গল্প-কথার ছলা-বলা

ছাইরাছ হেলাল ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, ১১:১২:৩৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য

 

এখন থেকে তিন কোটি বছর পূর্বের, এ সংখ্যাটি তিন লক্ষ্য কোটি বা আমাদের সুবিধানুযায়ী তিন সেকেন্ড হিসাবে ভাবলে অসুবিধা/সুবিধার কিছু নেই, যার যার মর্জি মাফিক সাব্যস্ত হতেই পারে, হোক তা।

কথা হলো গল্প লেখা না লেখা নিয়ে কী কী ভাবনা করা যায়, যা ভাবলে সামান্য আরাম বোধ হতে পারে। আচ্ছা ঝটাঝট নাকি পটাপট, বা জিইয়ে রেখে শ্যাওলা ধরিয়ে তৈরি করা ভাল! আগাপাশতলা ভাবতে হচ্ছে এই জন্য গল্প আমি লিখবো-ই।

আজকে একটি ছবি দেখব বলে খুব হাঁকডাক করছি মনে মনে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে ছবি। ছবির নাম Halimin put(2012), ভুলেও মহা মূল্যবান সময় নষ্ট করে ও-মুখো হবেন না। গল্পের সত্য মিথ্যে কে কীভাবে নির্ধারণ করে কে জানে।

আচ্ছা নেটা-নেটির যুগে ধরুন গিয়ে আমারা যারা গঞ্জে বাস করি, তাদের ভরসা কিন্তু এই অন্য লাইন শপ গুলো, এক জায়গা থেকে কিনলাম সাতকড়ার আচার, আর এক জায়গা থেকে ছুঁই- ঝাল, উফ ভাবলেও মন আনচান, তবে একটু সাবধানে খেতে হচ্ছে, সাতকড়া মজাদার কিন্তু বেজায় তিতকুটে, ছুঁই-ঝাল মানেই উফ আহ সমেত এক বালতি টিসু। তাছাড়া প্রাকৃতিক মধু, খোদ সুন্দর বনের, আবার পাহাড়ের মধুও আমার অনায়াসে পেয়ে যাচ্ছি।

আবার হালফ্যাশনের জামা, জুতা থেকে শুরু করে স্ট্রেচ জিন্স, পুস্তকাদি, একটি প্রিং মেসেজেই কেল্লা ফলে, দহরম মহরম হয়ে গেলে ট্যাকাটুকাও চায় না, ফেল কড়ি মাখ তেল, সে দিন শেষ। বলে দেয়, “ভাই দিয়েন একবারে হিসেব করে!” আহা এ যে ন্যায় রাজ্য।

ইস, একদম বেভুলো হলে লেখা লেখি চলে!! আপনারাই বলুন! আচ্ছা গাল-গপ্পো লিখতে গেলে পাত্র/পাত্রীদের কোথায় পায়, মানে বলতে চাচ্ছি কী করে সংগ্রহ হয় বা করে!! কুমোর বাড়িতে গিয়ে আনতে হয়! আগে থেকে বায়না করে রাখতে হয়! পাইকারি না খুচরো দর/দামে সেটি জানতে পারিনি। তারপর পাত্র-টাত্র না হয় জোগার হলো, গাছের ফাঁকে/ফুঁকে লুকালুকি, নদী বা সমুদ্রে চুবাচুবি কী নিয়মে কোন সূত্র মতে মেলাতে হয়! ঠোঁট ঝুলিয়ে/ফুলিয়ে দুলে দুলে কান্নাকাটির মূল নিয়ম জানতে পারিনি।

আপনারাই বলুন এতো ঝৈ ঝামেলা করে লেখা-লেখি করার কী এমন দায় পড়েছে!! গপসপ না হলে ভাত ঘুমের ব্যত্যয় হয় এমন কিছু তো আবিষ্কার হয়-নি। ধ্যাত সব বাদ। অবশ্য ভাববেন না যেন উঠোন এঁকে-বেঁকে গেছে।

গল্প! সে আমি লিখবো-ই।

আমাদের সাবিনা-জি ফাইন ফাইন গপ্পো লেখে, এই তো কাল বা গত পরশু সোনেলায় এলেন! বেশ জাঁকিয়ে বসেছেন, আমি অবশ্য না-বুঝে-টুঝেই কবিতা-জি বলে ফেলেছি, এখন ফেরত নিতেও পারছি না। কী সব লেখে-টেখে কে জানে। তবে লেখে, ফট-ফট করে কবিতায় মন্তব্য করে! কেমনে পারে কে জানে, আমার কিন্তু বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে তিনি লেখেন, তিনি-ই লেখেন।

সাবাস কবিতা-জি, বিস্ময়-পাঠক হিসাবে বলছি, বেঁচে-বর্তে থাকুন আমাদের পিণ্ডি চটকিয়ে, সোনেলাকে ভালোবেসে-ও।

২০৬জন ১১জন
13 Shares

১৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য