সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

অহংকার করিওনা

রেজিনা আহমেদ ২৫ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ০৮:০২:৪৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২২ মন্তব্য

আব্বু বলতো, বিপদ কখনো কাউকে জানিয়ে আসেনা, নিজেকে তাই এমনভাবে তৈরী করো যাতে শত্রুকেও সাহায্য করার সময় তোমার মনে কোনো অহংকারবোধ না জন্মায়.. তাই কোনোরকম প্রাপ্তির আশা না করেই বিপদের দিনে চরম অপছন্দের মানুষ বা শত্রুকেও সামর্থ্য মতো সাহায্য করতে শিখেছি সেই ছোটবেলা থেকেই।। পরবর্তীতেও করবো

কিন্তু পরিচিত অনেককেই দেখি পূর্বশত্রুতা বজায় রাখতে বা অহংকারের বশবর্তী হয়ে মুখে অনেক বড়ো বড়ো ভাষণ দিলেও কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা..আর এটাকে তারা নাম দেয় “আত্মসম্মানবোধ”…ভাইরে যে মানুষটা রিক্সা চালিয়ে সন্তান-পরিবারের পেট পালে তারও সম্মান আছে.. “আত্মসম্মান” আর “অহংকারের” মধ্যে পার্থক্য আমাদের মতো শিক্ষিত মানুষদের বোঝা উচিত।।

কাজেই আত্মসম্মানবোধ যখন অহংকারবোধে পরিণত হয় তখন সেই মানুষগুলোর প্রতি নূণ্যতম কোনো শ্রদ্ধা আমার আর থাকেনা,, ঘেন্না পর্যন্তও আসেনা, বরং দয়া হয়,, কারণ সবসময়ের জন্য দেখেছি “অহংকার হলো পতনের মূল কারণ”

 

—————
কলকাতা
দক্ষিণ ২৪পরগণা

৯০৯জন ৬৪৫জন
8 Shares

২২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য