সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

করোনার সময়ে…..

কামাল উদ্দিন ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ০৬:১৬:৫৪অপরাহ্ন সমসাময়িক ৩০ মন্তব্য

দাদা হয়েছি গতকাল। হসপিটালে ওটির সামনে বসে থেকে খুব গরম লাগছিলো। তাই জিএফসি স্ট্যান্ড ফ্যানটা হাই স্পীডে চালিয়ে সামনে বসেছিলাম। নাতনীর মুখ দেখে হসপিটাল থেকে বের হওয়ার পরই অনুভব করলাম গলাটা বেশ ভালোই ব্যাথা করছে। একটু আধটু হাচি কাঁশিও আসছে,করোনার এই সময়ে লক্ষণটা ভালো নয়। ভাবলাম একটা কড়া লাল চা খেয়ে গলা ব্যাথাটা কমিয়ে নেই। পরিচিত দোকানী রাত এগারটায় আমাকে কখনো ওর দোকানে দেখেনি। চায়ের কথা বলার পর দেখলাম অন্যদের অর্ডারে বানানো চায়ের কাপটাই আমাকে দিয়া দিল। চায়ের তীব্র গরম গলার ভেতর লাগলে হয়তো ব্যাথাটা কিছু কমবে এই ভেবে তীব্র গরম চা মুখে চালান করে দিলাম। জিহ্বাটা পুড়ে একটা ডাবল ব্যাথায় পড়ে গেলাম।

বাকী চা টুকু আস্তে আস্তে পান করছি, আর যাতে জিহ্বাটা আরো পুড়ে না যায়। পাশের ভাংগারি দোকানের ছেলেটা চায়ের দোকানে এসে চা রুটির অর্ডার করে আমার সামনের টুলটায় বসল। অন্য একজনকে জিজ্ঞেস করলো কাল থেকে নাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে? সে বললো অবশ্যই বন্ধ করবে, টিভির খবর দেখিসনি? দেখলাম ছেলেটার মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেল। হয়তো তার ইনকাম বন্ধ হয়ে গেলে উপোস করার শংকা এসে মনে ভর করেছে। আমারও মনটা খারাপ হলো, কিন্তু এখানে যে আমাদের কারো হাত নেই।

৩৬০জন ২১৭জন
3 Shares

৩০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ