কুদরত খাঁ’র নারীঘটিত বিষয়সমূহ

রেহানা বীথি ১ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১২:২৮:১৪পূর্বাহ্ন গল্প ২৯ মন্তব্য

কুদরত খাঁ’র নারীঘটিত বিষয়সমূহ

__________________________

 

দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর একটা পেয়ারার অর্ধেকটা কেটে নিয়ে কামড় বসিয়েছিল কুদরত খাঁ। ওতেই কেল্লাফতে! সমুখের যে কয়খানা দাঁত, হাসলে যেগুলো না চাইতেও বেরিয়ে পড়ে ওষ্ঠ ভেদ করে, সেগুলোর একটা নড়ে গেলো। বড় চিন্তার বিষয়! তবে কি সে বুড়ো হতে চলেছে? না না, এ হতেই পারে না। যদিও আয়নার সামনে দাঁড়ানোটা তার স্বভাব নয়, সে কারণে অকারণে আয়নার সামনে নিজেকে দেখে সময় নষ্টও করে না, তবুও আজ সে দীর্ঘক্ষণ ধরে বাথরুমের আয়নাটায় নিজেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে। প্রথমে নড়ে যাওয়া দাঁতটা ভালোমতো নেড়েচেড়ে দেখতে থাকে সে। নাহ্, মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হয়েছে মনে হচ্ছে। এ দাঁত আর টিকবে না। একেবারে নড়বড় করছে। খুলে যে পড়ে যায়নি, এই ভাগ্য। খুলে পড়ে গেলে সে লোকের সামনে মুখ দেখাতো কেমন করে? আর সন্ধ্যেবেলার বন্ধুদের আড্ডায়? ওই আড্ডার এক একজন তো মুখিয়ে আছে ওর যে কোনো বিষয় নিয়ে দু’কথা শুনিয়ে দেয়ার জন্য। মাখনের মতো মোলায়েম মুখ করে তারা কি কথার হুল ফোটাতে ছেড়ে দিতো? মোটেও না। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলো সে, যাবে না আজ আড্ডায়৷ তারচেয়ে বরং ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে দাঁতটার একটা হিল্লে করতে হবে। বলা তো যায় না, ডাক্তার হয়তো তার দাঁতটা উচ্ছেদ না করে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করে দেবে। আজকাল তো চিকিৎসা কত আধুনিক! তাছাড়া জয়িতার সাথে ফোনালাপ তো আছেই। সন্ধ্যায় কথা না বললে রাতে ঘুমোবে কেমন করে কুদরত খাঁ? জয়িতার কাঁচের চুড়ির বাজনার মতো হাসি আর সুমধুর কণ্ঠের মিষ্টি মিষ্টি কথাগুলোই তো আজকাল ওর বেঁচে থাকার টনিক! যা বছর পঞ্চান্ন পেরিয়ে যাবার পরেও তাকে করে রেখেছে একেবারে ঝরঝরে, প্রাণবন্ত!

 

জয়িতা কুদরতের বর্তমান। এই বর্তমানে কি বউ বাচ্চা নেই? আছে। বহালতবিয়তেই আছে। ওরা আছে ওদের মতো। আজকালকার ইংরেজি, হিন্দি গানের মতো ধুমধাড়াক্কা চলাফেরা ওদের। মানিয়ে নিতে পারেনি কুদরত খাঁ। না বউ, না সন্তান কেউই যে কেন তার মনের মতো হলো না, এ এক রহস্য। বহুবছর যাবত আলাদা ঘর, আলাদা বিছানা। বউয়ের সাথে সম্পর্ক শুধু বাজারের ফর্দ আর খাবারের টেবিলে ডাক, ওই পর্যন্তই। তার বাইরে যোগাযোগ নেই-ই একেবারে। সেই যে বিয়ের প্রথম প্রথম, কয়েকবার ভুল করে বিছানায় দুটি দেহ একাকার হয়েছিল, সেই ভুলের একটি ফসল ঘরে তুলেই ক্ষান্ত দিয়েছে তারা। তারপর বউয়ের শরীর জেগেছিল কিনা কোনোদিন, জানে না কুদরত খাঁ। কিন্তু এটা সে নিশ্চিত করেই জানে, তার শরীর জাগেনি কখনও বউয়ের আভাস পেয়েও। তবে কি তার পৌরুষে ঘাটতি আছে? নাহ্, তা বোধহয় নেই । নারীসঙ্গ তো সে উপভোগ করে বেশ। আর তার এই উপভোগকে শুধুমাত্র যৌনতার মাপকাঠিতে মাপলে বোধহয় ভুল হবে খুব। যৌন চাহিদা তার আছে, পুরোমাত্রাতেই আছে। আর তার সাথে আছে সাংঘাতিক রকমের রোমান্টিক একটা মন৷ এই রোমান্টিক মন নিয়ে নারীকে দেখতে গিয়েই তো বাঁধলো বিপত্তি, তার বউ তো তেমন নয়! তারপর থেকেই একেবারেই মন উঠে গেছে। সে মন আর বসাতেই পারেনি বউয়ের ওপর। 

 

প্রশ্ন উঠতে পারে, বউটিই কি তার জীবনে প্রথম নারী? একদম না। যৌবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত একাধিক নারীর আগমনে জীবন তার যথেষ্ট রঙিন। হঠাৎ যৌবন পেয়ে যখন আনন্দে উদ্বেলিত, কী করা যায়, কেমন করে উপভোগ করবে যৌবনের দিনগুলো? এমন ভাবনাই তখন ব্যতিব্যস্ত রাখতো তাকে সারাক্ষণ। ঠিক সেই সময়েই পত্রিকার পাতায় পেয়ে যায় উপভোগের মোক্ষম মন্ত্র, পত্রের মাধ্যমে মিতালি পাতানোর আহ্বান। সেসময় এই পত্রমিতালির বেশ রমরমা ছিল। অদেখা কারো সাথে চিঠি চালাচালি করেই গড়ে উঠতো গভীর বন্ধুত্ব, এমনকি প্রেমও। তো কুদরত খাঁ দেখেশুনে একটা কাব্যিক নামের অধিকারিণীকে লিখে ফেলে পত্র। তারপর দুরুদুরু বুকে ঘুরতে থাকে সেই পত্রের উত্তরের প্রতীক্ষায়। একদিন, দুইদিন, তিনদিন….. দিনের পর দিন কেটে যায়। উত্তর আসে না৷ কাটে না তার উৎকণ্ঠা। একসময় উত্তরের আশা প্রায় ছেড়েই দিলো সে৷ আশা ছাড়লে কি হবে? হাল ছাড়েনি সে। একটু যুৎসই নাম দেখে দেখে আরও দু’তিন জনকে পাঠিয়ে দিলো চিঠি। সপ্তাহ খানেক পরে একে একে উত্তর আসতে লাগলো । বেশ জমে গেলো তার পত্রের মিতালি। দোকান থেকে বেছে বেছে সুদৃশ্য খাম কিনে, স্ট্যাম্প সাঁটিয়ে, ইনিয়ে বিনিয়ে প্রেমপূর্ণ কথামালা সাজিয়ে লিখে ডাকবাক্সে চিঠি ফেলতে ফেলতেই কেটে যেতো তার দিনরাত্রির অধিকাংশ সময়। লেখাপড়া সিঁকেয় দুলতে লাগলো। বন্ধুমহলে তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়লো রমণীমোহন হিসেবে। 

পড়বে না? নারীকুলের পত্রের সুবাস চেপে রাখা যায়? চেপে রাখতে চায়ওনি সে। এত এত নারীর প্রেমপত্রের গর্বে বুকের ছাতিটা তার প্রয়োজনের তুলনায় যেন একটু বেশিই চওড়া থাকে সবসময়। সে গর্ব চেপে রাখতে তার বয়েই গেছে। জ্বলুক, হিংসেয় জ্বলে পুড়ে মরুক সবকটা। 

 

এরকম যখন অবস্থা, তখন একদিন সেই কাব্যিক নামধারিনীর উত্তর এলো। দীর্ঘ উপেক্ষার পর উত্তর দেয়ায় গা করলো না সে তেমন। কিন্তু প্রথম চিঠি তো সে তাকেই লিখেছিলো, উত্তর দেবে কী? এই দোটানায় দুলতে দুলতে বাকিদের সাথে চিঠি চালাচালি অব্যাহত রাখলো। কাব্যবিবি আবার পত্র দিলো, তারপর আবার। শেষমেশ তার অবহেলা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখাই সমীচীন বিবেচনা করে বেশ একটা জ্বালাময়ী ভাবসম্পন্ন চিঠি কাব্যবিবিকে পাঠিয়ে দিয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলো কুদরত খাঁ। এবং কিছুদিনের মধ্যে কাব্যবিবির সাথে এমন ভাব জমে উঠলো যে বাকি মিতারা অনেকটাই আড়ালে চলে গেলো। কেমন যেন ফিকে হয়ে গেলো তাদের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে। অবশ্য এ নিয়ে তার মনে কোনো বেদনাবোধ ছিল না। কাব্যবিবির অদেখা রূপ মাধুরিতে মজে গেলো ভীষণভাবে। 

 

না না, এ সম্পর্ক টেকেনি বছরের পর বছর। মাস ছয়েক ছিলো বোধহয়। কেমন যেন মোহ কেটে যেতে লাগলো ধীরে ধীরে। তারও অবশ্য একটা যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কলেজে হঠাৎ করেই কোন বিভুঁই থেকে এক অপরূপার আগমন। হাওয়ায় তার খোলা চুল যখন ওড়ে, উড়তে থাকে কুদরতের মন। নিত্য সে মেয়ে শাড়ি পরে কলেজে আসে। কেন যে আসে! ওর শাড়ির একেকদিন একেক রঙের জমিনে মিশে যেতে ইচ্ছে করে যে খুব! আহা কী রূপ! বেশ কিছু কবিতা এসময়েই লিখে ফেলেছিলো কুদরত খাঁ। বন্ধু মহলে তখন তার সুখ্যাতি বিরহী কবি হিসেবে। এ বিরহের খবর মেয়েটির কানেও পৌঁছালো। লজ্জায় নয়, রাগে লাল হয়ে একটি প্রচণ্ড চড়ের মাধ্যমে প্রেম প্রত্যাখ্যান করলো সে মেয়ে। সবার সামনেই! একে বিরহ, তারওপর অপমানের জ্বালা। যাতনা সইবে কেমন করে? মাতানো তালের রস তার সে যাতনা সইবার শক্তি যুগিয়েছিল তখন। না হলে যে কি হতো কে জানে! হয়তো জীবনটাই দিয়ে দিতো! 

 

জীবনটা সে দিয়ে দেয়নি বটে, তবে কলেজে যাওয়া একরকম ছেড়েই দিয়েছিলো বলা যায়। একসময় আইএসসি পরীক্ষা দরজায় করাঘাত করলে যেন হুশ ফিরলো তার। লেখাপড়া যে কিছুই করেনি, পরীক্ষায় বসবে কেমন করে? বন্ধুদের অভয়বাণীতে পরীক্ষা দিয়েছিল বৈকি! কিন্তু ওই, না পড়ে পরীক্ষা দিলে যা হয়, ডাঁহা ফেল। বন্ধুরা সব পাশ করে বিভিন্ন জায়গায় ভর্তি টর্তি হয়ে গেল। ঝাঁক থেকে ছিটকে গেলো সে একলা পাখি হয়ে। ওসব পত্রমিতালি টিতালি তখন দু’চোখের বিষ। কোনো মেয়ের দিকে তাকাতেই যেন ইচ্ছে করে না আর। রাগে দুঃখে নিজের মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে যেন। তবে পরের বছর পরীক্ষা দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল করে ভর্তি হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর ঠিক তখনই পুরোনো রোগটা মাথাচাঁড়া দিয়ে ওঠে। প্রেমে পতন। পরনে খদ্দরের পাঞ্জাবি , কাঁধে একটা ঝোলা, পায়ে চটি, মাথায় উস্কোখুস্কো চুল, চোখে উদাস দৃষ্টি। এসব ছাড়াও ছিল কথা। সুন্দর সুন্দর শব্দের সমাহারে বাক্যগঠন করে যখন রমণীদের সামনে পেশ করতো, রমণীরা মোহিত হয়ে যেতো একেবারে। কিন্তু সবার সাথে তো আর প্রেম করা যায় না! এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাকুল্যে দু’টো কি তিনটে প্রেম হয়েছিল তার। তবে সবই কেমন ভাসা ভাসা। গভীরতা বলতে যা বোঝায়, ওসব প্রেমে তার ঘাটতি ছিল বেশ। অতঃপর ভাসা ভাসা প্রেমের বেড়াজাল টপকে লেখাপড়াটা শেষ হলো। একটা চাকরিও জুটে গেল। চাকরিপ্রাপ্তির পর কিছুদিনের বিরতিতে থাকা প্রেমিক মনটা হঠাৎ করে এক কিশোরির প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে বিয়েই করে ফেললো। 

 

আপনারা ভাবছেন এখানেই বুঝি তার প্রেমকাহিনীর ইতি। “অতঃপর তাহারা সুখে সংসার করিতে লাগিলো” এই টাইপের কিছু।  নাহ্, ঘটনা আরও আছে। তবে যে দাঁত নিয়ে ঘটনার শুরু, সেটা কিছুটা আড়ালে চলে গেলো না? দাঁতের একটা ব্যবস্থা না হলে তো কুদরত খাঁ’র জীবনটাই বিষময় হয়ে উঠবে। যদি দাঁতটা খুলে পড়ে যায়, কথা বলতে বলতে জয়িতা যদি বলে, 

 

“তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে, একটু ভিডিও কল দিই?”

 

সব্বোনাশ! ভাবা যায় না! কী বেইজ্জতিটাই না হবে! এমনিতেই নিজেকে যথেষ্ট পরিপাটি করে রাখার প্রয়াস তার মধ্যে সর্বক্ষণ।  আর মেয়েদের সামনে তো সেটা আরও বেড়ে যায়। তারওপর জয়িতা বলে কথা! অমন রুচিশীল মেয়ে কি মেনে নেবে দাঁতহীন কুদরতকে? হয়তো সম্পর্কই শেষ করে দেবে।  এই বয়সে এসেও যে তার যৌবন যুবকদের চেয়েও কুড়মুড়ে, সে তো ওই জয়িতার জন্যেই। সেই জয়িতাকে হারালে চলে? চলে না…. চলে না! সেই যে চাকরিপ্রাপ্তির পর কিশোরীর প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে বিয়ে করে ফেলা,  বছরখানেকের ব্যবধানে বিচ্ছেদ, তারও বছরখানেক পর অ-রোমান্টিক এক মহিলাকে বিয়ে করা, ধীরে ধীরে জীবন বিষময় হয়ে ওঠা, কম ধকল তো যায়নি জীবনে!  

এই ধকলের মাঝেই তো রেশমী আলোর বন্যার মতো জয়িতার আগমন।  আর জয়িতার আগমনেই তো তার যৌবনের প্রায় হারিয়ে যাওয়া কুড়মুড়ে ভাবটা আবার ফিরে এলো!  তবে এর জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য দারুণ স্মার্ট মুঠোফোনের। ও বস্তু না এলে জীবন যে আরও বিষময় হয়ে উঠতো,  সে বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই। প্রযুক্তির কী দুর্দান্ত সুফল! কত আধুনিক তার ব্যবহার! বহুকাল আগে হারিয়ে যাওয়া পত্রমিতালীর নব্য সংস্করণ মেসেঞ্জার।  বন্ধু হও, চেনো জানো, চোখাচোখিরও ব্যবস্থা আছে। কতজন তো শোনা যায় থাকাথাকিও করে ওতে। তবে কুদরত খাঁ ওপথে এগোয়নি। যৌবনের শুরু থেকে আজ অব্দি তার প্রেম সম্পূর্ণ নির্বিষ।  আবেগ প্রকাশের আতিশয্যে কেবল ঠোঁটে ঠোঁট ছুঁইয়ে, রবি ঠাকুরের প্রেম পর্যায়ের কোনও গান আবৃত্তির ঢঙে বলাটাই তার কাছে চরম রোমান্টিকতা। যৌনতার প্রবেশাধিকার তারমধ্যে একেবারেই নেই।  একারণেই তো তার সেই যে সেই, চাকরিপ্রাপ্তির পর কিশোরী বউ, সে কিনা ভেবে নিয়েছিল কুদরত খাঁ অক্ষম! আর সে কারণেই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল বিবাহবিচ্ছেদ! যাকগে, যে যা ভাবে ভাবুক, যৌনতা বাদ দিয়েও কুদরতের কেরামতি কি কম!  এখন শুধু একটা দাঁত নিয়ে সামান্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। ও সামলে নেয়াই যায়! এই তো, পায়ে পায়ে চলেই এসেছে ডাক্তারের চেম্বারের সামনে। দেখাই যাক না, দাঁত নিয়ে ডাক্তার কি বলে!      

 

বেশ হাসি হাসি মুখে ডাক্তারের সামনে নিজের দাঁতের বৃত্তান্ত বর্ণনা করে অনেকটা হালকা লাগছে যেন।      

ডাক্তারটি বেশ বন্ধুসুলভ।  কী মধুর করেই না বললো, “কোনও চিন্তা করবেন না কুদরত সাহেব,  আপনার দাঁত অচিরেই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেবো।”

 

হালকা লাগছে বটে,  তবে মনের মাঝে সামান্য খচখচানিও টের পাচ্ছে কুদরত খাঁ,  অচিরেই মানে? আজ রাতের মধ্যে কি তার দাঁত ঠিক হবে না? পকেটে মোবাইলটা বেজে উঠলো হঠাৎ….      

 

আমারও পরাণও যাহা চায়

তুমি তাই,  তুমি তাই গো….  

 

এই রে, জয়িতা!!!!     

                                                                                          

 

২২৪জন ৫২জন
24 Shares

২৯টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য