একদিনের ভ্রমণ আর কিছু ছবি – ২

কামাল উদ্দিন ৭ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ০৬:৩০:১৬পূর্বাহ্ন ছবিব্লগ ১৬ মন্তব্য

ঘোরাফেরার নেশাটা আমার অনেক পুরোনো। সুযোগ পেলেই বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াই, পাখি দেখি, ফুল দেখি, আর মাঝে মাঝে ছবি তোলার চেষ্টা করি। ইচ্ছে করে পাহাড়ে হেলান দিয়ে নীল আকাশ দেখি, ইচ্ছে করে ঘাস ফুলদের সাথে চুপি চুপি কথা বলি, ইচ্ছে করে সাগর, নদী খাল-বিলে সাতার কাটি রাজহংসের মতো। ইচ্ছে করে ঝুম বৃষ্টির আলিঙ্গনে মনের ভেতর সজীবতার সৃজন করি। ইচ্ছে করে বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি মাটির সুবাস নেই।

ইচ্ছেগুলো কতটা সফল হবে জানিনা, তবে সংসারের যাতাকল থেকে সুযোগ পেলেই আমি হারিয়ে যাই আমার ইচ্ছে ভুবনে। সেই সাথে আমার দেখা সৌন্দর্যকে ধরে রাখার জন্য তুলে রাখি অঢেল ছবি, আর সেই ছবিগুলো নিয়েই আমার “একদিনের ভ্রমণ আর কিছু ছবি” নামক সিরিজটা শুরু করলাম।

(নরসিংদীর পলাশ থানার কিছু গাও গেরামে ঘুরাঘুরির ছবি নিয়ে আজকের পোষ্ট)


(২) গ্রামের ভেতরে ঢোকার একটা ইটো পথ, মানে ইট বিছানো পথ।


(৩/৪) ইটো পথে গ্রামে ঢোকার মুখেই কলা গাছে বসে বুলবুলি আর তাল গাছ থেকে মাছরাঙাটা আমাদের অভ্যর্থ্যনা জানাল।


(৫) পাশের জলাশয়ে ফুটে থাকা পদ্মরাও শুভেচ্ছা জানাতে কার্পণ্য করেনি এতোটুকু।


(৬) কলার শিশুকাল।


(৭) শিকারের অপেক্ষায় শাপলা পাটায় বসে থাকা একটি বক।


(৮) খরা পেতে মাছ ধরছে একজন জেলে।


(৯) ইলেক্ট্রিক তারে খুনসুটিতে ব্যস্ত ঘুঘু পাখি।


(১০) পদ্ম ফুলের ফোটার অপেক্ষায় থাকা একটা ফড়িং।


(১১) তালের নৌকা ভাসিয়ে একজন যাচ্ছে কোন একটা কাজে। স্থানীয় ভাষায় এগুলোকে আমরা বলি কোন্দা।


(১২) লাল শাপলারা এই সময়টাতে ছিলো ঘুমিয়ে।


(১৩) ফিঙেকে বলা হয় পাখির রাজা। এই সময়টাতে রাজাকে বড্ড ক্লান্ত মনে হচ্ছিল।


(১৪/১৫) ঘাস বনে লুকোচুরি করে খাবার ঝুজে বেরাচ্ছিল ডাহুক পাখিটি।


(১৬) খাবার খেতে ব্যস্ত একটা ঈগল পাখি।


(১৭) দূরে দেখা যাচ্ছে অন্য একটা রাস্তায় নির্মিত ব্রীজ। সাথে গাছ পালার মিতালী।


(১৮/১৯) ঘুরতে ঘুরতে এক সময় আমরা চলে এলাম রাবান বাজারে। সেখান থেকে কলা আর আমরা কিনে নিলাম কিছু।


(২০) অতঃপর এক কাপ লাল চা খেয়ে ক্লান্তি দূর করে রওয়ানা হয়ে গেলাম বাড়ির পথে।

আগের পোষ্টঃ
একদিনের ভ্রমণ আর কিছু ছবি

২১৩জন ১০জন
0 Shares

১৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য