ডায়েরী লেখার অভ্যাস একসময় ছিলো। কালের বিবর্তনে সে অভ্যাসটি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে আমার। পুরাতন লেখা ডায়েরীগুলো কোথায় আছে তাও ভুলে গিয়েছি। খুঁজে পেলে ভালোই হতো, অনেক থলের বেড়াল প্রকাশ হয়ে যেতো।
আজ তেমন কোন দিন নয় যে ঘটা করে কিছু একটা লিখে রাখতে হবে ডায়েরীতে। অন্যান্য সাধারণ দিনের মতই একটি দিন।
ইদানিং ঘুম থেকে জেগেই চা বানিয়ে খাবার একটা অভ্যাস রপ্ত হয়েছে। আজও বানালাম দুই কাপ। দুই কাপ চা বানাতে পানি দেই পৌনে তিন কাপ। তিন চামচ ডিপ্লোমা গুড়ো দুধ+ দুই চামচ চিনি+ দুই চামচ চায়ের পাতা। প্রতিবার চা বানাতে গেলেই ছোট বেলার গুড় দুধ খাবার কথা মনে পরে যায়, তাই এক চামচ গুঁড়ো দুধ মুখে চালান করে দেই। সেই ছোট বেলার স্বাদ এখনো পাই। স্বভাব বা অভ্যাস সহজে কি পালটানো যায়? এই গুঁড়ো দুধ খাবার অংশ টুকু আপনাদের না পড়লেও চলবে। যাই হোক- পৌনে এককাপ পানি টানাতে হবে চা বানানোর সময়, হালকা একটা সরের মত পরলে তখন বুঝি যে চা পারফেক্ট হয়েছে। ভোরের চা খাই মুড়ি বা বড় টোস্ট ( ছোট বেলায় একে আমরা খাস্তা বলতাম)। চায়ের মধ্যে আধা চামচ কফি দিয়ে খাই আমি, এতে একের ভিতরে দুই এর স্বাদ পাই। যারা ভবিষ্যতে আমাকে তাঁদের বাসায় দাওয়াত করে খাওয়াবেন, মনে রাখবেন এই তথ্য।
চা মুড়ি খেয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে পরাটা ডাল আনলাম বাসার সবার জন্য। আজ বাসায় ছেলেদের মা এর সকালের নাস্তা আর বানানো লাগলো না। আবার চা বানালাম সবার জন্য, যথারীতি আবার এক চামচ গুঁড়ো দুধ ডাইরেক্ট মুখে। আচ্ছা আমি কি এই গুঁড়ো দুধ খাবার জন্যই চা বানানোর অভ্যাস করলাম? এ প্রশ্নের উত্তর কে দেবে?
এরপর গেলাম বাজারে, আগামী দুই সপ্তাহের জন্য কাঁচা বাজার বাদে প্রয়োজনীয় সব কিছুই কিনলাম, চাল ডাল আলু পিয়াজ চা পাতি গুঁড়ো দুধ চিনি পোলাওর চাল সয়াবিন তেল ( কেন যে সয়াবিন তেলে অভ্যস্থ হলাম বুঝলাম না, সরিষার তেলে কি অপরাধ করেছিলো তা জানলামই না) সার্ফ এক্সেলের গুঁড়ো, ভিম বার, নুডলস, মুরগী। মুরগী জবাই করে কুটে দিয়েছে, পা দিয়েছে ১৬ টা। মুরগি কিনলাম ৬ টা, অথচ পা দিলো ১৬ টা। একটা মুরগীর কয়টা পা তাইলে? মুরগীর পা দেখে ভিয়েতনাম ভ্রমণের কথা মনে পরে গেলো। ফুড কোর্টে মাইনসে প্লেটে উচু করে মুরগীর পা খায়, এত মুরগীর পা কই পায় ওরা? ঐ দেশের মুরগীর শিওর দুইটার বেশী পা হয়। বাজারে গেলে আজকাল বাজারের ফর্দ লিখে নেই, ভোলা নাথ হইছি ইদানিং, সব কিছু ভুলে যাই।
সকালের নাস্তা পর্ব শেষ করে গেলাম ছোট ছেলের স্কুলে। ক্লাস সেভেন থেকে এইটে উঠেছে ও এবার। নির্দিষ্ট একটা তারিখের মধ্যে ভর্তি করালে ভর্তি ফী ২৫ হাজারের পরিবর্তে ৫ হাজার টাকা, আর সেশন চার্জ মাসিক ৮ হাজার টাকা। এই সময়ের মধ্যেই ভর্তি করিয়েছিলাম। আজ খেয়াল করলাম ভর্তির কাগজে সেশন চার্জ লিখে দিয়েছে প্রতিমাসে ১১ হাজার টাকা। ভর্তির ইনচার্জ ম্যাডামের কাছে গিয়ে বললাম এটা। সুন্দরী ম্যাডাম হেসে দিয়ে বললেন ‘ না ভাইয়া আমি তো কখনো বলিনি যে সেশন চার্জ ৮ হাজার টাকা।’ অথচ আমার স্পষ্ট মনে আছে উনি তাই বলেছিলেন। কি আর করা, সুন্দর মুখের জয় হয়েছে। কেন যে এই সমস্ত সেকশনে সুন্দরী ম্যাডামদের বসায়, তা হারে হারে টের পেলাম।
বাসায় ফিরে ওয়াশিং মেশিনে একগাদা কাপড় চোপড় ওয়াশ করলাম। সমস্ত কাপড় ছাদে দিয়ে ক্লিপ আটকিয়ে শুঁকাতেও দিলাম রোদে। এই যে আজ এত কিছু করলাম বাসার কাজের, এটি তো আমার ছেলের মা ই করতো। আমাদের এই দেশে আমরা পুরুষরা ঘরের কাজ করিইনা বলতে গেলে। যেন এসব করতে মানা, বা এসব কেবল বাসার কর্তীই করবেন এমন নিয়ম। সামান্য একটু রান্না করে বিশাল ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছি এমন লিখে ফেইসবুকে স্ট্যাটাসও দেই। আমিও দিয়েছি কিছুদিন আগে আচার বানিয়ে। অথচ একজন গৃহিণী সমস্ত জীবনই কাজ করে যান কোনো ধরনের অহমিকা বাদেই। কিভাবে করেন এনারা সমস্ত দিন এসব কাজ?
দুপুরে গোছল করে খাবার খাবার পরে এমন শীতে ধরলো যে কাঁপুনি উঠে গেলো। ছাদে গেলাম রোদ পোহাতে। ছোট বেলায় দেখতাম আম্মা আব্বার জন্য গামলায় পানি ভর্তি করে রোদে দিতেন পানি গরম করার জন্য, পানি গরমও হতো। আব্বা সে পানি দিয়ে গোছল করতেন। গোছলের পূর্বে আব্বা শরীরে সরষের তেল দিতেন। যতদিন আব্বা বেঁচে ছিলেন, তার স্কিন ছিলো একদম টাইট। এখন আর সরষের তেল মালিশ করেনা কেউ শরীরে। কেনো?


একটি পাখি আসলো ছাদে লাগানো মরে যাওয়া গাছের ডালে, মরা গাছটি যেন প্রাণ ফিরে পেলো, আমার বেশ কাছেই। চোরা চোখে দেখছে আমাকে। ফিরে আসলো নাকি আমার পাখিটা আবার? ইদানিং খুব পাখি আসে আমার কাছে। সেদিন ছোট বোনের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেলে আসলো একটা। নিজের বিশ্রামাগারে দুপুরে বিশ্রাম নেয়ার পরে একটি পাখি আসে রোজ। এসে জানালার গ্রিলে বসে থেকে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে। অনেক দিন আমার পাখি নিয়ে কিছু লেখা হয়না। একটি সময়ে প্রায়ই লিখতাম আমার প্রান পাখি নিয়ে ( ক্লিক করে দেখতে পারেন)। এরা কি আসে আমাকে তা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য?

সন্ধ্যার পরে ফার্মেসিতে ভিটামিন-ডি+ ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট কিনতে গেলাম। হাড্ডি শক্ত করতে হয় আজকাল। বয়সের কারণে হাড্ডিতে বিভিন্ন সমস্যা এসে ভর করছে। আর ব্যাক পেইন তো আছেই। অস্ট্রেলিয়া থেকে ৩০০ ট্যাবলেটের বোতল এনেছিলাম কয়েকটা। বেশ সস্তাই বলা চলে। এখান থেকে আজ কিনলাম ৬০ টি ট্যাবলেটের বোতল, আমেরিকান, মূল্য অনেক। আমাদের সোনেলায় একজন হাতের জাদুকর আছেন, তিনি নাকি তার হাতের স্পর্শে ব্যাথা নিরাময় করেন আমি তাঁকে অনুরোধ করেছিলাম যে জাদু বিদ্যাটা একটু শিখায়ে দেন। শিখালেন তো নাই বরং আমার ব্যাক পেইন নাকি অভ্যাস হয়ে গেছে – এসব নিয়ে তিনি এবং অন্য একজন ব্লগার বেশ হাসাহাসিই করলেন। এদের দিল এত্ত পাষাণ হইল ক্যামনে?

ফার্মেসি থেকে ফেরার সময়ে বাসার কাছেই মুড়ি মাখা বিক্রী করেন একজন লোক। নাম বলতে চাইনা এমন একজন ব্লগার আছেন এই সোনেলায় যিনি আমার বাসায় এলে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এই মুড়ি ভর্তা কিনবেনই কিনবেন। কিছু অভ্যাস সংক্রামক, আমার মাঝেও এই অভ্যাসটি সংক্রামিত হয়েছে। মিস করছি খুব আজ তাঁকে।
খুব সাধারণ ভাবেই একটি অসাধারণ দিন অতিক্রান্ত হলো আজ।
ভালো থাকুক আমাকে ঘিরে থাকা সব প্রিয়জন,
ভালো থাকুক সোনেলার সোনারা।

৬৪৭জন ৬৩৬জন
0 Shares

২২টি মন্তব্য

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    দুই কাপ চা বানাতে দুই চামচ চা পাতা, দুই চামচ চিনি, গুড়ো দুধ তিন চামচ (এক চামচ দুধ মুখে আগেই রাখা হয় ) দেওয়ার পর কফিও নাকি মেশানো হয় !! আমি ভাবছি ঐ মিশ্রনটা কি শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি চা -ই থাকে না অন্য কিছুতে পরিনত হয় ?

    হাতের যাদুকরের সাথে আমার আলাপ হয়েছিলো,,বলেছেন তিনি নাকি ফ্রিতে জাদু শেখান না,,তাতে জাদুর কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    পাখিরা আসলেই কাছে আসেতো ?? নাকি নিজেই পাখিদের কাছে উড়া-ঘুরা-ঘুরি শিখতে যান ,সেটা কিন্তু নিশ্চিত করে কিছুই বলেন নি ;?

    অনেক দিন পরে অনেক বড় একটি লেখা উপহার দিলেন তার জন্যে অবশ্যই ধন্যবাদ। পরের লেখা লিখতে দেরি হলে ধন্যবাদ ফেরত নেওয়া সহ কঠিন বাক্য প্রদান করা হবে,,,,,ঐ পর্যন্ত ভালো থাকুন,, শুভ কামনা। -{@

    • জিসান শা ইকরাম

      এমন করে একবার চা বানিয়ে খান না, চা- অমৃত নাম দেবেন নিশ্চিত। মিশ্রনটা ১০০% খাবার উপযোগি, গ্যারান্টি দিচ্ছি।
      ফ্রীতে শিখাবেন না?! বাপরে! তা ভিজিট টা কত তা জানানো যায় ম্যাডাম?
      পাখি আমার খুবই প্রিয়, আমার একটা পাখিও আছে, ভাবছি তাকে নিয়ে লেখা আরম্ভ করব আবার। পাখিটা দূরে চলে যায় মাঝে মাঝে। আমি যাই তার কাছে, বা সে আসুক আমার কাছে- একই তো কথা, কাছাকাছি থাকা।
      ভাইরে লেখা আসেনা তো, জোর করে কেমনে লেখে?

      • মায়াবতী

        হায় লাহ!!! মায়াবতী কে পাষাণ কইয়া দিছে স্যারে! হাতের যাদু ওয়ালী আফা আফনে ই কইয়া দেন আমরা কি পাষাণী?
        আর আফনে যে পরিমান ঘরের কাম কাইজ করেন তা তে কইরা কোমরের ব্যথার তো ব্যাপক চিকিৎসা হইতাছে 🙂 শুনেন স্যার মাঝে মাঝে কামাড়িয়া লাচাক লাচাক কে পুকুরে গিয়া পানি আইন্না দিবেন ভাবী সাব রে দেখবেন আফনের কোমড় তার মৌলিক অধিকার ফিরা পাইছে \|/

      • সাবিনা ইয়াসমিন

        এই জাদুকর ভিজিট নেয়না তবে হাদিয়া গ্রহন করে বলে জানি। জাদু শেখানোর বিনিময়ে সে কিন্তু অনেক কিছুই চাইতে পারে,,যেমন সে হয়ত চাইতে পারে আপনার ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলের দুই ইঞ্চি সাইজের একটা নখ ,,,তাও আপনার নিজের !! দিতে পারবেন নাকি ভেবে দেখুন :p

      • সাবিনা ইয়াসমিন

        @ মায়া আপু আমরা মোটেও ভাষানী থুক্কু পাষানী না,,আমরা হলাম সোনেলার মায়া-রাজ্যের মায়াপরী। কোমড় ভাঙা মানুষ কি করে বুঝবে আমাদের যাদু,,তারাতো বছরে একদিন কাপর ধোয় (ওয়াশিং মেশিনে ) আর গুড়ো দুধ খাবার লোভে চা বানায়,,আবার ফাঁকে-পেলে সুন্দরী ম্যাডামদের উপরেও ক্রাশ খায় 😂😂 কত কিছু যে খাওয়ার আছে দুনিয়ায় খালি দেখেই গেলাম। নায়ক অক্ষয় কুমারকে দেখেও ক্রাশ খাওয়া শিখলাম না ☹

        নির্ভর করা সুত্রে জানা গেছে আপনার স্যার বুড়া মানুষ ,,বুড়া মানুষরে জাদু শিখাইয়া লাভ নাই সব ভুইল্লা যাইবো শেষে আমার জাদুর দুর্নাম হইবো,,, :D)

      • জিসান শা ইকরাম

        @ হাদিয়া হচ্ছে নখ?!
        তাও আবার এত্তবড়?!
        নারে ভাই, নখ দিয়ে নতুন ব্যাথা ডেকে এনে তা নিরাময়ে আবার হাদিয়া হিসেবে কল্লা চাইবেন্না, এর নিশ্চয়তা কি?

    • মায়াবতী

      সাবিনা তোমার মন্তব্য পড়ে আমি হাসি থামাতে পারছি না…. :D) এই বুড়া বয়সে ও যে স্যার রা ম্যাডাম দের দেখলে ক্রাশ খায় তাও আবার ভাঙা কোমড় নিয়া :p এদের কে যাদুর চিকিৎসা দিলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা ই বেশি বেশি 😀 তুমি এক দম ঠিক ঠাক মন্তব্য দিছো সোনার কইন্যা (3

      • সাবিনা ইয়াসমিন

        @ মায়া আপু, এই যে আপনি হাসছেন,,হেসে গড়াগড়ি দিচ্ছেন এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগছে। সব সময় এমন হাসিখুসি থাকুন,,

        এইবার বুঝেছেন,, সবার উপর মায়া দেখানো ঠিক না,,এতে হিতে বা শীতে বিপরীতই হবে। 😜

  • প্রহেলিকা

    চা বানানো শিখে ফেললাম তাইলে এবার। আজকালের মধ্যেই রেসিপি ট্রাই করে দেখা হবে।

    মুড়ির ভর্তা দেখেই লোভ হচ্ছে। পার্সেল করার ব্যবস্থা থাকলে জানাবেন।

  • নীলাঞ্জনা নীলা

    আহারে সময়, গুঁড়া দুধ চুরি করতে গেলে ধরা পড়তাম ই। নানা কেন যে মনে করিয়ে দিলে! এখন চাইলেও খেতে পারবোনা। ;(
    তুমি কানাডা কবে আসবা? আমার হাতের চা কিন্তু খেয়ে যেতেই হবে :p , আর কিছু খাও আর না খাও। 😀 তারপর যতোদিন বাঁচবা, তোমার নাত্নীর চায়ের কথা কোনোদিনও ভুলবা না। ১০০% ভাগ গ্যারান্টি। এসব শুনে ডরাইও না যেনো।

    বাংলাদেশের পুরুষ বলো আর ভারতের, স্ত্রীদের মোটেও সাহায্য করেনা। আর যারা করে, পার্সেন্টেজ একেবারে নেই বললে চলে। নানীকে একদিন নয়, প্রতিদিন ই তাঁর কাজে সহযোগিতা করো। আমাদের সবারই বিনোদনের বিভিন্ন দিক আছে, নানীর মতো অনেক মহিলাদের সেসব কিছুই নেই। কর্মজীবী মহিলা যারা সংসারও সামলায়, তাদের অবস্থা তো আরোও সঙ্গীন।

    বিশাল লেকচার দিলাম। আমার এখানে নানীকে নিয়ে আসতে ভুলো না যেনো। কেমন? 🙏🌺💛

  • মাহমুদ আল মেহেদী

    মিলে গেল । আমিও ছুটির দিন গুলি এভাবেই কাটাই কাজ করে। ছুটির দিন্ আরো বেশি ব্যাস্ত থাকি। আপনার লেখাটা পড়ে প্রেরনা পেলাম ঘরের কাজে। ধন্যবাদ ভাই।

  • মোঃ মজিবর রহমান

    সুন্দর একটি প্রেরণামূলক লেখা ভাইজান।
    চা বানানো খাওয়া শিখলাম।
    এবার আসি সরিষার তেল, আমার বাচ্চা হলে ঠান্ডায় সরিষার তেল মাখাতে বললে বলে বাচ্চার রঙ কালো হয়ে যাবে, আজগুবি কথা। এখন চলে জন্সন পাউডার, লোসন ইত্যাদি।
    মুড়ি এক শৈল্পিক যদি মজার করে খেতে পারেন আপনি তাই ই ।
    আমি পাখি প্রেমিক হতে পারিনি জিবনের কিছু কারণে।
    লেখাটি উপভোগ করলাম। শিখলাম।

  • মায়াবতী

    ডায়েরী লেখা সকালের চা বানানোর রেসিপি হোটেলের পরোটা ডাল বাজারের ফর্দ ছেলের স্কুলের সুন্দরী ম্যাডাম মুড়ি ভর্তা এবং ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট….প্রতিটি মুহুর্ত আপনি নিঃসংকোচে উপভোগ করেছেন স্যার! ক জন পারে এভাবে একটি দিন অন্তত কাটাতে? গুঁড়ো দুধ মুখে চালান করার প্রক্রিয়া টি কিন্ত চমৎকার লেগেছে 🙂 লেখা টা এতো দ্রুত শেষ করে ফেলেছেন যে মনে হচ্ছে এর পরের পর্ব টা বুঝি এক্ষুনী ক্লিক করলেই চলে আসবে! পরের পর্ব টা যলদি দিয়েন পিলিজ (y)

  • ছাইরাছ হেলাল

    দিনপঞ্জি পেলাম, বেশ অস্বাভিক এবং নৈমিত্তিক ঘটনা সবার জন্য,
    তবে এটি আপনার জন্য না।
    বুঝতে পেরেছি ছেলেদের মা হাল্কা টাইটের উপ্রে দিয়ে চলাফেরা করাচ্ছে।
    নিয়মের মধ্যে সবাইকেই আসতে হয়, আজ বা কাল।

    তবে জাদুদের সাথে কোন রফা হলে জানাবেন, কোন পেইন নেই (শুধু কবি হইতে পারলাম না ছাড়া)
    তবুও আগাম লাইনে থাকলাম, যদি কখনো কাজে লাগে।

  • ইঞ্জা

    ভাইজান কানে কানে বলি, এখনো সুযোগ পেলে এক চামচ গুড়ো দুধ টকাস করে মুখে চালান করে দিই। \|/
    আজকাল বাজারে গেলে নাকি সব দাম দিয়ে নিয়ে আসি, নাহয় বেশি বেশি বাজার করি, আবার ফল আমার পছন্দের, তাও নিয়ে আসি বলে গিন্নি দাবড়ানি দেয়, কি আর করা। 🙁
    আমাদের ব্লগার হাত দিয়ে ব্যাক পেইন নিরাময় করেন ;? ভাইজান আমারে নামটা কন, মুই তো কোমরের ব্যাথায়……. ;(
    ভাইজান পাখি নিয়ে লিখেন আবার, এ আমার পছন্দের বিষয়। 😀

  • চাটিগাঁ থেকে বাহার

    আপনার মতো স্বামী পেয়ে ভাবী নিশ্চয় অনেক হ্যাপী। সাধারণত বাঙালী স্বামীরা এমন হয় না। আমাকে তো পড়ার টেবিলের নীচে মশার কয়েলটাও জ্বেলে দিতে হয়!
    আপনার ডায়েরী খুব ভালো লেগেছে। খুব গুছিয়ে লিখতে জানেন আপনি।

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ