আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পৃথিবীর দুই প্রান্তে।
দে-শ ভাগের মত আমরাও কাঁটাতারের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি।
অভিমানের বয়স বাড়ে জটাধারী বটবৃক্ষের মত।
অভিযোগেরা কি তরুণ তোমার পানের ডিব্বায়!
যেন ঈশ্বর শলাকা, লিকলিকে –
ভাষা ভেদে তোমাকে পাঠ করছে
মহাজাগতিক অপরিমেয় শূণ্যতায়।
তবুও তুমি পুঞ্জবিশেষ।
আচ্ছা! তুমি –
এখনও কি কাঁদো লুকিয়ে লুকিয়ে?
যা আমাকে আড়াল করতে পারতেনা।
এই তো সেদিন কেউ ছিলোনা একমাত্র আমি ছাড়া,
চৈতন্যের আত্মবিস্মরণে।
আমি একটা বাচ্চা শিশুকে বরং একাই রেখে চলে এসেছি, সে বুঝুক পৃথিবীতে কেউ কারো জন্য নয়।
সে জানুক কিভাবে একা বড় হতে হয়।
হামাগুড়ি দিয়ে একা দাঁড়ানোর জন্য কতটা শক্তি অপচয় করতে হয়।
হয়তো ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে গেছি,
তবুও মনে পড়ে সীমানার ওপরে….
নিরর্থক আগমন-প্রত্যাশি দিনগুলো
কেমন খেচর- ব্যাঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে উড়ছে–
রোদ থেকে মেঘে,মেঘ থেকে রোদে,এবং
আঁড়চোখে-তাকাচ্ছে
মার্কারি-দাগানো আমার ক্যালেন্ডারের পৃষ্ঠাগুলোর দিকে–
ওখানেই,বিগত
দিনগুলো, ঝিম মেরে বসে আছে।
১৪০জন ৩৬জন
0 Shares

১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ