়। এখানেও দুর্গাপূজার প্রতীকী তাৎপর্য প্রকাশিত।

আবার সমাজ ও ব্যক্তির ক্ষুদ্রতর পর্যায়েও আমরা ভোগের জন্য লালায়িত হই, অন্তরের ভেতরে জেগে ওঠে অশুভ অসুরগুলো। তখন অন্তরের শুভ শক্তি যদি তার কাছে পরাজিত হয়, তাহলে আমরা অন্যায়ে লিপ্ত হই, অসঙ্গত ও অনৈতিক আচরণ করি। পক্ষান্তরে আমরা যদি সমাজের বা অন্তরের অশুভকে দমন করি ন্যায় ও সত্যের শক্তিতে, তাহলে অন্যায় থেকে, পাপ থেকে মুক্ত থাকি। শুভ্র-সুন্দর উজ্জ্বলতায় সমাজ ও ব্যক্তি ভাস্বর হয়ে ওঠে। আর তখনই প্রতীকী তাৎপর্যে  দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে যায় ।এছাড়াও কোনো এলাকার ভক্তরা সবাই মিলে যখন দুর্গাপূজার আয়োজন করেন, তখন তার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐক্য। বিভেদগুলো দূর হয়। এক মিলন মেলায় সবাই মিলিত হয়।

বাংলার দুর্গাপুজায় অংশগ্রহণ করেন জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে সব মানুষ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আসেন শুভেচ্ছা জানাতে, বুদ্ধিজীবীরা ভাষণ দেন, শিল্পীরা সঙ্গীত, নাট্য প্রভৃতি পরিবেশন করেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেতার, টেলিভিশনে প্রচার হয় নানা অনুষ্ঠান, প্রকাশিত হয় পত্র-পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা বা ক্রোড়পত্র। দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রকাশিত হয় বিশেষ স্মরণিকাসমূহ। প্রবীণ ও নবীন লেখকরা তাতে লেখেন। এর দ্বারা শিল্প-সাহিত্যের চর্চা হয়, সংস্কৃতি বিকশিত হয়। বলা বাহুল্য, দুর্গাপূজার প্রতিমা এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষে তোরণ নির্মাণ, আল্পনা প্রভৃতির মধ্য দিয়ে চিত্রশিল্পের বিকাশ ঘটে।

তাই দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় কৃত্য নয়, তা সার্বজনীন উৎসব।

এজন্যই আমরা বলি-

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।”

রুদ্ধে যুদ্ধ করার পরামর্শ দিলেন। সব দেবতার মিলিত শক্তি থেকে আবির্ভূত হলেন দেবী দুর্গা। এই যে ‘সকল দেবতার শক্তির সম্মিলন’- এর মধ্যেই রয়েছে কথাটির তাৎপর্য। দুর্গতি থেকে ত্রাণের জন্য দেবতাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রমূর্ত রূপে প্রকাশ পায় দেবী দুর্গার প্রতীকে।

এ দেবী পৃথিবীর মধ্যেও আছেন। ঐক্যবদ্ধ সংহত শক্তির অনুশীলন ও ঋদ্ধ নৈপুণ্যের কাছে পরাভূত হয়েছিল বৈরী অসুরেরা। বাধ্য হয়েছিল স্বর্গরাজ্য ছেড়ে দিতে। সুতরাং দেবী দুর্গার আরও একটি তাৎপর্য হচ্ছে শক্তির সম্মিলন, মিলিত শক্তির আঘাত এবং শত্রুপরাজয়ের পর হৃতরাজ্য বা সম্পদের পুনরুদ্ধার।

আজকের এই বিশ্বে কোনো রাষ্ট্র অপর কোনো রাষ্ট্রকে যুদ্ধের সাহায্যে জয় করে নিজের অধিকারে সাধারণত নিতে পারে না। নিলেও রক্ষা করতে পারে না, বিবেকবান অপর শক্তি বা ঐক্যবদ্ধ বিশ্বশক্তির চাপে। আজকের বিশ্বে আগ্রাসন হয় অর্থনীতি ও রাজনীতির মধ্য দিয়ে। সুতরাং ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে তার সঙ্গে লড়তে হয়। আবার নিজের দেশের ভেতরে কখনও কখনও অপশক্তি প্রতিষ্ঠা পায়- শুভের পক্ষের শক্তির অসচেতনতা, ভোগ-লালসা বা অনৈক্যের কারণেও। তখন শুভের পক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দ্বারা সত্য প্রতিষ্ঠায় প্রয়াসী হতে হয়। এখানেও দুর্গাপূজার প্রতীকী তাৎপর্য প্রকাশিত। আবার সমাজ ও ব্যক্তির ক্ষুদ্রতর পর্যায়েও আমরা ভোগের জন্য লালায়িত হই, অন্তরের ভেতরে জেগে ওঠে অশুভ অসুরগুলো। তখন অন্তরের শুভ শক্তি যদি তার কাছে পরাজিত হয়, তাহলে আমরা অন্যায়ে লিপ্ত হই, অসঙ্গত ও অনৈতিক আচরণ করি। পক্ষান্তরে আমরা যদি সমাজের বা অন্তরের অশুভকে দমন করি ন্যায় ও সত্যের শক্তিতে, তাহলে অন্যায় থেকে, পাপ থেকে মুক্ত থাকি। শুভ্র-সুন্দর উজ্জ্বলতায় সমাজ ও ব্যক্তি ভাস্বর হয়ে ওঠে। আর তখনই দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে যায়।

কুমারী পূজার তত্ত্ব
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন: কুমারী পূজা করে কেন? সব স্ত্রীলোক ভগবতীর এক একটি রূপ। শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর বেশি প্রকাশ।
দুর্গাপূজার অষ্টমী বা নবমীতে সাধারণত ৫ থেকে ৭ বছরের একটি কুমারীকে প্রতিমার পাশে বসিয়ে দেবী প্রতিমা চিন্তা করে পূজা করা হয়। এটা মাতৃভাবের প্রতিই শ্রদ্ধা নিবেদন। চণ্ডীতে বলা হয়েছে— যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ সকলের মধ্যে মায়ের রূপ ধরে যে দেবী বিরাজিতা, তাঁকে পুনঃপুন নমস্কার করি।
কুমারী কাকে বলে? ১ বছর বয়স থেকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত অজাতপুষ্পবালাকে কুমারী বলে। মাতৃভাব বিকাশের জন্য রামকৃষ্ণ মঠ বিশেষভাবে এ পূজা করে থাকে। দুর্গাপূজার সময় বা জগদ্ধাত্রী পূজার সময় এ পূজা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। ঠিক ঠিকভাবে পূজা হলে মন বিশুদ্ধ হয়, ঈশ্বরের কৃপালাভ হয়।
বয়স অনুসারে কুমারীর নানা শাস্ত্রীয় নাম হয়ে থাকে। যেমন— কালিকা, সুভগা, উমা, মালিনী ইত্যাদি। শান্ত, পবিত্র, সর্তশীলা এসব দৈবী সম্পদের অধিকারিণী কুমারীই জগজ্জননীর প্রতিমারূপে গ্রহণে বিধান আছে।
ব্রহ্ম ও শক্তি অভিন্ন। যাঁকে ঈশ্বর, হরি, গড প্রভৃতি বলা হয়, তাঁকেই মাতৃভাবে সাধনার সময় বলা হয় জগজ্জননী। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানবজাতির ক্ষেত্রে মায়ের নীরব অবদানের ঋণ পরিশোধ করা অসম্ভব। নারী শক্তিরূপিণী। তাঁর সঠিক মূল্যায়নের অভাবে আমাদের অবক্ষয় নেমে আসে। আবার তাঁর উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজ হয় কল্যাণমুখী। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন— ‘মেয়েদের পূজা করেই সব জাত বড় হয়েছে। যে দেশে, যে জাতে মেয়েদের পূজা নেই, সে দেশ, সে জাত কখনও বড় হতে পারেনি, কস্মিন্কালেও পারবে না। … মনু বলেছেন, ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তএ দেবতা:। যত্রৈতাস্তু ন পূজ্যতে সর্বাস্তত্রাফলা: ক্রিয়া:।’ অর্থাত্, যেখানে নারীগণ পূজিতা হন, সেখানে দেবতারা প্রজসন্ন। যেখানে নারীগণ সম্মানিতা হন না, সেখানে সকল কাজই নিষ্ফল। (মনুসংহিতা, ৩.৫৬) যেখানে স্ত্রীলোকের আদর নেই, স্ত্রীলোকেরা নিরানন্দে অবস্থান করে, সে সংসারের, সে দেশের কখনও উন্নতির আশা নেই।’
মাটির প্রতিমায় যে দেবীর পূজা করা হয়, তারই বাস্তব রূপ কুমারী পূজা। কুমারীতে সমগ্র মাতৃজাতির শ্রেষ্ঠ শক্তি—পবিত্রতা, সৃজনী ও পালনী শক্তি, সকল কল্যাণী শক্তি সূক্ষ্মরূপে বিরাজিতা। তাই কুমারী পূজা।

.

ছবিঃ গুগোল।

১৭৫জন ৪৮জন
0 Shares

১০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য