দুই সতীন

মোঃ মজিবর রহমান ২৮ জানুয়ারী ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ০৯:৩৭:৫১পূর্বাহ্ন বিবিধ ২২ মন্তব্য

দুই সতীন আমার কক্ষ নাম্বার।ভাবি নাই নাজেহাল, ক্লান্ত ধরাশায়ী পীড়াতে পর্যদুস্ত কোনদিন হতে হইবেই আমারে ইহা লইয়া। করিয়াছি ভ্রমন কলেজের বা ঐ এলাকায় যত দেখার জায়গা রহিয়াছে।
আমি নরমাল মাথামুণ্ড নাই, যা একটু শারীরিক গঠন রহিয়াছে, একটু তাহাতেই কিছু যায়েগা খুঁজিয়া পাইয়াছি বন্ধু-বান্ধবীদের মাঝে। কেউ ডাকত লম্বু কেউ ডাকত কলা গাছ হাসির পাত্র ভিন্ন কিই বা হতে পারিয়াছি তাহাদের। ঘুরিবার বান্ধবী ছিল মোর একজন সেও ঘুরত নির্দ্বিধায় ভয় নাই মনে ভাবিয়া যে আমি সৎ চরিত্রবান। কোন দৃষ্টি কটু ভাবে তাকিয়া দেখি নাই তাহার পানে ।তাই বলে মনে কইরেন না সে অসুন্দরী আছিল। শ্যামলা বরন হইলেও সে ছিল অনেক স্বাভাবিকভাবে সুন্দরী বেশি ।

সেই হতাম বাহির সকাল ৮ ঘটিকায় আসতাম ফিরে রাত্রি ৮ বা ৯ টায়।
ক্লাসের শিক্ষক কুল বা বন্ধুরা কেউই ভাবে না যে আমরা প্রেমের বাহিরে পদার্পণ করিতেছি।আমরা ঘুরিতাম জ্যামিতিক হারে পুরো শহর কি ক্যাম্পাস সকাল বিকাল ছিল আমাদের পদচারনা। শহর ছেড়েও যাইতাম।

আমরা ছিলাম ধর্মীয় শাসককুলের সীমানায়। কার্ড খেলা ছিল চুপি চুপি নো শব্দ। ডাক ছিল এই তুই কত আংগুলে শো? চার রুমমেট ছাড়া বাহির ভাবনা ছিল ধরা খাওয়ার ভয়ে।

আমাদের জুনিয়র ছিল পঞ্চগড়ের যার সাবজেক্ট ছিল ফিজিকস। তার বড়ই অভিলাস প্রথম শ্রেণী পেতেই হইবে। রীতিমত পরীক্ষা চলছে একদিন এক বিষয় হল খুব খারাপ ফাস্ট ক্লাশ নাম্বার থাকবেনা।
সেই কান্না । থামবেই না, কান্না শুধুই কান্না গেল তে গেল দুই তিন ঘন্টা একভাবে্‌ কাঁদন। অবস্থা বেগতিক। হোস্টেল ফোন থেকে দেয়া হল ফোন মাস্টারকে প্রধান শিক্ষক প্রাইমারীর। আঙ্গেল আসলেন কিন্তু কান্না একই গতিতে অবিরাম একই ভঙ্গীতে চলিতেছে। শেষ ঘটনা অন্যভংগীতে গেলো। হাজার হলেও শিক্ষক ত। উপায়ন্তর না পেয়ে বললেন “চল বাড়ী যাই। তুই তোর মা , বোন আর আমি মিলে সবাই এক্সংগে কান্দি যাতে তোর রেজাল্ট ভাল হয়।”
আমার ইয়ার ম্যাট বন্ধু প্রেমিক। একদিবসে সেলিব্রেট করল প্রেমিকা বেলুন।
একরজনীতে খেলতেছি অন্য এক বন্ধু মিলিয়া। কাপড় ছোড়ান তারের উপর দিয়া বেশ সময় পার করিয়াছি ইহা লইয়া অত সুখ শয় কি কপাল গেল ফেটে। দুইজন ফ্যাপাচ্যাকা দাঁড়িয়ে রয়েছি। নাহলেও কয়েক মিনিট টেবিল ঘুরে তাকিয়ে দেখে এই অবস্থা। আমরা বোকার মত ঠাই দাড়িয়ে। বন্ধু ফিরে বুঝতে সক্ষম আমাদের কি নাজেহাল হল। বললাম দোস্ত তোরে একটা কিইনা দেব। সেও কিছু বলার শব্দ খুজিয়া না পেয়ে বলা থেকে বিরত থাকল।
বাচলাম হাপছেড়ে, হাজার হলেও নতুন নতুন গিফট বলে কথা!

আমার আর আমার বান্ধবীর কবুতরের মাংস খাওয়ার শখ হইলে কিনিলাম, তো হবে কোথায় রান্না, কথা বান্ধবীর মেসে। খাওয়া কোথায় হোটেলে। গেলাম খেলাম শেষে বেড়ান। সংগে জুটল মেসের আরেক মেয়ে।আমার বন্ধু বলল তুই আজ ওর সংগে সময় দে আমার কাজ আছে।মহা বিপদ আমি আচমকা হিমসিমে ভুগতেছি মুখ দিয়া বাহির হচ্ছে না কথা, অমনি সে বলে আমি কি বলেছি যাবনা আপনার তরে।

মহিলা গেস্ট আসলেই দুই সতীনে কে আছে?

 

৫৩৩জন ৫৩৩জন
0 Shares

২২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ