অর্পিতা ৫

সঞ্জয় কুমার ২৪ জুন ২০১৪, মঙ্গলবার, ০৮:৪১:৪৮পূর্বাহ্ন গল্প, সাহিত্য ১৪ মন্তব্য

হ্যালো দাদা
মায়ের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট চলে এসেছে । ডাক্তার বলেছেন রিপোর্ট ভাল খুব তারাতারি জ্ঞান চলে আসবে । আপনি সময় পেলে বিকালে আসবেন । রাখলাম ।

ঠিক আছে ।

বিকালে মিলন বলল চল তোর মাসিমাকে দেখে আসি ।

দুইজন একসাথে সদরে এলাম । অর্পিতা এবং রাজু তখন মাকে ঔষধ খাওয়াচ্ছিল ।

জ্ঞান না আসা পর্যন্ত এবং যতদিন মুখে খাবার খেতে না পারে ততদিন নাকের ভিতর দিয়ে নল (পাইপ) দিয়ে খাওয়াতে হয় ।

ঔষধ গুলো ভালোভাবে গুড়ো করে পাওডার বানিয়ে দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়াচ্ছে ।

আমরা দুই বন্ধু অবাক হয়ে দেখছি কিভাবে ওরা দু জন অসুস্থ মায়ের সেবা করছে ।

ঔষধ খাওয়ানো শেষ ।

আপনি কখন আসলেন দাঁড়িয়ে কেন বসুন ।
পাশের জনকে তো ঠিক চিনলাম না ।
ও বলতে ভুলেই গেছি
ও হচ্ছে মিলন আমার বন্ধু এবং রুমমেট ।

মিলন: আপনার মা এখন কেমন আছেন?

আগের চেয়ে অনেক ভাল ডাক্তার বলেছে আজ রাতেই জ্ঞান আসার সম্ভাবনা আছে । রিপোর্ট ও ভাল ।

রাজু তুই মায়ের কাছে থাক । চলুন আমরা নিচে যাই ।

আবার সেই কফি শপে আসলাম । মিলন বলল কি খাবি বল ।

কিছুনা

কিছুনা আবার কি খালি মুখে বসে থাকব নাকি ?

আচ্ছা দিদি আপনিই অডার্র দিন

আমি দেব ?
ঠিকআছে দুইটা কফি একটা চা

মিলন: একটা চা কার জন্য ?

ওনার জন্য উনি বোধহয় কফি পছন্দ করেন না ।

একবার আড়চোখে অর্পিতার দিকে তাকালাম মুখে দুষ্টু হাসি । এই কয়েক দিনে এই প্রথম ওর মুখে হাসি দেখলাম । যে কোন মানুষের সৌন্দর্য কে বহুগুণ দেয় তার হাসি ।

এরপর ওকে হাসপাতালে পৌছে দিয়ে আমরা দুই জন হোষ্টেলের দিকে পা বাড়ালাম ।

রুমে পৌছায়ে মিলন বলল দোস্ত পার্টি দিচ্ছিস কবে ?

কিসের পার্টি ?

এত সুন্দরী একটা জিএফ পেলি আবার বলছিস কিসের পার্টি?

আরে তুই যা ভাবছিস ব্যাপার টা তা নয় । আমি তো ওকে...

থাক আমাকে বোঝাতে আসিস না ।
যা তোর জন্য ছাড় দিলাম শুধু আমাকে একা খাওয়া । কেউ জানবে না নয়ত কাল ক্যাম্পাসের সবাই জেনে যেতে পারে ।

মাফ কর দোস্ত আমি রাজি ।

পরদিন শুক্রবার কম্পিউটারে মুভি দেখছিলাম । প্রায় মাঝ রাতে অর্পিতার ফোন ।

হ্যালো জয় বলছেন ?

চলবে...................

0 Shares

১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ