“কৃতজ্ঞতা পোষ্ট”

আমি সুরাইয়া নার্গিস সোনেলার পরিবারের একজন ক্ষুদে সোনালী ব্লগার (সোনালী নামটা জিসান শা ইকরাম ভাইজান দিসেন)

“ব্লগ” আমার ফেসবুক ওয়ালে,আমার পেইজে নিয়মিত গল্প লিখতাম তা দেখে সবাই বলতো আলিফ ব্লগে লিখো। অনেকেই ব্লগে লেখার জন্য অনুরোধ করতো কিন্তু আমি রাজি হইনি, এস.জেড বাবু ভাইয়া সব সময় বলতেন আপু ব্লগে লেখেন আপনার সেই গুন আছে। তারপর ব্লগার শ্রদ্ধেয় জিসান শা ইকরাম ভাইজান আমার সাথে এড  আছেন তিনি আমাকে সোনেলা Sonela গ্রুপে এড পাঠান। আমি একসেপ্ট করি দেখলাম ফেসবুক গ্রুপ আমারও নিজের একটা গ্রুপ আছে। এস.জেড বাবু ভাইয়া বললেন এখানে জয়েন করুন আপনার সুন্দর শিক্ষণীয় লেখা পোষ্ট করবেন। ০৮/০৩/২০২০ই “আমার মা” শিরোনামে বাস্তব একটা গল্প বিশ্ব নারী দিবসে গ্রুপে পোষ্ট করলাম।

মোটামুটি সবাই কমেন্টস করেন অনেক সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেন সেখানে “শ্রদ্ধেয় ব্লগার এম ইঞ্জা ভাইজান এস.জেড বাবু ভাইজানকে মেনশন করেন “আমার মা” লেখাটা ব্লগের উপযোগী তাই যেন ব্লগে পোষ্ট করি এত সুন্দর লেখার জন্য আমাকে ধন্যবাদ দেন।

রাতেই এস.জেড বাবু ভাইজান আমাকে ইনবক্স করেন আলিফ আপু আর না করবেন না প্লীজ আপনি আমাদের ব্লগে লিখুন। আমাদের সোনেলা ব্লগে আপনাকে দরকার, বাবু ভাইয়া কথায় রাজি হলাম, এর মধ্যে শ্রদ্ধেয় ব্লগার জিসান শা ইকরাম ভাইজান ইনবক্স করলেন।

ছোট আপু আপনি আমাদের ব্লগে ওয়েব সাইডে একটা আইডি খুলেন ,জবাবে বললাম ওকে।

তারপর এস.জেড. বাবু ভাইজান নিজ দায়িত্বে ব্লগের আইডি খুলে দেন, তারপর কিভাবে ওয়েব সাইডে ব্লগে ঢুকতে হবে,কিভাবে পোষ্ট করতে হবে শত ব্যবস্তার মাঝেও আমাকে সবকিছুর ক্রিনসট দিয়ে বুঝিয়েছেন,আমিও সবকিছু শিখলাম।

>>তারপর সোনেলা ব্লগে আমার প্রথম লেখা ঔষধ খাওয়া নিয়ে বিড়াম্ভনা “হাসি” একান্ত অনুভূতি প্রকাশ করি তাং-১০/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখা পড়েছে ৭৬৪ জন, শেয়ার হয়েছে ৪০বার প্রথম লেখায় এটা অনেক বড় সাফল্য সবার ভালো লেগেছে।

>>তারপর ২য় লেখা “নামাজ” একান্ত অনুভূতি আমার বাবাকে নিয়ে লেখা প্রকাশ করি, তাং-১৫/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখাটা পড়েছে ৩৫১জন,শেয়ার হয়েছে ৪বার এটা আমার দ্বিতীয় সাফল্য।

>>তৃতীয় লেখাঃ-ভালোবাসার গল্প (এখান্ত অনুভূতি).প্রকাশ করি তাং-১৯/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখাটা পড়েছে ১০০৫ জন,শেয়ার হয়েছে ৩১০বার এটা আমার ব্লগ জীবনে সেরা সাফল্য বলে মনে করি।

>>তারপর শ্রদ্ধেয় ব্লগার জিসান শা ইকরাম ভাইজান নিয়মিন বলতেন আমি অনেক ভালো লিখি উৎসাহ্ দিতেন লেখার জন্য।এস.জেড. বাবু ভাইজান বললেন পর্ব করে গল্প লিখতে প্রথম আমি অবাক হয়ে বললাম সম্ভব না আমি পারবো না। এস.জেড বাবু ভাইজান বললেন শুরু করেন তারপর বাকিটা দেখা যাবে, ইনশাল্লাহ্ শুরু করে দিলাম।

>>আমার ৪র্থ লেখা “আমি তোমার জন্য এসেছি” শুরুতে বিভাগঃ-একান্ত অনুভূতি ভাবলাম দু,তিন পর্ব লিখবো, মিষ্টি আপু (সাবিনা ইয়াসমিন) বললেন প্রথম পর্বের লেখাটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে বিভাগটা গল্প/উপন্যাস দেন। কারন হাজার হাজার একান্ত অনুভূতির মাঝে এত সুন্দর একটা লেখা সহজেই পাঠকদের নজরে আসবে।

মিষ্টি আপুর কথা শুনে সাথে সাথে সম্পাদন করে বিভাগ- উপন্যাস করে দিলাম।এস.জেড বাবু ভাইয়া লেখাটা পড়ে ইনবক্সে বললেন চমৎকার লিখছেন আমার বিশ্বাস আপনি পারবেন অন্তত ১০ পর্ব বাড়লে ৫০,১০০পর্ব লিখবেন।

ওনার উৎসাহ্ আর পিচনে ফিরতে হয়নি, প্রতিটা পর্বই কয়েকশত পাঠক পড়েছে, কয়েকবার শেয়ার হয়েছে সবার এতো সুন্দর সুন্দর মন্তব্য প্রতিদিন পড়তাম। ব্লগার ভাইজান, আপুরা সবাই উৎসাহ্ দিতেন আমি উপন্যাসটা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহস পেতাম। সবার ভালোবাসায় আমি সিক্ত💝

তারপর বাকিটা সবাই জানেন.. “আমি তোমার জন্য এসেছি” উপন্যাসটা আরাফ প্রিয়ার সুন্দর মিলনে ১০ পর্ব নয় আলহামদুলিল্লাহ্ ৭২ পর্বে শেষ করলাম। আমি সোনেলা পরিবারের সকল ব্লগারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ-“আমি তোমার জন্য এসেছি” প্রথম পর্ব যারা পড়েছেন এক নজরে সম্মানিত ব্লগারদের নাম দেখুনঃ-১)সুপর্ণা ফাল্গুনী,২)জিসান শা ইকরাম,৩)ফয়জুল মহী,৪)সুপায়ন বড়ুয়া,৪)সাবিনা ইয়াসমিন,৫)তৌহিদ,৬)ইসিয়াক,৭)এস.জেড বাবু,৮)হালিম নজরুল।প্রথম পর্ব যারা পড়েছের সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি 💝

>>আমার উপন্যাসের প্রতিটা পর্ব পড়েছেন যারাঃ-

>>শ্রদ্ধেয় সুপর্ণা ফাল্গুনী দিদি ভাই এর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি দিদি আমার উপন্যাসের প্রথম থেকে শেষ প্রতিটা পর্ব পড়েছেন এবং সুন্দর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য করেছে আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্বে শেষ করলাম।দোয়া ও ভালোবাসা রইল দিদি ভাই সব সময় এভাবে আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই💝

>>শ্রদ্ধেয় সুপায়ন বড়ুয়া দাদা ভাই ২০ পর্বের পরে মাঝে ৩ টা পর্ব পড়েন নাই।আমার ভিষন মন খারাপ হলো, ব্যস্ততার পর নিয়মিত হলেন বাকি সব পর্ব পড়েছেন তখন আমিও খুশি। দাদা সুন্দর ও উৎসাহমূলক মন্তব্যে করেছেন আর আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্ব পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পেরেছি।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা দাদা।ভাবে আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই💝।

>>শ্রদ্ধেয় জিসান শা ইকরাম ভাইজান চোখের সমস্যার পরও ফ্রি সময় একসাথে ৪-৫ পর্ব পড়ে মন্তব্য করেছেন৷ ব্যস্ততার জন্য অনেক সময় মন্তব্য করতে পারেন নাই তবে পড়েছেন।উৎসাহ্ দিয়েছেন ছোট আপু খুব ভালো লিখছেন সুন্দর মন্তব্য করেছেন, আর আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্ব পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পেরেছি।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাইজান,দোয়া ও ভালোবাসা রইল আপনার সুস্থতা কামনা করছি 💝

>>শ্রদ্ধেয় নিতাই দাদা উপন্যাসের শুরু থেকে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেছেন। মাঝে কয়েকপর্ব পড়েন নাই তারপর নিয়মিত, দাদার একটা কথাই ছিলো “শ্রদ্ধেয় দিদি শুরু থেকে উপন্যাসটা দারুন লিখছেন প্রতিটা পর্ব এই ভালো লাগাটা যেন শেষ পর্যন্ত থাকে। সবার মন্তব্যে বুঝলাম দাদার কথা রাখতে পেরেছি শেষটা ভালো লিখছি।শ্রদ্ধেয় দাদা সব সময় এভাবেই আমার পাশে থাকবেন।কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল দাদা💝

>>শ্রদ্ধেয় এম ইঞ্জা ভাইজানের কথা কি বলবো ওনার হাত ধরে আমার ব্লগে লেখা শুরু।ওনা উপন্যাস লেখা পড়েই আমি লেখার উৎসাহ্ পাই,তারপর অনুপ্রেরনামূলক মন্তব্য আমি উপন্যাসটা ৭২ পর্ব লিখেছি।ভাইজান কমেন্টস বক্সে ওনার মন খারাপ শেয়ার করেছেন ভাইজান চেয়েছিলেন উপন্যাসটা ৭২-১০০পর্বের ব্লগে একটা রেকর্ড করতে।সরি ভাইজান ভবিষ্যৎ আপনার স্বপ্নটা পূর্ন করে দিব ইনশাল্লাহ্।আপনি উপন্যাস ১০০ পর্ব লিখুন আপনার দেখানো পথে আমরা যাব।ধন্যবাদ ভাইজান, এভাবে ভালোবেসে পাশে থাকার অনুরোধ রইল💝।

>>শ্রদ্ধেয় মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী ভাইজান ওনার প্রতিটা মন্তব্য সকল ব্লগারের চেয়ে আলাদা।ভাইজানের প্রতিটা মন্তব্য উপন্যাসটা কিভাবে লিখলে পাঠক শিক্ষণীয় কিছু সেটা লেখায় উৎসাহ্ দিয়েছে।ভাইজান ৭২ শেষ পর্বে আপনার নামে একটা চরিত্র দিয়েছি আপনি এখনো পড়েন নাই।ব্যস্ততা কাটিয়ে উপন্যাসটা পড়বেন আমি খুশি হব, দোয়া রাখবেন আমার জন্য। আপনি বলছেন বড় মাপের একজন লেখকের সকল গুনাবলী আমার মাঝে আছে, আপনার চোখে ভাসে আমি দেশের নামকরা একজন লেখন হবো আল্লাহ্ আপনার দোয়া কবুল করুন।ধন্যবাদও কুতজ্ঞতা জানাই সব সময় এভাবে স্নেহের ছায়ায় বোনকে রাখবেন 💝।

>>শ্রদ্ধেয় তৌহিদ, ভাইজান যতটা পেরেছে সুন্দর ও উৎসাহ্ মূলক মন্তব্য করেছেন। উপন্যাসের অনেক পর্ব পড়েছেন, আমার লেখা ভালো লেগেছে এটা আমাকে উৎসাহ্ দিয়েছে।ভাইজান সব সময় এভাবে পাশে থাকবেন 💝

>>শ্রদ্ধেয় ফয়জুল মহী ভাইজান আমার উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন মাঝে ব্যস্ততার জন্য মন্তব্য পাইনি।তবে সব সময় উৎসাহ্ মূলক মন্তব্য আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।ভাইজান দোয়া রাখবেন আমার জন্য, আপনাদের পাশে থাকতে পারি 💝

>>শ্রদ্ধেয় হালিম নজরুল ভাইজান উপন্যাসের শুরু থেকে আছেন মাঝে নেই তবে আপনার সুন্দর মন্তব্য সব সময় আমাকে মুগ্ধ করেছে।সব সময় এভাবে পাশে রাখবেন দোয়া করবেন আমার জন্য 💝

>>শ্রদ্ধেয় মাহবুবুল আলম উপন্যাসের শুরু থেকে ছিলেন ৫০ পর্বের পরে অনিয়মিত শেষে নেই। তবে যেটুকু উপন্যাস পড়েছেন অনেক গুরুত্বপূর্ন মন্তব্য করে উৎসাহ্ দিয়েছেন।ধন্যবাদ ও কুতজ্ঞতা রইল ভাইজান, আপনার একটা চরিত্র দিয়েছি পড়লে খুশি হব।ভালো থাকবেন শুভ কামনা রইল 💝।

>>শ্রদ্ধেয় কামাল উদ্দিন এই গুনী ভাইজানকে উপন্যাসের শুরু থেকে পেয়েছি শেষের দিকে পাইনি। তবে ভাইজানের উৎসাহমূলক কমেন্টস আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে, ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল💝।

>>শ্রদ্ধেয় মোঃমজিবুর রহমান উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত ছিলেন মাঝে কিছু পর্ব পড়তে পারেন নাই।ওনি শত ব্যস্ততার পরও ব্লগে এসেই আমার লেখা পড়ে মন্তব্য করে পরে অন্য কাজ করেছে।কৃতজ্ঞতা ভাইজান দোয়া রাখবেন আমার জন্য, বোনের পাশে থাকবেন💝।

>>শ্রদ্ধেয় আলমগীর সরকার লিটন দাদা আমার উপন্যাসের মাঝ থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছে। দাদা বলছেন বড় গল্প পড়তে তার ভালো লাগে না অথচ খেতে বসেও তিনি আমার লেখা পড়েছেন। আমার উপন্যাসটা দাদার খুব ভালো লেগেছে নিয়মিত পড়ে সুন্দর মন্তব্য দিয়েছেন।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল দাদা, বোনের পাশে থাকার জন্য💝।

>>শ্রদ্ধেয় শামীম আলী চৌধুরী ভাইজান ওনি আমার উপন্যাসের মাঝ পথে যুক্ত হয়েছেন। সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য করেছেন সব সময়,ভাইজানকে ৭২পর্ব আরাফের বিয়ের ফটোগ্রাফার ছিলেন।চমৎকার সব ছবি তুলেছেন যা আরাফের,মনোয়ারার রুমে শোভা পাচ্ছে এটা আমার উপন্যাসের চরিত্র। ভাইজান পর্বটা পড়ে বিশাল একটা মন্তব্য করছেন,কমেন্টস পড়ে আমি মুগ্ধ। ফটোগ্রাফার শামীম আলী চৌধুরী ভাইজান অমায়িক ব্যবহারের একজন মানুষ আমাদের কথা হয়েছে।ভাইজান আমার বিয়ের ছবি তুলার দায়ীত্ব নিতে চেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ্ এমন একজন গুণী মানুষের সান্নিধ্য পাওয়া তো আমার সৌভাগ্যের ব্যাপার। ইনশাল্লাহ্ ভাইজান আমার বিয়ে হলে আপনি ছবি তুলে তারপর আমাকে ছবির এলবামটা গ্রিফ্ট করবেন কনফার্ম রইল। আপনার দেওয়া উপহার আমার ব্লগ জীবনের সেরা পাওনা থাকবে। আপনাদের ভালোবাসায় আমি সিক্ত এই বোনের জন্য দোয়া রাখবেন 💝

>>শ্রদ্ধেয় এস.জেড.বাবু ভাইজান ওনার কথা উপরে লিখেছি তাই এখানে বেশি লিখবো না। ওনি আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড প্রায় ২ বছরের উপরে, আমার ব্লগে আসা,উপন্যাস লেখা,৭২ পর্ব পর্যন্ত টেনে নেওয়া সবটা তার অবদান। কিছু না বুঝলে সাথে সাথে ইনবক্স শত ব্যবস্তার পরও ভাইজান আমাকে বুঝাতেন,শিখিয়ে দিতেন। কখনো বিরক্ত হতেন না বরং আমি শিখতে বিরক্ত হতাম ওনি ধৈর্য ধরে কষ্ট করে আমাকে একজন ব্লগার করে গড়ে তুলেছেন কৃতজ্ঞতা ভাইজান।আপনার কাছে এই বোনের ঋণের শেষ নেই, কি বললাম ঋণ! ভাই বোনের সম্পর্কে ঋণ বলে কোন শব্দ নেই।দোয়া রইল আমাদের ভাই বোনের সম্পর্ক অটুট থাকুক সব সময়💝

সম্মানিত ব্লগারগণ উপন্যাসের বেশ কয়েক পর্ব পড়েছেনঃ-সঞ্জয় মালাকার,সাবিনা ইয়াসমিন,সুরাইয়া পারভীন,খাদিজাতুল কুবরা,প্রদীপ চক্রবতী,ছাইরাল হেলাল,পর্তুলিকা।আপনারা সবাই আমার উপন্যাস পড়েছেন ব্যস্ততার জন্য কয়েক পর্বের কমেন্টস করেছেন।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল আপনাদের প্রতি সবার উৎসাহ্ না পেলে আমার উপন্যানটা ৭২পর্ব লিখতে পারতাম না💝

যারা ১পর্ব পড়েছেন তাদের নামঃ-বন্যা লিপি,নৃ-মাসুদ রানা,ত্রিস্তান,শায়লা ইলিয়াস,মাছুম শাহী,কামরুল ইসলাম,শায়লা খান,ইসিয়াক,,সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল,পাশে থেকে উৎসাহ্ দিবার জন্য 💝।

>>ডাঃ মেজর আরিফুল সানি আমাদের সোনেলা ব্লগের নতুন মেম্বার পরিচয় কি দিব..!আমার বন্ধু/ ভাইয়া সবটা ঝগড়া করি,ভাব করি, শ্রদ্ধা করি অনেক বেশি। আমার প্রিয় শত্রু ডাক্তার মানুষ তো যেকোন সমস্যায় পরামর্শ নেই, সুফল পাই।অনেক হাসি খুশি ভাইয়া আমার উপন্যাসের শেষ পর্বে কমেন্টস করে যুক্ত হয়েছেন আমাদের সোনেলা পরিবারে।ওনি একজন ব্লগার খুব ভালো লেখালেখি করে, খুব তাড়াতাড়ি আমরা ব্লগে তার লেখা পড়বো ইনশাল্লাহ্। স্বাগতম ভাইয়া আমাদের সোনেলার উঠোনে,আপনার পদচারনায় আমাদের সোনেলা পরিবার মুখরিত হোক।আমাদের সাথে আপনার এই পথচলা দ্বীর্ঘায়িত হোক,ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইল💝।

>>এখানে ৩১জন ব্লগার আমার উপন্যাস পড়েছেন আস্তে আস্তে সবার উৎসাহ্ বেড়েই চলে, ভিতরে আমি শাহস পাই। উপন্যাসটা আস্তে আস্তে শাখা প্রশাখা গজিয়ে ডাল পালা বিস্তৃতি লাভ করে ১- ৭২ পর্বে পরিসমাপ্তি হয় 💝। আপনাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, কারন আপনাদের উৎসাহ্,অনুপ্রেরণা না পেলে আমার এত বড় একটা উপন্যাস লেখা কখনো সম্ভব হতো না।আমি চেষ্টা করেছি উপন্যাসের শেষ ১০ পর্বে যারা আমার উপন্যাস পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সবার নামের একটা চরিত্র রাখতে। ইচ্ছা আছে ২১ শে বই মেলা ২০২১ সালে উপন্যাসটা কাগজে মুড়িয়ে একত্রে রাখতে, বাকিটা আল্লাহ্ ভরসা।আলহামদুলিল্লাহ্ প্রায় ৪ মাস ৩০দিনের একটা লম্বা জার্নি ৮৭টি পোষ্ট আমি বলতে পারি সোনেলা ব্লগে আমি সফল।

কারন আমি উপন্যাসটা লিখে মনে মনে অনেক আনন্দ পেয়েছি “আমি তোমার জন্য এসেছি ” উপন্যাসটা লিখতে গিয়ে চরিত্র গুলোর সাথে মিশে গিয়েছি। কখনো প্রিয়া,কখনো মিতু কখনো শ্রেয়ার জায়গায় নিজেকে দাঁড় করিয়েছি,আমি চোখ বন্ধ করলে উপন্যানের সুদর্শন নায়ক আরিয়ান চৌধুরী আরাফকে দেখতে পাই 🙈 প্রিয়া তো আমারি অস্তিত্ব 🙊। আমার মামা নেই তাই শেখর সাহেবের চরিত্রটা লিখতে গিয়ে মামা ভাগনির সম্পর্ক গুলো নিজের মাঝে অনুভব করেছি। তবে হ্যাঁ আজাদ,মিরার মতো আমাকে ভালোবাসার দুজন মানুষ আছেন আমার বাবা মা,ভাই বোন সবাই আমাকে ভালোবাসে।যখন একটা গল্প লেখকের বাস্তব জীবনে প্রভাব বিস্তার করে তখন সেটা গল্প না জীবনের প্রতিছবি হয়ে যায় তাই আমি সফল।

ছোটবেলা থেকেই একটা পরিচয় “ওই যে যায় ইউ এন ও সাহেবের মেয়ে আলিফ (সুরাইয়া নার্গিস) আমি মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি এখনো কথাটা শুনি। সবাই দোয়া করবেন ১৭ আগস্ট আমার জন্মদিন পরের বছর জন্মদিনের আগে যেন নিজের একটা পরিচয়ের জায়গা গড়ে তুলতে পারি আর লোকে বলে “ওই যে যায় আলিফের বাবা ইউ এন ও সাহেব” এটা জীবনের স্বপ্ন।বাবার পরিচয়ের বাইরে নিজের একটা পরিচয়ের জগৎ তৈরি করতে চাই, কিছু করার জন্য একজন উদ্যোক্তা হবার চেষ্টায় আছি। আপনাদের ভালোবাসায় ধন্য সুরাইয়া নার্গিস💝।

বিঃদ্রঃ যেসব ব্লগার উপন্যাসটা পড়েছেন সকল ব্লগারের নাম স্থান পেয়েছে ইনশাল্লাহ্। বই প্রকাশ করলে আপনাদের সবার নাম থাকবে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ।

ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক সোনেলা পরিবারের সবাই💝।

জয়তু সোনেলা ব্লগ।

২৮৬জন ২৭জন
0 Shares

৩৩টি মন্তব্য

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    সোনেলায় আপনার আগমন এবং এখানে কেমন করে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছেন, সবকিছু খুব সুন্দর করে বললেন। এমন অনুভূতির প্রকাশ পড়ে মুগ্ধ হলাম। সোনেলার প্রতিটি ব্লগারা তার নিজস্বতায় উজ্জ্বল। তবে সহ ব্লগারদের প্রতি এক জায়গায়তেই সবার মিল, সবাই অনেক অনেক আন্তরিকতা দিয়ে সবাইকে আপন করে নেন।
    আপনার সার্বিক সাফল্য কামনা করি। ভালো থাকুন।
    শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌹🌹

  • ইঞ্জা

    আপু, সত্যি আনন্দিত হলাম আপনার অনুভূতি জেনে, সত্যিকার অর্থে কারো রেকর্ড কখনো ভাঙ্গতে পারবেনা এমন কথা কেউ বলতে পারেনা, তেমনি এই ব্লগে সবচেয়ে বড় গল্প লিখেছি আমি, এতোদিন আমার রেকর্ড কেউ টাচ করেনি, কিন্তু আপনি আমার রেকর্ডকে ভেঙ্গে দিলেন তাও ৭২ পর্বের গল্প দিয়ে, সত্যি আমিই সবচেয়ে বেশি আনন্দিত আজ, আরও লিখুন আপু, আমাদের প্রিয় ব্লগকে সমৃদ্ধ করুন এই কামনা রইলো।
    ধন্যবাদ অপরিসীম। 😊

  • সুপর্ণা ফাল্গুনী

    আপু সত্যি ই আবেগ আপ্লুত হয়ে গেলাম আপনার কথায়। আপনার এই উপন্যাসের সাক্ষী হতে পেরে, সঙ্গী হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
    “যখন একটা গল্প লেখকের বাস্তব জীবনে প্রভাব বিস্তার করে তখন সেটা গল্প না জীবনের প্রতিছবি হয়ে যায় তাই আমি সফল।” এই কথাগুলো অসম্ভব সুন্দর। আপনি সফল হয়েছেন আপনার ধৈর্য, একাগ্রতা, নিষ্ঠা দিয়ে। এই সাফল্য সম্পূর্ণ ই আপনার প্রাপ্য। জীবনে আরো উপরে উঠুন, লেখক পরিচয়ে পরিচিত হয়ে বাবা-মাকে নিজের পরিচয়ে পরিচিত করুন এটাই কামনা রইলো। আপনার পরিবার, আপনার জন্য শুভকামনা ও শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকবেন সবসময়। নিরাপদে থাকুন

    • সুরাইয়া নার্গিস

      ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় দিদি ভাই।
      আপনি আমার লেখাটা মনযোগ দিয়ে প্রতিটা পর্ব পড়েছেন, ভুল ত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। দিদি ভাই প্রতিটা পর্ব লেখার পর মনে হতো কেউ না পড়ুক অত্যন্ত একজন পড়বে। তার জন্যই লিখতাম সেটা আপনি আমার লেখা পড়ে উৎসাহ্ দিয়েছেন। এই কৃতজ্ঞতাটুকু প্রকাশ করতে পেরে আমি নিজেও খুব খুশি দিদি।উপন্যাসটা লিখতে আমার বেশ ভালো লেগেছে চরিত্র গুলো খু্ব আপন মনে হয়েছে। দোয়া করবেন দিদি ভাই আমি যেন নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি,নিজের একটা পরিচয়ের জায়গা তৈরি করতে পারি।
      অনেক অনেক ধন্যবাদ দিদি ভাই, দোয়া রইল আপনার জন্য।

      ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
      শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।

  • শামীম চৌধুরী

    বোন আলীফ,
    প্রথমে তোমাকে আমার আন্তরের অন্তঃস্থল থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। এত সুন্দর করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আমার এই ৫৯ বছরের জীবনে প্রথম দেখলাম। অনেক কবি সাহিত্যিকের সঙ্গে ছিলাম ও আছি। উনাদের বইয়ের মোড়ক উম্মোচন থেকে শুরু করে অনেক অনুষ্ঠানে আমাকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যেতেন। আমি একজন শখের ছবিয়াল। ছবি তোলা আমার শখ। আর পশু পাখিদের ছবি তুলতে তুলতে ওদের ভাষা ও গতিবিধি শিখে ফেলেছি। একটা পশু বা পাখি কখন কেমন আচরন করবে তা অকপটে আগাম বলে দিতে পারি। আর এটা সম্ভব হয়েছে ওদের সঙ্গে লেগে থাকায় ও ওদের নিয়ে পড়াশুনার করার আগ্রহ থেকে। এই ফটোগ্রাফীর বাহিরেও আমার একটি পরিচয় আছে। আর এই পরিচয়েই সমাজে আমি পরিচিত। শুধু মাত্র দেশের ৬০০-৭০০ জন ফটোগ্রাফার আমাকে চেনে শখের ফটোগ্রাফার হিসেবে। আমার সামাজিক মর্যাদা ও সামাজিক পরিচয়ে আমাকে কবি সাহিত্যিকরা নেমন্তন করেন। ফটোগ্রাফার হিসেবে নয়। এতগুলি কথা বললাম এই কারনে যে, তোমার লেখার শেষাংশে সুন্দর একটি উপমা বা আকাংখা দিয়ে মনের সুপ্ত বা লুকানো বাসনা প্রকাশ করেছো। সেটি হলো এতদিন তোমার বাবার পরিচয়ে চলতে এখন তুমি চাও তোমার পরিচয়ে বাবা চলবেন। এমন কথা কোন মেয়ের মুখ থেকে যে বাবা শুনতে পান তিনি একজন গর্বিত পিতা ও গর্বিত কন্যার জন্মদাতাও বটে। আমি আশা ও বিশ্বাস করি তোমার পরিচয়েই তোমার বাবাকে সবাই চিনবেন অচিরেই। সঙ্গে সঙ্গে আমরাও পরিচয় দিবো আলীফের ভাই আমরা। দোয়া করি আল্লাহ য্নে তোমার মনের নেক বাসনা পূরন করেন। তোমার বাবার জীবদ্দশায় যেন উনি দেখে যেতে পারেন আমরা সবাই উনাকে ডাকছি-
    ”এই যে শুনুন, আলীফের বাবা। আমি আলিফের ভাই বলছি। কেমন আছেন আপনি। তোমার সফলতা ও স্বপ্ন পূরনের দোয়া রইলো। ভাল থেকো সবসময়।

    • সুরাইয়া নার্গিস

      ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় ভাইজান আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম, শ্রদ্ধাটা বেড়ে গেল।সোনেলা ব্লগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই সোনেলায় না আসলে হয়ত আপনার মতো এমন গুনী মানুষের সাথে পরিচয় হতো না।জীবন ধন্য আপনার সাথে কথা বলতে পেরে আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুব খুশি।আমি আপনাকে সবটা পরিচয়ে মূল্যায়ন করবো দেশের একজন নামকরা ফটোগ্রাফার ৬০০-৭০০ নয় দোয়া রইল ১০,০০০ মানুষ চিনবে।একজন কবি সাহিত্যিক জীবন আরো প্রসারিত হোক, সবচেয়ে বড় কথা আমার চোখে সেরা একজন ভালো মানুষ।
      আপনার প্রতিটা কথায় আমাকে মুগ্ধ করে, আপনাদের কাছে শিখতে চাই সব সময়।
      আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে পারি।
      অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ভাইজান, দোয়া রইল ভালো থাকুন।

      ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
      শুভ কামনা রইল আপনার জন্য ভাইজান।

  • তৌহিদ

    আপনার অনুভূতি পড়ে ভালো লাগলো। যতদূর জানি উপন্যাসের বেশিরভাগ পর্বই পড়েছি আমি। তবে আমি অনুরোধ করবো বই হিসেবে প্রকাশ করতে চাইলে সোনেলার ব্লগারদের সবাইকে ডাক্তার বানানোর পর্ব দুটি একটু এডিট করে নিতে। কারন সব ব্লগারের নাম আসাতে গল্পে হিজিবিজি লেগেছে এতে উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় গোলমেলে লাগতে পারে পাঠকদের কাছে।

    এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, বাকী আপনার ইচ্ছে। সোনেলার সবার প্রতি আপনার নজর আছে যেরকম সেরকম আপনার লেখার প্রতিও সবার নজর আছে কিন্তু! কোথায় কার পোস্টে আসছেন/আসছেননা এটা গুরুত্বপূর্ণ (আপনার লেখানুসারে ☺)

    শুভকামনা সবসময়। ভালো থাকুন।

    • সুরাইয়া নার্গিস

      ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় ভাইজান আপনি কয়েক পর্বে বাদ গেলেও উপন্যাস প্রায় সবটা পড়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন। আপনাদের সবার উৎসাহ্ পেয়ে আমি উপন্যাসটা ৮৮ টা পর্ব লিখতে পেরেছি। উপন্যাসে কিছু ইডিট হবে তবে কিছু ডাক্তার গল্পের শুরুতে থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন চরিত্রে থাকবে। ভাইজান আমি অন্যের লেখা পড়ে মন্তব্য করি তবে কয়েকদিন ধরে গ্রামে ঈদ করেছি সেখানে নেট সমস্যা।চাচাত বোনের করোনা পজেটিভ হাসপাতালে ঘুরতে হচ্চ্ছে,ছোট চাচীমা ক্লিনিকে ভর্তি সেখানে আছে, দুদিন ধরে তাই ব্লগে আসতে পারছি না ফ্রি হয়ে সবার লেখা পড়বো।
      আসলে ভাইজান কে কমেন্টস করলো না করলো এটা নজরে রাখি না তবে যারা আমার উপন্যাসটা পড়ে সুন্দর মন্তব্য করছে। তাঁরা হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে আমার প্রথম লেখায় সবার এত্তো ভালোবাসা পেয়ে আমি সিক্ত। তাই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সেটা পোষ্টের মাধ্যমে ভালো লাগাটা প্রকাশ করলাম।
      আপনাদের ভালো লেগেছে এতেই আমার স্বার্থকতা, আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে বইটা প্রকাশ করতে পারি।

      ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
      শুভ কামনা রইল আপনার জন্য ভাইজান।

  • নিতাই বাবু

    আপনি ব্লগে নিবন্ধন করেছেন, ৪ মাস ৩০ দিন আগে।
    এই অল্প সময়ে আপনি পোস্ট লিখেছেন, ৮৮টি।যা আমাকে সত্যি ভাবিয়ে তুলছে!
    এই অল্প সময়ের মধ্যে আবার আপনি নিজে সোনেলা ব্লগের আরও অন্যদের লেখায় মন্তব্য করেছেন,১২২১টি। এটাও একরকম অবাক করার মতো কাণ্ড! এর বিনিময়ে ব্লগের অন্যসব ব্লগারদের অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য পেয়েছেন, ১৫৪৩টি।যা আমার মাথা ঘুরিয়ে যাবার মতো হয়েছে অবস্থা।
    তো যাক সে কথা, আসল কথায় আসি! আসল কথা হলো, আপনি হয়তো বুঝতে পেরেছেন যে, একজনের পোস্ট পড়ে একটা মন্তব্য করলে, তার বিনিময়ে আরও দুইটি মন্তব্য বেশি পাওয়া যায়! কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমরা যাঁরা ব্লগে লেখালেখি করি, তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন শুধু নিজের পোস্ট নেয়েই। তাঁরা ব্লগে আরও দশজন নতুন-পুরাণ ব্লগারদের লেখা পড়েও না, মন্তব্যও করে না। এটা কিন্তু ঠিক নয়! তো যাক, সে কথা। আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে বলছি, আপনার এই অল্প সময়ের অর্জিত কৃতিত্ব সবসময় বজায় রাখার চেষ্টা করে যাবেন। এটা আপনার প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ থাকলো। সাথে থাকলো অফুরন্ত শুভকামনা।

    • সুরাইয়া নার্গিস

      ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় দাদা আপনার প্রতিটা মন্তব্য আমাকে অনুপ্রাণিত করে,উৎসাহ্ দেয় এগিয়ে যাবার।
      আমিও জানিনা কিভাবে মাত্র ৪ মাস ৩০দিনে ৮৮ টা পোষ্ট করে ফেললাম, এর পুরো কৃতীত্ব আমার সহকর্মী ব্লগার গনের।সবার ভালোবাসা, উৎসাহ্ পেয়ে লিখে ফেললাম, আমি চেষ্টা করি সবার লেখা পড়ে মন্তব্য জানাতে। আপনি আমার এই বিষয়টা খেয়াল রেখে কৃতজ্ঞতা জানাই দাদা। দোয়া করবেন দাদা লেখাটা যেন চালিয়ে যেতে পারি,আপনাদের ভালোবাসায় আমি সিক্ত দাদা।

      ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন
      শুভ কামনা রইল আপনার জন্য দাদা।

  • রোকসানা খন্দকার রুকু।

    আসলেই অবাক হবারই কথা।।
    মাত্র চারমাসে এতগুলো লেখা।
    আমি নতুন। তাই সব পড়তে পারিনি।তবে কোন একদিন পড়েই ফেলব।।।
    আপনি অনেক সাফল্যের সিঁড়ি পাড়ি দেবেন
    অনেক দোয়া ও শুভকামনা আপুনি।।।

    • সুরাইয়া নার্গিস

      ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম। আমি নিজেও জানি না কি করে এত অল্প সময়ে ৪মাস ৩০দিনে ৮৮ টা পোষ্ট করে ফেললাম। এটা সম্ভব হয়েছে সবার উৎসাহ্ আর ভালোবাসায় আমি সিক্ত।
      ইনশাল্লাহ্ ফ্রি সময় উপন্যাসটা পড়বেন ভালো লাগবে ইচ্ছা আছে বই বের করার বাকিটা আল্লাহ্ ভরসা।দোয়া করবেন আপু যেন নিজের একটা পরিচয়ের জায়গা তৈরি করতে পারি।
      আপনার জন্যও দোয়া রইল।

      ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
      শুভ কামনা রইল আপনার জন্য আপু।

  • মনির হোসেন মমি

    হুম,সোনেলার ইতিহাসে এই উপন্যাসটি মাইল ফলক হিসাবে থাকবে।ব্যাস্ততায় সব পর্ব পড়তে না পারলেও বেশ কয়েকটিই পড়েছি। গল্পের সাথে চমক ছিল সোনেলর প্রিয় ব্লগরাদের নাম মেনসন করে চরিত্র রূপায়ণ করা।বেশ ভাল ভাবেই শেষটা শেষ করেছেন।

  • ফয়জুল মহী

    আল্লাহর কাছে বিনীত আরজ উনি যেন আপনাকে সফলকাম করে। ইনশাল্লাহ আলিফের একটা নিজস্ব জগত হবে ,পরিচয় হবে। আমি প্রবাসী মানুষ সারা দিন অফিস করে আবার ডায়াবেটিস এর জন্য ব্যায়াম করে আর সময় পাই না । শুধু সাহিত্য ভালো লাগে বলে বগ্লে বিচরণ । আপনার বই বের হলে কেনার ইচ্ছা রাখি । কৃতজ্ঞতায় আমিও কৃতজ্ঞ । ভালোবাসা দিন ভালোবাসা নিন কারণ আমরাই আমরা সব এখানে।

  • জিসান শা ইকরাম

    আপনার এই পোষ্ট প্রমাণ করে যে, সোনেলাকে আপনি কতটা আপন করে নিয়েছেন। ব্লগে লেখার উৎসাহ, প্রতিটি পর্বে দেয়া ব্লগারদের মন্তব্যকারী ব্লগারদের নাম টুকে রেখে অনেক কষ্ট করে যে এই পোষ্ট দিতে হয়েছে তা বুঝেছি।
    কৃতজ্ঞতা স্বীকার অনেকেই করতে জানে না। আমাদের এই ব্লগে অনেকেই ছিলেন একসময় যারা আপনার মত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন নি। অথচ অনেকেরই লেখা শুরু হয়েছিল এই সোনেলার। ব্লগারগন মন্তব্যের মাঝে উৎসাহ দিয়ে তাদের লেখক বানিয়েছিলেন। প্রতিভা থাকে প্রায় সবার মধ্যেই, কিন্তু সঠিক উৎসাহ দিয়ে বের করে আনাটাও গুরুত্বপূর্ণ।

    ইনশ আল্লাহ্‌ আপনার এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হবে, আমাদের আনন্দও তখন কম হবে না।
    আপনি প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের সবারই গর্ব হবে, আমরা গর্ব নিয়েই বলবো ‘ ওই যে আলিফ- যিনি আমাদেরই একজন ছিলেন। ‘

    আপনার নিজস্ব একটি পরিচয় হোক, এই কামনা করছি।
    শুভ কামনা।

  • সুপায়ন বড়ুয়া

    আপু আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর একটি উপন্যাস বিরামহীন লিখে শেষ করার জন্য। সাথে কৃতজ্ঞতা যেভাবে সবাইকে স্মরন করছেন।
    স্মৃতিশক্তির প্রশংসা করতেই হয়।
    ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  • প্রদীপ চক্রবর্তী

    সত্যিই আপনার একান্ত অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ভালো লাগলো।
    এতো সফলভাবে একটা উপন্যাস লিখতে সক্ষম হয়েছেন সেটা অনেক বড়কিছু।
    যদিও কয়েকপর্ব পড়া হয়নি।
    সাথে লিংক সংযুক্ত করলে নিশ্চয় অবসরে পড়ে নিবো।
    ভালো থাকবেন অনেক।
    শুভকামনা দিদি।

  • মোঃ মজিবর রহমান

    সোনেলায় অনেক লম্বা লম্বা লেখক এখন। সোনেলায় অনেক গুণী লেখক আছে। তাদের মাঝে আপনিও একজন। আমি খুদ্র একজন পাঠক। অনেক গুণী ব্লগারের লেখা আমার মাথার উপর দিয়া উঈড়া যায়।
    অনেক সময় পড়েও মন্তব্য থেকে বিরত থাকি
    পারিনা বলেই।
    তাই আমার মত নগন্য পাঠককে আপনার অতি বিশ্লেষনধর্মী লেখায় ঠাই পেয়েছি তাতেই খিশি।
    আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপা।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য