ওগো হুনছো নি!

প্রদীপ চক্রবর্তী ৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৩:০০অপরাহ্ন চিঠি ১৫ মন্তব্য

এরে হুনরায়নি গো?
বাক্কা কতদিন অইগেছে তোমারে দেখছি না।
আমার জানে বড়ো আনচান আনচান করে তোমারে দেখার লাগি।
যেমনে ঢাকা শহর গিয়া বইলায়,বউবাইচ্চার খবরও নেও না এ কি আবস্তা আরম্ভ করলায় তুমি।
তোমার দুও পোয়া পুড়িনিতে আব্বা আব্বা কইয়া কান্দিতরা একছারা তোমারে দেখার লাগি।
আমার বিয়ান,মাধান,আইন্জা,রাইত ঘুম নাই তোমার চিন্তায়। আর মাইনসে আমারে আইয়া যুক্তি দেইন তুমি বুলে আমারে ছাড়ি দিছো। আমি আরও মাইনসরে কই ধূর ধূর ইতা মাত আমার বাড়ির ছিটনালে মাতিও না।
আমার জামাই ইলা নায়।
এরে হুনছো গো?
তোমার হুরু পুড়ি ওগুয়ে কর আব্বারে কও আমার লাগি লালজামা আনতা। আর ইবায় দিয়া বড় পোয়া আবুলে কর ও আম্মা আব্বাররে কও আমারে ভালা এগুয়া টাস মোবাইল দিতা।
এরে ওগো এক কাম করিও ভালা মোবাইল এগুয়া দিও। তেউ তোমার লগে রাইতকুভালা বিডিও কল না কিতা যে কইন অতা দিয়ে কল দিমু। আমার জানে বড়ো টানের তোমারে দেখার লাগি।
তুমি বাড়িত আইলে তোমার লগে ঢাকা শহরে গিয়া ফাকাইতাম আমার যে শখ। দুওজনে মিলিয়া হাতো হাত ধরিয়া ফাকাইমু। এরে এক লগে ওকলতা মনও হয় না হাতিরজিল আর যে কিতা কিতা আছে ওতাত পাকাইমু।
গাউবায় দুইদিন থাকি চুর ডাকাইত বাড়ছোইন।
আমার খুব ডর ডর করের। এরে হুনো যদি তোমার বেতনে কোলায় তে ঢাকাত বাসা চাইলাইবায়।
পুয়া,পুড়িন লইয়া তেই আমরা সুখে শান্তিতে থাকমু।

ওগো তোমার বড় পোয়া ওগুয়ে আবো মুতে। আর শয়তানামী করে। কাইল গিয়া তাবিজ আনছি মেসাবর গাছ থাকি।টাকা পয়সা নিছইন না মেসাবে।
দিন মাধান বেশ ভালা নায় তোমার পোয়া ইগুয়ে পড়াত বয় না কোন্তা না আর গাউর হতা পোয়াইনতর লগে হারাদিন বাউটামি করে।
আর রাইত হইলে বিছনাখাতাত মুতে। বুরবুরা গন্ধ। তার ইতা খাতাকাপড় আমি ধই না। ওগুরে পারো তে ঢাকা বায় লইয়া যাও। আমি আর সামাল দিতাম পারিয়ার না। হে মাত্র কেল্লাস নাইনে পড়ে আর অতা আভঙ্গি করের আমার লগে। তুমি বাড়িত আও ধউলদি।
আমার পুড়ি ওগু ভালা।
কামকাজ করে আর কতাও হুনে।
আমার আর ভালা লাগের না তুমি ধউলদি বাড়িত আও। এরে দেখছো নি কতায় কতা বাড়ে আর মতনে ঘি। লিপিস্ট,ক্রিম,পাউডার,শাড়ি আনিও ভালা ছাইয়া।
এরে ওগো ভালা থাকিও। শরীরবায় কিয়াল রাখিও। তুমি বুড়া হইগেলে তোমারে লইয়া ফাকাইতে শরম শরম করব আর মাইনসে দেখিয়া কইবা আমারে বুড়াবেটার বউ। কিছু টাকা পয়সা পাঠাইও।
দুইদিন হইছে মাছমাংস কাইছি না।
চিঠি পাঠাইও আর আগামী মাসও টাকার লগে অউ যে কইছলাম মোবাইল এগু লগে দিও।
বেশ দেরী করিও না আইও।
আর দোয়া করিও ওগো আবুলের বাপ।
ওগো তুমি নু আমার জানের আদাখান,পরানের ফরান।

ইতি
তোমার একমাত্র সোনাবউ জানোর আদাখান আঙ্গুরা।

.

সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় হবুবরের কাছে সোনাবউয়ের চিঠি।

১০৮জন ৯জন
3 Shares

১৫টি মন্তব্য

  • তৌহিদ

    আমার আর ভালা লাগের না তুমি ধউলদি বাড়িত আও। 😂😂

    আহারে, বেচারি দুইদিন মাছ মাংস খায় নাই, আর বজ্জাত স্বামী মোবাইল দিতে চেয়েও দেয়নি!!

    আজ বাসায় আসলে খবর আছে। অনেক শব্দ বুঝিনি দাদা, তবে অনুমানে কথার ভাব বুঝে নিয়েছি। হাসতে হাসতে পেট খিল ধরে গেলো।

    ভালো লাগলো পড়ে।

    • প্রদীপ চক্রবর্তী

      এইযে শুনছো গো?
      অনেকদিন হয়েগিয়েছে তোমাকে দেখি নাই।
      আমার বুকে বড়ো আনচান আনচান করছে তোমাকে দেখার জন্য।
      যেমন করে ঢাকা শহর গিয়ে বসে আছো,আমার,আর ছেলেমেয়ের খবর নাও না এ কি অবস্তা আরম্ভ করেছ তুমি।
      তোমার দুই ছেলেমেয়ে আব্বা ( বাবা /বাবা) আব্বা করে কাঁদিতেছে সবসময় তোমাকে দেখার জন্য।
      আমার সকাল,দুপুর,সন্ধ্যা,রাত্রি ঘুম নেই তোমার চিন্তায়। আর মানুষে আমাকে এসে যুক্তি দিচ্ছে তুমি নাকি আমাকে ছেড়ে দিয়েছ। আমি মানুষকে বলছি ধূর ধূর এসব কথাবার্তা আমার বাড়ির আশেপাশে বলবে না।
      আমার জামাই এমন নয়।
      এই শুনছো গো?
      তোমার ছোট মেয়েটা তোমাকে বলছে আব্বাকে(বাবাকে) বলো আমার জন্য লালজামা আনতে । আর এদিক দিয়ে বড় ছেলে আবুলে বলছে আম্মা ( মা ) আব্বাররে/ বাবাকে বলো আমার জন্য ভালো একটা টাস মোবাইল দিতে।
      এই যে ওগো এক কাজ করো ভালো মোবাইল একটা দিতে। ওগো তোমার সাথে রাত্রিবেলা বিডিও কল না কি যে বলে এসব দিয়ে কল দিবো। আমার বুকে বড়ো টানছে তোমাকে দেখার জন্য।
      তুমি বাড়িতে আসলে তোমার সাথে ঢাকা শহরে গিয়ে বেড়াব আমার অনেক শখ। দুজনে মিলে হাতে হাত রেখে বেড়াব। এই এক সাথে সকলকিছু মনে হয় না হাতিরজিল আর যে কি কি আছে এসবল বেড়াব।
      গ্রামে দুইদিন থেককে চুর ডাকাত বেড়েছে।
      আমার অনেক ভয় ভয় করছে। এই শুনো যদি তোমার বেতনে ভালো চলে তাহহলে ঢাকায় বাসা কিনে ফেলবে।
      ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো।

      ওগো তোমার বড় ছেলেটায় এখনো প্রসাব আর শয়তানী করে। কালকে গিয়ে তাবিজ এনেছি মেসাবর কাছ থেকো।টাকা পয়সা নেন নি মেসাবে।
      দিন দুপুর বেশ ভালো নেই তোমার ছেলেটায় পড়তে বসেনা কিছুনা। আর গ্রামের ছেলের সাথে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়।
      আর রাত্রি হইলে বিছনায় প্রসাব করে। অনেক গন্ধ। তার বিছানাপত্র আমি পরিষ্কার করি না। ওগো তোমার ছেলেকে যদি পারো তাহলে ঢাকা নিয়ে যাও। আমি আর আটকে রাখতে পারছি না। সে মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ে আর এসব উল্টাপাল্টা করে থাকে আমার। তুমি বাড়িতে আসো তাড়াতাড়ি।
      আমার মেয়েটা ভালো।
      কামকাজ করে আর কথাবার্তা ও শুনে।
      আমার আর ভালো লাগছে না তুমি তাড়াতাড়ি এসো। এই যে দেখছ কথায় কথা বাড়ে আর মতনে ঘি। লিপিস্ট,ক্রিম,পাউডার,শাড়ি আনিও ভালো দেখে।
      এই যে ওগো ভালো থেকো। শরীরের দিকে খেয়াল রেখেও। তুমি বুড়ল হয়ে গেলে তোমাকে নিয়ে বেড়াতে শরম শরম করবে আর মানুষ দেখে বলবে আমাকে বুড়ো স্বামীর বউ। কিছু টাকা পয়সা পাঠাবে।
      দুইদিন হইছে মাছমাংস খাইনি।
      চিঠি পাঠাবে আর আগামী মাসে টাকার সাথে ঐ যে বলেছিলাম মোবাইল একটা সাথে দিবে।
      বেশি দেরি করবে না এসো।
      আর দোয়া করিও ওগো আবুলের বাপ / বাবা।
      ওগো তুমি তো আমার হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা, প্রাণের প্রাণ।

      ইতি
      তোমার একমাত্র সোনাবউ হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা আঙ্গুরা।

  • হালিম নজরুল

    “আমার আর ভালা লাগের না তুমি ধউলদি বাড়িত আও। এরে দেখছো নি কতায় কতা বাড়ে আর মতনে ঘি। লিপিস্ট,ক্রিম,পাউডার,শাড়ি আনিও ভালা ছাইয়া।”
    —————আঞ্চলিক লেখায় মজা পাইলাম।

    • প্রদীপ চক্রবর্তী

      এইযে শুনছো গো?
      অনেকদিন হয়েগিয়েছে তোমাকে দেখি নাই।
      আমার বুকে বড়ো আনচান আনচান করছে তোমাকে দেখার জন্য।
      যেমন করে ঢাকা শহর গিয়ে বসে আছো,আমার,আর ছেলেমেয়ের খবর নাও না এ কি অবস্তা আরম্ভ করেছ তুমি।
      তোমার দুই ছেলেমেয়ে আব্বা ( বাবা /বাবা) আব্বা করে কাঁদিতেছে সবসময় তোমাকে দেখার জন্য।
      আমার সকাল,দুপুর,সন্ধ্যা,রাত্রি ঘুম নেই তোমার চিন্তায়। আর মানুষে আমাকে এসে যুক্তি দিচ্ছে তুমি নাকি আমাকে ছেড়ে দিয়েছ। আমি মানুষকে বলছি ধূর ধূর এসব কথাবার্তা আমার বাড়ির আশেপাশে বলবে না।
      আমার জামাই এমন নয়।
      এই শুনছো গো?
      তোমার ছোট মেয়েটা তোমাকে বলছে আব্বাকে(বাবাকে) বলো আমার জন্য লালজামা আনতে । আর এদিক দিয়ে বড় ছেলে আবুলে বলছে আম্মা ( মা ) আব্বাররে/ বাবাকে বলো আমার জন্য ভালো একটা টাস মোবাইল দিতে।
      এই যে ওগো এক কাজ করো ভালো মোবাইল একটা দিতে। ওগো তোমার সাথে রাত্রিবেলা বিডিও কল না কি যে বলে এসব দিয়ে কল দিবো। আমার বুকে বড়ো টানছে তোমাকে দেখার জন্য।
      তুমি বাড়িতে আসলে তোমার সাথে ঢাকা শহরে গিয়ে বেড়াব আমার অনেক শখ। দুজনে মিলে হাতে হাত রেখে বেড়াব। এই এক সাথে সকলকিছু মনে হয় না হাতিরজিল আর যে কি কি আছে এসবল বেড়াব।
      গ্রামে দুইদিন থেককে চুর ডাকাত বেড়েছে।
      আমার অনেক ভয় ভয় করছে। এই শুনো যদি তোমার বেতনে ভালো চলে তাহহলে ঢাকায় বাসা কিনে ফেলবে।
      ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো।

      ওগো তোমার বড় ছেলেটায় এখনো প্রসাব আর শয়তানী করে। কালকে গিয়ে তাবিজ এনেছি মেসাবর কাছ থেকো।টাকা পয়সা নেন নি মেসাবে।
      দিন দুপুর বেশ ভালো নেই তোমার ছেলেটায় পড়তে বসেনা কিছুনা। আর গ্রামের ছেলের সাথে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়।
      আর রাত্রি হইলে বিছনায় প্রসাব করে। অনেক গন্ধ। তার বিছানাপত্র আমি পরিষ্কার করি না। ওগো তোমার ছেলেকে যদি পারো তাহলে ঢাকা নিয়ে যাও। আমি আর আটকে রাখতে পারছি না। সে মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ে আর এসব উল্টাপাল্টা করে থাকে আমার। তুমি বাড়িতে আসো তাড়াতাড়ি।
      আমার মেয়েটা ভালো।
      কামকাজ করে আর কথাবার্তা ও শুনে।
      আমার আর ভালো লাগছে না তুমি তাড়াতাড়ি এসো। এই যে দেখছ কথায় কথা বাড়ে আর মতনে ঘি। লিপিস্ট,ক্রিম,পাউডার,শাড়ি আনিও ভালো দেখে।
      এই যে ওগো ভালো থেকো। শরীরের দিকে খেয়াল রেখেও। তুমি বুড়ল হয়ে গেলে তোমাকে নিয়ে বেড়াতে শরম শরম করবে আর মানুষ দেখে বলবে আমাকে বুড়ো স্বামীর বউ। কিছু টাকা পয়সা পাঠাবে।
      দুইদিন হইছে মাছমাংস খাইনি।
      চিঠি পাঠাবে আর আগামী মাসে টাকার সাথে ঐ যে বলেছিলাম মোবাইল একটা সাথে দিবে।
      বেশি দেরি করবে না এসো।
      আর দোয়া করিও ওগো আবুলের বাপ / বাবা।
      ওগো তুমি তো আমার হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা, প্রাণের প্রাণ।

      ইতি
      তোমার একমাত্র সোনাবউ হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা আঙ্গুরা।

    • প্রদীপ চক্রবর্তী

      এইযে শুনছো গো?
      অনেকদিন হয়েগিয়েছে তোমাকে দেখি নাই।
      আমার বুকে বড়ো আনচান আনচান করছে তোমাকে দেখার জন্য।
      যেমন করে ঢাকা শহর গিয়ে বসে আছো,আমার,আর ছেলেমেয়ের খবর নাও না এ কি অবস্তা আরম্ভ করেছ তুমি।
      তোমার দুই ছেলেমেয়ে আব্বা ( বাবা /বাবা) আব্বা করে কাঁদিতেছে সবসময় তোমাকে দেখার জন্য।
      আমার সকাল,দুপুর,সন্ধ্যা,রাত্রি ঘুম নেই তোমার চিন্তায়। আর মানুষে আমাকে এসে যুক্তি দিচ্ছে তুমি নাকি আমাকে ছেড়ে দিয়েছ। আমি মানুষকে বলছি ধূর ধূর এসব কথাবার্তা আমার বাড়ির আশেপাশে বলবে না।
      আমার জামাই এমন নয়।
      এই শুনছো গো?
      তোমার ছোট মেয়েটা তোমাকে বলছে আব্বাকে(বাবাকে) বলো আমার জন্য লালজামা আনতে । আর এদিক দিয়ে বড় ছেলে আবুলে বলছে আম্মা ( মা ) আব্বাররে/ বাবাকে বলো আমার জন্য ভালো একটা টাস মোবাইল দিতে।
      এই যে ওগো এক কাজ করো ভালো মোবাইল একটা দিতে। ওগো তোমার সাথে রাত্রিবেলা বিডিও কল না কি যে বলে এসব দিয়ে কল দিবো। আমার বুকে বড়ো টানছে তোমাকে দেখার জন্য।
      তুমি বাড়িতে আসলে তোমার সাথে ঢাকা শহরে গিয়ে বেড়াব আমার অনেক শখ। দুজনে মিলে হাতে হাত রেখে বেড়াব। এই এক সাথে সকলকিছু মনে হয় না হাতিরজিল আর যে কি কি আছে এসবল বেড়াব।
      গ্রামে দুইদিন থেককে চুর ডাকাত বেড়েছে।
      আমার অনেক ভয় ভয় করছে। এই শুনো যদি তোমার বেতনে ভালো চলে তাহহলে ঢাকায় বাসা কিনে ফেলবে।
      ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো।

      ওগো তোমার বড় ছেলেটায় এখনো প্রসাব আর শয়তানী করে। কালকে গিয়ে তাবিজ এনেছি মেসাবর কাছ থেকো।টাকা পয়সা নেন নি মেসাবে।
      দিন দুপুর বেশ ভালো নেই তোমার ছেলেটায় পড়তে বসেনা কিছুনা। আর গ্রামের ছেলের সাথে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়।
      আর রাত্রি হইলে বিছনায় প্রসাব করে। অনেক গন্ধ। তার বিছানাপত্র আমি পরিষ্কার করি না। ওগো তোমার ছেলেকে যদি পারো তাহলে ঢাকা নিয়ে যাও। আমি আর আটকে রাখতে পারছি না। সে মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ে আর এসব উল্টাপাল্টা করে থাকে আমার। তুমি বাড়িতে আসো তাড়াতাড়ি।
      আমার মেয়েটা ভালো।
      কামকাজ করে আর কথাবার্তা ও শুনে।
      আমার আর ভালো লাগছে না তুমি তাড়াতাড়ি এসো। এই যে দেখছ কথায় কথা বাড়ে আর মতনে ঘি। লিপিস্ট,ক্রিম,পাউডার,শাড়ি আনিও ভালো দেখে।
      এই যে ওগো ভালো থেকো। শরীরের দিকে খেয়াল রেখেও। তুমি বুড়ল হয়ে গেলে তোমাকে নিয়ে বেড়াতে শরম শরম করবে আর মানুষ দেখে বলবে আমাকে বুড়ো স্বামীর বউ। কিছু টাকা পয়সা পাঠাবে।
      দুইদিন হইছে মাছমাংস খাইনি।
      চিঠি পাঠাবে আর আগামী মাসে টাকার সাথে ঐ যে বলেছিলাম মোবাইল একটা সাথে দিবে।
      বেশি দেরি করবে না এসো।
      আর দোয়া করিও ওগো আবুলের বাপ / বাবা।
      ওগো তুমি তো আমার হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা, প্রাণের প্রাণ।

      ইতি
      তোমার একমাত্র সোনাবউ হৃদয়ের অর্ধেক ঠুকরা আঙ্গুরা।

  • শাহরিন

    ছেলে মানুষ হয়ে মেয়েদের মনের কথা অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। সংসার এর বয়স বাড়লে চিঠিতে ভালোবাসার উপস্থাপন ও বদলে যায়। ভালোবাসা গুলো যত্নে থাকুক আর আবুলের বাপ তারাতাড়ি তার সোনাবউ এর কাছে চলে আসুক এই কামনা করি।

  • এস.জেড বাবু

    আমার বিয়ান,মাধান,আইন্জা,রাইত ঘুম নাই তোমার চিন্তায়। আর মাইনসে আমারে আইয়া যুক্তি দেইন তুমি বুলে আমারে ছাড়ি দিছো। আমি আরও মাইনসরে কই ধূর ধূর ইতা মাত আমার বাড়ির ছিটনালে মাতিও না।
    আমার জামাই ইলা নায়।

    সরল বিশ্বাস

    হাতিরঝিল দেখার ইচ্ছেটা পূর্ণ হওয়া উচিত-

    ভাষা সম্ভবত মৌলভীবাজার অংশের- আমি ভুলও হতে পারি।

    সুন্দর লিখেছেন।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য