আমাদের চিড়িয়াখানা(সোনেলায় সেঞ্চুরী পোষ্ট)

মনির হোসেন মমি ১০ এপ্রিল ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৫:৩২পূর্বাহ্ন বিবিধ ৮ মন্তব্য

\|/ \|/ “ছোট্র বেলায় খেলার ছলে \|/ \|/

\|/ \|/ করেছি কত মজাঁ \|/ \|/

\|/ \|/ ছুটে চলেছি দূর তেপান্তর মাঠ পেরিয়ে \|/ \|/

\|/ \|/ ভিন্ন কোন নতুনত্ত্বের খোজেঁ \|/ \|/

\|/ \|/ হারিয়ে যেতে নেই মানা \|/ \|/

\|/ \|/ যা দেখি সবই যেন \|/ \|/

                   \|/ \|/ নতুন \|/ \|/

\|/ \|/ নতুন \|/ \|/

\|/ \|/ লাগে”………..। \|/ \|/ \|/

-{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@

ক্লাশ সিক্স কিংবা সেভেন হবে।ক্লাশের ফাকে বন্ধুরা মিলে আলাপ হলো পরে ইংরেজী মেডাম আসবে ।অনেক রাগী মেডাম ইংরেজী পড়াতো পারি না নির্ঘাত পিঠে পিটুনি পড়বে তাই বুদ্ধি করে স্কুলের বেড়া ফাক করে আমরা চারজন বেড়িয়ে পড়লাম চিড়িয়া খানা দেখার উদ্দ্যেশে।পকেট যা টা ছিল তা দিয়ে চিড়িয়া খানায় পৌছলাম।মনের আনন্দে এটা দেখছি ওটা খাচ্ছি ইত্যাদি ।মনের আনন্দে গুড়ছি আর বাদুরের বান্দ্রামী দেখছি কখন যে সকাল গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেল বুঝতেই পারিনি এবার বাড়ী ফেরার পালা।বাহিরে চলে এসে একটি স্হানে দাড়িয়ে টাকার হিসাব করছি কি ভাবে বাসায় পৌছব।বাসে উঠলাম চিড়িয়াখানা হতে গুলিস্হান। এখনকার মতন রাস্তায় এতো গেঞ্জাম ছিল না তখন বাসে লোকজন হালকা ছিল।কন্টেকদার বাসের এক সাইড হতে ভাড়া কেটে আসছে তা দেখে খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম।আমরা চার জন বাসের চার স্হানে বসে আছি যার কাছেই ভাড়া চাইতে যয় সেই বলে সামনে পিছনে দিবে।ভিড়ের মাঝে হঠাৎ কি যেন আমার চোখেঁ পড়ল একজন আধা বয়সীর মুরুব্বির লুঙ্গিতে পেচিয়ে রাখা একটি টাকার বান্ডেল গাড়ীর মেজেতে পড়ে লোকজনের ভিরের কারনে স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারছি না কত টাকা নোটের বান্ডেল।লোকটি নিজের বাস ভাড়া চুকিয়ে বসে আছেন।আমার মাথা কেবল টেনশন ফিল করছে।কেউ আর দেখেনি তো!নাহঃ মনে হয় কিন্তু লোকটির যে বয়স তাতে সে যদি বাস হতে নামবার পর বুঝতে পারে যে তার টাকা হারানো গিয়াছে নির্গাত সে স্টক করবে।আমি সিট হতে উঠে লোকটিকে ইশারায় বলাতে বুঝতে পেরে কোমরে হাত দিয়ে লোকটি অবাক হয় আমার আঙ্গুলির ইশারার দিকে তাকিয়ে সে কৌশলে বান্ডিলটা হাতে নিয়ে লুকিয়ে ফেলে।যাতে চোর বাটপার বুঝতে না পারে।আমি আমার সিটে বসে আছি এমন সময় বাস কন্টাকদার আর আমার সাথে আসা এক বন্ধুর সাথে ভাড়া দেয়া নেয়া নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এক পর্যায় ধাক্কা ধাক্কী শুরু হয়ে যায়।ঝগড়ায় বাস ড্রাইভার বাস শ্লো করে ডাক দেয়…

-কি রে কুদ্দুস..ছা, কি অইছে….,

-আরে ওস্তাদ,…তিন চার জন বাসে উঠে ভাড়া নিয়া তাল বাহানা করতাছে…।

ড্রাইভার মাঝ পথে গাড়ী থামিয়ে দেয়।

-ওগো এহানে নামাইয়া দে…..

কন্টেকদার আমাদের নামতে বাধ্য করে,এ সব ঘটলা লোকটি দেখছিল।লোকটি কন্টাকদারকে ডাক দিয়ে ভাড়া কত জিজ্ঞাসা করে ভাড়াটা চুকিয়ে দেন।

এ তো গেলো সে সেকালের কথা একালে মানে গত ২৬ শে মার্চে ঢাকা চিড়িয়া খানায় গেলাম মনে হলো এই পনের বিশ বছরে তেমন কোন পরিবর্তনই দেখতে পেলাম না,সেই ঘূণে ধরা শিশুদের দোলনাগুলো এখনও দুলছে সেই সিংহ মামা কিংবা শুষ্ক জলের কুমিরটি এখনও ঠায় নিশ্চুপ অসার যেন কত বছর যাবৎ আধা খেয়ে না খেয়ে দেখতে আসা দর্শানার্থীর দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে আছে,চার দিক নোংরা পরিবেশ লক্ষনীয়,দেশীয় দর্শনার্থীদের তেমন কোন পদ চার না নেই সেখানে আর বিদেশী দর্শনার্থী মনে হয় না জানে যে ঢাকায় একটি চিড়িয়াখনা আছে।তবে বাদরের বান্দ্রামী আর রোমিও জুলিয়েটদের গোপন অভিসার একটুও ভাটা পড়ে নি।

ঢাকা চিড়িয়াখানার আয়তন প্রায় ৭৫ হেক্টর। চিড়িয়াখানার চত্বরে ১৩ হেক্টরের দুটি লেক আছে।চিড়িয়াখানা তথ্যকেন্দ্র হতে প্রাপ্ত তথ্য হতে জানা যায়, বর্তমানে ঢাকা চিড়িয়াখানায় প্রায় ১৯১ প্রজাতির ২১৫০টি প্রাণী রয়েছে।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ঢাকা শহরের শাহবাগে তখন নবাবরা একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানার সৃষ্টি করেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলাদেশ বা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে একটি চিড়িয়াখানার অভাব অনুভূত হয়। পঞ্চাশের দশকের শেষভাগে ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের সামনে বর্তমান ঈদগাহ এলাকায় ৪-৫ একর জায়গা জুড়ে ছোট আকারের একটি চিড়িয়াখানা স্থাপন করা হয়। কালে ক্রমে তা বিস্তৃত হয়।সরকারী অবহেলা এবং পরিচালনায় অজ্ঞতায় তা এখন ভূতুরে জঙ্গল মনে হয় অথচ হিম শীতল বাতাসে সুন্দর পরিবেশ তৈরী করতে পারলে এবং কিছু নতুনত্ত্ব জীবের সংগ্রহ ঘটলে হতে পারত পর্যটন  এরিয়া।

ঢাকা চিড়িয়া খানা মিরপুর

(3 ভিতরের আড্ডা স্হল এবং প্রবেশের পথ…এবং কিঞ্চিত জীব জন্তুর ছবি সহ আমরা… (3 (3 (3 (3 (3 (3 (3 -{@ \|/ \|/

 

                        

                        

                                                                                       

 

                            


                           

                           

                              

                            

                             

                           

                                     

                            

                            

                             

সোনেলার শত তম পোষ্টে সকলকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই বিশেষ করে বড় ভাই সমতুল্য জিসান-শাহ-ইকরাম এবং হেলাল ভাইয়াকে এবং নীল কন্ঠ জয় ,শিপু,রুবেল,ভুমি ভাইয়া,শূণ্য শূণ্যালয়,নীহারিকা,লীলাবতী,শিশির রিমি রোম্মান,স্বপ্ন নীল,প্রিন্স,খসড়া,সীমান্ত উম্মাদ,আমার মন,জি,মাওলা,প্রজম্ম ৭১,আফ্রি আয়শাঁ,ইসপিতা,বর্ষা,রাতুল,ব্লগার রাজু,নীলাঞ্জনা নীলা,বনলতা সেন,বৈশাখী ঝড়,মিতু,জুলিয়াস সিজার,জিয়া,তার ছেড়া,নাজনীন ,লাভা, এবং আরো নাম মনে না আসা বন্ধুদের সহযোগিতা আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।

(3 ।”ধন্যবাদ”। (3

তথ্য সংগ্রহে:উইকিপিয়া।

৪২৫জন ৪২৫জন
0 Shares

৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য