আমার মধুমতি (ম্যাগাজিন)

নীরা সাদীয়া ৮ মে ২০১৯, বুধবার, ০৯:৫৫:৫১অপরাহ্ন গল্প ২৩ মন্তব্য

ঈদুল আযহা ২০১৮। চারদিকে ঈদের আমেজ। ঈদের পর দিন বেড়াতে বের হলাম। গন্তব্য ফুপুর বাসা এবং ভাইয়ের বাসা। প্রীতি আপু খুব ভালো একটা নুডুলস বানায়। সেটার স্বাদ ভোলার মত না। ফুপুর বাসা মানেই প্রীতি আপুর হাতের নুডুলস।বলা বাহুল্য, নুডুলস আমার খুব প্রিয় একটি খাবার।এদিকে ভাইয়ের বাসায় ভাবী রান্না করলো হালিম। সাথে গাছ পাকা আমের জুস। এতকিছুর ওপরেও সেদিন আমার মন বসে নি। মনে মনে ছিলো একটিই বিষয়, ভাবী কানে কানে বলেছিলেন পাখি দেবেন এক জোড়া। আমার জন্য একজোড়া কবুতর আলাদা করে রেখেছেন। ফেরার পথে ছোট্ট দুইটা বাচ্চা হাতে ধরিয়ে দিলেন। বাসায় আগে থেকেই তিতাসের খাঁচাটা শুণ্য পরে ছিলো। পাখি দুটোকে এনে রাখলাম খাঁচায়। ওদের সে কি ভয়! কেউ কাছে গেলেই একটা আরেকটার কাছে গিয়ে জড়োসরো হয়ে যায়, গুটিয়ে রয়। কি করে ওদের ভয় ভাঙাবো, কি করে আপন হবো,তাই ভাবছিলাম। যদিও পশু পাখির আপন হতে আমার খুব বেশি সময় লাগে না। আর আমি পশু পাখিকে নিজের বাচ্চার মত করে লালন পালন করি। তাই ওরা সহজেই আমাকে মেনে নেয়।

শুরু হলো ওদের সাথে নিয়ে আমার পথচলা। প্রাত্যহিক জীবনে আমার বন্ধুর সংখ্যা খুব কম। এমন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করি, যারা আমাকে তিক্ততায় ভরিয়ে দেবে না। তারপর করি পশুপাখির সাথে। কারন ওরা কখনো তিক্ততা দিতেই জানে না। ওদের সকল স্মৃতি মধুর।

একেকটা দিন যায়, ওদের সাথে আমার বন্ধুত্ব বাড়তে থাকে। ওদেরকে গোসল করানো, খাবার দেয়া, খাবারের পাত্র, পটির ট্রে পরিষ্কার করা, খাবার কিনে আনা এগুলো তো আছেই। পাশাপাশি চলতে থাকে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা। ওরা খুব সহজেই আপনজনকে চিনতে পারে, ফলে খুব একটা বেগ পেতে হয় না আমাকে। প্রথম দিন খুব ভয় পেলেও দু এক দিন যেতেই ওরা আমার সাথে একটু একটু সহজ হতে থাকলো। তখন দুজনের নাম রেখে দিলাম মধুমতি।
মধু আর মতি যেন বহতা নদীর স্রোতের মত আমার কোল ভরিয়ে দিল।

কখনো মধুকে আবার কখনো মতিকে খাঁচা থেকে বের করে আনি, আদর করে টেবিলে বসাই, টুক টুক করে খায়। কিছুক্ষণ পর উড়ে আমার কাঁধে চড়ে বসে। কাঁধ থেকে নামানোর জন্য হাত বাড়ালে রেগে ঘাড় ফুলিয়ে কামড় দিয়ে দেয় হাতে। যেন বলতে চায়,
“আমার মায়ের কাঁধে আমি যতক্ষণ খুশি চড়ে বসব, তুমি নামাও কেন আমাকে?”
কাঁধে বসে আমার চুল ছিঁড়বে, কানে কুটকুট করে কামড় দেবে, ঘাড় থেকে কি যেন খেতে চাইবে, আবার কিছুক্ষণ পর নিজেই নেমে আসবে।

কদিন পর ওরা নতুন একটা খেলা বের করলো। উড়ে খাঁচার ওপর থেকে আমার কাঁধে চড়ে বসবে। আবার কাঁধ থেকে উড়ে খাঁচার ওপর বসবে। কে কতক্ষণ এই খেলা খেলতে পারে এটাই চ্যালেঞ্জ! কী বুদ্ধিটাই না করেছে, নতুন একটা খেলা আবিষ্কার করে ফেলেছে!আমি যত দেখি ততই অবাক হই। এভাবে একে একে দিন যেতে থাকলো, পর ঝড়তে থাকলো আর বয়স বাড়তে থাকলো। কবুতরের পর (পাখা) ঝড়ার সাথে বয়সের হিসাব হয়। ১০ টা পর ঝড়ে আবার গজিয়ে গেলে প্রাপ্ত বয়ষ্ক হয়। তবে ৬/৭ টা পর ঝড়লেই মোটামুটি বয়ষ্ক ধরা যায়। প্রাপ্ত বয়ষ্ক হতে অন্তত ৬/৭ মাস লেগে যায়। এই ৬/৭ মাস সময়টাতে ওরা আমাকে কত যে সুন্দর সময় উপহার দিয়েছে তা কেবল আমি আর সৃষ্টিকর্তা জানেন।

প্রথমে ওদের গঠন তথা বাহ্যিক রূপ দেখে আমি ধরে নিয়েছিলাম ওরা একটি ছেলে একটি মেয়ে। কিন্তু কিছুদিন যেতেই দেখা দিলো বিপত্তি। ওদের আট পর ঝড়ে গেছে। এখন দুটোতে সারাদিন করে মারামারি। মারামারি মানে তুমুল মারামারি। যেন একে অন্যকে খুন করে ফেলবে। আর সে কী চিৎকার চেঁচামেচি! পুরো বাড়ি মাথায় তোলে ঝগড়া আর চিৎকার করে। সারাদিন তারা এসব করে। এগুলো দেখে আমিতো রীতিমত ভীত, কবুতরের গ্রুপে পোস্ট করি, লক্ষণগুলো সবাইকে জানাই। তারা বলে দুটোই ছেলে তাই এমন করে। আমার বিশ্বাস হয় না। এদিকে তাদের চেঁচামেচিতে বাড়িতে আমাদের টেকাই মুশকিল হয়ে গেছে। বাবা মার নাওয়া, খাওয়া, ঘুম লাটে উঠেছে। বাবা হন্যে হয়ে কবুতর বিশেষজ্ঞের সন্ধান করতে লাগলেন। অবশেষে একজনকে পাওয়া গেলো, তিনি বাসায় এসে দেখে বললেন, দুটোই ছেলে হয়ে গেছে। এখন এই সমস্যার একমাত্র সমাধান হলো বিয়ে, ওদেরকে বিয়ে দিতে হবে! বিয়ে দিতে হলে পাত্রী লাগবে। এরকম রঙ, এরকম শেইপ, একই জাতের পাত্রী কই পাই? শুরু হলো পাত্রীর সন্ধান।

বাবা যে কবুতর বিশেষজ্ঞকে এনেছিলেন, তারই অনেক কবুতর আছে। তাই তিনিই পাত্রী ঠিক করে দিলেন। দুটো মেয়ে পাখি এনে খাঁচায় দিলেন। তাদের মধ্যে একটা খুব সুন্দরী, আরেকটা বুড়ি। এবার হলো আরেক জ্বালা! বুড়ি তো আমার দুই ছেলেকেই মারে, পাশাপাশি ঐ সুন্দরীর কাছেও আমার কোন ছেলেকেই ঘেষতে দেয় না। কী ভীষণ বিপদে পরলাম। এরপর পাত্রীর সন্ধান দেয়া ঘটক মশাই আনলেন ইয়া বড় এক বাঁশের খাঁচা। সেই খাঁচায় দুটো ঘরে মধু আর মতিকে নতুন বৌ সহ সংসার পেতে দিলেন। মতির সাথে দিলেন সুন্দরী কে, আর মধুর সাথে বুড়িকে। বুড়িতো সারাক্ষণ আমার ছেলেকে মারে! এতো দেখি স্বামী নির্যাতন। চিৎকার, মারামারি শুনে আমি দেখতে যাই, দেখি করুন চোখে আমার ছেলে মধু তাকিয়ে আছে আমার দিকে। মধুকে বের করে আনি, সে আমার কাঁধে চড়ে বসে। আবার খাঁচায় রাখতে গেলে উল্টে ফিরে আসে আমার হাতে, আর করুন চোখে চেয়ে থাকে। এসব দেখে আবার ডাকা হলো সেই ঘটককে। তিনি বললেন, কয়েকদিন এমন করবেই, একসাথে বন্দী করে রাখেন, তারা ঠিক মিলে যাবে। সত্যিই তাই হলো।তারা অবশেষে সকল ঝগড়া, মারপিটের অবসান ঘটিয়ে বাঁধা পড়লো সংসারের বাঁধনে।

এদিকে মতির বৌ প্রথম কদিন খুব মিলেমিশে রইলো মতির সাথে। তারপর একদিন হানিমুন করার জন্য ছাদে ছাড়লাম, ব্যস…সুন্দরী উধাও! আর ফিরে এলো না। এদিকে বৌ চলে যাওয়াতে আমার ছেলে নাওয়া খাওয়া ছেড়ে শুধু কাঁদে আর কাঁদে। না খেতে খেতে একদম দুর্বল হয়ে পরলো। এ অবস্থা আর সহ্য করা যাচ্ছিলো না। এদিকে আমারো হাত খালি। মাত্র ৫০০ টাকার একটা নোট আছে শেষ সম্বল। বেকার জীবনে এই ঢের। ঐ স্বল্প পুঁজি নিয়েই রওনা হলাম সানকি পাড়া বাজার, শেষ মোড় সব ঘুরে নতুন বাজার রেল ক্রসিং এ এলাম, উদ্দেশ্য একটাই-পাত্রীর সন্ধান করা। অবশেষে নতুন বাজারের দোকানী আমাকে দুটো মেয়ে পাখি দেখালো, কোনটাই মতির সাথে রং মেলে না। তাতে কি? আমি তো আর বর্নবাদী শাশুড়ি নই। তাই অবশেষে আরেকটা সংসার ভেঙে ৩০০ টাকা দিয়ে কিনে আনলাম কালো রঙের এক পাখি, নাম দিলাম কালী। কালো হলে কি হবে, দেখতে কিন্তু বেশ। গলার কাছের লোমগুলো নানা রঙের ঝিলিক দেয়। কালী ভীষণ দুষ্টু, চঞ্চল, ছটফটে। পাখা স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা, তা সত্বেও উড়ে যেতে চায়। কামড় দেয় আমাকে, আমার ছেলেকে। ভাবলাম এও বুঝি মিলবে না। একে আর হানিমুনে পাঠালাম না, খাঁচায় আটকে রাখলাম। খাঁচায় থেকেই ডিম দিলো, বাচ্চা হলো। অতপর একদিন ছাড়লাম ছাদে। যেই ভাবা, সেই কাজ, কালী উড়ে গেছে! আর তো ফেরেনা। এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নামলো, চারিদিকে কনকনে শীতের হাওয়া। এর মাঝে আমার ছেলেবৌটা কোথায় আছে কে জানে? মতি তো আবার কান্নাকাটি শুরু করলো। পরদিন মা ছাদে গিয়ে দেখতে পেলো একটা পাখির ছায়া দেখা যাচ্ছে সিঁড়ি কোঠার ছাদ থেকে। তাকিয়ে দেখে, কালী ফিরেছে! দ্রুত এসে আমাকে খবর দিলো, আমি খুশিতে দৌড়ে গেলাম। গিয়ে দেখি কালী সত্যিই তার বর ও বাচ্চার কাছে ফিরে এসেছে! তারপর আর রিস্ক নিলাম না। তাকে ধরে পাখা দুটো কেটে দিলাম। এরপর থেকে আর অত ভালো উড়তে পারে না। ভেবেছিলাম ঐ পাখাগুলো আবার গজাবে, কিন্তু তা আর হলো না। তারপরো বেশ ভালোই চলছিলো তাদের সংসার। দুটো ফুটফুটে নাতি নাতনী হলো।একদিন রাত দশটার দিকে হঠাৎ শুনি মতি কাঁদতেছে। বুঝলাম না কি হলো।তার চিৎকার শুনেও যেতে পারিনি তখন। পরদিন সকালে গিয়ে দেখি নাতনীটা মারা গেছে। মতি তার নিথর দেহের সামনে বসে আছে আর ঠোঁট দিয়ে টুকটুক করছে বাচ্চাটার মাথায়। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম সেদিন। এরপর একটাকেই তারা লালন পালন করে বড় করলো, নাম দিলাম ব্ল্যাক। ব্ল্যাকও তার মায়ের রঙ পেয়েছে, কুচকুচে কালো পাখা, আর গলায় বাহাড়ি রঙের ঝিলিক।এরপর মতি-কালী আরো ২/৩ বার মা-বাবা হয়েছে। প্রতিবারই তাদের পাশাপাশি আমিও যত্ন করেছি তাদেরকে, যেন আগেরবারের মত হারাতে না হয়।

এদিকে মধু-বুড়ি সুখে শান্তিতে সংসার করলেও তাদের কোন সন্তানাদি হচ্ছিলো না। এই দেখে বারবার মনে হচ্ছিলো বুড়ি হয়ত বন্ধ্যা। কিন্তু তারপরেও ঐ বুড়িটার মায়ায় এমন ভাবে জড়িয়ে পরেছিলাম যে, অনেকের অনেক পরামর্শ স্বত্বেও ওকে পাল্টাইনি। অপেক্ষার পালা শেষে অবশেষে বুড়িও ডিম দিলো।দুটো ফুটফুটে বাচ্চা হলো, মাথায় দুই ঝুঁটি। ওদেরকে আমার কোন যত্ন করতে হয়নি, বুড়ি আর মধু মিলে খুব যত্ন নিতো। দেখতে দেখতে তারা তরতর করে বেড়ে উঠলো। কিন্তু হায়, এরাও দুটিই ছেলে। একটিও মেয়ে নেই। ঐদিকে মতির বাচ্চা ব্ল্যাকও বড় হয়ে জানান দিলো সে একজন গর্বিত পুরুষ, গলা ফুলিয়ে বাক বাকুম বাক!

মতি আর কালি চতুর্থবারের মত বাবা মা হলো।এবার দুটো ডিম থেকে ফুটলো একটা মাত্র বাচ্চা। এতবার বাবা হবার পরেও মতি যখন আমার কাঁধে চড়ে বসে তখন আমার সেই ছোট্ট ছেলেটি হয়ে যায়। যথাস্থানে নিয়ে পটি করতে বললেই করে দেয়। তারপর আবার কাঁধে চড়ে বসে। কিন্তু তাদের বাচ্চাটা কেমন যেন ঝিমোয়। মতি, কালীও বোঝে যে তাদের বাচ্চা অসুস্থ। তারা মাথায় ঠোঁট দিয়ে আস্তে আস্তে আদর করে দেয়। তারপর একদিন বাচ্চাটা চলেই গেলো। বাচ্চা চলে যাবার পর এই শোকে আমার ছেলে মতি আবার খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এই নিয়ে আমার দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই। এদিকে ৭ দিন পরে আমার বিসিএস পরীক্ষা। একটা করে পরীক্ষা যাবে আর জীবন থেকে একটা করে সুযোগ চলে যাবে। বন্ধু অনামিকা বকা দেয় আর বলে, “তোকে কতবার মানা করেছি জবের আগে এসব পাখি পালিস না!” ফারজানা, সম্পা পাখির খোঁজ নেয়, আবার পড়তেও বলে। বাবা বলেন, “তোমার পাখির যত্ন আমি করব, তুমি নিশ্চিন্তে বিসিএস টা দাও।” তাতে কি আর মন মানে? আমার এত আদরের ছেলেটা খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। আমার মনে ভয় ঢুকে গেছে, এই বুঝি মতি আমাকে ছেড়ে চলে যায়। দোকান থেকে রাইস স্যালাইন এনে মুখে তুলে খাইয়েছি। তারপরেও দেখি দিন দিন ওর অসুস্থতা বেড়েই চলেছে। কেন জানি মনে হতো, ও নিজেই আর বাঁচতে চায় না। ওর বাচ্চার জন্য ওর যেমন কষ্ট, আমারতো তারচেয়ে বেশি কষ্ট- ঐ বাচ্চাটাকে হারালাম,এখন মতিকেও বুঝি হারাতে চলেছি! কতজন কত তদবীর দিলো, কত কি করলাম। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। সারারাত বমি করলো। অতপর পরীক্ষার একদিন আগে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়ে আমার হাতেই মাথা রেখে পৃথিবী ত্যাগ করলো মতি।এদিন বাসায় কারো গলা দিয়ে খাবার নামলো না। তারপরো আমার একটু শোক করার জো নেই। কারন একদিন পরেই যে বিসিএস পরীক্ষা। কান্নাভেজা চোখ নিয়ে না খেয়েই পড়তে বসেছি। পড়া কি আর হয়, চারদিকে শুধু আমার বাচ্চাটাকেই দেখতে পাই।

এদিকে পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফিরে দেখি আমার কালীটাও মতির শোকে খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে! মুখে তুলে খাওয়ালে একটু খায়, নয়ত না।একজন পরামর্শ দিলেন,নতুন একটা ছেলে পাখি এনে দিলে ও আবার খাবে, আগের মত হয়ে যাবে। আমার বাসাতেই ছিলো কয়েকটা সিঙ্গেল ছেলে পাখি। তাদের একজনকে ঢুকিয়ে দিলাম কালীর খাঁচায়। সে কি মার মারলো ছেলেটাকে। মতির ঘরে সে আর কাওকে ঢুকতে দেবে না।এরপর সারাদিন ছাদে গিয়ে এদিক ওদিক মতিকে খুঁজে বেড়ায়, অবশেষে কিছু না খেয়ে নিজের খাঁচায় এসে বসে ঝিম ধরে থাকে। এরকম করতে করতে কালীটাও বিদায় নিলো আমার কাছ থেকে। এতটা বুকফাটা কষ্ট আমি কাওকে প্রকাশ করতে পারলাম না। শুধু সৃষ্টিকর্তার কাছে আর্জি জানালাম, তিনি যেন পরকালে আমাকে ওদের সাথে দেখা করিয়ে দেন।

৯৯১জন ৭০৬জন
36 Shares

২৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ