আমাদের কষ্ট

ব্লগার মেডিকেল বাবা ৪ মে ২০১৪, রবিবার, ১০:১৪:৩০পূর্বাহ্ন বিবিধ ১৬ মন্তব্য

আল্লাহ চাহে তো ডাক্তার
হবার পর যদি নিজস্ব
একটা চেম্বার
দিতে পারি তো আমার
কাছে আসা রোগী দের
একটা ডকুমেন্টারি ফিল্ম
দেখানোর ব্যাবস্থা করব।।ফিল্ম
টার নাম হবে, “একজন
মেডিকেল স্টুডেন্ট এর যাপিত
জীবন ”
ডকুমেন্টারি দেখানোর
উদ্দেশ্য : আমি ভিজিট বাবদ
যে এক হাজার করে টাকা নেব
তাতে যেন
কারো আপত্তি না থাকে।
ডকুমেন্টারিতে যা দেখাবো :
অনেক কিছুই
দেখাব ,তবে এখানে কয়েকটা সংক্ষেপে বলি, ,,,
১। শুধুমাত্র এনিমিয়ার
ডেফিনিশন ম্যাডাম
যেভাবে লেকচার এ
বলেছিলেন হুবহু
সেভাবে বলতে পারেনি তাই
টার্ম ফেল। আবার
সাপ্লি দিতে যেয়ে ম্যাডামের
শিখানো এনিমিয়ার
ডেফিনিশন স্যারের
কাছে বলে সাপ্লিতে ও ফেল।
রেজাল্ট :প্রফের জন্য অযোগ্য
হিসাবে বিবেচিত।
২। জীবনে অনেক ১৪ ফেব্রুআরি,
পহেলা বৈশাখ,বিজয় দিবস
কিংবা 31st night
চলে গিয়েছে যে সময়
গুলোতে একজন মেডিকেল
স্টুডেন্ট কে নিজের মনের
বিরুদ্ধে করতে হয়েছে যুদ্ধ আর বই
নিয়ে পড়তে হয়েছে পরবর্তী দিনের
কোনো কার্ড,টার্ম,প্রফ
বা এগুলোর কোন একটার
সাপ্লির জন্য।যেখানে তার
ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া বন্ধুরা তাদের
জীবনের এই রংগীন
সময়গুলো পার
করেছে হাসি আনন্দ আর
মাস্তি তে।
৩।সামান্য একটা আইটেমের জন্য রাতের পর
রাত পরার পর ও একজন স্টুডেন্ট
কে দিনের পর দিন
পেন্ডিং দেওয়া।
৪।৭৫% থেকে অল্প কিছু পারসেন্টেজ
কম হওয়ার কারনে একজন
স্টুডেন্টের জীবন থেকে মূল্যবান
৬ মাস কেড়ে নেওয়া। ।
৫। চতুর্মুখী চাপে চ্যাপ্টা হয়ে একজন
মেডিকেল স্টুডেন্টের ৬০ বছর
বয়সী বাবার কাছ
থেকে প্র্যাক্টিক্যাল
খাতা লিখে নেওয়া।
৬।আসল পয়েন্ট- একজন ডাক্তার কখন ১০০০ টাকা ভিজিট নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন?
উত্তর : জীবনের শেষ সময়ে এসে এফসিপিএস, এফআরসিএস সহ কঠিনতম ডিগ্রী করে যখন জীবনে স্বাদ-আহ্লাদ বলে আর কিছু বাকি থাকে না।

ডকুমেন্টারি দেখানোর সম্ভাব্য
ফিডব্যাক :
১ম রোগী : বিনা বাক্য ব্যয়ে ১০০০
টাকা ভিজিট দিয়ে যাবেন।
২য় রোগী :ডাক্তার সাব এই লন ২০০০
টাকা। ডাঃ, কেন?
রোগী : আপনার কষ্টের তুলনায় ১০০০
টাকা তো দুরেই থাকল, ২০০০ টাকাও কিছুই না।
৩য় রোগী : বাসায় গিয়ে তার
ছেলে কে বলছেন, বাবা কি কর??
ছেলে : বাবা, ‘এইম ইন লাইফ’ রচনা লিখি।
রোগী : তা বাবা তোমার এইম কি??
ছেলে : টু বি এ্যা ডক্টর।
রোগী : না বাবা,তোমার
ডাক্তার হবার দরকার নাই,
তার চেয়ে বরং তুমি অন্য কিছু হও।
বুড়া বয়সে আমি তোমার প্র্যাক্টিক্যাল খাতা
লিখে দিতে পারবো না।
আমার মন্তব্য: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
শুধু এটুকুই বলতে চাই, আফসোস ,
তারপর ও পাবলিক আমাদের
“কসাই ” ডাকে ।।

২১৬জন ২১৬জন
0 Shares

১৬টি মন্তব্য

  • মশাই

    Ha ha ha ha ha salam vaiya sathe shuv sokaler shuveccha janai… Akta request ache jodi somoy pan rater 11 tar dike akbar asben ei sonelay amar kichu jante iccha korche apnar posht dekhe. Ami opodartho banglate akhon type korte parchi na. Jodi paren asben r jodi na paren tahole jokhon parben aktu janiye diye jaben ei asha kori…apni onek onek boro doctor houn sei doa obosshoi korbo. Tobe amk kichu proshner uttor dile ami kichu shikhte parbo ei r ki. Inshallah ei odhom apnar jonno tar motamot ready rakhbe.

  • মা মাটি দেশ

    নিজেদের ছোট ভাববার িছুই নেই।কিছু ঘটে তো কিছু রটে এটা বিস্বাস করতে হবে।তবে সবাই এক নয়।আর ডাক্তার হওয়া সবার পক্ষে সম্ভব নয় আর এখনতো ডাক্তারে কোন কলেজে চানস পেতে হলে লক্ষ টাকা ঘোষ দিতে হয় এই ঘোষ কারা দেন আর কারা নেন নিশ্চয়ই নেহাত গরীব রোগিরা নয় তাদের সামর্থ্য কোথায় যে তাদের ছেলে মেয়ে ডাক্তার হবে।এখন ডাক্তার হতে হলে মেধার সাথে যেমন টাকা ওয়ালা হতে হয় তেমনি লোকও থাকতে হয়।তাই যারা ডাক্তার হন তারা যদি তাদের ব্যায়িত অর্থ ফেরত আসার পর যদি ক্ষ্যান্ত হয়ে গরীবদের দিকে একটু নজর দিতেন তাহলে কসাই নামটি মুছে যেত কিন্তু বাস্তবে আমরা কি দেখছি।ধন্যবাদ মনে রাগ নিবেন না ডাক্তার আল্লাহর দান তাকে অমর্যাদা আমরা করবনা। -{@ (y)

  • ব্লগার মেডিকেল বাবা

    এখানে প্রশ্ন করতে পারেন। যখন সময় পাব উত্তর দিতে চেষ্টা করবো @ মশাই।
    মা মাটি দেশ আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না। এখন ডাক্তার হতে গেলেই ঘুষ দিতে হয় তথ্যটি আপনি কোথায় পেয়েছেন জানালে খুশি হব। এই কথাকে আপনার অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না বলে দুঃখিত। আপনার কথাটা হয়তো বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সরকারি মেডিকেলে যদি ঘুষ দিয়েই ঢুকতে পারতাম, তাহলে দিন-রাত পড়াশোনা করে মেডিকেলে চান্স পাওয়ার কি দরকার ছিল। দুর্নীতি যে একেবারেই হয় না তা বলবো না। সে হাজারে একটা। আমার, আপনার মত ম্যাংগো পিপোল তা কোন জানতেও পারবো না। আর আপনি বললেন গরিবের কথা বললেন তাদের সন্তানেরা কিভাবে ডাক্তারি পরবে? আমাদের সাথে এমন অনেক বন্ধু পরছে যাদের কারো বাবা রিকশা চালক (মামুন মিয়ার কথা নিশ্চয় পত্রিকায় পরেছেন? সে আমার পাশের রুমেই থাকে), কারো বাবা রাজ-মিস্ত্রী (মুমিনুক হক। সেও আমার ব্যাচ মেট)। আর আমাদের সাথে মেডিকেল পড়ুয়া অধিকাংশই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তাহলে এখানে ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে? @মা মাটি মানুষ

  • জিসান শা ইকরাম

    সিনসিয়র ডাক্তারদের এক হাজার কেনো , আরো বেশী ভিজিট দিতে আপত্তি নেই । কিন্তু সবাই সমান না ।
    আপনি যদি ঢাকায় থাকেন , তবে ইস্কাটনে দেশের সেরা একজন ডাক্তারের ঠিকানা দিতে পারি । আপনি নিজে গিয়ে একটু দেখে আসুন – তাঁর উপর শ্রদ্ধা রাখা যায় কিনা ? রোগী হিসেবে যাবেন 🙂

  • শুন্য শুন্যালয়

    আমাদের কস্ট কেউ বুঝতে পারবে না, ঠিক ।। কতোটা আনন্দ বিসর্জন দিয়েছি কেউ জানেনা।। তবু না বলে যে পারিনা, সত্যিকারের ডাক্তারের সংখ্যা অনেক কম, পেশায় আসুন অনেক কিছু দেখতে পাবেন… শুভ কামনা…

    একটা কথা এড না করেই পারছিনা, প্রত্যেকটি পেশার মানুষেরই কি উচিত নয়, গরীবের কথা ভাবার …?

  • খসড়া

    কেন এত হতাশ। আমাকে দেখুন আমাদের দেখুন। হা হা হা পাগল। সবাই তার তার জায়গায় অনন্য।তাই তার জায়গাটা অন্যের ঈর্ষার কারন।
    সবচেয়ে মেধাবীররা হয় ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার। এর পরের গুলি পোস্ট গ্রাজুয়েশন করে দেশের আমলা হয়।আর ফেলটুস গুলা হয় রাজনীতিবিদ।

  • মশাই

    প্রথমেই বলে নিচ্ছি একটা কথা আমার এই মন্তব্যটির জন্য যদি ব্লগ সঞ্চালক আমাকে ব্লকও করে দেন তাহলে সানন্দে বলবো গুডবাই। মি. ডাক্তার সাহেব সকালে বলেছি আপনার কাছে কিছু জানতে চাইবো আর তাই আসা আবারও আপনার পোষ্টে। আপনার পোষ্ট নিয়ে একটু পরে কথা বলবো আগে জনাব মা মাটি দেশ এর মন্তব্যের প্রতুত্তর নিয়ে কিছু কথা আছে। শ্রদ্ধেয় মা মাটি দেশ ঘুষ নিয়ে কথা বলাতে আপনি তার অজ্ঞতা নিয়ে কথা বললেন। হ্যা আমি মেনে নিচ্ছি সে আপনার মত এতো অভিজ্ঞতা নেই তবে ঘুষের বিচরণ নেই এমন ক্ষেত্র খুব কমই পাওয়া যাবে। উনি না হয় অজ্ঞতার বশে বলেছেন আপনিতো অভিজ্ঞ অনেক অনেক অভিজ্ঞ তাহলে আপনি তার অজ্ঞতার কথা না তুলে অবশ্যই তাকে সত্যটি তুলে ধরতে পারতেন কিন্তু আপনি প্রথমেই বলে ফেললেন তার অজ্ঞতা নিয়ে কথা তাই আপনাকে সাধুবাদ জানাতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

    আমি প্রাইমারি লেভেল ও শেষ করতে পারিনি তবে আমার জানামতে সোনেলার কিছু ব্লগার রয়েছেন যারা এই ডাক্তার পেশাটির সাথে জড়িত তবে তারা সবাই অনেক বিনয়ী। একজনের সাথে কথা বলার সময় শ্রদ্ধাবোধটুকু ধারণ করেই কথা বলেন। ডাক্তারের পোশাক ধারণ করেই যে কারো অজ্ঞতা নিয়ে কথা বলবেন তেমনটা দেখিনি আজও। আপনি ডাক্তারি পড়ছেন তবে মনে হয় না এখনো ডাক্তার হয়েছেন তবে দোয়া করি সফল হোন।

    আবার যাচ্ছি আপনার পোষ্টে।

    আপনাদের এই ডাক্তারি পেশাটা অনেক সম্মানিত। ডাক্তার নাকি দ্বিতীয় ঈশ্বর। শ্রদ্ধ্যা তাদের প্রতি আমার সব সময়ই রয়েছে এবং থাকবে। আপনি বলেছেন নিজের চেম্বারে রোগীদের জন্য একজন ”মেডিকেল স্টুডেন্ট এর যাপিত জীবন” ডকুমেন্টারি ফিল্ম এর ব্যবস্থা করবেন যাতে তারা এক হাজার টাকা দিতে দ্বিধাবোধ না করে। আপনি ডাক্তারি পড়তে গিয়ে বিভিন্ন ত্যাগ-এর কথা উল্লেখ করলেন আমি সহমত পোষণ করছি আপনার সাথে হ্যা শিক্ষানবিশ সময়ে কষ্ট করে, অনেক কিছু ত্যাগ করেই আপনাকে শিখরে উঠতে হয়। কিন্তু আপনার সম্ভাব্য ফিডব্যাকে শুধু টাকার কথাই লিখা রয়েছে কেউ যাতে ১০০০ আবার ২য় জন ২০০০টাকা দিয়ে যাবে আপনাকে। তখন আপনাকে ভিজিট এক থেকে দুই হাজার টাকা দিলে এখনের কষ্ট অথবা ত্যাগের কিছুটা কি লাঘব হবে? যদি হয়ে থাকে তাহলে সবচেয়ে ভাল কাজ হবে সাইনবোর্ড একটা লাগিয়ে দিবেন “বড়লোকদের জন্য চেম্বার খোলা” তাহলে ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখা ছাড়াই তারা সেই টাকাটা আপনাকে দিয়ে আসবে বিনা বাক্যব্যয়ে। আপনার মাথায় ঘোরপাক খাচ্ছে এখনের ত্যাগ ভবিষ্যতে টাকা। জানিনা ত্যাগের পিছনে স্বার্থ লুকিয়ে রাখাটাকে ত্যাগ বলে কিনা। যাই হোক সবাই কসাই না ডাক্তারদের মাঝে কিছু কিছু ডাক্তার সত্যি ভগবানের মত। শ্রদ্ধা রইবে তাদের প্রতি। তবে একটা অনুরোধ করি যদি ভুল করে কোনো গরিব মুমূর্ষ রোগী চলে আসে চেম্বারে তখন আপনার ডকুমেন্টারি ফিল্ম চালু করবেন না সেদিন, সুস্থ হওয়ার পর দেখাতে পারবেন তবে আগে না।

    কোনো কসাই ডাক্তার হতে পারে না তবে কোনো কোনো ডাক্তার কসাই হতে পারে।

  • ব্লগার মেডিকেল বাবা

    তাহলে মা, মাটি, মানুষের কথা থেকেই শুরু করি। মনে রাখবেন এখানে আপনি যা বলছেন তা অনেকেই দেখছে। আপনার লেখা পড়ে নির্দ্বিধায় হয়তো আপনার কথা যে কেউ বিশ্বাস করে নেবে। সেক্ষেত্রে আপনার সঠিক তথ্য-উপাত্ত যাচাই না করে হুট করে নিজের মনগড়া কথা না বলাই ভাল। এতে কারো বা কোন বিশেষ গোষ্ঠীরর প্রতি মানুষের ভুল ধারণা জন্মাতে পারে। আর, সেই ভুলটাকে যদি অজ্ঞতা বলে ধরিয়ে দেওয়াটা ভুল হয়, তবে সেজন্য আমি দুঃখিত।

    এবার, মশাই আপনার কথার প্রসঙ্গে আসি। ব্লগে প্রবেশ করেছিলাম অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে। কিন্তু, উত্তর দেওয়ার মত তেমন কোন প্রশ্ন চোখে পড়ছে না। কি আর করার আপনা সমালোচনার বিপরীতে কিছু আলোচনা করে যাই।
    আমার উক্ত পোষ্টে টাকার প্রসঙ্গে কেন বলা হয়েছে সেটা নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পেরেছেন। ডাক্তারদের ভিজিট বিষয়টি বেশি সমালোচনার শিকার হয়। কেন এত ভিজিট শুধু সেই বিষয়টি এখানে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি।
    আপনি শুধু “বড়লোকদের জন্য চেম্বার খোলা” সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিতে বললেন। আমরাও তো মানুষ। আমাদের মনেও মানবতা বলে কিছু আছে। কোন ডাক্তারে কাছে দরিদ্র কোন ব্যক্তি টাকা না দিতে পারার কারণে খালি হাতে ফিরে এসেছে এমনটি কখনো হয়নি। কেও ১০০০ এর জায়গায় ২০০০ টাকা দিয়ে যাবে বলা হয়েছে ভাবের গভীরতা বোঝানোরর জন্য। তাই বলে নিশ্চয়ই আপনি ২০০০ টাকাই দিয়ে যাবেন না। আর যদি দিতে চান তো সুদূর ভবিষ্যতে আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন তো আমার চেম্বারে আপনাকে স্বাগতম :p

    সবাইকে ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন 🙂

  • আজিজুল ইসলাম

    নওগাঁ শহরের সিনিয়র সাংবাদিক অথবা সিনিয়র মানুষদের কাছে জানা যাবে একটা তথ্য । সালটা ১৯৯০/৯১ দিকের হবে, সন্মানিত ছাত্র-ডাক্তার সাহেবের জন্ম হয়নি তখন অথবা হয়েছিল সবে । ডা: মালেকা নামে একজন এক কৃষকের স্ত্রীর বাচ্চা প্রসবের চূক্তি করে ২০০০ টাকায় । সিজার করে দেখা যায় জমজ বাচ্চা । আরো ২০০০টাকা চায় ডাক্তার । দরিদ্র চাষী দিতে পারেননা বলে ডাক্তার একটা বাচ্চা পেটের মধ্যে রেখেই পেট সেলাই করে দেয় । বেশ রিপার্কেশন হয়েছিল তখন ঘটনাটা নওগাঁ শহরে, পরে ধামাচাপা পড়ে যায় । ঘটনাটা সত্য ।
    সব সার্ভিসেরই অধিকাংশ লোকই ভাল নয় । এই সত্যটা সকলকে মেনে নেয়া উচিৎ । মনে কিছু করবেননা ছাত্র-ডাক্তার সাহেব । আমার বংশে অনেক ডাক্তার আছে, ডাক্তার বন্ধুও কম নাই, তবুও বলছি, সব সার্ভিসের মতো ডাক্তারদের মধ্যেও অধিকাংশই ভাল নয়, এটাই আমার ধারনা এবং এটাই সত্য । আবার অনেক মহান ডাক্তারও আছেন ।
    ছোট হিসেবে আপনাকে বলি, উগ্র হয়েননা । মাটির মানুষ হোন, মানুষের ভালবাসা পাবেন আর পাবেন জীবনে শান্তি । ধন্যবাদ ।

  • ব্লগার মেডিকেল বাবা

    জনাব আজিজুল ইসলাম আপনাকেও ধন্যবাদ। ঘটনা সত্যি কিনা জানি না। যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে বলবো, মাত্র সামান্য কটা টাকার জন্য যারা এমন নিষ্ঠুরমত কাজ করতে পারে ডাক্তারির মত মহৎ পেশা তাদের জন্য নয়। ধিক্কার জানাই তাদের এমন নিচু মন-মানষিকতাকে। সৃষ্টিকর্তার কাছে কামনা এমন মানুষ যেন এই পেশায় না আসে।
    কে কেমন বলতে পারবো না। তবে আমার নিজের ওপর বিশ্বাস আছে। ডাক্তারি পরছি, ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে আর যাই হোক কোন গরিব মানুষকে সর্বহারা হতে দেন বা। বিশ্বাস করবেন, যখন সাদা এপ্রন পরে হাসপাতালে যাই তখন খুব কষ্ট হয় যখন গরীব মানুষগুলো আমাদের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। ডাক্তার হয়ে যদি মানুষের দোয়ার চেয়ে বদ্দোয়াই বেশি পাই তবে সেই ডাক্তার হওয়া আমার কাম্য নয়। ভুল হলে ক্ষমা করবেন। সবার দোয়া চাই।

  • আজিজুল ইসলাম

    aponar manosikotake sagoto janai . gorib manushgulor upor aponar ei shroddha khubi valo legeche . asole sob service-i poche geche . amader boro poder engineer-der keu keu takay noy dollar-euro, esobe ghush khay . tai ki bolbo, sob service-i poche geche. dukkho korbenna, nije valo thaklei ek dhoroner shanti pawoya zay .
    ‘vul hole kkhoma korben’ kothata bole amake songkuchito kore fellen . apnio amar kono kothay mone aghat pele ami sejonyo dukkho prokash korchi . dhonyobad .

  • ব্লগার মেডিকেল বাবা

    আপনার কথাগুলো ভাল লেগেছে। আসলেই আমরা পচে গেছি। এদেশে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে দুর্নীতির কাল ছায়া গ্রাস করেনি। তবে ইনশাল্লাহ, নিজের জায়গায় ঠিক থেকে মানব সেবায় নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাবো।
    মানুষ মাত্রই ভুল। তাই ভুলগুলোকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলে এবং ভুলগুলো শুধরে দিলে হয়তো সমাজের চেহারাটাই বদলে দেওয়া সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য