আরশি নয়ানে।

বনলতা সেন ৬ জানুয়ারি ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৯:০২:০৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৬২ মন্তব্য

নিরাল আয়নায় বসে ভাবি কত কী,রূপকথার কথকতায়। আয়না দেখি,আয়না ও দেখে।দেখা দেখি করি আপন মনে।
কৃশানুর আলপনা এঁকে ফরসা ধোঁয়ায় মোড়া ভোরের খুনসুটিয়ায় কুহুকাকলি শুনি,দেখিও।
আয়না কে বলি 'কী দেখ তুমি ঋষিবক চোখে?'

লা-জবাবী আয়না শুধুই হাসে আয়নায় চোখ পেতে। মানা আছে যাবে না সব বলা। মানা আছে মানা থাকুক,থাকুক স্পিকটি নট।
একটু না হয় না মানি, সেই মানার মধ্যে থেকেই।সামান্য একটু দেখি,না দেখা থেকে।
প্রীতি অত্যন্তিকী আয়না,পাঁচিল টপকে দস্যিপনার হরিলুট দিয়ে ঝিলমিল হাসি ছড়িয়ে চোখে তারার আলো ফেলে দ্যাখে দ্যাখায়।
কী তা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

কনে-দেখা-আলোতে হেঁটে যায় পরীবানু ধুলো মাখা ত্রস্ত জড়পায়ে আল-পথ বেয়ে,আধ-ঘোমটায় মুখ ঢেকে হাঁসছানা হাতে শিশুটির হাত ধরে,কুটুমবাড়ীর পানে দূর গায়ে।

বোষ্টমির পরিপাটি চিকণ চূরণী চোখে আয়না দেখি।

====================================================================
হিংসেরাও রূপসী হচ্ছে আজকাল! যারা খুঁজে পেয়েছে হিংসেকে তারা হাসছে ক্ষণে ক্ষণে কারণে অকারণেও। কবিতার ছবি হয়ে। কথার খৈ ফুটিয়ে পরীবানুর হাত ধরে খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে মহানন্দ, সুখের পায়রা ওড়াতে ওড়াতে,হাতে গোঁজা লজেঞ্চুস নিয়ে।নৈঃশব্দ্যের রুমাল উড়িয়ে আয়নাচোখে আনন্দপ্রদীপের মহড়া দেখে।
====================================================================
দেখতে দেখতে আপনাদের সাথে অনেকটা পথ পেরিয়ে এলাম চুপিসারে।

0 Shares

৬২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ