করোনাকালে আমরা (আড্ডা পোস্ট).

ইঞ্জা ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, শুক্রবার, ১২:১০:৪১পূর্বাহ্ন আড্ডা ২৮ মন্তব্য

জীবনটা শুধু আল্লাহর ওয়াস্তে চলেনা, সাথে নিজেরও চেষ্টা থাকতে হয় জীবনকে এগিয়ে নেওয়ার, তাহলেই আল্লাহ সহায় হোন। 

তেমনি এক বিশেষ কারণে নিজেকে সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছিলাম, এর জন্য সত্যি আমি ক্ষমাপ্রার্থী। 

 প্রিয় ব্লগারবৃন্দ এবং পাঠকবৃন্দ,

আপনারা সবাই কেমন আছেন?

আশা করি সবাই ভালো আছেন।

আসলেই জীবন জীবিকার তাগিদে গত কয়েক মাস আপনাদের থেকে দূরে থাকলেও, সত্যিকার অর্থে আপনাদের সবাইকে খুব মিস করেছি। 

যাক এইসব কথা, আগে বলুন ভ্যাক্সিন কে কে নিয়েছেন?

এই প্যান্ডেমিক সিচুয়েশনে বিশ্বের প্রায় ২৫ কোটি মানুষ আক্রান্ত এবং বিশ লক্ষের কাছাকাছি মৃত্যু হয়েছে, এমতাবস্থায় আপনাদের কার কি অবস্থা হয়েছিলো, কিভাবে কাটালেন বা কাটাচ্ছেন এই দুঃসময়, আসুন শেয়ার করি আমাদের অভিজ্ঞতা আজকের এই আড্ডায়। 

আমার কথা বলি, করোনার শুরুতেই আমি চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হই, যা কিছু জমানো টাকা ছিলো তা আগেই শেষ করেছি, আমার ছেলেই তার আয় থেকে পুরা সংসার চালিয়ে গেলেও লকডাউনে সবাই ঘরবন্দী হয়ে পড়ি, তখন আগেই কিনে রাখা জরুরী খাদ্য সামগ্রী দিয়েই চলতে হয়, দুই মাস পর ছেলে বাধ্য হয় ঘর থেকে বেরুতে, গত অক্টোবরে আমি নতুন চাকরিতে জয়েন করি।

এপ্রিলের শুরুতে আমার ছেলে করোনায় আক্রান্ত হয়, বাল্যবন্ধু ডাক্তার বলে সেই ফোনে চিকিৎসা দিলো, প্রায় পনেরো দিন লেগেছিলো পরিপূর্ণ সুস্থ হতে, ভাগ্য ভালো আমরা কেউ আর আক্রান্ত হইনি।

যদিও বন্ধু ডাক্তারই বলেছিলো টেস্ট করার দরকার নেই, পুরা সিন্টমই করোনার, তাই আর টেস্টও করিনি, করোনার চিকিৎসায় চালিয়ে গেছি নিজেদেরকে খুবই সতর্কতার মধ্যে রেখে। 

আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেও সুস্থ হয়ে উঠলো, আলহামদুলিল্লাহ। 

 

করোনার মাঝে আমি আমার ঘনিষ্ট দুই বাল্যবন্ধু হারিয়েছি, যাদের অনুপস্থিতি আমাকে এখনো কুড়ে কুড়ে খায়, আল্লাহ তাদের আত্মাকে শান্তিতে রাখুক, তাদেরকে আল্লাহ কারিম জান্নাতবাসী করুন, আমীন। 

এখন বলুন আপনাদের মিশ্র অভিজ্ঞতা, শুনতে চাই সবার কাছ থেকে।

ভালো থাকবেন সবাই, সাথে থাকুন, মন্তব্য করে জানান দিন।

 

সমাপ্ত।

৩৩৪জন ১৬০জন
19 Shares

২৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য