“জুম’আর দিন”

জি.মাওলা ১ নভেম্বর ২০১৩, শুক্রবার, ১২:৩১:৪৯অপরাহ্ন এদেশ ৪ মন্তব্য

@@আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ ।

❑ আসুন আজকে তাড়াতাড়ি মসজিদে গিয়ে ইমামের সন্নিকটে বসার চেষ্টা করি। কেন তাড়াতাড়ি মসজিদে যাবেন তার ফযিলত জানতে নিচের হাদসি গুলি পড়ুন ।
▣ খোৎবার সময় ইমামের সন্নিকটে থাকার ফযীলত সম্পর্কিত একটি হাদিসঃ- “হযরতে সায়্যিদুনা সামু রাদ্বীয়াল্লাহ তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ– তোমরা খোৎবা পাঠের সময় উপস্থিত থাক এবং ইমামের সন্নিকটে থেকেই তা শ্রবণ কর। কেননা খোৎবা পাঠেরসময় যে ইমাম থেকে যতটুকু পরিমাণদূরত্বে থাকবে, সে জান্নাতেও ততটুকু পরিমাণ পিছনে থাকবে। [আবু দাউদ/ খন্ড ১/পৃ ৪১0/হাদিস ১১০৮]

▣ জুম’আর দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতা এসে হাজির হয়। সেখানে দাঁড়িয়ে তারা সর্বাগ্রে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকে। প্রথম ভাগে যারা মসজিদে ঢুকেন তাদের জন্য উট, দ্বিতীয়বারে যারা আসেন তাদের জন্য গরু, তৃতীয়বারে যারা আসেন তাদের জন্য ছাগল, চতুর্থবারে যারা আসেন তাদের জন্য মুরগী, ও সর্বশেষ পঞ্চমবারে যারা আগমন করেন তাদের জন্য ডিম কুরবানী বা দান করার সমান সওয়াব লিখে থাকেন। আর যখন ইমাম খুৎবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠে পড়েন ফেরেশতারা তাদের এ খাতা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যান। [বুখারী ৯২৯, ইফা ৮৮২, আধুনিক ৮৭৬]

▣ জমাতে প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর ফযিলত সম্পর্কিত একটি হাদিসঃ- রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, মানুষ যদি জানত আজান দেয়া এবং প্রথম কাতারে ছালাত আদায় করার প্রতিদান কি, তাহলে (কে আজান দেবে বা কে প্রথম কাতারে ছালাত আদায় করবে তা নির্ধারণ করার জন্য) তারা পরস্পর লটারি করতে বাধ্য হত। তারা যদি জানত আগেভাগে ছালাতে আসাতে কি প্রতিদান রয়েছে, তবে তারা প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ত। [বুখারী ও মুসলিম]
• “জুম’আর দিন এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়,
তা-ই তাকে দেয়া হয় ।

* আর, এ সময়টি হলো জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত”
[বুখারীঃ৯৩৫, মুসলিম : ১৯৬৯]

৩৩৩জন ৩৩৫জন
0 Shares

৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ