ঘুণপোকা

ভোরের শিশির ১৮ জানুয়ারী ২০১৫, রবিবার, ০২:০৬:৪২অপরাহ্ন কবিতা ২১ মন্তব্য

ঘুণপোকায় নাচে রক্তের মেঝেতে, নীরবে উড়ছে মগজের ধূলিতে।
জং ধরা হাড়ে ঘুণপোকা নড়ছে, নড়ছে নিয়তির আমন্ত্রণে।
আমি ভাঙছি ক্রমশই, মনের দেহে ঘুণপোকায় খেয়ে যাচ্ছে নীরবে।
সহস্র প্রতিবাদের চিৎকার, ঘুণপোকায় খাচ্ছে নির্বিচার।
ঘুণপোকা! তুই থাক না বেঁচে, আমার সারারাত সারাদিন গোধূলী হয়ে।
মগজের মেঝেতে চিন্তার খোরাক; ঘুণপোকা তুই এ নিয়েই বেঁচে থাক।
দিনের আলোয় সুতীক্ষ্ণ আঁধারে ঘুণপোকার বাস,
আঁধারে মাঝে এক ফালি আলোয় ঘুণপোকার ত্রাস।
ঘুণপোকার ফেলে রাখা অস্তিত্বে কাঠপিঁপড়ের বসবাস,
ভাঙার মাঝেও গড়ায়; ঘুণপোকার এ অভিলাষ।
ঘুণপোকার যেখানে শেষ সেখানেই শুরু শৃঙ্খলিত কাঠপিঁপড়ের আবাস,
কাঠপিঁপড়ে আর অবহেলিত দূর্বাঘাস; বানের জলে দুই প্রাণের সর্বনাশ।
কাঠপিঁপড়ের আসা যাওয়া দেখি; ঘুণপোকার উচ্ছিষ্টে কে প্রথম ছিল ভুলে গিয়েছি।

৩৮৪জন ৩৮৪জন
0 Shares

২১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ