আমার ঘুম-আমার কথকতা

সাবিনা ইয়াসমিন ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ০৪:০০:০৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৬ মন্তব্য

ঘুম, ঘুমাতে পছন্দ করে না এমন মানুষ বিরল। জগতের সকল প্রাণীই ঘুমায়। শুয়ে-শুয়েই ঘুমাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে যার সুবিধামতো পজিশনে। পাখিরা ঘুমায় গাছের ডালে বসে/দাঁড়িয়ে। বাঁদুড়/ চামচিকা ঘুমায় গাছের ডালে উল্টো ঝুলে। ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমায়। পানিতে মাছেরাও ঘুমায়, ভেসে-ভাসমান অবস্থায়। মানে ঘুমটাই আসল, পজিশন জরুরী নয়।

প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই দিন শেষে টার্গেট থাকে আরামদায়ক বিছানায় সুন্দর একটা ঘুম দেয়ার। ঘুম আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। অনেকেরই সারাজীবনের প্রায় অর্ধেক জীবন কেটে যায় আরাম করে না ঘুমাতে পারার আফসোস নিয়ে। আবার অনেকেই ঠিকঠাক মতো খেতে পাক বা না পাক, ঘুমাতে পারেন। ধার্মিক ব্যাক্তিরা ঘুমকে সাময়িক মৃত্যুর সাথে তুলনা করেন, কিন্তু তারাও ঘুমান। কারণ ঘুম আমাদের দেহের সার্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খিদে পেলে যেমন খেতে  হয়, তেমনি ক্লান্ত শরীর সুস্থ্য-মজবুত রাখার জন্যে সময়মতো ঘুমানো আবশ্যক।

বিভিন্ন সমীক্ষায় জানা হয়েছে দুই শ্রেণীর মানুষ ঠিকঠাক মতো ঘুমাতে পারে না। এক-অতি সুখী মানুষ,  দুই- অতি দুঃখী। অত্যাধিক কোনো কিছুই ভালো না। বেশি সুখ মানুষকে অলস বানিয়ে ফেলে, অতি কষ্ট মানুষকে বর্বর বানাতে পারে। স্বাভাবিক  সব কিছুই নষ্ট হয়ে যায় যেকোনো কিছু অতিরিক্ত হয়ে গেলে।

আমি ঘুম নিয়ে এত কথা কেন বলছি! কারণ একটাই, উপরোক্ত কথাগুলো ভেবে-ভেবেই আমার ঘুম নাই হয়ে গেছে। যদিও আমি অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত ঘুমাইনা। আগে আমার প্রায়ই মনেহতো ঘুমালেই আমার লস। জেগে থেকে আমি যা করতে পারি, ঘুমিয়ে পড়লে তার কিছুই পারবো না। অল্পকিছু দিনের জন্য পৃথিবীতে এসেছি, নিজের জন্য ব্যায় করার সময় হাতে খুব কমই পাই। ভয় হতো, যদি সময়গুলো সব ঘুমিয়েই শেষ হয়ে যায়! এই টেনশন আমাকে ঘুমাতে দিতো না। তবু্ও একটা টাইমে আমি ঘুমিয়ে যেতাম। বছরে সব মিলিয়ে এক-আধ ডজন স্বপ্নও দেখতাম। যেগুলোর বেশিরভাগ মনে থাকতো না।

কিন্তু এখন!

ইদানীং আমার ঘুম আসে না। ঘুমালেই উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন গুলো আমায় ব্যতিব্যস্ত করে দেয়। খুব করে ভাবলে স্বপ্ন গুলো সুন্দর মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে নিতে চাইলেই আশাহত হয়ে পড়ি। আমি খুব সুখী কিনা বুঝতে পারছি না, অতিরিক্ত দুঃখও আমার মাঝে নেই। পৃথিবীর নানান রকম মানুষের নানাবিধ সুখ-কষ্টের সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে, সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন।

এতকিছু জেনে-বুঝেও আমি ঘুমাতে পারছি না। আমি এখন ঘুমাতে চাচ্ছিও না। উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখার চাইতে আকাশের আষাঢ়ি চাঁদ আমায় বেশি টানছে। শান্ত রাত-জোছনাময় চাঁদের আলো গায়ে মেখে আমি জেগে থাকতে চাই। জাগরণের আনন্দে বিভোর এই মনকে বন্দী করতে চাই না কোন ঘুমের রাজ্যে বা স্বপ্নের ইন্দ্রজালে…।

শুভ মায়াবী রাত।

 

* ছবি -নেট থেকে।

৩৫৬জন ১জন
0 Shares

২৬টি মন্তব্য

  • সুপর্ণা ফাল্গুনী

    ঘুম নিয়েতো মহাকাব্যই লিখে ফেললেন! অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না। অতিরিক্ত ঘুম যেমন ভালো না, অতিরিক্ত জেগে থাকাও ভালো না। দুটোই শরীর, মনের জন্য খারাপ। ঘুমাতে না চাইলেও ঘুম ঠিক আমার চোখের পাতায় জুড়ে বসবে একসময়। রাত জেগে আষাঢ়ী চাঁদ দেখুন , গায়ে জ্যোৎস্না মাখুন তবুও ঘুম বাদ দিবেন না। শুভ সকাল

  • ছাইরাছ হেলাল

    ‘শুয়ে-শুয়েই ঘুমাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই’
    খুব-ই সহি ভাবনা, কিন্তু তাই বলে মানুষ এ্যাক্রোবেটিক পজিশন নেবে!!
    আবার, কেউ যেন ভাবলো গলায় দড়ি নেবে!! কিন্তু পজিশন পছন্দ করলো কচু গাছ!
    হবে কাজের কাজ কিছু! পজিশন ম্যাটারস!!
    *************************************************************
    পবিত্র গ্রন্থ থকে সামান্য উদ্ধৃতি
    ——————————————————————–
    وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ لِبَاسًا وَالنَّوْمَ سُبَاتًا وَجَعَلَ النَّهَارَ نُشُورًا
    তিনিই তো তোমাদের জন্যে রাত্রিকে করেছেন আবরণ, নিদ্রাকে বিশ্রাম এবং দিনকে করেছেন বাইরে গমনের জন্যে। [সুরা ফুরকান ২৫:৪৭]
    —————————————————————————-
    قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِن جَعَلَ اللَّهُ عَلَيْكُمُ النَّهَارَ سَرْمَدًا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَنْ إِلَهٌ غَيْرُ اللَّهِ يَأْتِيكُم بِلَيْلٍ تَسْكُنُونَ فِيهِ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
    বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে যে, তোমাদেরকে রাত্রি দান করতে পারে, যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে ? তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না ? [সুরা কাসাস ২৮:৭২ ]
    —————————————————————————–
    وَمِن رَّحْمَتِهِ جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لِتَسْكُنُوا فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِن فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
    তিনিই স্বীয় রহমতে তোমাদের জন্যে রাত ও দিন করেছেন, যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম গ্রহণ কর ও তাঁর অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [সুরা কাসাস ২৮:৭৩]
    ——————————————————————————–
    وَمِنْ آيَاتِهِ مَنَامُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَابْتِغَاؤُكُم مِّن فَضْلِهِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَسْمَعُونَ
    তাঁর আরও নিদর্শনঃ রাতে ও দিনে তোমাদের নিদ্রা এবং তাঁর কৃপা অন্বেষণ। নিশ্চয় এতে মনোযোগী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [সুরা রূম ৩০:২৩]
    ————————————————————————————-
    اللَّهُ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ لِتَسْكُنُوا فِيهِ وَالنَّهَارَ مُبْصِرًا إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ
    তিনিই আল্লাহ যিনি রাত্র সৃষ্টি করেছেন তোমাদের বিশ্রামের জন্যে এবং দিবসকে করেছেন দেখার জন্যে। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না। [সুরা মু’মিন ৪০:৬১]
    *********************************************************************************
    নিশ্চয়-ই আল্লাহ আমাদের সরল পথ দেখাবেন।

    • সাবিনা ইয়াসমিন

      চলন্ত গাড়িতে, মেঝেতে, ছোট্ট একটা টুলেও অনেক মানুষ বসে বসে ঘুমায়, আবার শুধু দেয়ালে হেলান দিয়েও অনেক মানুষকে ঘুমাতে দেখি। এগুলো দেখার পরে মনে হয়না ঘুমানোর জন্যে শুয়ে থাকার পজিশনটাই সঠিক। মোট কথা ঘুমটাই আসল, পজিশন ঐচ্ছিক।
      পবিত্র কোরআনে এবং বিভিন্ন রেফারেন্সে ঘুমের উপকারিতার বর্ণনা বিস্তারিত বলা হয়। আবার আমাদের ধর্মের আজানের বাক্যে এটাও বলা হয় ” ঘুম হতে নামাজ উত্তম ” এটা ফজরের সময়। আবার হাদিসের আলোকে বিভিন্ন সময়ের নামাজের ফজিলত ঘেটে জানা যায় আসর নামাজের বেলায় অলসতা ( ভাতঘুম) পরিত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

      ঘুম/ রেস্ট অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে নিজেকে যতক্ষণ কর্মক্ষম রাখা যায় ততোই ভালো। মরে গেলেও সময় অপব্যবহারের আফসোস থাকবে না।

      বিস্তারিত কমেন্ট এর জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ মহারাজ। আপনার অভিভাবকত্বের প্রতি নিরন্তর শ্রদ্ধা জানাই। ভালো থাকুন সব সময়। আমাদেরও দোয়ায় রাখুন। শুভ কামনা 🌹🌹

  • মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী

    সুন্দর আত্ম-উপলব্ধি — ইদানীং আমার ঘুম আসে না। ঘুমালেই উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন গুলো আমায় ব্যতিব্যস্ত করে দেয়। খুব করে ভাবলে স্বপ্ন গুলো সুন্দর মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে নিতে চাইলেই আশাহত হয়ে পড়ি। আমি খুব সুখী কিনা বুঝতে পারছি না, অতিরিক্ত দুঃখও আমার মাঝে নেই। পৃথিবীর নানান রকম মানুষের নানাবিধ সুখ-কষ্টের সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে, সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন।
    নিঃসন্দেহে দরকারী পোস্ট । শুভ কামনা ।

  • তৌহিদ

    ঘুম প্রতিটি জীবের জন্যই প্রয়োজনীয়। প্রকৃতি এই বিধান করে দিয়েছেন। একেক প্রানী একেকভাবে ঘুমায়। তবে সময়ের কমবেশি হতে পারে।

    সুখী আর দুঃখী কেউই ঘুমাতে পারেনা। তবে একথাও ঠিক যারা খেটে খাওয়া পরিশ্রমী মানুষ এদের ঘুম নিয়ে এত চিন্তা করার সময়ই নেই ক্লান্ত দেহ বিছানায় এলিয়ে দিলেই ঘুম। যত সমস্যা আমাদের। সামান্য একটা কিছু হলেই ঘুম নেই হয়ে যায়।

    আমার কিন্তু ঘুম লাগবেই। মোটামুটি ৭ ঘন্টা না ঘুমালে সেইদিন মাটি। ☺

    ব্যতিক্রমী একটি লেখা দিলেন আপু। পড়ে ভালো লাগলো। শুভকামনা জানবেন।

    • সাবিনা ইয়াসমিন

      ** সুখী আর দুঃখী কেউই ঘুমাতে পারেনা। তবে একথাও ঠিক যারা খেটে খাওয়া পরিশ্রমী মানুষ এদের ঘুম নিয়ে এত চিন্তা করার সময়ই নেই ক্লান্ত দেহ বিছানায় এলিয়ে দিলেই ঘুম। যত সমস্যা আমাদের। সামান্য একটা কিছু হলেই ঘুম নেই হয়ে যায় **
      যারা শুধু পেটের তাগিদে বা মৌলিক চাহিদা গুলো পূরণ করতে পারলেই সুখী তারা নিত্তদিনের প্রয়োজন মিটে গেলেই সাময়িক সুস্থির হতে পারেন। কিন্তু যাদের আরও অনেক কিছু ভাবনায় থাকে, পেট-পরিধেয় বিষয় ছাড়াও আরো কিছু নিয়ে ভাবতে চায়, তাদের জন্যে ঘুম দুর্লভ বস্তুতে পরিনত হয়।
      সব সময় অনুপ্রেরণাময় সুন্দর মন্তব্য দিয়ে লেখার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়ার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ তৌহিদ ভাই।
      শুভ কামনা অব্যাহত রইলো,
      ভালো থাকুন 🌹🌹

  • সুপায়ন বড়ুয়া

    শুভ মায়াবী রাতে
    কে না চায় ঘুমাতে ?
    আপনি ঘুমাতে যান
    অসুখ সারাতে।
    ঘুম নিয়ে ও লেখা যায়
    আসেনি ভাবনাতে।
    সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন
    ঘুমাতে গিয়ে স্বপ্ন দেখুন।

  • বন্যা লিপি

    ঘুম নিয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষন যা করলে! বুঝলাম।সবই তো কেতাবি কথা! ঘুম দরকার, উপকারি, রাতের কিয়দংশ ঘুম বা বিশ্রাম(মহারাজের দেয় পবিত্র গ্রন্থের উদৃতি) খুব জরুরী মানব দেহের জন্য। উত্তপ্ত মস্তিষ্ক যদি অনবরত সাধের ঘুম নিয়ে লুকোচুরি করতে থাকে, তাহলে করনীয় হাজারটা পদ্ধতি জানা থাকলেও ঘুম আনয়নের চেষ্টায় নিজেকে আর সেই কসরৎ করাতে ইচ্ছেই করেনা। উত্তপ্ত মস্তিষ্ক নিয়ে ঘুমুতে গেলে আবোলতাবোল কতরকম দুঃস্বপ্ন যে এসে ভয় দেখায় তার ইয়ত্তা নেই! এত মেলে ক্যারে তোমার সাথে আমার?
    ওই যে লিখলে! আষাঢ়ি চাঁদের জোৎস্নায় মায়াবী রাতের সঙ্গী হওয়া! আহা……যদি তুমি আমার জায়গায় থাকতে, তাহলে বুঝতে – রোজ রাতের চাঁদের আলো দেখে দেখেও কি করে রাত পার করা যায়! আমার জানালায় মাথা বরাবর রোজ চাঁদ এসে আলো বিলায়। সাদা মেঘেরা কেমন করে এসে চাঁদের সাথে খেলা করে! সে লুকোচুরির বর্ননা দেবার ভাষা আমার শব্দভান্ডারে লাপাত্তা!
    অনেক অনেক ভালবাসা তোমাকে❤❤❤

    • সাবিনা ইয়াসমিন

      আমিও চাঁদ দেখি আমার জানালার পাশে বসে/দাঁড়িয়ে। সব কিছুর মাঝে উপকার/ অপকার থাকলে ঘুমের মাঝেও অবশ্যই থাকবে। আমরা চাই বা না চাই দেহ এক সময় ঠিকই রেস্টে চলে যায় পরবর্তী কাজের চার্জ নিতে। তবে ঐযে বললে,, উত্তপ্ত মস্তিষ্কের কথা! ঐইটাই স্বেচ্ছায় ঘুমাতে দেয় না।
      মহারাজের জয় হোক,,

      ভালো থেকো সারাক্ষণ ভালোবাসায় ❤❤

  • জিসান শা ইকরাম

    ঘুম নিয়ে আপনার চিন্তা ভাবনা পড়লাম।
    ভালো বললেন যে ঘুমালেই লস।
    এত ঘুম দিয়ে কি হবে? বেশী ঘুমিয়ে কে কি হয়েছে কবে?
    ঘুমালেই আপনি স্বপ্ন দেখেন, তাই ঘুমাতে চাননা। আপনার তো ভাগ্য ভালো যে স্বপ্ন দেখেন। কোনো ধরনের স্বপ্নই তো আমি দেখিনা বহু মাস।
    ঘুম আসলে একেক জনের ক্ষেত্রে আলাদা হয়। ট্যালেন্টরা কম ঘুমায়। আপনি একজন ট্যালেন্ট 🙂
    স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক ৬-৭ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। ব্রেইন এবং শারীরিক রিফ্রেসমেন্টের জন্য এই সময়টুকুর ঘুম জরুরী একজন মানুষের। এতে মস্তিস্ক এবং শরীর কর্মক্ষম থাকে।
    আমার ইদানিং ঘুম এর পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সময় ওলোট পালট হয়ে গিয়েছে।
    ঘুম নিয়েও কত ভালো পোস্ট দিলেন!

    শুভ কামনা।

    • সাবিনা ইয়াসমিন

      ঘুমের উপকারিতা এবং অতিরিক্ত ঘুমের অপকারিতা সম্পর্কে আমরা কমবেশি জানি। কিন্তু প্রকৃত ভাবে নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে চাইলেও সবকিছুর সমন্বয় রক্ষা করতে সবাই পাই কি? উত্তপ্ত মস্তিষ্ক বা উর্বর ভাবনা আমাদের ব্যবহারিক জীবনে প্রভাব ফেলবেই।

      সুন্দর মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ আপনাকে।
      ভালো থাকুন,
      শুভ কামনা 🌹🌹

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য