একদিন অভিমান করব

আগুন রঙের শিমুল ২৮ জানুয়ারী ২০১৫, বুধবার, ১১:০১:৩৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩২ মন্তব্য

একদিন ঠিক অভিমান করব, ইশ্বরের নির্লিপ্তির মুখোশ উন্মোচিত হবে যেদিন। যেদিন তুমি এসে সামনে দাঁড়াবে, অথবা দাড়াবেনা। চলে যাবে নির্বিকার, সেদিন ঠিক অভিমান করব।

ভেসে যেতে যেতে যদি থামতে ইচ্ছে হয় ,তবে নাহয় থেমো যে কোন ঘাটে। না ঘাট খুজতে হবেনা, যেখানে থামাবে তরী সেইখানে গড়ে দেবো নতুন বন্দর; নতুন সভ্যতা । আমাদের নতুন পৃথিবীতে আমাদের নিয়মে চলবে সব, হৃদয়ের উষ্ণতায় মাপা হবে সবকিছু, ভালোবাসার ফসলেরা কলরোলে মুখরিত করে রাখবে যাবতীয় দুঃখবোধ। দিনের আলোয় চাষবাস ছেরে আসা যাযাবর জীবনের মতো। রাত্তিরে উৎসব,আগুনের আলোয়।আমরা জীবন কাটাবো আদিম মানবের।

যেদিন উঠবে পূর্ণ চন্দ্র, ট্রাভেলারস মুন সেদিন আমরা বেড়িয়ে পরব পুরানো আবাস ছেরে খুজে নেব নতুন বসতি।জগতের আনন্দযজ্ঞের পূর্ণ নিমন্ত্রণ সেখানে।প্রতিটি সন্ধ্যায় ক্যাম্প ফায়ারের পাশে তোমাকে সাজাবো ঈশ্বরী সাজে। অনন্ত জীবনের আগুনে পুড়িয়ে খাটি জীবন।

তারপরেও যদি খোলস ছারতে ইচ্ছে না হয়, তবে সব ভাসিয়ে দিয়ে নেমে যেও জলে। অথবা পূর্বজন্মের স্মৃতিতে তন্ময় হয়ে থেকো একেবারে। আমি ঠিক খুজে নেব পথ, যদিও জানি ততদিনে পথের রেখাও ঢেকে যাবে ঘাসে। তবুও ভরসা আছে অভ্যস্ত পায়ের ওপর। যাযাবরের পা তাকে ভুল ঠিকানায় নিয়ে গেলেও পরিচিত পথ খুজে নিতে ভুল করবে না।  ততদিনে যদি জন্মায় মায়া, কি আসে যায়। ক্ষণিকের দুঃখবোধ হয়েই নাহয় রইল।

এখনো গোধূলি ও জোছনায় আমি বসি, সেও বসে।
আমি বসে থাকি একাকী আর সে, অন্য যুবকের পাশে।

 

মানুষের আসলে নিজেরই জানা নেই সে কি চায়, কেন চায়? কারনটাও বোধগম্য, তার আসলে নিজের ব্যাপারে স্বছ ধারনাই নেই।  প্রেমে অথবা অপ্রেমে সাধনা, এবং যুগপৎ ঈর্ষাক্রান্ত মানুষের সাধনা কেবলি তার নিজেকে ছারিয়ে যাওয়ার, কেবলি অতৃপ্তির। তবু মানুষের আশা তার নিজের থেকেও বড়। আশা যতদিন আছে ততদিন অভিমান থাকবেই, থাকবেই জারুল গাছের নীচে একা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া।

আগলে জনম মোহে …… আগলে জনম 🙂

 

 

 

কবিতাংশ – জাকিরদা

৮৭জন ৮৭জন
0 Shares

৩২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য