একসাথে চারটি দাঁত যদি কোন দূর্ঘটনায় অকালে ভেঙ্গে যায় তবে না কেঁদে কি উপায় আছে ? আমিও কাঁদছি, না না ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না নয় একেবারে চোখের জলে ভাসিয়ে, কাঁদতে কাঁদতে দুপুরের ঘুমটা ভাঙ্গলো। ঘুম ভাঙ্গতেই হাসিতে ফেটে পড়ি, আমি যে বয়সে আছি সে বয়সটা কান্নার নয়, কান্না মানায় না একদম। ইংল্যান্ডের রয়েল ফ্যামিলির একটা নিয়ম আছে আর তা হলো রয়েল ফ্যামেলির কোন সদস্য প্রকাশ্যে কাঁদতে পারবেনা, কষ্ট যতই হোক তবুও না। দাঁত হারানো ত নস্যি কেউ যদি মারাও যায় তবুও কান্না কাটির কোন নিয়ম নেই তাই ত ১৯৯৭ সালে প্রিন্সেস ডায়না প্যারিসে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যাবার পরও ডায়নার দুই ছেলে উইলিয়াম ও হ্যারি কাঁদতে পারেনি কঠিন নিয়মের বলয়ে আটকা পড়ে যাওয়ায়। কিন্তু আমি ত তাদের কেউ না তাই আমি একটু আঘাতে কাঁদতেই পারি, হোক সেটা ঘুমের ঘোরে কিংবা জাগরণে। হোক প্রেয়সীর একটুকরো মিথ্যে অভিমানে কিংবা নিছক কোন দুঃস্বপ্নে। এবার তবে স্বপ্নের কথায় আসি যদিও স্বপ্নটা খুবই ক্ষ্যাত বা ফালতু টাইপের, খোয়াব নামা ঘাঁটা ঘাটি করা হয়ে গেছে কিন্তু এই স্বপ্নের কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাইনি তাই প্রকাশ করতে বাঁধা নেই।

আমি সাধারণত দুপুরে ঘুমাই না, কারণ প্রায়শই ঘুম ভাংতে ভাংতেই দুপুর হয়ে যায়। আমার ঘুম ভাঙ্গার আয়োজনও বেশ জমকালো বেশির ভাগ মানুষ আয়োজন করে ঘুমায় আর আমি আয়োজন করে ঘুম ভাঙ্গি কারণ সহজ ভাবে কোন কাজ আমি করতে পারিনা বলে। ঘুমটা ভেঙ্গে গেলেও বিছানা ছাড়তে বড় মায়া হয় ! তাই কম করে হলেও আধা ঘন্টা এপাশ ওপাশ গড়াগড়ি করি তারপর উঠে মিনিট পাঁচেক ঝিম মেরে বসে থাকি, বসা থেকে উঠা হয়ে গেলে ওয়াশ রুমের দিকে পা বাড়াই… থাক! ওখানে গিয়ে কি কি করা হয় তা আর বলার দরকার নেই। গত রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বলেই সক্কাল সক্কাল ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো, হাতে অখন্ড অবসর, অথচ বাইরে ম্যালা ম্যালা কাজ আছে কিন্তু হরতালের কারণে আটকা পড়ে যাওয়াতে বের হতে পারিনি। বৃষ্টিও হচ্ছিলো খুব তাই ইলেক্ট্রিসিটি ছিলোনা এমতাবস্থায় ঘুমানো ছাড়া আমার হাতে আর কোন কাজ ছিলোনা তাই শুয়ে পড়লাম। কখন ঘুমিয়ে পড়েছি তা খেয়াল নেই কিন্তু যা মনে আছে তা হলো হঠাৎ করেই দেখি আমার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়া তার সাত/আট মাস বয়েসী একটা ছেলে নিয়ে আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছেন, আত্মীয় স্বজন এলে যা হয়, সবাই তার আশে পাশে এসে ভিড় করে কুশলাদি জিজ্ঞেস করে, আমিও গেলাম কুশলাদি শেষ করে তার বাচ্চাটাকে আমার কোলে নিই। বাচ্চাটার কপালে আদর করে চুমু দিতে গিয়ে যখন ঠোঁটটা এগিয়ে দিলাম ঠিক তখনি বাচ্চাটা আমার ঠোঁটে তার মাথা দিয়ে পরপর কয়েকটা গুঁতো দিলো। ফুটপাতে থাকা সর্বরোগের চিকিৎসকের ওষুধের মতোই বাচ্চাটার গুঁতোর ফলাফল হাতে নাতে পেলাম। উপরের পাটির চারটা দাঁত সাথে সাথে ভেঙ্গে গেলো। আমি বাচ্চাটাকে তার মায়ের কোলে দিয়ে আমার ভাঙ্গা দাঁত হাতে নিয়ে কাঁদতে শুরু করে দিলাম। বাচ্চার মা একেবারে থ হয়ে আছেন এই পরিস্থিতিতে, তবুও বুঝতে পারছি তিনি খুবই সান্ত্বনা দিচ্ছেন আমাকে। আমার চোখের জল গাল বেয়ে গড়িয়ে বালিশ ভিজিয়ে দিলো ! ঠিক তক্ষনি ঘুমটা ভেঙ্গে যায়। ঘুমটা ভাঙতেই হাসিতে ফেটে পড়ি! কেউ কি এভাবে কাঁদে ???

কে কিভাবে কাঁদে তা জানা নেই। তবে গেলো কর্পোরেশন ইলেকশানে আমাদের পাড়ার আক্কাস ভাই কমিশনার পদে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু আক্কাস ভাই জয়ী হতে পারেননি, হেরেই গেলেন। হেরে গিয়ে অনেকেই কাঁদে কিন্তু তিনি কাঁদেননি কারণ তিনি হারার আগেই কান্না কাটির পর্ব সেরে নিয়েছিলেন। নির্বাচনী পোষ্টারে ইয়া বড় নিজের একটা ক্রন্দনরত ছবি ছাপিয়েছিলেন। এই কান্না তার নিজের জন্য নয় জনগণের জন্য, কিন্তু জনগণ তার কান্নার মূল্য দেয়নি বলে তিনি হেরে গিয়েও আর কাঁদেননি। মিডিয়ার কল্যাণে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কান্নাও আমাদের দেখা হয়ে গেছে বহুবার, পরিবার পরিজন হারিয়ে এতিম হওয়া আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কান্না আমরা টিভির পর্দায় দেখে থাকি প্রতি বছর। অন্যের দুঃখ ঘুচাতে না পারলেও কখনো সখনো অন্যের দুঃখেও তিনি কেঁদে উঠেন তাও আমরা টিভির কল্যাণে প্রায়শই দেখে থাকি। আমাদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রীকে সব সময় ফিটফাট বা পরিপাটি দেখে আমরা অভ্যস্ত থাকলেও তিনিও কাঁদেন, তার কান্নাও আমরা দেখেছি। বর্তমান সরকার যখন তাকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয় তখন তিনিও কেঁদেছিলেন অঝোরে। হাতে থাকা টিস্যু পেপার বার বার বদলাতে দেখে আমার বুকটাও কেঁদে উঠেছিলো তার সাথে। আমার এক দূর সম্পর্কীয় চাচাত ভাই ইফতেখার আহমদ দিনার, (সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক) সে তখন তার ম্যাডামের ক্রন্দনরত ছবি সারা শহরময় ছাপিয়ে লিখেছিলো “তুমি কেঁদোনা মা, আমরা আছি তোমার পাশে। তোমার এই কান্নার বদলা আমরা নেবো” কিন্তু সে তার কথা রাখতে পারেনি, গত ৩রা এপ্রিলে সেও ঢাকার উত্তরা থেকে এক বন্ধুসহ গুম হয়ে যায়। এখনো তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইলিয়াস আলী গুম হয়ে যাওয়ায় তার গুম হওয়ার বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। কিন্তু দিনারের মা-বাবা এখনো কেঁদে চলেছেন সেই সাথে কাঁদছে তার স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্যান্ন সদস্যরা।

পারতপক্ষে কেউই কাঁদতে চায়না, কারণ কান্না কাটি কোন গৌরব বা অহংকারের বিষয় নয়। কিন্তু যদি শোনে থাকেন যে কান্না নিয়েও প্রতিযোগীতা হচ্ছে তাহলে কেমন লাগে বলুন ? কেমন লাগে তা জানার আগে জেনে নিই এই কান্না প্রতিযোগীতা সম্পর্কে। অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন জাপানের বিখ্যাত একটি খেলার নাম হচ্ছে সুমো। এটাকে আমাদের ভাষায় কুস্তিও বলা যেতে পারে, অনেকটা আমাদের চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলি খেলার মতোই দুজন সুমো কুস্তিগীর পরস্পরের মোকাবিলা করে নিজের শারীরিক শক্তি দিয়ে। নিজের শরীরের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করেই জিততে হয় এই খেলাতে তবে বিশেষ সময়ে প্রত্যেক সুমো কুস্তিগীরেরা একটা করে নির্দিষ্ট বয়সের বাচ্চা শিশু কোলে নিয়ে মাঠে নামতে হয়। তখন যার বাচ্চা যত বেশি কাঁদতে পারবে তার মাথায়ই বিজয়ীর মুকুট চড়াবে মাঠে থাকা রেফারী বা খেলার পরিচালক। তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা জাপান কুসংস্কারেও বিশ্বের অনেক দেশ থেকে এগিয়ে, জাপানের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ বিশ্বাস করে সুমো কুস্তিগীরের কোলে থেকে বাচ্চারা কাঁদলে তারা বড় হয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়!

যাহোক, পরিসংখ্যান ঘাঁটাঘাঁটি করলে দেখা যায় অনেক কিছুর মতোই কান্না কাটিতেও নারীরাই শীর্ষস্থান দখল করে আছেন। রবীন্দ্র যুগেও কান্না কাটির শীর্ষ পদে নারীরাই ছিলো বলেই হয়তো রবী বাবু লিখে গেছেন “নারী জাতি যুক্তি বুঝেনা ওরা কেঁদেই জিততে চায়!” ভুল শুদ্ধ যা-ই হোক রবী বাবুর উপর কোন কথা-ই চলেনা। বিপরীতে পুরুষের দল কান্না কাটিতে বেশ দূর্বল, তারা প্রকাশ্যে কাঁদেনা, কান্নাগুলো জমিয়ে রাখে হৃদয়ের ভেতরে। তাই জমে থাকা কান্নার ভার সইতে না পেরে একটা সময় হার্ট বা হৃৎপিন্ডে নানান রকম জটিলতা দেখা দেয় এবং সময়ের আগেই পটল তুলে ফেলে এই কারণেই হয়তো বেশির ভাগ দেশে নারীদের চেয়ে পুরুষের গড় আয়ূ কম। আমার দাদুরা পাঁচ ভাই দুই বোন ছিলেন তাদের মধ্যে আমার দাদুসহ চারজনই (একজন এখনো জীবিত, স্ত্রী, সন্তান, নাতি-নাতনীর বিশাল বহর নিয়ে লন্ডনে বসবাস করছেন) আগে প্রস্থান করেছেন বিপরীতে তাদের পত্নীরা টিকে গেছেন, কেউ দশ বছর কেউ পনেরো বছর আর কেউ তিরিশ বছর টিকে থাকারও রেকর্ড আছে। সম্প্রতি একদল গবেষক প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে যারা কান্না কাটি বেশি করে তাদের হার্ট বেশি সবল থাকে এবং যথারীতি নারীদের হার্টই সবচে বেশি সবল কারণ তারা নিয়মিত কান্না কাটি করে থাকেন ছোট বড় নানান কারণে সুতরাং কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো অন্তত নিজের হার্ট সুস্থ্য রাখতে হলেও কাঁদো।

কারো কান্না দেখেই সঠিক ভাবে বুঝা যায়না যে সে আসলে কি কারণে কাঁদছে। তবে কেউ দুঃখের সিনেমা দেখে কাঁদে, কেউ চাহিদার যোগান না পাওয়ায় কাঁদে, কেউ চাহিদার অতিরিক্ত অপ্রত্যাশিত ভাবে পেয়ে গেলে কাঁদে, কেউ একটা ল্যাপটপের জন্য কাঁদে, কেউ একটা আই-ফোনের জন্য কাঁদে, কেউ একটা ক্যান্ডির জন্য কাঁদে আবার কেউ কেউ একমুঠো খাবারের জন্য। সম্প্রতি ফেসবুকের পাতায় একটি ছবি দেখে আমিও প্রায় কেঁদে উঠেছিলাম। দুটো পাউরুটি হাতে নিয়ে এক ইরাকি ভদ্র লোকের কান্নার ছবিটা দেখে আমি আর স্থির থাকতে পারিনি। কারণ ওই ভদ্রলোকের ক্ষুধার্ত শিশুরা খাবার না পেয়ে খুব কাঁদছিলো কিন্তু তিনি কোন ভাবেই তাদের জন্য খাবার সংগ্রহ করতে পারেননি, অবশেষে অনেক কষ্টে তাদের জন্য মাত্র দুটো পাউরুটি যোগাড় করেই অঝরে চোখের জল ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বিশ্বের বিবেকের কাছে, একদিকে উন্নত বিশ্বের লোকেরা প্রতিদিন হাজার টন খাবার নষ্ট করছে বিলাসীতায় আর অন্যদিকে অনুন্নত দেশে খাবার না পেয়ে মানুষেরাই নষ্ট হচ্ছে কষ্টের তীব্রতায়। কে জানে হয়তো এই ইরাকি ভদ্রলোকের কান্নার জলের অর্থ হতে পারে তার ব্যর্থতা বা হতে পারে কিছুক্ষণের জন্য হলেও তার সন্তানদের শান্ত রাখার সফলতার। সুখের কান্না আর দুঃখের কান্না দুটো কান্নারই জলের রঙ একই নইলে চোখের জলের রঙ দেখে বুঝে নিতাম তিনি সুখে কাঁদছেন নাকি দুঃখে কাঁদছেন।

সম্প্রতি আমাদের দেশে বিরোধী দল লাগাতার হরতালের ডাক দিচ্ছে। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই দারিদ্র সীমার নীচে বাস করছে। এই সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষেরা দিনে আনে দিনে খায়। একদিন কাজ না করলে তাদের উনুনে হাড়ি চড়েনা, মুখে খাবার জুটেনা। সরকারী হিসেব মতে একদিন যদি দেশে হরতাল পালন করা হয় তবে দেশের সাড়ে তিন’শ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে আমি সেদিকে নজর না দিয়ে দেশের এই নিরন্ন মানুষের দিকে তাকাতে চাই। একদিনের হরতালের কারণে বর্ণিত ইরাকি ভদ্রলোকের মতো কত অসহায় ক্রন্দনরত মানুষের জন্ম হয় এই দেশে তার খবর কি কেউ রাখে ? হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার বলেই জানি কিন্তু এটা কেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, যে অধিকার প্রয়োগের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখের খাবার হরণ করা হয়। কারো কারো জীবন পর্যন্ত হরণ করা হয়ে থাকে। আমাদের মৌলিক অধিকারের অন্যতম একটি অধিকার হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি কখনোই উন্নত হতে পারেনি, তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মদেরকে শিক্ষিত করে তোলা আমাদের দায়িত্ব, তারাই একদিন এই দেশের হাল ধরবে। অথচ আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৌলিক অধিকার হরণ করছি। দেশে এখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে অথচ হরতালের কারণে বার বার পরীক্ষার তারিখ পেছাতে হচ্ছে। পরীক্ষার্থীরা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে, কেউ কেউ অঝরে কাঁদছে। তাদের এই অসহায়ত্বের কান্না কি আমাদের বিবেকের দ্বারে একটুও আঘাত করেনা, আমাদের বিবেক কি কেঁদে উঠেনা ? আমরা কোন একজন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে পঙ্গু বলে অভিহিত করি অথচ আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতার কারণে আমাদের গোটা সমাজ ব্যবস্থাটাই পঙ্গু হয়ে আছে তার জন্য কি আমাদের একটুও কান্না পায়না ? আমরা কাঁদতে চাই, না কোন ব্যর্থতার কান্না নয়, কোন দুঃস্বপ্নে নয়, একটা সুন্দর বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলার আনন্দে কাঁদতে চাই। কাঁদতে কাঁদতে দীর্ঘজীবি হতে চাই, আমাকে বাঁচতে দাও, আমাকে কাঁদতে দাও…

জবরুল আলম সুমন
সিলেট।
১লা মে ২০১২ খৃষ্টাব্দ।

বিঃ দ্রঃ এই নোটটা প্রায় ছয় মাস আগে লিখেছিলাম তখনকার পরিস্থিতির উপর, একটা দৈনিকেও লেখাটি সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশ হয়েছে। আমাদের দেশে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি বার বার ঘটে, এটাই যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে… সরকার বদলাবে কিন্তু পরিস্থিতি বদলাবেনা। এই লেখার মঞ্চায়ন হয়তো আবারো ঘটবে নতুন কোন সরকারের মেয়াদে।

কান্না
আমরা কাঁদতে চাই, না কোন ব্যর্থতার কান্না নয়, কোন দুঃস্বপ্নে নয়, একটা সুন্দর বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলার আনন্দে কাঁদতে চাই। কাঁদতে কাঁদতে দীর্ঘজীবি হতে চাই, আমাকে বাঁচতে দাও, আমাকে কাঁদতে দাও…
৩২২জন ৩২২জন
0 Shares

১২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য