জ্ঞান নিতে এবং দিতে, কখনো বয়সের প্রয়োজন হয় না, 

প্রয়োজন,ভক্তি শ্রদ্ধা,   মন মানবিকতা, 

তুমি কাকে জ্ঞান দিচ্ছ, তুমি সেটা ভাবতে হবে, সেকি তোমার কথা গুলো মনোযোগ সহকারে সমাদর করছে, না-কি 

সে- তোমার দেয়া জ্ঞানের মমত্ববোধ করছে না। 

 

তোমাকে মানবতার দীক থেকে ভাবতে হবে জ্ঞান দেয়া এবং  নেওয়া বয়সের তুলোনায় নয়, 

তোমাকে দেখতে হবে তাহার কর্মের দীকটা, 

মানে রাখতে হবে কর্মতেই ধর্ম, স্বর্গ। 

 

       কর্মতেই সুখ খুঁজেছি,মিটিয়েছি আহার।

 

 পোড়েছে শরীরর ঝরছে ঘাম

        নত্য নতুন কাজে,

শরীর বলেই কথা….

         শরীর তো ওই পোড়া মাটি

গন্ধ নিয়ে বাঁচা!

          শরীর বলে, তুমি সকাল হতে বিকেল ভুলাও

  লাজ ভুলিয়ে চলতে শিখাও,

        ভাগ্য নদীর ঘাটে!

ভাগ্য তোমার রোজ পোড়াবার…..

        নতুন কোন কাজে!

বুক ফাঁটে তৃষিত হয়ে….

        রোদ্র নদীর হাঁঠে

 আমি তো মানব,স্বভাব টা হয়ে

          লাজ ভুলিয়ে কাজে।

 

যন্ত্রণা,, 

বাবা গরীব হলেই দুঃখ যন্ত্রণা 

      গরীবের কান্না কেউ শুনে না , 

গরীব নাকি আবর্জনা!

বাবা দিন শেষে ঐ স্হানে পৌঁছে 

     খুঁজি আত্ন বিশ্বাস 

যতো সব মরণ যন্ত্রণা,

 বাবা গরীবের কান্না কেউ শুনে না। 

 

বাবা গরীব নাকি ক্যানন্সার 

       সমাজে দোষিত,

বাবা গরীবের হয়না উৎসব আনন্দ 

    গরীব তো পথে প্রন্তরে ক্রমাগত,

বাবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চন্তিত

   গায়ে যে দূর গন্ধ! 

বাবা গরীবের কান্না কেউ শুনে না 

জানো বাবা গরীবের যত আপদবিপদ 

    সকল রুগে হয় আক্রান্ত।

 

তুমি বয়স বা শরীরে প্রাধান্য পাবেনা, 

তুমি মর্যাদা পাবে কর্ম জ্ঞানে, 

 

প্রশ্ন বিত্ত মন,,

 

   ওরে কি কারণে করলি খেলা,কিসের প্রয়োজনে

           কি নিয়ম টা শিখালে বল,হারিয়ে অসৎ

 

স্বপ্ন তুমি জ্যোৎস্না ঝরাও

আমার দুটি চোখে।

সকাল বেলা নিয়ে যাবো 

আলোর রঙিন দেশে।

ব্যাস্তব জীবনে তুমি স্বপ্ন আমার

রঙিন যতো আশা ভালো বাসা।

 

তোমার বেলায় ষোল আনা , অন্যের বেলায় আনাগুণা!

 

অতীত তুমি সাদা কাগজ 

     বর্তমান কালচে,

ভবিষ্যতে ডাইরি জুড়ে

    ছন্দ আনন্দ তুলে।

 

আজ হারিয়েছে স্বপ্ন,

কাল হারাবে মন,

মায়া তো এখন রংয়ে

ব্যাস্তবতা সকল অসামাজিক কাজে!

 

বন্ধুরা বিদায় নিতে লাগছে বিরক্তি 

তবু বিদায় নিতে হচ্ছে,

আমি দিয়ে যাই সকল ভিবক্তির মুক্তি।

 

সময়ের বাঁকে পথহারিয়ে যায়।

 

প্রিয়ে আমি তোর মনের উঠোনে দিব্বি আসি

নতুন কিছু সূচনা নিয়ে..

তুই কি ভালোবাসিস আমারে, নাকি অভিনয়ে সিক্ত করেছিস বারে বারে!

 

লিখে শেষ তোর সাজানো প্রেম কবিতা 

আবৃত্তি বাউলের গান.. 

আমার জীবন জুড়ে শুধু তোমার অবস্থান

আমি বিচলিত হই’নি ঠিক সে দিনের মতো সুস্থির 

তোমার অপেক্ষায় দিন গুলো, অসীম সুনীল! 

তোর মনের আকাশ জুড়ে তুমি কারে দিলি ঠাঁই 

কারে তুই ভালোবেসে পর করলি আমায়?

 

ইচ্ছে মত চলবে তুমি নিজের সাধ্যমত 

কারোদয়ায় হাত পেতনা,কষ্ট হলেও শত।

নিজের মত অন্যকারো,কলংকটা ঢাকো

মানবতা জাগিয়ে তুলে সমাজ টা কে গড়ো।

 

মা,,

 

আর কেঁদনা মা’গো তুমি

নেইযে আমারন ক্ষুধা।

 

তুমি একটু হাসো মা’গো

ভুলে যাব সব ব্যথা ।

 

আদর দিও সোহাগা দিও

তাতেই আমি ধন্য।

 

মা তোমার ঐ মমতার হাত

আমার সুখের চাঁদর।

 

সেই আদরে থাকব মা’গো

জনম জনম ভরে।

 

মা’গো তুমি জন্মেছ বলেই….

জন্মেছে এই দ্বারা 

তুমি আমার মা আমার প্রিয় অস্পরা, 

মাগো তিমির কাণ্ডার তুমি আলো রশ্মি 

তোমায় ভুলে থাকা যায় না মা-

তুমি জগৎ জননী। 

 

মা গো জগৎ সৃষ্টি উদয় অস্ত

সবি তো তোমার হাতেই মুক্ত

তুমি নতুনের সূচনা!

 

বাবুই হাসিয়া বলে

করো শিল্পি বড়াই।

আমি থাকি মহাসুখে

নিজের বাসায়।।

 

 

জ্ঞান দিতে এবং  নিতে, কখনো বয়সের প্রয়োজন হয়না, 

প্রয়োজন হয় শ্রদ্ধা ভক্তি এবং  সুচিন্তা? 

 

আমি কি দিয়ে সাজাব ভুবন

জানা নেই তো আমার,

তাই তো আমি গুরুর চরণ

ধরি বার বার।

 

ধর্ম কর্ম জ্ঞান গুরু 

ছিলনা আমার স্বচ্ছল, 

সাজানোর মতো নেই যে গুরু 

ধর্মের কোন সাধন।

 

গুরু মায়ার ভুবনে মানব আমি

তবুও হইযে ব্যেকুল,

তাই’তো গুরু তোমার চরণে

আমার জ্ঞান অর্জন। 

 

আমায় দাও হে শক্তি প্রভু

সাজাতে পারিযেন ভুবন

ধর্ম যেন মনে থাকে গুরু আমর

সাধন করিতে সততার আনন্দ সারাক্ষণ ।

১১৫জন ৪৪জন
0 Shares

১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য