কিংকর্তব্যবিমুঢ়=

ভোরের শিশির ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৯:৩৬:৩৪পূর্বাহ্ন রম্য ৮২ মন্তব্য

শব দে বলে শব্দে চেঁচালে মর তে এসেছি মর্তে!

বলি এ জগতে বাঁচতে এসেছে কে কবে শুনি???? সবাই তো চেঁচিয়েই সেই একই কাজ করে তবে এই মর্তে এতো চেঁচানো কেন! সবাই ধী-স্থির হলেই তো পারে, নাকই?

 

ভর তা না বলে বানালে ভর্তা; কর তা বলে চেঁচালেন কর্তা!

মর্তে এসে শব্দে চেঁচালেন শব দে’বার নামেই কিন্তু নিজের কায়া ভরতে না ভরতেই ভর্তা বানানো শুরু করলে কর্তা কি ‘কর তা’ না বলে ‘যাহা এগারো তাহাই বারতা’র বার্তা দিবেন?

 

স্ব ভাবে স্বভাব নিলে বিভা হারিয়ে জনে দাঁড়ায় বিভাজনে!

এই যে! শব্দে চেঁচালেন, ভর্তা বানালেন-তা এসব যে স্ব ভাবের সাথে স্বভাবেই নিয়ে নিলেন এতে স্ব বিভা যে বিভাজনে দাঁড় করালো তাতে কি হলো শুনি? ‘আসবার কাল এ কালে একা, যাওয়ার তাল এ তাল একা’ ভুলেছো বুঝি? কি লাভ হলো তবে? সেই তো স্বভাব ছেড়ে স্বভাবেই এলে মর তে, নাকি?

 

ভোগ নয় বলে হলে ভগ্ন বিষ অন্ন ভেবে হয় বিষণ্ণ!

বাহারে বাহা! স্ব ভাবে স্বভাব নিয়ে ভোগে হলে সারা! যেই না এলো ভোগে বিষ অন্ন অমনি ভগ্ন মনে হলে বিষণ্ন!! কি যে হবে, শব নিয়ে এলেই তো মর্তে?

 

জীবন নয় তো জীবন্ত যদি লাগে দূরের গ্রহের দুর্গ্রহ!

বেহেস্ত জানো, নরক চেনো কিন্তু স্বভাবের ভোগে বিভাজনে মর্তেই লাগাও দুর্গ্রহ!

হচ্‌(পচ)ছে যা-তা দেখেছে ত্রাতা, বনেছে-

কিংকর্তব্যবিমুঢ়=রাজার বিচারবুদ্ধিহীন প্রতিশ্রুতি

১৫৪০জন ১৫৪০জন
1 Shares

৮২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

মাসের সেরা ব্লগার

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ