ছায়ার মায়া-রৌদ্র

ছাইরাছ হেলাল ১১ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ০৭:৫৫:০৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২২ মন্তব্য

অপেক্ষার চৌহদ্দি পেরিয়ে ছায়ার উঁকিঝুঁকি
রোদ আসে-না/আসে-নি, এমন হয়-না/হয়-নি
কখনও আগে।

কু-ডাক!
তাও-তো মনে আসে-না/আসে-নি এখনও।
পরকীয়া! তাও মানি-না/মানছি-না,
নিকুচি করি নূতন নিয়মের, সেফ কচুকাটা।

উদাস দুপুরে চ’সে ফেলা এদিক সেদিক
নীলের সমুদ্র ঝড়
সবুরের মেওয়া, তাও ঠাণ্ডায় গুটিসুটি;

স্বহনন! উহ্‌, তাও সম্ভব না, বাঁধা আছে সহ-মরণে!

অকস্মাৎ তেড়েফুঁড়ে বাতাস ফেলে গেল ছোট্ট চিরকুট
বুকে হাপর তুলে প্রমাদ গুনছি! কিছু একটা গোল
বেধেছে/বাধিয়েছে নিশ্চয়ই!

সাবমেরিন কেবল সহসাই কাটা আ-কাটায়
ঘুমিয়ে পড়ে, নিঃশ্চুপ ভাইবার মেসেঞ্জার হোয়াটস-আপ।
নিকুচি করি। কচু পুড়ে খা, কাচাও যদি মন চায়!
হারামি-বজ্জাত-শকুন-তেলাপোকা-খাটাশ-ছুঁচো যত্তোসব!
মর, মরে প্যাত্না হ, ঘাটের-মরা খা,
হিংসে হয়!! জানিতো!

পেল্লায় পাহাড় দাঁড়িয়েছে এবার রোদের পথ আঁটকে!!
স্বেদ-বিন্দুর সোনালী ক্রন্দন ঝুলে থাকে
আলোর আলেয়া হয়ে!!
অপেক্ষার সৎকার সে-ও তো হবার নয়।

কিছু বিষাদ এঁকেছে চোখ, বিপন্ন বিস্ময়ে
রোদ আসেনি বলে
সান্ধ্য-নির্জনতায় ছায়ার অভুক্ত চোখে;

অভিশাপে ছুঁড়ে দিলাম একটি মাত্র দশ মাত্রার ভূকম্প,
কাঁদো কাঁদো, কেঁদে-কেটে নিরন্ন হয়ে লুটিয়ে পড়,
সাবধান! হা যেন বড় না হয়, পাজির পা-ঝারা বীর পুঙ্গব!

৪২৬জন ৪২৬জন
0 Shares

২২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ